ভালোবাসা তারপর পর্ব-০১

0
121

#সূচনাপর্ব
#ভালোবাসা_তারপর
#তামান্না_শাহরিন_শশী

“তোমাকে কত বার বলবো, আমাকে না বলে বাড়ির বাহিরে যাবে না। তাও কেনো গেলে? বলো?”

ধমকে উঠলো উচ্ছ্বাস। রোদসী ভয় পেলো, তা তার চেহারা দেখেই আন্দাজ করতে পারলো উচ্ছ্বাস। রোদসী চুপচাপ দাড়িয়ে ছিলো উচ্ছ্বাস এর সামনে, কিছুই বল্লো না।

উচ্ছ্বাস উঠে ওয়াসরুমে চলে গেলো তার মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে। রোদসীকে বাসায় না পেয়ে মাথা ঠিক ছিলো না। কেন যে এমন হয় উচ্ছ্বাস বোঝে না।

উচ্ছ্বাস চলে যাওয়ার পর রোদেসী হাপছাড়ে। প্রচুর ভয় পেয়েছে তবুও কিছু বলে নি। সে জানে যত কথা বাড়াবে তত কথা বাড়বে। রোদেসী নিজেকে সামলে কিচেনে যায়। মেইডরা রাতের রান্না করছে। রোদেসী রান্না গুলো দেখে আবার রুমে চলে আসলো। এসে দেখে উচ্ছ্বাস চুপচাপ বারান্দায় দাড়িয়ে সিগারেট ফুঁকছে। রোদেসী কিছু না বলে বিছানায় চুপটি করে বসলো। উচ্ছ্বাস টের পেলো রোদসী রুমে এসেছে তাই সে সিগারেট ফেলে এসে রোদসীর কোলের ওপর মাথা রেখে সুয়ে পড়লো। বিয়ের এই ছ’মাস পার হবার পরও এসব নিয়ম বদলায়নি, আর মনেও হয় না আর কখনো বদলাবেও। মাঝে মাঝে রোদসীর এই জীবন বিষাক্ত লাগে। তবুও কিছু বলে না। উচ্ছ্বাসে সাথে তার প্রথম দেখা হয় রোদসীর কাজিন ভাইয়ের বিয়েতে। উচ্ছ্বাস রোদসীর কাজিনের বন্ধু তবে ওদের পরিচয়ও ওতো সুখকর ছিলো না। প্রথম পরিচয়েই তিক্তাতা ভর করে তবে ওই থেকে এই পর্যন্ত আসা, রোদেসী কখনো কল্পনাতেও ভাবেনি।

দরজায় নক করার শব্দে রোদসীর ধ্যান ভাঙ্গে। মেইড এসে ডেকে গেছে রাতের রান্না হয়ে গেছে। রোদসী মেইড কে চলে যেতে বলে উচ্ছ্বাসকে ডাক দেয়। উচ্ছ্বাস রোদসীর দিকে কতক্ষণ তাকিয়ে চুপচাপ উঠে ফ্রেশ হতে চলে গেলো। আর রোদেসী নিচে এসে খাবার ঠিকঠাক করতে লাগলো। উচ্ছ্বাস এলেই তাকে খাইয়ে দিতে হবে। এই নিয়ম নতুন নয়। সেই প্রথম থেকেই এই বায়না, প্রথমে বিরক্ত লাগলেও এখন মানিয়ে নিয়েছে রোদসী। এর মধ্যে উচ্ছ্বাস এসে রোদসীকে জিজ্ঞেস করলো,

“কি হয়েছে রোদ। আজকে এতো অন্যমনষ্ক লাগছে কেনো তোমাকে? কিছু হয়েছে?

রোদসী কিছু বল্লো না, তাতে উচ্ছ্বাসের মেজাজ খারাপ হলেও কিছু বলে না, সন্ধ্যায় এমনিতেই রোদসীর সাথে রাগারাগি করেছিলো। তাই টপিক টা বন্ধ রেখে সে চুপচাপ রাতের খাবার শেষ করে উঠে চলে গেলো।

রোদসী উচ্ছ্বাসের যাওয়ার পানে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। তাদের সম্পর্কটা জানি কেমন, খাপছাড়া, মাঝে মাঝে রোদসীর মনে হয় তাদের সম্পর্ক টা লোক দেখানো মিছেমিছি। আচ্ছা সম্পর্ক কি আদোও মিছেমিছি হয়? লোক দেখানো হয়? হয় বোধহয়!

রোদসী চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে রাতের খাবার খেয়ে সব গুঠিয়ে উপরে চলে গেলো। রুমে উচ্ছ্বাসকে রোদসী পেলো না তাই সে ওয়ারুমে যেয়ে ফ্রেশ হয়ে চুপচাপ রুমের বাতি নিভিয়ে সুয়ে পড়লো। আর ভাবতে লাগলো, জীবনের ভুলটা কোথায়?

কিছুক্ষণ পর রোদসী রুমে কারো অস্তিত্ব টের পায়, রোদসী জানে এটা উচ্ছ্বাস তবু কোনো প্রতিক্রিয়া না করে ওভাবেই সুয়ে থাকলো। উচ্ছ্বাস এসে রোদসীকে ডাকলে,

“এ্যাই রোদু কি হয়েছে তোমার? তোমার কি মন খারাপ? আমি কি কিছু করেছি। সন্ধ্যার জন্য আমি সরি পাখি। আসলে, আসলে বাসায় এসে তোমাকে না পেয়ে মাথা ঠিক ছিলো না। আর করবো না এমনি। সরি।”

রোদসী কথাগুলো শুনলো, প্রতিবারের কথাই কোনো প্রতিউত্তর করার ইচ্ছে হলো না। সে চুপচাপই পড়ে রইলো। এতে উচ্ছ্বাস ধৈর্যহারা হয়। সে এবার শান্ত কন্ঠে ধমকে বলে,

“সমস্যা কি তোমার? কথা কানে যায় না? কি জিজ্ঞেস করেছি? কথা বলছো না কেন?”

এবার রোদসী মুখ খোলে,

“আর কত?”

“কি আর কত?”

“এই যে। আপনি বোঝেন না?”

“না তাই তো তোমায় জিজ্ঞেস করেছি। দেখো রোদ আমি জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো না। তাই বলে কি চেষ্টা করা যায় না? আমি তোমাকে ভালোবাসি বোঝো না কেনো?”

“কোথায়? ভালোবাসা! আসলেই বাসেন? কই আমি তো টের পাই না?”

“আচ্ছা টের পেতে হবে না। এটা বাদ দেও বলো, আজকে কোথায় গিয়েছিলে?”

এবার রোদসী একটু ভীত হয়, কারণ রোদসী তার একটা বান্ধবীর সাথে দেখা করতে গিয়েছিলো। আর উচ্ছ্বাস এগুলো পছন্দ করে না। তবুও গলায় জোর এনে রোদসী বলে,

“আমি একটা কাজে বাহিরে গিয়েছিলাম। তবে আজকেই প্রথম আর কখনো যাবো না।”

“আমি কারণ জিজ্ঞেস করেছি”

রোদসী কতক্ষণ সময় নেয়, তারপর বলে-

“আমার ভার্সিটির ফ্রেন্ড কে মনে আছে? আলো ওর নাম, আপনি হয়তো ওকে দেখেছিলেন।”

“তো?”

“আসলে ও অসুস্থ। হসপিটালে ভর্তি ওকে দেখতে গিয়েছিলাম।”

“তাই আমার কাছে অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন মনে করো নি তাই না! আচ্ছা তুমি কি চাও না আমরা ভালো থাকি?”

“আমরা খারাপ কোথায় আছি?”

“আমাকে তুমি সময় দেও না। কিন্তু কেন?”

উচ্ছ্বাসের মুখে এই কথা শুনে রোদসী তাজ্জব হয়ে যায়! উচ্ছ্বাস সে সময় দেয় না? অদ্ভুত।রোদসী উত্তর দেয়,

“এটা কেমন কথা আমি তো আপনার সাথেই থাকি তাহলে সময় দেই না এটা কেমন কথা হলো?”

উচ্ছ্বাস জবাব না দিয়ে রোদসী কে জরিয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ে।

রোদসী হাপছারে। আপতত উচ্ছ্বাস কে শান্ত করা গেলো। রোদসী এই ছেলেকে ভয় পায়। দিন দিন কেমন পজেসিভ হয়ে যাচ্ছে। কোথাও যেতে দেয় না। কারো সাথে কথা বলতে দেয় না।
——

আজকে রোদসীর ঘুম ভাঙে একটু বেলা করে তবে রুমে উচ্ছ্বাস কে পেলো না। সে উঠে একটা শাড়ি নিয়ে ওয়াসরুমে চলে যায়। ওয়াসরুম থেকে বের হয়ে দেখলো উচ্ছ্বাস এসে রেডি হচ্ছে। তাই চুল মুছতে মুছতে রোদসী উচ্ছ্বাস কে জিজ্ঞেস করে কোথায় যাবে?

উচ্ছ্বাস জানায় আজকে ইম্পর্টেন্ট মিটিং আছে। রোদসী “ওহ” বলে আর কিছু না বলে নিচে চলে আসে।

সকালের নাস্তা করে উচ্ছ্বাস অফিসে চলে যায়। রোদসী বাসায় একা পড়ে যায়। এমন একা থাকতে রোদসীর ভালো লাগে না। রোদসীর বাবার বাড়ি অনেক বড় এক কথায় বলতে গেলে যৌথ পরিবার বলা যেতে পারে। যৌথ পরিবারে বড় হয়ে হঠাৎ এমন একা থাকা অনেক কষ্টকর হয় রোদসীর জন্য তবে উচ্ছ্বাস বেশি মানুষ পছন্দ করে না। উচ্ছ্বাস যখন ছোটো ছিলো তখন তার মা মারা যায়। তার পর ওদের দাদা বাড়ি থেকে ওর বাবাকে আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয় তখন অবশ্য উচ্ছ্বাস ছেটোই ছিলো। পরে উচ্ছ্বাস ভার্সিটিতে পড়াকালীন একা থাকা শুরু করে ওদের বাবার বাড়ির আত্মীয়দের থেকে এভাবেই একা থাকা শুরু করে।

বিকালে রোদসী ছাদে আসে। প্রায়ই একা একা লাগলে রোদসী বই অথবা ছাদে এসে ঘোরাঘুরি করে। ছাদটা রোদসীর ভিষণ পছন্দ হয়েছে। হরেক রকমের ফুল গাছ পাশেই একটা দোলনা।

মাগরিব এর সময় উচ্ছ্বাস বাসায় আসে তবে রোদসীকে দড়জা না খুলে দেয়ায় রাগ লাগে সে সরাসরি রুমে এসে রোদসীকে খোঁজ করে কিন্তু ওয়াসরুম বা বারান্দায় কোথায় না পেয়ে আরো মাথা গরম হয়ে যায়। ডাকাডাকি করে তবুও রেদসীর কোনো সারা পায় না। উচ্ছ্বাসের চিন্তা হয় তবে চিন্তা বাদ দিয়ে মেইডকে জিজ্ঞেস করে মেইড বলে যায় রোদসী বিকেলে ছাদে গেছে এখনো নিচে নামে নি। উচ্ছ্বাস চিন্তা মুক্ত হয় ঠিকি কিন্তু মাথা থেকে রাগ নামে না।

সে উঠে ছাদে চলে আসে। এসে দেখে রোদসী দোলনায় ঘুমিয়ে পড়েছে। উচ্ছ্বাস রোদসীকে আর ডাকে না। চুপচাপ রোদসীর পায়ের কাছে বসে ওকে দেখতে থাকে। আহঃ কত যুদ্ধ করে এই মেয়েকে পেয়েছে। অনেক কষ্ট, কিন্তু তাদ রোদ তাকে কেনো বোঝে না! সব সময় কেমন ঘোমড়া হয়ে বসে থাকে। সে তো এই রোদের প্রেমে পড়ে নি, মুগ্ধ হয় নি। সে ভালোবেসেছিলো রোদের চঞ্চলতাকে, তাহলে সেই চঞ্চলতা কই হারিয়ে গেলো? ভয় হতে লাগলো উচ্ছ্বাসের। ভাবতে থাকে, রোদ কি তাকে ভালোবাসে না? তাহলে তার সাথে ঠিক মতো কথা বলে না কেন? হাসে না ঠিক মতো। চঞ্চলতাও প্রকাশ করে না যেমন টা সে বিয়ের আগে করতো!

পায়ে কারো ছোয়া পেয়ে রোদসীর ঘুম ভেঙে গেলো। তাকিয়ে দেখে পায়ের দিকটায় উচ্ছ্বাস বসে আছে। রোদসী ধরফর করে উঠে বসে। প্রচুর ভয় পেয়েছে মেয়েটা। নিজেলে সামলে উচ্ছ্বাস কে জিজ্ঞেস করে কখন এসেছে। উচ্ছ্বাস উঠে দাড়িয়ে নিচে আসতে বসে চলে যায়। রোদসী নিজেকে সামলে রুমে আসে। এসে উচ্ছ্বাস কে আর রুমে পায় না।

রোদসী বিছানা গুছিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ায় আর তখনই একটা শক্ত পোক্ত হাত পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে। রোদসী কিছু বলে না। উচ্ছ্বাস কিছুক্ষণ রোদসীকে পর্যবেক্ষণ করে রোদসী কে বলে,

“আমরা কিছুদিনের জন্য বাবার ওখানে যাবো।”

রোদসী অবাক হয়, বিয়ের পর কখনো ওইবাড়ির কথা কখনো উচ্ছ্বাস মুখেও আনেনি তাহলে হঠাৎ ওই বাড়ি যাবে শুনে একটএ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, হঠাৎ?

এমনি মনে হলো একটু ঘুরে আসি। তুমি বাসায় একা ফিল করো তাই ভাবলাম ওখানে থাকি কিছুদিন।

রোদসী কিছু বল্লো না।

সকাল সকাল উঠে সব কিছু শুরু করে। একটু পরেই ওরা রওনা দিবে।

দুপুরের দিকে ওরা এসে পৌঁছালো। বাড়ির সবাই কল্পনাও করে নি। উচ্ছ্বাস রোদসীকে এই বাড়ি নিয়ে আসবে।

রোদসী কে উচ্ছ্বাস ড্রইং রুমে রেখে নিজের রুমে চলে যায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই রোদসীর ডাক পরে। রোদসী উঠে রুমে যাবার জন্য তবে বাড়ির কিছু যেহেতু রোদসী কিছু চেনে না তাই। উচ্ছ্বাসের দাদী উচ্ছ্বাসের চাচাতো বোন উষাকে বল্লো উচ্ছ্বাসের রুম দেখাতে। উষা রোদসীকে রুম দেখিয়ে চলে আসছে।

রুমে এসে দেখে উচ্ছ্বাস বেডে বসে আছে। সে রোদসীকো জিজ্ঞেস করে কেউ কিছু বলেছে কিনা। রোদসী জানায় কেউ কিছু বলেনি। আর জানায় দাদীমা উষা কে বলেছে রুম দেখিয়ে দিতে তাই ও এসেছিলো।

উচ্ছ্বাস বল্লো, ” বাসায় কেউ কিছু বল্লে আমাকে জানাবা। আমরা এখানে বেড়াতে এসেছি। বেশি দিন থাকবো না। চলে যাবো তবে তুমি যদি এখানে থাকতে চাও থাকতে পারি। কারণ তুমি বাসায় একা থাকো আমি জানি তোমার বাসাশ একা ভালো লাগে না তাই এই বাসায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে এখানে কতদিন থাকবো তোমার উপর নির্ভর করে।”

রোদসী জানায়, “তার কোনো সমস্যা নেই এখানে থাকতে। সে মানিয়ে নিবে। উচ্ছ্বাস জানে রোদসীর সমস্যা হলেও সে জানাবে না। তবে উষার উপর ভরসা আছে। উষা রোদসীর সাথে থাকবে দেখে রাখবে।”

সন্ধ্যার দিকে উচ্ছ্বাস বাহিরে যায়,তার কিছুক্ষন পরই উষা আসে।

“ভাবী আসবো?”

“আসো! বলার কি আছে। বসো, বলো কেমন আছো?”

“না এমনি জিজ্ঞেস করে আসা ভালো। আমি ভালো তুমি। আচ্ছা ভাবি বলো তো এই ঘাড়ত্যাড়া কিাভাবে তোমার এতো পাগল হলো যে বিয়েই করে ছাড়লো।”

“এই কথা শুনে রোদসী হাসলো। বললো, কি জানি তোমার ভাই তো তোমার ভাই-ই। তোমারাই ভালো জানো কি দেখলো।”

“আচ্ছা ভাবি তোমাকে ভাইয়া প্রথম কই দেখেছে জানো?”

উষার বোকা বোকা প্রশ্নে রোদসী খিলখিল করে হেসে দিলো, বেচারি এতে লজ্জা পায় কি একটা প্রশ্ন করে বসলো, রোদসী হাসি থামিয়ে বলে, “হ্যাঁ। আমার ভাইয়ের বিয়েতে। রেদোয়ান ভাইয়ের বন্ধু হয় তোমায় ভাই।”

“জোস তো তারপর কি হলো?”

রোদসী উষার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলো কিছু বলতে যাবে তার মধ্যেই দরজায় নক পড়লো, রোদসী তাকিয়ে দেখে বৃষ্টি দাড়িয়ে। বৃষ্টি উচ্ছ্বাসের সৎ বোন। রোদসী একটা হাসি দিয়ে রুমে আসতে বল্লো, বৃষ্টি তার কথায় পাত্তা না দিয়ে বলে দাদী ডেকেছে। তারাতারি আসো। রোদসী জানায় সে আসছে।

বৃষ্টি যাবার পরই উষা বলে, “এই মেয়ে যে কোন ধরনের আল্লাহই ভালো জানে, এই আমার সাথে থাকবে ভালোবাবে কথা বলবে। এই মুাক কালো করে বসে থাকবে। ফাজিল একটা”

“ইসস, উষা এভাবে বলতে নেই হয়তো ও এমনই”

” না ভাবী, ওর পেটে পেটে শয়তানি বুদ্ধি। যখন প্রয়োজন পড়বে গলায় গলায় ভাব করবে। আবার যখন ওর স্বার্থে লাগবে তখন কাউকেই চিনবে না। মায়ের মতোন স্বার্থপর একটা। ওদের জন্যই তো ভাইয়া এই বাসায় এসে থাকে না।”

“থাক বাদ দেও, চলো তো দেখি দাদি কেনো ডেকেছেন।”

চলবে…..

ভুলত্রুটি ক্ষমাপার্থী