@থার্টি_ফার্স্ট_নাইট
#পর্ব_০৩
#লেখিকা_নুসরাত_জাহান_নিপু
‘টুং’ শব্দে নিশির মোবাইল বেজে উঠলো।ফোন হাতে নিয়ে দেখে অভিনেতা সূর্য আহমেদ মেসেজ করেছে।তাড়াতাড়ি করে সে হাতের ফুল,সুই-সুতো টেবিলে রেখে মোবাইল হাতে নিলো।মেসেজ এসেছে,”হ্যালো নিশিরাত।”
ঠোঁট কামড়ে নিশি হাসি আটকে রাখলো।মিটিমিটি হেঁসে মেসেজে লিখলো,”আবার মেসেজ করেছেন?”
সাথে সাথে রিপ্লাই এলো না।নিশি কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলো।কিন্তু রিপ্লাই আসার নাম নেই।কিঞ্চিৎ রেগে সে বিড়বিড় করলো,”সেলিব্রিটি ম্যান,বিজি থাকলে মেসেজ করো কেন?যত্তসব!”
মেসেজে কথা বলার এই একটা সুবিধা।কোন কথায় কী রিয়েক্ট করছে সেটা বুঝা যায় না।অভিনয়টা নিখুঁতভাবে করা যায়।ভাবনা বাদ দিয়ে সে বেলিফুলের মালা গাঁথায় মন দিলো।গতদিন সূর্য আহমেদ আইডিতে পোস্ট করেছিল,
“যদি তোমার কৃষ্ণ কেশের সৌন্দর্য প্রবর্ধন করতে চাও;তবে নারী তুমি বেলিফুলের মালা দিয়ে ঝুটি আবদ্ধ করে নাও।”
এটা দেখে নিশি সিদ্ধান্ত নেয় সূর্যের সাথে দেখা করার সময় বেলি ফুল চুলের ঝুটিতে গুঁজে নিবে।আজকে বিকেলে তো দেখা করার কথা।যদিও নিশি বারণ করেছিল।কিন্তু সে জানে বারণ করলেও সূর্য দেখা করবেই।কঠিন মেয়ের রুপে অভিনয় করাটা নিশি
ভালোই উপভোগ করছে।
.
রোমিলা বেগম মালির উদ্দেশ্যে বললেন,”সন্ধ্যামালতি ফুলগুলো এমন হয়ে গেছে কেন?যত্ন নিসনি?দেখ,এমন তিড়িং বিড়িং করলে কিন্তু তোকে গ্রামে পাঠিয়ে দিবো।”
মালির নাম হলো ইশিকা।গ্রাম্য মেয়ের এত সুন্দর নাম শুনে রোমিলা বেগম তাকে সাথে করে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে।মেয়েটির ডাগর ডাগর চোখ,অযত্নে বেড়ে উঠা রুক্ষ চুল আর হালকা হলদে দাঁত।বয়স ২৮ কী ২৯ এর কাছাকাছি।মালিকের কথা শুনে মেয়েটি বলল,”ছিঃ;খালা,তিড়িং বিড়িং কী?আর আমি কী ফুলের যত্ন নেই?সবকিছু তো আফা আর ভাইজান দেখে।”
রোমিলা বেগম অত্যন্ত বিরক্ত হলেন।এই মেয়েটা দুই থেকে চার লাইন বেশি কথা বলে।অবশ্য ডাগর ডাগর চোখের অধিকারী মেয়েরা বেশি কথা-ই বলে।বিভূতিভূষণ বন্দোপধ্যায়ের লিখিত ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসের চরিত্র ‘দূর্গা’রও আঁখি ডাগর ডাগর ছিল।
ইশিকার উদ্দেশ্যে তিনি বললেন,”ওরা দু’জন ব্যস্ত আছে দেখিসনি?”
-“আমারে কইতে হইবো না যত্ন নিতে?”
-“বলতে হবে কেন?বুঝিস না তুই?নাকি শুধু দারওয়ানের সাথে কীভাবে ঢং করতে সেটা বুঝিস?”
রোমিলা বেগমের কথায় ইশিকা অণু পরিমাণ লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে ফেললো।মৃদুস্বরে বললো,”ছিঃ খালা,কী কন এসব?”
কাঁচি ব্যবহার করে গোলাপ গাছের রুক্ষ পাতাগুলি কেটে দিয়ে রোমিলা বেগম বললেন,”বাড়ির প্রত্যেক সদস্যের খবরা-খবর আমি রাখি ইশু।তোদের বয়সটা আমি পার করেই আসছি।হুহ্!”
কিছুক্ষণ নিরব থেকে তিনি ইশিকাকে আদেশ করলেন,”পাইপ নিয়ে আয় যা,পানি দিতে হবে।”
নিরুত্তরে ইশিকা উলটো দিকে ঘুরলে তিনি আবার বললেন,”স্প্রেয়ারটাও নিয়ে আসিস।”
.
অভিনব বাড়ি ফিরলো বিকেল তিনটায়।তাকে দেখতে পেয়ে অনাহিতার মন আকাশে উদ্যত হওয়া কালো মেঘ সরে গেল।হাতের ঘড়ি খুলে রাখতে রাখতে অভিনব বললো,”আমি বের হওয়ার সময় আপনি ঘুমিয়ে ছিলেন।”
-“হুম।”
-“প্রেমশা দুপুরে খেয়েছে?”
-“হুম।এখন মা’র সাথে খেলছে।”
-“দেখেছি।”
আমতা আমতা করে অনাহিতা বললো,”আপনি আমার চেয়ে বয়সে বড়।আমাকে ‘তুমি’ করে ডাকতে পারেন।’অপনি’ করে ডাকছেন,তাই অস্বস্তি হচ্ছে।”
কাবার্ড থেকে শার্ট নিয়ে অভিনব বললো,”চেষ্টা করবো।”তারপর সে বাথরুমে ঢুকে গেল।অনাহিতা নিজের কপালে হাত রাখলো।অনেকক্ষণ ধরে সে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল,”আপনি খেয়েছেন?”।কিন্তু অদৃশ্য এক আড়ষ্টতা তাকে থামিয়ে দিলো।কে জানে,কবে কাটবে এই আড়ষ্টতা!
অনাহিত তার ভাবনা নিজের মধ্যে আবদ্ধ রেখে নিশির রুমে দিকে এগোলো।প্রেমশাকে নিয়ে কয়েকটা প্রশ্ন করা উচিত।নিশিই হয়তো প্রেমশার সম্পর্কে বেশি জানে।
.
আমিন অনেকক্ষণ ধরে তার প্রেমিকা খুশিকে কল করে যাচ্ছে।কিন্তু ওপাশ থেকে বার বার এক নারী কন্ঠ ফোন বন্ধ বলছে।ক্রোধ হয়ে সে বাইক স্টার্ট দিলো।দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর খুশির সাথে বিয়ে ঠিক হয় অনাহিতার বিয়ের আগে।কিন্তু তখন একটা ঝামেলা হওয়ায় বিয়েটা ভেঙ্গে যায়।খুশির পরিবার শর্ত দিয়েছিল অনাহিতার বিয়ে হয়ে গেলেই তবেই তারা আমিনের সাথে খুশির বিয়ে দিবে।
আমিনের ফোন বেজে উঠায় সে বাইক থামিয়ে কল রিসিভ করলো।ওপাশ থেকে খুশি বলছে,”ফোনটা হাত থেকে পড়ে গিয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।”
আমিন নিজের ক্রোধ সামলে রাখতে না পেরে কর্কশ কন্ঠে বললো,”এমন জায়গায় ফোন কেন রাখো?তোমাকে বলিনি আমি কল করবো?”
-“হ্যাঁ,বলেছিলে।আ’ম স্যরি,ওকে?”
মুহুর্তে আমিন বরফের মতো গলে গেল।তার রাগ সব সময় ক্ষণস্থায়ী।সে বলল,”এরপর থেকে মোবাইল সামলে রাখবে।অনির তো বিয়ে হয়ে গিয়েছে,তোমার বাবা-মা কী বলেছে?”
-“এখনো কিছু বলেনি।”
আমিন আবারো রেগে গিয়ে বললো,”বলেনি মানে কী?উনারা কী তোমার সাথে আমার বিয়ে দিতে চায় না?”
খুশি দ্বিগুণ বিরক্ত হয়ে বললো,”দিবে না কেন?আজেবাজে চিন্তা করো।”
-“বাবাকে আমি তোমার বাবার সাথে কথা বলতে বলছি?”
-“উনার কথা বলতে হবে কেন?আচ্ছা,আমি কথা বলবো বাবার সাথে।”
-“ঠিক আছে।দুই দিনের মধ্যে খবর জানাও আমাকে।”
-“আচ্ছা।”
-“খাওয়া-দাওয়া হয়েছে?”
-“মা ডাকছে,পরে কল দিবো।”
আমিনকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে খুশি কল কেটে দিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেললো।খুশির মা বিরক্তি স্বরে বললেন,”এত দাম দিচ্ছিস কেন ছেলেটাকে?বলে দিলেই তো হয়, তুই ও কে বিয়ে করবি না।”
খুশি তার মা’কে আলতো করে জড়িয়ে ধরে বললো,”আরে মা,আমিন যদি জানতে পারে তাহলে আমাকে সেদিনই তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ফেলবে।ও খুব জেদি ছেলে।”
-“সর তো,তুই ভালো বুঝিস।”
.
নিশি নিজের সেলফোনের দিকে এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে।সে পণ করেছে সূর্য আহমেদের মেসেজ না আসা অবধি তৈরি হবে না।মাঝে মধ্যে নিশি নিজেই কনফিউজড হয়ে যায়।আদৌ কী সূর্য তাকে পছন্দ করে নাকি শুধু শুধু টাইমপাস করছে।
সূর্যের সাথে তার দেখা হয়েছিল দুই মাস আগে তার বান্ধবীর বার্থডে পার্টিতে।নায়ক সূর্য আহমেদকে দেখে যেখানে কি’না সবাই অটোগ্রাফ, সেল্ফি নিতে ব্যস্ত তখন নিশি শুধু দূরেই দাঁড়িয়ে ছিল।আসল কথা হচ্ছে নিশি তার বান্ধবীর সাথে আড্ডায় ব্যস্ত ছিল বলে দেখেনি।তা দেখে সূর্য ইমপ্রেস হয়ে যায় আর সূর্য আহমেদ নিজে তার সাথে কথা বলে।
নিশির বিরক্তি বেড়েই চলেছে।শুটিংয়ে কী এতই ব্যস্ত যে একটা মেসেজ করতে পারে না?নিশি নিজেও দুইটা নাটকে কাজ করেছে।কিন্তু সূর্য আহমেদের মতো বড় সেলিব্রিটি না।
‘ধ্যুর’ বলে ফোনটাকে বিছানাশ ছুঁড়ে ফেললো সে।তখন তার দরজায় অনাহিতা ঠক ঠক শব্দ করলো।তাকে দেখে নিশি নিজেকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করলো।
অনাহিতা বললো,”নিশি,তোমার সাথে কিছু কথা ছিল।”
নিশি চেয়ার এগিয়ে দিয়ে বললো,”বসো ভাবি,কী কথা বলো।”
চেয়ারে বসে পড়লো অনাহিতা।নিশি নিজেও বিছানায় বসলো।সে বললো,”কিছু মনে করো না,প্রেমশা কী প্রায়ই ওর মায়ের কাছে যায়?”
নিশি জানতো অনাহিতা এমন প্রশ্নই করবে।মৃদুস্বরে সে উত্তর দিলো,”না ভাবি,কখনো কখনো স্কুলে দেখা হয়।আর বছরে এক কী দুই বার যায়।তাও যদি রেশমি ফোন করে।”
-“প্রেমশা কী নিজ ইচ্ছায় যায়?ক’দিন থাকে?”
-“প্রেমশা ভাইয়ার কথার উপর কিছু বলে না।দুই,তিন ঘন্টা থাকে।কিন্তু কাল রাতে ওখানেই ছিল।”
-“ওহ।স্কুলে কী উনি দেখা করতে যায়?”
-“রেশমি?”
-“হুম।”
-“না না,রেশমির মাঝে মধ্যে ওর ভাসুরের ছেলেকে নিয়ে যায় স্কুলে।”
-“ওহ।উনার সন্তান আছে?”
-“তিন বছরের ছেলে আছে একটা।”
কিঞ্চিৎ চমকে উঠলো অনাহিতা।তার সন্দেহ আরো গাঢ় হলো।ডিভোর্সের কারণ নিশ্চয়ই অন্যকিছু।প্রশ্নটা নিশিকে করতে গিয়েও সে থেমে গেল।এর উত্তর একদিন না একদিন সে অভিনবের কাছ থেকেই জেনে নিবে।
প্রেমশা কী কী খেতে পছন্দ করে,সকাল-বিকাল কীভাবে কাটায় এসব জেনে অনাহিতা নিজের রুমে চলে আসলো।অভিনব তখন সোফায় বসে খবরের কাগজ নড়াচড়া করছে।মূলতঃ খবরের কাগজের রঙিন ছবিগুলোর ক্যাপশন পড়েই পাতা ওলটাচ্ছে।বহু কষ্টে অনাহিতা নিজের হাসি আটকে নিলো।কিছু কিছু মানুষের বদঅভ্যাস হলো খবরের কাগজের রঙিন ছবিগুলোতেই চোখ বুলিয়ে নিবে শুধু।
ক্ষণকাল পরেই প্রেমশা রুমে ঢুকলো।অনাহিতার হাত ধরে বললো,”সুপার মাম্মা;বাগানে চলো,চলো…”
অভিনব খবরের কাগজ রেখে দিয়ে প্রশ্ন করলো,”বাগানে কী?”
চোখ বড় বড় করে প্রেমশা বললো,”উফ বাব্বা,সুন্দর সুন্দর ফুল ফুটেছে।চলো সুপার মাম্মা!”
অনাহিতাকে জোর করে প্রেমশা নিয়ে যাচ্ছে।অভিনব উঁচু স্বরে বললো,”আমার জন্য কফি পাঠিয়ে দিয়ো এক কাপ।”
অনাহিতা আমতা আমতা করে বললো,”বাগানে চলুন,সবাই একসাথে হাঁটবো।”
অনিচ্ছা সত্ত্বেও অভিনব মানা করতে পারলো না।সেও তাদের পেছন পেছন চলে গেল।
.
মেসেজের শব্দে নিশি হুড়মুড়িয়ে ফোনের উপর হামলা চালালো।কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মেসেজ এসেছে রবি অফিস থেকে।রাগে কাঁপতে কাঁপতে নিশি ফোন আছাড় দিতে চাইলে ফোনটা আবারো বেজে উঠলো।স্কিনে সূর্য আহমেদের ব্যক্তিগত নাম্বারটা ভাসছে।
নিশি অল্পক্ষণের জন্য থমকে গেল।তাদের বেশির ভাগ সময় মেসেজে কথা হয়।মুখ চেপে ধরে সে কয়েকবার বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলে রাগ কমাতে চাইলো।তারপর টেবিলে থাকা গ্লাসভর্তি জল এক নিঃশ্বাসে শেষ করে ফেললো।এর মধ্যে কলটা কেটে গেল।পলকে আবার কল এলো।নিশি রিসিভ করে নিজের কঠিন চরিত্রে চলে গিয়ে বললো,”হ্যালো,কে বলছেন?”
ওপাশ থেকে সূর্য আহমেদ বললো,”এখন ফ্রী হলাম শুটিং থেকে।তুমি আসছো তো?”
না জানার ভান করে নিশি বললো,”কোথায়?”
-“সে’কি!ভুলে গেছো নিশিরাত?আজকে না আমাদের ডেট আছে?”
-“আমি কোথাও যাচ্ছি না।”
-“তুমি না আসলেও আমি অপেক্ষা করবো।টাটা!”
কল কেটে যেতে নিশি মৃদুস্বরে হেঁসে উঠলো।এরপর তাড়াহুড়ো করে কাবার্ড থেকে কালো রঙের শাড়িটা বের করলো।বেলিফুলের মালা শাড়িতেই ভালো মানায়!
.
প্রেমশা তার দু’পাশে দু’জনের আঙ্গুল ধরে রেখেছে।যত কথা সব সেই বলছে।মাঝেমধ্যে অভিনব হু,হা করছে আর অনাহিতা মিটিমিটি হাসছে।প্রেমশা বলে উঠলো,”বাব্বা,চাঁদ সুন্দর না সূর্য সুন্দর?”
অভিনব বললো,”তাঁরা সুন্দর।”
বিরক্তিকর স্বরে সে আবারো বললো,”ধ্যুর বাব্বা,তুমি গেম জানো না।সুপার মাম্মা,চাঁদ সুন্দর না সূর্য সুন্দর?”
অনাহিতা বললো,”দু’টোই সুন্দর।”
প্রেমশা মুখ গোমড়া করে বললো,”চাঁদ সুন্দর।সূর্যের দিকে তাকাতে পারি না।”
-“কিন্তু সূর্য না থাকলে আমরা তো সারাক্ষণ আঁধারে থাকবো।এই যে হাঁটছি,এটা সূর্যের জন্য।রাতে অন্ধকার থাকে কারণ সূর্য ডুবে যায়।”
-“সুপার মাম্মা,রাত ভূতদের জন্য না?”
অনাহিতা এমন প্রশ্নে কিছুসময় চুপ করে রইলো।তা দেখে অভিনব ফিক করে হেঁসে ফেললো।অনাহিতা তার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে বললো,”রাত ঘুমানোর জন্য।সবাই সারাদিন কাজ করে তাই রাতে ঘুমাতে হয়।”
-“ভূত কী রাতে জেগে থাকে?”
অনাহিতা আবারো চুপ হয়ে ভাবতে লাগলো।অভিনব নিঃশব্দে ঠোঁট চেপে হাসছে।সে বললো,”পিচ্চি মা,তুমি তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করো।উনি আমার চেয়ে ভালো জানেন।”
অভিনবের হাসি বন্ধ হয়ে গেল।প্রেমশা বললো,”বলো বাব্বা…”অভিনব আমতা আমতা করে অনাহিতার দিকে রাগি দৃষ্টি নিক্ষেপ করলো।
(চলবে)
[ভুলক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।বানান ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।]