গল্প : দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্ব : ৩
লেখক : দুষ্ট ছেলে
তানিয়া এই বলে বোতল থেকে কিছু একটা নিরব এর ঠোঁটের উপরে ফেললো তখন নিরব একটু খেয়ে দেখলো এটা হচ্ছে মধু তখন নিরব এর ঠোঁটে অনেকটা মধু ফেললো তানিয়া আর সেটা খেতে লাগলো তানিয়া তার ঠোঁট দিয়ে তারপর সে নিরব এর ঠোঁট পাগলের মতো কিস করতে লাগলো। কিছুখন পর তানিয়া বললো।
তানিয়া: এত মিষ্টি ঠোঁট তোমার মধুর চেয়ে বেশি মিষ্টি আহ কি টেস্ট আর পারছি না নিজেকে সামলে রাখতে আগে ঠোঁট খেয়ে নেই।
।।
এই বলে তখন তানিয়া নিরব এর ঠোঁট কামড়ে টেনে পাগলের মতো খেতে লাগলো আর এদিকে বেচারা নিরব তো শেষ ঠোটের ব্যাথায় তখন নিরব মনে মনে বললো।
।।
নিরবঃ কেন যে একে মারতে গেলাম একটু দুষ্টুমি করছে করতো আমার ঠোঁটের তেরোটা বাজিয়ে ফেলছে আর একে পড়াতে আসবো না দরকার হলে কচু গাছের ডালের সাথে ফাঁসি দিয়ে মরবো তবুও আর একে পড়াবো না একবার কোনো মতো বাসায় যাই।
তখন তানিয়া আবার বললো।
তানিয়া: অফ কি টেস্ট আহ এর চেয়ে মজা আর কি হতে পারে মধুর চেয়ে মিষ্টি তোমার ঠোঁট গুলো।
এইবলে আবার ঠোঁট খেতে লাগলো কামড়ে নিরব কিছুই বলতে পারছে না কারণ তার ঠোঁট তো তানিয়ার দখলে আর হাত পা বাঁধা এইভাবে আরো ১৫ মিনিট কেটে গেলো তবুও তানিয়া ঠোঁট খেতে লাগলো ছাড়ছে না তখন নিরব অনুভব করলো তার ঠোঁট ঝালাপোড়া করছে হয়তো কেটে গেছে তখন নিরব তানিয়ার কাছ থেকে ছুটতে নড়াচড়া করতে লাগলো কিন্তু তানিয়া আরো শক্ত করে জরিয়ে দরে আরো পাগলামি করতে করতে ঠোঁট খেতে লাগলো তখন নিরব মনে মনে বললো।
নিরবঃ আল্লাহ বাঁচাও কোন দিকে আছো তুমি এই গুন্ডি পিচ্চি মেয়ের হাত থেকে বাচাও আর নয়তো কাউকে পাঠাও এখন মরেই যাবো।
তখনি নিচে থেকে তানিয়ার আম্মু বললো।
তানিয়ার আম্মুঃ তানিয়া মা একটু যলদি নিচে আয় তর বান্ধবী ফারিয়া আসছে।
তখন তানিয়া নিরব কে ছেড়ে দিয়ে বললো।
তানিয়াঃ শয়তানটা আসার আর সময় পেলো না একটু বর কে আদর করছিলাম তাও করতে দিলো না দেত সব কিছু নষ্ট করে দিলো।
তখন তানিয়া নিরব এর বুকের উপর থেকে উঠে নিরব এর হাতের বাঁধন খুলে বললো।
তানিয়াঃ পায়ের বাধন খুলে নাও আর এই নাও ১০০ টাকা এটা দিয়ে ঠোঁটের জন্য ঔষধ কিনবে একটু কেটে গেছে আমি আবার আগামীকাল তোমার ঠোঁট খাবো আজকের মতো পড়া শেষ তাহলে আমি এখন যাই তুমি আসো।
এইবলে চলে গেলো তানিয়া আর নিরব তখন বললো।
নিরবঃ কি মেয়ে বাবাহ ঠোঁট খেতে ১০০ টাকা দিয়ে গেছে আর আসবোই না পড়াতে যে যাই বলুক শয়তান মাইয়া।
এই বলে নিরব তার পায়ের বাঁধন খুলে উঠে পাশে একটা ওয়াস রুম ছিলো সেখানে গিয়ে মুখটা ধুতে যাবে তখন নিরব এর ঠোঁট প্রচুর ঝাালাপোড়া করতে লাগলো তখন নিরব আয়নার মাঝে দেখলো তার ঠোঁট অনেকটা কেটে গেছে তখন নিরব মনে মনে হাজারো বকা দিয়ে মুখ ধুয়ে বেরিয়ে চলে আসলো নিচে আাসার পর দেখলো তানিয়া তার আম্মু আর তার বান্ধবী কথা বলছে তখন নিরব তানিয়ার আম্মু কে বললো।
নিরবঃ আন্টি আমি তাহলে চলে যাই আজ
তানিয়ার আম্মু: বাবা কিছু খেয়ে তারপর যাও।
নিরবঃ নাহ আন্টি এমনি অনেক কিছু খাওয়া হয়েছে আর খেতে চাই না একবারে রাতে খাবো এখন যাই আমি।
তানিয়ার আম্মু: ঠিক আছে যাও।
তারপর নিরব চলে আসলো বাসার বাহিরে এসে যেতে লাগলো তখন পিছন থেকে কেউ তাকে ডাকলো তাকিয়ে দেখলো তানিয়া তখন নিরব আর না দাড়িয়ে যেতে লাগলো তখন তানিয়া বললো।
তানিয়াঃ শুনো আগামীকাল কিন্তু একটু আগে আসবে আরো বেশি আদর করবো।
তখন নিরব দাড়িয়ে বললো৷
নিরবঃ আগামীকাল থেকে আর আসবো না পড়াতে কখনো পড়াবো না আর তোমাকে।
তানিয়াঃ তুমি না আসলে কিন্তু আমি তোমার বাসায় যাবো।
নিরবঃ গেলেও পড়াবো না।
তানিয়াঃ না পড়ালে আদর তো করতে পারবো।
নিরবঃ দেত
এইবলে নিরব চলে গেলো তখন তানিয়া তার রুমে আসলো ফারিয়া কে নিয়ে তখন ফারিয়া বললো।
ফারিয়াঃ তানিয়া এই ছেলেটা কি তর স্যার।
তানিয়াঃ হুম কেন কি হয়েছে।
ফারিয়াঃ নাহ কিছু না দেখতে সুন্দর আছে তর স্যার এর ফোন নাম্বার নিয়ে দিস তো প্রেম করমু।
তানিয়াঃ ওই একবার বলছিস তো বলছিস আর বলবি না এই কথা এটা আমার জিনিস সাবধান এর দিকে চোখ দিবি না।
ফারিয়াঃ তর জিনিস মানে তুই কি একে ভালোবাসিস নাকি।
তানিয়াঃ হুম একবছর দরে।
ফারিয়াঃ বলিস কি তর সাথে এর তো যায় না তর বয়স অনেক কম।
তানিয়াঃ সেটা আমার ব্যাপার তর চিন্তা করতে হবে না।
ফারিয়াঃ আংকেল আন্টি যানে তর এই কথা।
তানিয়াঃ নাহ যানে না আগে রাজি করে নেই তাকে তারপর আব্বু আম্মু তারপর ডাকবো কাজি তারপর সোজা বাসর ঘরে।
ফারিয়াঃ ঠিক আছে সেকি রাজি হবে।
তানিয়াঃ না হলেও রাজি হবে আমি রাজি করবো।
ফারিয়াঃ হুম ভালো যাওয়ার সময় দেখলাম তার ঠোঁট কাটা কি হয়েছে তার ঠোঁটে।
তানিয়াঃ তুই এত জায়গা রেখে ঠোঁটে গেলি কেন।
ফারিয়াঃ এমনি এখন বল কি হয়েছে নিশ্চয়ই তুই কিছু করছিস।
তানিয়াঃ হুম তিরিশ মিনিট ঠোঁট খেয়েছি।
ফারিয়া তো এটা শুনে অবাক হয়ে গেছে তখন বললো।
ফারিয়াঃ বলিস কি এর মধ্যে কিস করে ফেললি।
তানিয়াঃ তো কি করবো আমার বর আমি না করলে কে করবে
ফারিয়াঃ তুই তো হেব্বি সাংঘাতিক মেয়ে।
তানিয়াঃ আরো কিছু হতো কিন্তু তুই এসে সব নষ্ট করে দিলি
ফারিয়াঃ বিয়ের আগে এত কিছু হওয়া ঠিক না আর তর বয়স অনেক কম।
তানিয়াঃ সেটা আমার ব্যাপার তকে জ্ঞান দিতে বলিনি
ফারিয়াঃ ঠিক আছে চল একটু ছাদে যাই।
তানিয়াঃ চল।
তারপর তারা দুইজন ছাদে চলে গেলো।
এদিকে নিরব তার ঠোঁটের জন্য একটা মলম নিয়ে বাসায় এসে নিজের রুমে গিয়ে শুয়ে রইলো।
কাউকে কিছু বুঝতে দেয়নি তখনি সাব্বির এর ফোন আসলো নিরব রিসিভ করে বললো।
নিরবঃ দুস্ত সরি আজ আসতে পারবো না সরিলটা খারাপ লাগছে।
সাব্বিরঃ আচ্ছা ঠিক আছে ঔষধ নিয়ে আসছিস।
নিরব ঃ হুম নিয়ে আসছি।
সাব্বিরঃ আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে আগামীকাল কলেজে দেখা হবে।
নিরবঃ হুম ঠিক আছে।
তারপর নিরব ফোন কেটে শুয়ে রইলো রাতে নিরব এর আম্মু এসে খাবার খাওয়ার জন্য ডাকলো নিরব উঠে গিয়ে খাবার খেয়ে এসে কিছুখন পড়ে আবার শুয়ে রইলো সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে কলেজ এর জন্য বেরিয়ে পড়লো কিছুটা দূরে যাওয়ার পর একটা রিকশা পেলো নিরব এর কলেজ বেশি দূরে না রিকশা দিয়ে চলে গেলো কলেজ গিয়ে দেখলো সাব্বির আগেই এসে বসে রয়েছে তখন সাব্বির কে নিয়ে ক্লাসে চলে গেলো কিছুখন পর ক্লাস শুরু হলো সব ক্লাস শেষ করে বের হলো তারপর কলেজ থেকে সোজা বাসায় এসে নিরব ফ্রেশ হয়ে খেয়ে শুয়ে রইলো বিকেলে নিরব আর পড়াতে যাবে না তাই ঘুমিয়ে পড়লো।
।।
এদিক তানিয়া অপেক্ষা করছে নিরব এর জন্য কিন্তু নিরব আসছে না বলে তানিয়া তার বই নিয়ে নিরব এর বাসার উদ্দেশ্যে যেতে লাগলো তখন তানিয়ার আম্মু বললো।
তানিয়ার আম্মুঃ কোথায় যাহ মা বই নিয়ে।
তানিয়াঃ মা স্যার বলছে আজ তার বাসায় গিয়ে পড়তে তার নাকি সরিলটা ভালো না।
তানিয়ার আম্মুঃ ঠিক আছে মা যাহ।
তখন তানিয়া বেরিয়ে চলে আসলো।
নিরব এর বাসায় যাওয়ার পর দেখলো নিরব এর আম্মু কোথাও যাচ্ছে তখন তানিয়া গিয়ে বললো।
তানিয়াঃ আন্টি কোথায় যাও।
নিরবের আম্মুঃ একটু মার্কেট যাচ্ছি কিছু কাপড় নিয়ে আসতে। তা মা তুমি আজ আমাদের বাসায় আসলে।
তানিয়াঃ পড়তে আসছি এখনো যাচ্ছে না বলে।
নিরবের আম্মুঃ ওহ আমিও বুলে গেছি যাও নিরব ঘুমিয়ে আছে গিয়ে ঘুম থেকে তুলে দাও তো মা আমি ৩০ মিনিট এর মাঝেই চলে আসবো বাসায় আর কেউ নাই।
তানিয়াঃ ঠিক আছে আন্টি আমি বাড়ি পাহারা দিচ্ছি তুমি আসলে যাবো।
নিরবের আম্মুঃ ঠিক আছে।
এইবলে চলে গেলো নিরব এর আম্মু আর তখন তানিয়া বললো।
তানিয়াঃ বাসায় কেউ নাই শুধু আমি আর জানটা আজ তো আদর করতে আরো বেশি সুন্দর হবে হি 😁 হি 😁হি 😁 ধন্যবাদ আন্টি এত বড় সুজক করে দেওয়ার জন্য।
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।
চলবে,,,,,,,