দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা পর্ব-০২

0
1290

গল্প : দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্ব : ২
লেখক : দুষ্ট ছেলে

তখন নিরব দেখতে পেলো সাব্বির তার দিকে আসছে নিরবের সামনে এসে বললো।

সাব্বিরঃ কিরে দুস্ত কোথাও যাস নাকি এখন। 🤔🤔

নিরবঃ হুম আর বলিস না আম্মুর কারনে অই তানিয়া কে পড়াতে যাচ্ছি। 😒😒

সাব্বিরঃ আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে যাহ আর সন্ধ্যায় আড্ডা দেওয়ার যায়গায় চলে আসিস কিন্তু । 🙂🙂

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে যাহ আমি সময় মতো চলে আসবো । 🙂🙂

তারপর সাব্বির চলে গেলো নিরব আর দাড়িয়ে না থেকে চলে আসলো সেখান থেকে । তানিয়ার বাসায় এসে কলিং বেল বাজাতেই তখন তার আম্মু দরজা খুলে দিলো নিরব তখন সালাম দিলো। তানিয়ার আম্মু সালাম এর উওর নিয়ে বললো।

মায়ার আম্মুঃ কেমন আছো বাবা তুমি। 🙂

নিরবঃ ভালো আছি চাচি আর আপনি কেমন আছেন । 🙂

মায়ার আম্মুঃ ভালো আছি বাবা। তুমি উপরের ওই কোনার রুমে যাও আমি তানিয়া কে ছাদে থেকে নিয়ে আসছি মেয়েটা সারাদিন ছাদে গিয়ে বসে থাকে । 🙂

নিরবঃ আচ্ছা ঠিক আছে চাচি আমি যাচ্ছি । 🙂

তারপর নিরব গিয়ে রুমে বসে রইলো এদিকে তানিয়ার আম্মু গিয়ে দেখে তানিয়া ছাদে দাড়িয়ে আছে তখন তানিয়া কে বললো তাকে পড়াতে আসছে এটা শুনে দৌড়ে চলে আসছে এসে দেখে নিরব সত্যি আসছে আর বসে আছে তখন তানিয়া গিয়ে দৌড়ে তার বই গুলো নিয়ে আসলো আর টেবিলে বসে পড়লো তখন বসে বললো।

তানিয়াঃ তোমার অপেক্ষায় ছিলাম কখন আসবে তুমি অবশেষে তুমি এসে হাজির। 🥰🥰

নিরবঃ হয়েছে হয়েছে থাক আর বলতে হবে না । দাও এখন বই দাও তোমার কোন সাবজেক্ট সমস্যা সেটা দাও । 🤨🤨

তানিয়াঃ আমার তো একটা সাবজেক্ট এর মাঝে সমস্যা সেটা হচ্ছে তুমি আর এখনো আমায় ভালবাসার কথা বলোনি বললে সব ঠিক হয়ে যাবে । 🥰

নিরবঃ দেখো রাগ উঠাবে না এই উল্টো পাল্টা কথা বলে তাহলে কিন্তু আমি মারবো তোমায়।, 😡😡

তানিয়াঃ মারো সমস্যা নেই আমার বর আমায় মারবে তাতে কি হয়েছে এটাতো আমার সৌভাগ্য । 🥰🥰

তখন নিরর মনে মনে বলে।

নিরবঃ : এই মেয়ে পাগল হয়ে গেছে একে না মারলে বুঝতে পারবে না কথায় আছে না সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাকা করে উঠাতে হয় তাই করতে হবে ।

তখন তানিয়া আবার বলে উঠে ।

তানিয়াঃ শুনো তুমি কিন্তু অন্য কোনো মেয়ের সাথে কথা বলবে না । ভুলেও অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকাবে না। সূর্য যদি দখিন দিকে উঠে তুবও তাকাবে না। আর প্রতিদিন সকালে আমায় গুড মর্নিং বলবে দুপুরে এসে বলবে দুপুর মনিং আর রাতে গুড নাইট বলবে। তার সাথে অবশ্যই কিস করতে হবে। আমার জন্য প্রতিদিন বিকালে চকলেট কিনে নিয়ে আসতে হবে। আর টাকা না থাকলে চকলেট আনা লাগবে না তোমার ঠোঁট হলেই হবে। আর প্রতিদিন আমায় ইস্কুল থেকে নিয়ে আসবে দুজন এক সাথে আসবো ফুচকা খাবো তারপর হাত দরে হাটতে হাটতে বাসায় আসবো । এই গুলো যদি না করো তাহলে তোমার আম্মু কে গিয়ে বলবো তুমি কলেজ রেখে মেয়ে নিয়ে ঘুরো আর তোমার খবর আছে কথা না শুনলে এই বলে দিলাম। 😤😤

নিরব তো তানিয়ার কথা শুনে অবাক হয়ে গেছে অজ্ঞান হওয়ার অবস্থা তখন নিরব মনে মনে বলে।

নিরবঃ এটাকি মেয়ে না আর কিছু বাবারে বাবাহ কি সাংঘাতিক মেয়ে আমি কি একে পড়াতে আসছি নাকি ব্লাক মেইল হতে আসছি যাই হোক এর কাছে হারা যাবে না একে একটু টাইট দিতে হবে ভয় দেখাতে হবে যাতে আম্মুর কাছে কিছু না বলতে পারে। আর আমার পিছু না লাগে

তখন নিরব তানিয়াকে একটু রাগি গলায় বলে।

নিরবঃ কি বললে তুমি। যখন মার খাবে তখন বুঝতে পারবে। তুমি এখন বাচ্চা মেয়ে এখনো বড় হওনি আর একবার ভালবাসার নাম নিলে মেরে হাড্ডি ভাঙ্গবো।

তখন তানিয়া উঠে গিয়ে নিরবের শাট এর কলার দরে রাগি গলায় বললো।

তানিয়াঃ অই আমায় কি তর বাচ্চা মেয়ে মনে হয় আমার কোথায় লেখা আছে বাচ্চা মেয়ে বল আমি যথেষ্ট বড় হয়েছি বিয়ে করে দেখ বাচ্চা মেয়ে নাকি তর বাচ্চার মা তখন দেখতে পারবি ।

তখন নিরব তানিয়ার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো তখনি নিরব তার শাট এর কলার থেকে হাত সরিয়ে তার পাশে একটা লাঠি ছিলো সেটা দিয়ে একটা বারি দিলো তানিয়া কে লাঠির বারি খেয়ে চুপ করে বসে পড়লো তানিয়া তখন নিরব বললো।

নিরবঃ ভালো করে বলছি শুনো এই পাগলামি বন্ধ করো আমার সামনে আর এই গুলো বলবে না তাহলে আরো কয়েকটি লাঠি দিয়ে বারি দিবো এখন আর একটা কথা না বলে বই বের করো। ইংরেজি বই।

তখন তানিয়া ৷ আর কোনো কথা না বলে বই বের করলো তখন নিরব সেখান থেকে কিছু পড়ার জন্য দিলো তখন পড়তে লাগলো তখন নিরব মনে মনে ভাবলো।

।।

নিরবঃ যাক বাচা গেলো । এক লাঠির বারি তে কাজ হয়েছে।

তার কিছুখন পর তানিয়ার পড়া শেষ তখন নিরব কে বললো।

তানিয়াঃ শুনছো আমার পড়া শেষ।

নিরবঃ এইভাবে বলছো কেন আমি তোমার স্যার তাই স্যার বলে ডাকবে।

তানিয়াঃ পারবো না স্যার ডাকতে মিষ্টি বর ডাকতে বললে পারবো।

তখন নিরব একটা লাঠি দিয়ে বারি দিয়ে বললো।

নিরবঃ কি স্যার বলবে।

তখন তানিয়া কান্না কন্ঠে বললো।

তানিয়াঃ হুম ডাকবো।

নিরবঃ তাহলে এখন যা পড়ছো সব লিখো।

তানিয়াঃ ঠিক আছে স্যার লিখছি।

তারপর তানিয়া লিখতে শুরু করলো কিছুখন পর খাতা দিয়ে বললো।

তানিয়াঃ লিখা শেষ স্যার

নিরবঃ দাও দেখি।

তখন নিরব খাতা নিয়ে অবাক হয়ে গেলো আর বললো।

নিরবঃ তুমি লিখবে ইংরেজি আর লিখছো বাংলা আমি কোনটা দিছি লিখতে।

তানিয়াঃ আমি ইংরেজি বাংলায় লিখছি পড়ে দেখেন।

নিরবঃ ঠিক আছে দেখি কি লিখছো।

তানিয়াঃ স্যার একটু জোরে পড়বেন।

তখন নিরব পড়তে লাগলো।

নিরবঃ আমার প্রিয় হবু বর দাড়া আগে বকা দিয়া লই কশাই বর শয়তান বর বজ্জাত বর ফাজিল বর বান্দর বর। তর উপরে ঠাডা পড়তো কিন্তু পড়ে নাই আমার বর বলে শয়তান এইভাবে কেউ তার বউ কে মারে কোথায় একটু আদর করে পড়াবে তা না করে লাঠি দিয়ে মারছে ইস আমার শিশু হাড্ডি সব কাঁদছে এখন আর কিছু বললাম না শুধু এতটুকু বলবো অনেক ভালবাসি তোমায়।

নিরব এটা কি করবে বুঝতে পারছে না তখন দিলো আরো দুইটা বারি আর বললো।

নিরবঃ আমি কতবার বলছি এই ভালবাসার ভুত মাথা থেকে সরিয়ে নিতে তোমার বয়স কত আর আমার বয়স কত দেখছো একবার তুমি এখনো বাচ্চা মেয়ে। আর কিছু বলবো না আমও তোমাকে পড়াতে আসছি এখন সুন্দর করে পড়ো নয়তো আরো দুটি দিবো।

তখন তানিয়া ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে লাগলো তখন নিরব বললো।

নিরবঃ এই শয়তানি না করলে মার খেতে হতো না এখন ইংরেজি লিখো যা পড়ছো যদি একটা কিছু ভুল হয় তাহলে আরো মাইর পড়বে।

তখন তানিয়া ফুপিয়ে ফুপিয়ে লিখতে লাগলো
নিরব ভেবে নিয়েছিলো আর হয়তো দুষ্টমি করবে না কিন্তু তা ভুল করলো নিরব এর ভাবনাকে তখন তানিয়া তার কান্না থামিয়ে ।লিখতে লাগলো কিছুখন পর লিখা থামিয়ে দিলো আর নিরবের ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে রইলো এক দৃষ্টিতে আর তখন তার পা দিয়ে নিরব এর পায়ের উপর পা রেখে দুষ্টমি করতে লাগলো আসতে আসতে তার পাটা উপরে উঠাতে লাগলো।।
।।
তখন নিরব তার পা নামিয়ে দিলো তখন আবার তানিয়া দুষ্টমি করতে লাগলো তখন নিরব লাঠিটা নিয়ে দিলো দুইটা বারি আর বললো।

।।

নিরবঃ আমি তোমার স্যার ভদ্র ভাবে থাকো দুষ্টমি করছো কেন। কত বার বললাম দুষ্ট করো না আবারও দুষ্টমি শুরু করলে এখন যে মাইর খেয়ে কান্না করলে তবুও দুষ্টমি গেলো না আবার যদি দুষ্টমি করো তাহলে আরো দুটি বারি দিবো।

।।

তখন তানিয়া নিরব এর বারি দেওয়ার জন্য এইবার প্রচন্ড রেগে গেলো আর বলল ।

তানিয়াঃ কি বললি তুই আমার স্যার তরে স্যার আমি আজ বের করছি দাঁড়া।

তারপর তানিয়া তার চেয়ার থেকে উঠে এসে নিরব এর শাট এর কলার দরে টেনে উঠালো আর পাশে একটা খাট ছিলো সেটাতে নিয়ে নিরব কে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো তখন নিরব এর উপর বসে বললো।

তানিয়াঃ তুই যদি আমার জান না হতি তাহলে তকে মেরে এখানেই বালি চাপা দিয়ে দিতাম। আজ পযন্ত আমার আম্মু আব্বু কেউ আমার গায়ে হাত তুলেনি আর তুই আমায় কতগুলো বারি দিছিস। কাঁদিয়েছিস। তর কত সাহস তুই আমায় মারছিস। এই বারি দেওয়ার জন্য অনেক ব্যাথা পেয়েছি ৷ আমি তো তকে মারতে পারবো না কারন আমার বর কে মারতে পারবো না তার প্রতিশোধ নিবো তর ঠোঁট কামড়ে খেয়ে।

।।

নিরব তখন লক্ষ্য করলো তানিয়া কথা বলতে বলতে তার হাত বেধে ফেললো তার ওড়না দিয়ে তা খেয়াল করিনি তখন পাশে আর একটা ওড়না ছিলো সেটা দিয়ে পা বেধে ফেললো নিরব এর তারপর তানিয়া গিয়ে দরজা বন্ধ করে আসলো সাথে একটা বোতল নিয়ে আসলো তার মাজে হয়তো কিছু আছে তখন তানিয়া নিরব এর কাছে এসে তার বুকে উঠে বসলো তখন নিরব বললো।

নিরবঃ দেখো এটা কিন্তু ভালো হচ্ছে না আমায় ছাড়ো বলছি। আর দরজা খুলো

তানিয়াঃ কোনটা ভালো কোনটা খারাপ সেটা আমি যানি। এমনি তর ঠোঁটের লোভ সামলাতে কষ্ট হচ্ছিল তার মাঝে তুই আমায় আবার মারছিস।

তানিয়া এই বলে বোতল থেকে কিছু একটা নিরব এর ঠোঁটের উপরে ফেললো তখন নিরব একটু খেয়ে দেখলো এটা হচ্ছে মধু তখন নিরব এর ঠোঁটে অনেকটা মধু ফেললো তানিয়া আর সেটা খেতে লাগলো তানিয়া তার ঠোঁট দিয়ে তারপর সে নিরব এর ঠোঁট পাগলের মতো কিস করতে লাগলো…………..

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।