অপেক্ষার বসন্ত পর্ব-০২

0
160

#অপেক্ষার_বসন্ত
ফাহমিদা তানিশা
পর্ব ০২

আরাফদের গাড়ি চলে গেলো আর অর্নি সেদিকে তাকিয়ে আছে এখনো।কয়েক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে সে চা ওয়ালার কাছে গেলো। তাকে চায়ের কাপটা আর টাকাটা দিয়ে হাঁটা শুরু করলো। রাস্তার মোড়ে এসে একটা রিকশা নিলো। গন্তব্য তার অফিসের উদ্দেশ্যে।

আরাফকে ভুলতে সে সবসময় নিজেকে কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখে। তবু যেন হেরে যায় সে। তবে এতে করে একটা উপকার হয়।তার কাজটা সে ভালোভাবে করতে পারে।ফলে প্রোমোশনটা তাড়াতাড়ি হবে।

সকাল গড়িয়ে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেছে। অর্নি এখনো ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে অফিসে। নতুন একটা কেসের তদন্ত তার হাতে পড়েছে। তাই অনেকটা প্রেসারের মধ্যে আছে সে।হঠাৎ টেবিলে থাকা ফোনটা কেঁপে উঠলে সে সেদিকে তাকালো।আরাফ ফোন করেছে তাকে। ফোনের স্ক্রিনে আরাফের নামটা দেখে খানিকক্ষণ ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থাকলো। তারপর রিসিভ করলো।আরাফ গম্ভীর গলায় প্রশ্ন করলো: কোথায় তুই?
_আমি অফিসে।
_বাসায় আয় তাড়াতাড়ি।তোর সাথে কথা আছে।
_কোনো সমস্যা হয়েছে?
_না। দ্রুত আয়।
_ওকে।
আরাফ সাথে সাথে ফোনটা কেটে দিলো। অর্নি ফোনটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ ভাবলো। আবার কি হয়েছে?এতো তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে বলছে কেন আরাফ?তার ভালোর জন্যই তো সে এতো কিছু করছে। তাহলে নতুন করে আর কিসের ঝামেলা হবে?সেই তো সব ঝামেলার মূল আপাতত।তার সহকর্মী নন্দিনীকে কয়েকটা কাজ দিয়ে সে দ্রুত পায়ে বের হলো।নিচে গাড়িটা রাখা ছিল।তাই আর গাড়ি খোঁজাখুঁজি করে এক্সট্রা প্যারা নিতে হয়নি তাকে। গাড়িতে উঠেই ড্রাইভারকে বললো: আংকেল,বাসায় যাবো। চলুন।
ড্রাইভার‌ও “আচ্ছা মা”বলে গাড়ি স্টার্ট দিলো।

অর্নির মনের মধ্যে শুধু একটাই কষ্ট। আশেপাশের সবাই তাকে খুব ভালোবাসে। কাছের মানুষ হোক, দূরের মানুষ হোক। আবার এলাকাবাসী হোক।সবাই তাকে খুব ভালোবাসে। শুধু আরাফ তাকে ভালোবাসতে পারলো না। আচ্ছা,সে কি এতোই খারাপ?সবাই যদি ভালোবাসতে পারে তাহলে আরাফ কেন তাকে বুঝতে চাইছে না।

গাড়ি আরাফদের বাসার সামনে এসে থামলো।সে নেমে গেইটে ঢুকতে যাবে তখনি দেখে আরাফের চাচাতো ভাই রকি দাঁড়িয়ে আছে।তাকে দেখে সে রাগী চোখে তাকালো। অর্নি তাকে দেখে একটা শুকনো হাসি দিলো।সে সরাসরি জিজ্ঞেস করে বসলো:অর্নি,তুমি কি পাগল হয়ে গেছো?
_কেন ভাইয়া?কি হয়েছে?
_কি হয়েছে তা আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো।এসব কি করছো?আরাফ না আবেগ দিয়ে চলছে তাই বলে তুমিও আবেগ দিয়ে চলবে? তোমার তো এটলিস্ট বোঝা উচিত।
_আমি কি করবো ভাইয়া? আমার তো মাথায় কিছু কাজ করছে না।
_তুমি ঠান্ডা মাথায় সব ভেবে দেখো। তুমি নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিলে তো হবে না। যেহেতু তোমাদের বিয়েটা পারিবারিকভাবে হয়েছে তাহলে পরিবারের সদস্যরা সব সমস্যার সমাধান করবে।
_আমি নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিলাম কখন ভাইয়া? আমিও তো চাই আরাফ ভাইকে। কিন্তু আমি তার চেয়েও বেশি চাই উনি ভালো থাকুক। উনি ভালো থাকলে আমি অনায়াসে ভালো থাকতে পারবো। আমি না হয় দূর থেকে দেখবো উনার ভালো থাকাটা।
_জুঁইকে বিয়ে করে কি আরাফ ভালো থাকতে পারবে? তোমার মনে হয় এমন?
_সেটা আমি তো বলতে পারবো না।আরাফ ভাইয়ের মতে উনি জুঁইকে পেলে ভালো থাকবে। তাহলে আমরা বলার কে?
তখনি উপর থেকে আরাফ ডাক দিলো।আরাফের রুম দু’তলায়।সে বেলকনিতে এসেছিল তখনি অর্নিকে দেখে তার কাছে যাওয়ার জন্য ডাকলো।

অর্নি আরাফের ডাক পেয়ে এক প্রকার দৌড়ে উপরে গেলো। লম্বা গলি হ‌ওয়ায় তাকে অনেকটা দৌড়াতে হয়েছে।তার মধ্যে দৌড়ে সিঁড়িতে ওঠার কারণে সে অনেকটা হাঁপিয়ে গেছে। এক দৌড়ে আরাফের সামনে গিয়ে হাঁপাতে লাগলো অর্নি।আরাফ তার অবস্থা দেখে এক গ্লাস জল এগিয়ে দিলো। অর্নি এক চুমুকে পুরো গ্লাসটা শেষ করলো।আরাফ এক পলক তার দিকে তাকালো।দেখলো অর্নি এখনো হাঁপাচ্ছে।সে তা দেখে গম্ভীর গলায় বললো: বিছানায় গিয়ে বস। এতে একটু ভালো লাগবে।
অর্নি “আচ্ছা” বলে বিছানায় গিয়ে বসলো।আরাফ তার পেছন পেছন গেলো। কি ভেবে বললো:চাইলে শুতে পারিস।
আরাফের কথায় অর্নি বেশ অবাক হলো। চোখগুলো বড়ো বড়ো করে জিজ্ঞেস করলো: আপনার বিছানায় আমাকে শুতে বলছেন?
_এখন কিছুক্ষণ রেস্ট নেওয়ার জন্য শুতে বললাম। ‌আমি আসলে উঠে যাবি আবার।বাই দ্যা ওয়ে, এভাবে দৌড়ে দৌড়ে আসলি কেন? জানিস তো শরীরে দৌড়ানোর মতো শক্তি নেই।
_আপনি ডেকেছেন তাই দৌড়ে আসলাম।
_আমি কি দৌড়ে আসতে বলেছি তোকে? ধীরে ধীরে হেঁটে আসবি। জানিস?তোর একটাই সমস্যা।না বুঝে, না শুনে সব কাছে ছাগলের বাচ্চার মতো লাফাতে শুরু করিস। বুদ্ধিসুদ্ধি একটু রাখিস মাথায়। তাহলে আর বিপদে পড়বি না।

অর্নি চুপ করে আছে। আসলেই তা বুদ্ধি নেই। বুদ্ধি থাকলে কী আর আরাফের মতো ছেলের প্রেমে পড়ে?সে পাগল বলেই এভাবে পাগলামি করছে।আরাফ এখনো এক পাশে দাঁড়িয়ে আছে। অর্নি একটু চুপ থেকে জিজ্ঞেস করলো: আমাকে ডেকেছিলেন কেন?
_তুই বাসায় আমাদের ডিভোর্সের কথা বলেছিস?
_না,আমি তো বলিনি।
অর্নির কথায় আরাফ বেশ অবাক হলো।সে অর্নিকে খুব ভালো করে চিনে। অর্নি কখনো মিথ্যা বলার মেয়ে নয়। যেহেতু অর্নি বলেনি বলেছে তাহলে সে কখনো বলবে না।অর্নির উপর এতটুকু বিশ্বাস আরাফের আছে। তাহলে তাদের ডিভোর্সের কথা বাসায় জানলো কি করে? ডিভোর্সের ব্যাপারটা আরাফ,অর্নি আর জুঁই ছাড়া আর কেউ জানে না। তাহলে কি জুঁই কাউকে বলেছে? একটু ভেবে সে আবার প্রশ্ন করলো।”তোর কোনো ফ্রেন্ডকে বলেছিস?বা কলিগকে?”
_না ভাইয়া। আমি কাউকে বলিনি।
_তাহলে আমাদের ডিভোর্সের ব্যাপারটা বাসায় জানলো কি করে বল তো?
আরাফ ভ্রু কুঁচকে অর্নির দিকে তাকিয়ে আছে। হয়তো তার কাছ থেকে কোনো উত্তর আশা করছে সে। কিন্তু অর্নিও বুঝতে পারছে না বিষয়টি জানাজানি হলো কি করে।কারণ অর্নি তার পক্ষের উকিল মিসেস শাহানাকেও বারণ করে দিয়েছিল বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য। তাহলে কথাটা বাড়িতে জানলো কি করে? মনে মনে তার‌ও জুঁইয়ের উপর সন্দেহের তীরটা পড়লো। কিন্তু আরাফকে জুঁইয়ের নামে কিছু বলার সাহস অর্নি পেলো না।তাই চুপ করে থাকলো। কিন্তু আরাফ আচমকা অর্নিকে অবাক করে দিয়ে বলে বসলো:তোর কি মনে হয় জুঁই কাউকে বলেছে?
অর্নি এবার খুব ভালো সুযোগ পেলো।তাই সেও জবাব দিলো: আমাদের ডিভোর্সের ব্যাপারটা আমি, আপনি আর জুঁই ভাবি ছাড়া কেউ তো জানে না।যদি আমি আর আপনি কাউকে কিছু না বলি তাহলে বাকি থাকে জুঁই ভাবি।তাই না?
আরাফ এবার কপাল কুঁচকে অর্নির দিকে তাকালো।বড় গলায় বললো:এক থাপ্পড় দিয়ে দাঁত সব ফেলে দিবো বেয়াদব মেয়ে।
অর্নি বুঝতে পারছে না হঠাৎ আরাফের কি কারণে এতো রেগে গেলো।সে নিজেই তো জুঁইকে সন্দেহ করছে তাহলে অর্নির কী দোষ?তাই সে ছোট গলায় বললো: আমি আবার কি করলাম?
_তুই ওকে ভাবি বলতে যাচ্ছিস কেনো? জুঁই কি এখনো তোর ভাবি হয়েছে? তাহলে বারবার এতো ভাবি ভাবি বলে আদিখ্যেতা দেখানোর কি আছে?কোর্টেও ভাবি ভাবি বলে নিজ থেকে কথা বলতে গেলি আর অপমান হয়ে আসলি।এখানেও ভাবি ভাবি করছিস। নেক্সট টাইম যদি ভাবি বলেছিস তাহলে আর চড় দেবো বলবো না। সোজা চড়টা বসিয়ে দিবো।

অর্নি এবার অবাকের চরম লেভেলে গিয়ে পৌঁছালো। তাই কিছু বুঝতে না পেরে প্রশ্ন করলো: আমাদের ডিভোর্সটা হয়ে গেলে তো আপনারা বিয়ে করবেন।তাই না? তখন তো উনি আমার ভাবি হবে। তাহলে এখন থেকে ভাবি ডাকলে সমস্যা কোথায়?
_যেদিন বিয়েটা হবে সেদিন থেকে ভাবি ডাকবি।এর আগে মাষ্টারি কম করবি। ঠিক আছে?
অর্নি এবার হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ালো।সে বুঝতে পারে না আরাফের মাথায় কখন কি চলে। একবার বলে আমাকে কেন বিয়ে করলি? আমি তো জুঁইকে ভালোবাসি। আমি ওকে চাই শুধু। তোকে ডিভোর্স দিয়ে ওকে বিয়ে করবো।আবার বলে যখন বিয়ে করবো তখন ভাবি ডাকিস।আরাফের তো অর্নির সেক্রিফাইস দেখে খুশি হ‌ওয়ার কথা।তার মধ্যে সে উল্টো তেজ দেখায়। কখনো কখনো অর্নি নিজেই বোঝে না সে কি করবে?তার ভাবনাকে দূরে সরিয়ে দিয়ে আরাফ বললো: শোন, এখন আম্মু-আব্বুকে কিভাবে বোঝাতে হবে তা আমি জানি না। বাড়িসুদ্ধ সবাই আমার উপর রেগে আগুন। আমি আর ওদের সাথে এসব নিয়ে কথা বলতে চাই না।এমনেও আমি ওদের কারো সাথে কথা বলে লাভ নেই।

তখনি তাদের রুমে প্রবেশ করলো রকি,আরাবি আর অবনি।আরাবি আরাফের ছোট বোন আর অবনি তার চাচাতো বোন। অবনি আবার আরাফের সমবয়সী। তাদের দুজনের মাঝে খুব সখ্যতা রয়েছে। তাদের দেখে অর্নি উঠে দাঁড়ালো। অবনি জিজ্ঞেস করলো:তোরা কি করছিস? আমরা কি আসতে পারি?
অর্নি হেসে জবাব দিলো: কিছু করছি না আপু।আসতে পারেন।
আরাফ আরেকটু আগ বাড়িয়ে বললো: রুমের মাঝখানে এসে রুমে ঢোকার পারমিশন নিচ্ছিস?এই তোদের ম্যানার্স?
বেচারার কথা শেষ করার আগেই তিনজনে একসাথে বলে বসলো: আমাদের ম্যানার্স নিয়ে কথা বলার মতো যোগ্যতা তোর এখনো হয়নি।
অবনি এটুকু বলে থামলো না।তারা তো আরাফকে কাবু করার সুযোগ খুঁজছিল।তার মধ্যে আরাফ নিজেই সুযোগটা করে দিলো।সেই সুযোগ অবনি কিছুতেই হাতছাড়া করবে না। গমগমে গলায় বললো: তুই আগে ম্যানার্স শিখে আসবি তোর এক্স গার্লফ্রেন্ড জুঁই থেকে। তারপর আমাদের ম্যানার্স নিয়ে কথা বলতে আসবি।
অবনির কথায় রকি তাচ্ছিল্যের সাথে বললো:আরে অবনি,কার কাছ থেকে ম্যানার্স শিখতে বলছিস তুই?এই জুঁই থেকে ম্যানার্স শিখতে গিয়ে আরাফ নিজেই তো কাউয়ার্ড হয়ে আসবে।
অবনি তার মুখের হাসিটা প্রশস্ত করে বললো: ভাইয়া, কি বলছো তুমি?আরাফ তো এখন কাউয়ার্ডের লাস্ট স্টেজে পৌঁছে গেছে। আমার তো মনে হয় না আমাদের গুষ্টিতে ওর মতো কাউয়ার্ড আরেকটা আছে।
অবনির কথায় আরাফ কপাল কুঁচকে ফেললো।রাগে তার পুরো শরীর কাঁপছে।তার মতো ছেলেকে কাপুরুষ বলছে।তা কি কখনো মানা যায়? তবু তাকে আজ মানতে হবে। প্রতিবাদ করলে সব উল্টা হয়ে যাবে।এমনেও পরিস্থিতি এখন স্রোতে প্রতিকূলে আছে ‌।তাই চুপচাপ সে বেরিয়ে যেতে যাচ্ছিল। তখনি আরাবি থামিয়ে দিলো তাকে।”আরে ভাইয়া, কোথায় যাচ্ছো? আমরা তো তোমার সাথে কথা বলতে এসেছি।”
আরাফ গম্ভীর কন্ঠে জবাব দিলো: আমার এখন সময় নেই ‌। একটা ইমারজেন্সি প্যাশেন্ট এসেছে।
কথাটা শুনে অবনি আবারো তাচ্ছিল্য করে বললো:ইমার্জেন্সি প্যাশেন্টকে সামলানোর জন্য হাসপাতালে তোর চেয়ে অনেক বেটার ডক্টর আছে। তুই আপাতত বাসায় থাকবি আর আমাদের সাথে কথা বলবি।তা না হলে আমরা ছোট চাচ্চুকে তোর পেছনে লেলিয়ে দিবো।

আরাফ এবার একটা ঢোক গিললো। পৃথিবীর কোনো কিছুতে দূর্বলতা না থাকলেও আরাফের দূর্বলতা অবনির ছোট চাচ্চু মানে তার বাবা। মানুষটাকে সে জমের মতো ভয় পায়।তাই তো তার এক কথায় অর্নির মতো হাঁটুর বয়সি এক মেয়েকে সে বিয়ে করে ফেললো। যাকে সে সারাজীবন বোনের চোখে দেখলো তাকে সে তার ব‌উ বানাতে রাজি হলো। যদিও কাগজে কলমে তারা স্বামী-স্ত্রী। তবুও তো “বিয়েটা করবো না” বলতে পারলো না। এখনো তার বাবা জানে না মতো করেই সে ডিভোর্সটা করতে চায়। কিন্তু কিভাবে কিভাবে সবাই সবটা জেনে গেলো। বেচারা অবনির হুমকি পেয়ে দাড়িয়ে থাকলো।রাগে আর কষ্টে তার ইচ্ছা করছে অবনির মাথাটা ফাটিয়ে দিতে।

আরাবি অর্নিকে উদ্দেশ্য করে বললো: তুমি একটু বাইরে যাও। আমরা ভাইয়ার সাথে কিছু পার্সোনাল কথা বলবো।
অর্নি আরাবির কথায় রুম থেকে বেরিয়ে গেলো। মনে মনে ভাবলো: এমন কি পার্সোনাল কথা যা তার সামনে বলা যাচ্ছে না?সে কি এতোই পর যে তাকে রুম থেকে চলে যেতে বললো?আরাবির তো আগে অনেক সুন্দর করে কথা বলতো। দুজনেই সমবয়সী হ‌ওয়ায় একসাথে থাকতো। সুখ-দুঃখের কথা বলতো।কিন্তু আজ আরাবি কেন এভাবে কথা বলছে?সেও কি তার ভাইয়ের মতো হয়ে যাচ্ছে?

চলবে…

[বি:দ্র:গল্পের সাথে বাস্তবতার মিল নেই।]