@থার্টি ফার্স্ট নাইট
#পর্ব_০৬
#লেখিকা_নুসরাত_জাহান_নিপু
প্রেমশা গাড়ির পেছনে বসে আছে।ড্রাইভ করছে সূর্য আহমেদ আর তার পাশে বসে নিশি ফোন টিপছে।সবাই কিছুক্ষণ অবধি চুপচাপ ছিল।তখন নিরবতা ভেঙে প্রেমশা বলল,”তোমাকে আমি টিভিতে দেখেছি।”
সূর্য সামনের দিকে তাকিয়েই বলল,”কাকে?আমাকে?”
প্রেমশা নড়েচড়ে বসলো।হাতের একটা আঙ্গুল উঁচু করে বলল,”ইয়েস,তোমাকে।তোমার নাম রোদ না?”
স্মিথ হেসে সূর্য আহমেদ উত্তর দিলো,”নাহ।আমার নাম সূর্য।”
-“কিন্তু ফিল্মে তোমার নাম রোদ ছিল।”
-“ওটা এমনি ছদ্মনাম ছিল।”
-“ছদ্মনাম কী?”
-“ছদ্মনাম মানে আসল নাম থাকতেও নিজেকে আড়াল করতে ভুল নাম ব্যবহার করা।”
-“ওওও।”
প্রেমশা সমীকরণ মেলানোর পূর্ণ চেষ্টা করছে।চেহারা বিভিন্ন ভঙ্গিমায় নাড়াচ্ছে।আয়নায় তার কাজকর্ম দেখে সূর্য নিশির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করলো,”প্রেমশা ভাবুক টাইপের না?”
ফোনের স্কিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিশি কর্কশ স্বরে বলল,”ও ভাবুক হওয়ার মতো কী করলো?এই সময় বাচ্চারা হাজারো প্রশ্ন করে।দ্যাট’স নরমাল।”
নিশির কথায় সূর্য হতভম্ব হয়ে গেল।নিশি যে রেগে আছে তা সে ভালোই উপলব্ধি করছে।কিন্তু কী কারণে রেগে আছে সেটা ধরতে পারছে না।শান্ত স্বরে সে বলল,”তুমি এভাবে কথা বলছো কেন?”
আগের মতো করেই নিশি বলল,”কীভাবে কথা বলছি আমি?আপনি আমাকে নিতে এসেছেন কেন সেটাই আমি বুঝছি না।টাইমপাস করেন আমার সাথে?”
সূর্য কিছু বলার আগেই প্রেমশা বলে উঠলো,”কিন্তু তোমার এতগুলো নাম কেন?তুমিও আড়ালে থাকতে চাও?ইউ আর ব্যাড বয়?”
সূর্য নিজেকে মনে মনে হাজারটা গালি দিচ্ছে।আজকে এই দুই মেয়েকে রিসিভ করায় তার ভুল হয়েছে।একজন রেগে মাথা খাচ্ছে,অন্যজন প্রশ্নের পর প্রশ্ন করে।
কোনোমতে ওষ্ঠ জোড়ায় কৃত্রিম হাসি ঝুলিয়ে উত্তর দিলো,”না না,আমি কেন ব্যাড বয় হবো?ওটা ফিল্মের জন্য দিয়েছিলাম।”
-“ফিল্মে অন্য নাম কেন দিতে হয়?”
সূর্য বিড়বিড় করে বলল,”হায়রে কপাল!পোড়া কপাল আমার।আল্লাহ রক্ষা করো।”
নিশির এর কিছু অংশ শুনতে পেয়ে বললো,”এক্সকিউজ মি!আমরা আপনাকে বিরক্ত করছি?”
সূর্য নিজের হাসির রেখা বিস্তৃত করে বলল,”না না,তা কেন হবে।প্রেমশা,আমরা অন্য টপিকে কথা বলি?”
প্রেমশা হাত তালি দিয়ে বলল,”ওক্কে হিরো।তুমি ফুফির সাথে ঝগড়া করছো কেন?”
দুঃখে সূর্যের ইচ্ছে করছে মাটি ফাঁক করে নিচে ঢুকে যেতে।বাচ্চা মেয়েগুলো এত চালাক কী করে হয়?খায় কী ওরা?
আঙ্গুল দেখিয়ে শাসানোর স্বরে প্রেমশা বলল,”দেখো হিরো,ফুফির সাথে ঝগড়া করবে না।আমার ফুফি গুড গার্ল।”
সূর্য বিড়বিড় করে বলল, “হ্যাঁ,সুপার ডুপার গুড গার্ল।এক নাম্বারের বিচ্ছু রাণী।আমার মতো সেলিব্রিটির প্রপোজাল ঝুলায় রাখছে।”
সূর্য মিষ্টি হেঁসে বললো,”তোমার বাবা-মা ঝগড়া করে না?দুষ্টু-মিষ্টি ঝগড়া?আমরাও তেমন করছি।”
-“নো,মাম্মা-বাব্বা ঝগড়া করে ইউ ইউ।সুপার মাম্মা ঝগড়া করে না।”
সূর্য চুপ করে রইলো।নিশির পরিবার সম্পর্কে সে সবকিছুই জানে।এটাও জানে যে সুপার মাম্মা বলে অনাহিতা আর মাম্মা বলে রেশমিকে সম্মোধন করছে।
প্রেমশা হঠাৎ সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে বসলো।সে বলল,”মাম্মা-বাব্বা তো বিয়ে করেছে।ফটো দেখেছি আমি।তুমি আর ফুফিও বিয়ে করেছো?”
আচমকা সূর্য কাশতে কাশতে গাড়ি থামিয়ে ফেলল।নিশি শান্ত করেই তার দিকে জলের বোতল এগিয়ে দিলো।পানি খেয়ে সূর্য নিচু স্বরে বলল,”এখন অবধি প্রেমই শুরু হলো না আর পিচ্চি কি’না বিয়ে অবধি নিয়ে গেল?”
সে গাড়ি স্টার্ট দিয়ে উত্তর দিলো,”আমাদেরও বিয়ে হবে।”
প্রেমশা হাসতে হাসতে বললো,”প্রেমশারও বিয়ে হবে,দাদুরও বিয়ে হবে,ফুফিরও বিয়ে হবে,সুপার মাম্মারও বিয়ে হবে।সব্বাই বিয়ে করবে…হা হা হা।”
.
এ বাড়ির দারওয়ানের বৈশিষ্ট্য হলো সে দুই টানে সিগারেট শেষ করে ফেলতে পারে।বেতনের অর্ধেক সে সিগারেটের পেছনে খরচ করে ফেলে।বাকি অর্ধেকের অর্ধেক ইশিকার মেকআপ খরচে।এতিম হওয়ায় সুবিধা হয়েছে বাবা-মা’কে টাকা পাঠাতে হয় না।
দারওয়ানের নাম কামাল মিয়া।বয়স ৩৮ বছর।চেহারার রং ফর্সা হলেও রোদের পুড়ে সেটা কালো বর্ণ ধারণ করেছে।কাপলের বাম দিকে,চোখের উপরে একটা কাটা দাগ আছে।এই দাগ তার বউয়ের আঘাতের।বিয়ে হয়েছিল গ্রামে একটা মেয়ের সাথে দশ কী এগারো বছর আগে।কিন্তু বিয়ের রাতেই বউ তাকে আহত করে পালিয়ে যায় আরেকজনের সাথে।সেই শোক কাটাতেই সে ঢাকায় চলে আসে আর দারওয়ানির চাকরি মিলে যায়।
কামাল মিয়া চেয়ারে আরামের সহিত বসে চা খাচ্ছিলো।এক.চা খাওয়ার সময়, দুই.সিগারেট খাওয়ার সময় কেউ তাকে বিরক্ত করলে প্রচন্ড রেগে যায়।সে চোখ বন্ধ করে চায়ে চুমুক দিলো।
তখন একটা ছেলে এসে বলল,”চাচা,আসসালামু আলাইকুম।”
এই বাক্য কর্ণ অবধি পৌঁছাতেই কামাল মিয়া রেগে উঠলো।তার বয়স মাত্র ৩৮।এখনো বউয়ের সুখ-ই কপালে জুটেনি।এর মধ্যে ‘চাচা’ ডাকে কোন সাহসে?
তিনি বললেন,”ঐ পোলা,আমারে তোর বাপের বয়সী মনে হয়?”
নিসান আমতা আমতা করতে লাগলো।এ বাড়িতে সে এসেছে সিদ্রাতুলের খোঁজে।এই মুহুর্তে তাকে তার খুব দরকার।জরুরি একটা খবর দেওয়ার আছে।খুব জরুরি!
কামাল মিয়া আবার বললেন,”কী চাস এখানে?”
নিসান উত্তর দিলো,”সিদ্রাতুল নামের কেউ আছে এখানে?সিদ্রাতুল অনি।”
কামালের বিরক্তিতে কপালের রেখা আপনা-আপনি কুঁচকে গেল।এই বাড়িতে সে দশ বছর অবধি চাকরি করছে।সিদ্রাতুল নামের কেউ এ বাড়ির ছায়াও প্রবেশ করতে পারেনি।
চা’য়ে দ্বিতীয় চুমুক দিয়ে তিনি বললেন,”না না,সিদাতুল মিদাতুল কেউ থাকে না এখানে।”
নিসানের অস্থিরতা বেড়ে গেল।তাকে তো এই ঠিকানায় দেওয়া হয়েছে।সিদ্রাতুলের বরের নামটা এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না।’অভি’ টাইপের কিছু একটা ছিল।সে অস্থির স্বরে বলল,”আচ্ছা,তাহলে অভি বা অতি নামের কেউ আছে?থাকলে একটু বলবেন নিসান কথা বলতে চায়।”
দ্বিতীয় চুমুক দেওয়ার পর কামালের মনে হয়েছে চা’টা তেঁতো হয়েছে।মুখের ভেতর থাকা চা থু করে ফেলে দিলো।নিসানের উদ্দেশ্যে সে বলল,”আরে ধ্যুর মিয়া।আপনে তো বেশি বাড়াবাড়ি করতেছেন।বলছি না,এই নামের কেউ নাই।ভাগেন এইখান থেইকা…যত্তসব।”
নিসান ঝগড়াঝাঁটির মানুষ না।এসবে সে বড্ড ভয় পায়।দারওয়ান প্রথম থেকেই রেগেমেগে কথা বলছে।নিশ্চয়ই বউয়ের রাগ তার উপর ঝাড়ছে,স্কুলের রমিজ স্যারের মতো।ফাজিল দারওয়ান!
নিসান উলটো দিকে হাঁটা শুরু করলে নিশি আর প্রেমশা নামলো রিকশা থেকে।সূর্যের সাথে ঝগড়া করে মাঝ রাস্তায় নেমে গিয়েছিল।তারপর রিকশা নিয়েই চলে এসেছে।
তাদের দু’জনকে দেখতে পেয়ে দারওয়ান গেইট খুলে দিলো।নিশি কাছাকাছি আসতে প্রশ্ন করলো,”আফা,গাড়ি নিয়ে এলেন না ক্যা?”
এমনিতে নিশির রাগের পরিমাণ ছিল ৯০° সেলসিয়াস।দারওয়ান প্রশ্নে সে আরো দুই ডিগ্রি রেগে বলল,”কামাল ভাই,আপনার কাজ কী?দারওয়ানি করা তো?তাহলে দারওয়ানি করেন।গোয়েন্দাগিরি করছেন কেন?কেউ এক্সাট্রা বেতন দেয়?”
মাথা নিচু করে দারওয়ান উত্তর দিলো,”নাহ আফা।”
তার উত্তর এড়িয়ে নিশি প্রেমশার হাত ধরে বাড়ির ভিতর ঢুকে গেল।নিশি রেগে গেলে সবার সাথেই খারাপ ব্যবহার করে।সেটা প্রেমশা থেকে শুরু করে বাগানের মালি পর্যন্ত।
.
দুপুরের খাবারে চিংড়ি ভুনা আর বেগুন ভর্তা দেখে প্রেমশা প্রায় খাবারের উপর লাফিয়ে পড়লো।তার পাশে ছিল পেঁয়াজু দিয়ে মুরগির মাংস।প্রেমশা নিজে নিজে খেতে জানে।তাকে প্লেটে খাবার দিয়ে অনাহিতা বলল,”আস্তে আস্তে খাও।”
উত্তর না দিয়ে প্রেমশা খাওয়া শুরু করলো।বিনিময়ে অনাহিতা মৃদুস্বরে হাসলো।এত তৃপ্তি সহকারে খাওয়াটাই অনাহিতার প্রাপ্তি।খেতে খেতে প্রেমশা এক পর্যায়ে বলল,”ইয়াম্মি,সুপার মাম্মা চিংড়ি সুপার হয়েছে।সুপার ডুপার!”
প্রেমশার বলার ভঙ্গিমা দেখে সবাই হেঁসে উঠলো।নিশি বলল,”সব তুমি রান্না করেছো ভাবি?”
তার প্রশ্নের উত্তর দিলো ইশিকা।সে বলল,”হ আফা,সবকিছু নিজে করছে।রুমি তো সাহায্য করছে।”
শীতল কণ্ঠে নিশি আবারো বলল,”ভালো হয়েছে।পেঁয়াজু দিয়ে মুরগি আগে মা করতো,এখন কতদিন পর খেলাম।”
অনাহিতা হেঁসে বলল,”তাই?তাহলে আমাকে ১০-এ কত দিচ্ছো?”
প্রেমশা হুট করে বলে বসলো,”১০।”
নিশি বলল,”১০-এ ৮ দিচ্ছি তোমাকে।”
যারা রান্না করতে পছন্দ করে তাদেরকে নিজের করার সহজ উপায় হচ্ছে রান্নার প্রসংশা করা।সে রান্না ভালো হোক কিংবা খারাপ।প্রসংশা করলে মেয়েটা সহজেই নরম হয়ে যাবে।
খাওয়া দাওয়ার শেষ পর্বের দিকে অনাহিতা নিশির উদ্দেশ্যে বলল,”নিশি,আমাকে তোমার ভাইয়ার নাম্বারটা একটু দিয়ো তো।”
নিশি হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়লো।রোমিলা বেগম রুমির উদ্দেশ্যে উঁচু স্বরে প্রশ্ন করলেন,”রুমি,অভির জন্য খাবার পাঠিয়ে দিয়েছিস?”
রান্নাঘর থেকে রুমি উত্তর দিলো,”হ্যাঁ।”
অনাহিতা তার শ্বাশুরিকে তাক করে বলল,”খাবার কে নিয়ে যায়?”
-“ড্রাইভার নিয়ে যায়।”
অনাহিতার মনে চলছে ভিন্ন কথা।স্কুলের ইন্টারভিউতে তাকে সিলেক্ট করা হয়েছে।১২টার দিকেই ইমেল এসেছে।কিন্তু এ বাড়ির লোকজন তাকে চাকরি করতে দিবে তো?অভিনবের সাথেই প্রথমে কথা বলা দরকার।
.
ইশিকা নিশির সাথে বাগানের ঘাস পরিষ্কার করছিল।তখন তাকে ইশারায় দারওয়ান ডাক দিলো।প্রথমে কয়েকবার এড়িয়ে গেলে পরে আর এড়াতে পারলো না।সে নিশিকে বলল,”আফা,আমি একটু বাথরুম থেইকা আসি?”
নিশি উত্তরে বলল,”যাও।”
তার মন মেজাজ খুব খারাপ।সূর্যের সাথে রাগ করাটা এখন কারণহীন মনে হচ্ছে।কিন্তু সে নিজ থেকে কখনোই কথা বলতে যাবে না।সে মনে মনে ঠিক করে নিয়েছে সূর্য যদি আজকের মধ্যে তাকে নিজ থেকে নক করে তাহলে সত্যি ভালোবাসে।নাহলে না।
.
কামাল মিয়া বললেন,”তুই আঁর তুন দূরে দূরে কেল্লা থাকোস?”(তুই আমার থেকে দূরে দূরে কেন থাকিস?)
ইশিকা মুখ বেঁকিয়ে বলল,”তো?অনে আরে বিয়ে গইজ্জননি?”(তো,আপনি আমাকে বিয়ে করেছেন নাকি?)
-“বিয়ে তো নোয়া বছোরত গরগইম।”(বিয়ে তো নতুন বছরে করবো।)
ইশিকা আর কামাল মিয়া দু’জনে চট্টগ্রামের ভিন্ন ভিন্ন গ্রাম থেকে।বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে তারা একরকম কথা বললেও নিজেরা আঞ্চলিক ভাষায় বলে।চট্টগ্রামের ভাষায় একটা জিনিস লক্ষ্য করা যায়।তা হলো,এরা ‘তুই’ বা ‘আপনি’ দিয়ে কথা বলতে পারে।এখানে ‘তুমি’ করে বলার কোনো অপশন নেই।আর ইংরেজিতে তো ‘তুমি,তুই,আপনি’ সবকিছুর অর্থ এক। তা হলো ‘You’।
ইশিকা খুশি খুশি হয়ে বলল,”হুহ্।আঁর বানানো চা ক্যান আছিল?মজা নে?”(আমার বানানো চা কেমন ছিল?মজা?)
বিরক্তি নিয়ে কামাল মিয়া বললেন,”আর মজা।এক পোয়া আয় সিদাতুল না অভি হারে জানি খোঁজে।”(আর মজা!এক ছেলে এসে সিদ্রাতুল না অভি কাকে জানি খোঁজ ছিল।)
ইশিকা চমকে উঠলো।সিদ্রাতুল নামটা অনাহিতারই।পুরো নাম ‘সিদ্রাতুল অনাহিতা মাওয়া’।গতকাল পরিচয় পর্বে অনাহিতা তাকে পুরো নাম বলেছিল।ইশিকা বলল,”পোয়া ক্যান আছিল?”
কামাল মিয়া চেহারা মনে করার চেষ্টা করে বললেন,”চোখ গুরা গুরা,সুন্দর,লম্বা।আর চোখের ডাহে এক্গু ডর তিল।”(চোখ ছোট ছোট,সুন্দর,লম্বা।আর চোখের পাশে একটা বড় তিল।)
অস্থির স্বরে ইশিকা বলল,”নাম হইয়ে?”(নাম বলছে)
মনে করার চেষ্টা করে দারওয়ান বললেন,”জিসান হইয়ে ফাল্লাই।”(জিসান বলছে মনে হয়)
কোনো উত্তর না দিয়ে ইশিকা দৌঁড়ে গেল।নতুন পাওয়া তথ্যটা ভাবিজানকে জানানো উচিৎ।
(চলবে)
বি.দ্র:এই গল্পের প্রতিটি চরিত্রই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আমি সবার চরিত্র বর্ণনা করছি।গল্পের চরিত্রগুলো আমি আবারো বলে দিচ্ছি।
“বাগানের মালি-ইশিকা
কাজের মেয়ে-রুমি
দারওয়ান -কামাল মিয়া
অভিনবের মা-রোমিলা বেগম
অভিনবের বোন-নিশি।
অভিনবের প্রাক্তন-রেশমি।
রেশমির বর-রুপম
অভিনেতা-সূর্য আহমেদ
অনাহিতার মা-ইসমি আক্তার।
অনাহিতার বাবা-শেখ আহমেদ।
অনাহিতার ভাই-আমিন।
আমিনের প্রেমিকা-খুশি।”