গল্প : দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্ব : ৬
লেখক : দুষ্ট ছেলে
তানিয়াঃ এদিকে আসো আমি এখানে।
নিরবঃ সরি লেট হলো আসতে।
তখন নিরব কাছে গেলো আর তানিয়া বললো।
তানিয়াঃ বসো এই খাটে বসো।
নিরবঃ হুম বলো কি বলবে।
নিরব খাটে বসার পর তখন তানিয়া উঠে নিরব কে ধাক্কা দিয়ে খাটে শুইয়ে দিলো তখন নিরব বললো।
নিরবঃ কি করছো কি এমন করছো কেন আবার।
তখন তানিয়া কোনো উওর না দিয়ে নিরব এর বুকের উপর বসে তার ওড়না ছুড়ে ফেলে দিলো।
তখন নিরব আবার বললো৷
নিরবঃ আবারও শুরু করে দিলে।
তখন তানিয়া নিরব এর ঠোঁট গুলো তার দখলে নিয়ে নিলো। নিয়ে তার ঠোঁট গুলো খেতে লাগলো।
পাঁচ মিনিট যাওয়ার পর তানিয়া আরো পাগলামি করতে লাগলো নিরবের ঠোঁট কামড়ে টেনে খেতে লাগলো।
তখন নিরব বললো।
নিরবঃ ইস খেয়ে ফেলবে নাকি ঠোঁট ।
তানিয়াঃ এত টেস্টি ঠোঁট না খেলে হবে।
নিরবঃ একটু আসতে ঠোঁট টেনে খেতে পারো না।
তানিয়াঃ নাহ এটা আমার জিনিস আমি যেমন করে খাই তাতে তোমার কি৷।
নিরবঃ যা বাবাহ ঠোঁট আমার বলে আমার কি।
তানিয়াঃ হুম তোমার কি।
তখন তানিয়া কোনো কিছু না বলে ঠোঁট খেতে লাগলো কিছুখন পর আরো পাগলামি করতে লাগলো।
ঠোঁট গুলো টেনে খেতে লাগলো এদিকে নিরব অনেক ব্যাথা পাচ্ছিল ঠোঁটে তখন নিরব মনে মনে বললো।
নিরবঃ মেয়ে পিচ্চি হলে কি হবে আল্লাহ বানাইছে রোমান্টিক মাইয়া একটা । যা আমি বুঝতে পারছি আর ঠোঁট বুঝতে পারছে।
আসতে আসতে তানিয়া নিরব কে কিস করতে করতে পাগলামি করতে লাগলো নিরবের ঠোঁট কামড়ে টেনে খেতে লাগলো তানিয়া নিজের কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলছে। নিরবের একি অবস্থা তখন নিরব বুঝতে পারলো কিছু একটা হয়ে যেতে পারে তাই তার মন কে শক্ত করে তানিয়া কে বাঁধা দিয়ে বললো।
নিরবঃ হয়েছে আজ আর কিস করতে হবে না ছাড়ো আমায় এখন ।
কিন্তু তানিয়া ছাড়তে চাইছিলো না নিরব কে।
নিরব তাকে জোর করে ছাড়িয়ে দেয়।
আর তখন তানিয়া নিরব কে শক্ত করে জরিয়ে দরে। জোরে জোরে নিশ্বাস নিতে লাগলো আর।
তখন নিরবের কাঁদে কামড় দিয়ে দরে রাখলো ।
তখন নিরব বললো।
নিরবঃ কি করছো কামড় দিচ্ছ কেন ছাড়ো ছাড়ো ।
তখন তানিয়া ছেড়ে দিয়ে বললো।
তানিয়াঃ তাহলে আমাকে বাঁধা দিলে কে কিস করতে।
নিরবঃ সময় দেখছো ১২ টা বাজে আমি বাসায় যাবো।
তখন তানিয়া কোনো উওর না দিয়ে জরিয়ে দরে রাখলো শক্ত করে কিছুখন পর তানিয়া কান্না করে দিলো।
নিরব তো অবাক হয়ে গেছে তার কান্না দেখে তখন নিরব বললো।
নিরবঃ কি হয়েছে কান্না করছো কেন পিচ্চি।
তখন তানিয়া নিরব এর বুকে ঘুসি দিয়ে কান্না করতে করতে বললো।
তানিয়াঃ শয়তান,,,,বান্দর,,,,,বিলাই,,,,,,মেরে ফেলবো আবার যদি পিচ্চি বলিস।
নিরবঃ তো পিচ্চি কে কি বলবো।
তানিয়াঃ আবার বলছিস।
এইবলে নিরব কে ঘুসি মারতে লাগলো তখন নিরব বললো।
নিরবঃ আচ্ছা আচ্ছা আর বলবো না।
তখন তানিয়া কান্না করতে লাগলো কিছুখন যাওয়ার পর ও কান্না থামছে না তখন নিরব বললো।
নিরবঃ কি হয়েছে তুমি কান্না করছো কেন বলো আমায় কান্না না করে ।
তখন তানিয়া নিরব কে বলতে লাগলো।
তানিয়াঃ এক বছর আগে থেকে তোমাকে ভালবাসি।
বিশ্বাস করো প্রতিটি রাত কেটেছে তোমার কথা ভেবে।
দিন কেটেছে একটি নজর তোমাকে দেখে।
প্রতিদিন ছাদে,,,,,তোমার বাসার সামনে,,,,,,,,,,
দাড়িয়ে থাকতাম একটি নজর দেখতে যখনি তোমাকে একটি বার দেখছি। মনটা খুশিতে ভরে উঠেছে তখন আমার চেয়ে বেশি কেউ খুশি হয়নি । আমি যানি আমার বয়স কম কিন্তু কি করবো বলো তবুও ভালবেসে ফেলছি অনেক । তোমার মনে আছে কিছুদিন আগে তুমি তোমার বন্ধুদের নিয়ে সিলেট গেছিলে ঘুরতে তিন দিন এর জন্য।
নিরব অবাক হয়ে শুনছে সব তখন নিরব বলে
নিরবঃ হুম।
তানিয়াঃ বিশ্বাস করো এই তিনদিন তোমাকে না দেখে প্রায় পাগল হয়ে গেছিলাম
তখন আমি আব্বু আম্মু কে বলছি তোমরা কাছে পড়বো তোমাকে যেন নিয়ে আসে বাসায়। কারন তখন তোমাকে সব সময় দেখতে পারবো। তারপর আব্বু তোমার কথা বলে তোমার আম্মুর কাছে সেদিন রাস্তায় যখন বলছি তোমাকে ভালবাসার কথা আমি আর না থাকতে পেরে বলছি খুব চিন্তা হয় তোমাকে নিয়ে। কেউ যদি আমার কাছ থেকে নিয়ে যায় তোমাকে।
তুমি যখন পড়াতে আসছো তখন তুমি আমায় যে মেরেছিলে কোনো কষ্ট হয়নি তোমাকে দেখতে দেখতে তোমার দুষ্ট ঠোঁটের কাছে মন চলে গেছিলো তাই একটা বাহানা ধরে তিনদিন না দেখার জন্য ঠোঁট খেয়েছি কিন্তু খেয়ে আর হলো না মন চায় সারাদিন খেতে আজ তোমার আম্মু বললো ওই মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করছে। আমি কি করে থাকবো তোমাকে ছাড়া তোমাকে না পেলে মরে যাবো আমি অনেক ভালবাসি তোমাকে।
এইবলে তানিয়া নিরব কে শক্ত করে জরিয়ে দরে রাখলো নিরব অবাক হয়ে শুনছিলো কি বলবে কিছু বুঝতে পারছে না তানিয়া কান্না করতে লাগলো জরিয়ে দরে নিরব কি করবে এদিকে তার আম্মু বিয়ে ঠিক করে রাখছে আর এদিকে তাকে পাগলের মতো ভালবাসে তানিয়া কিছুখন চুপ থেকে নিরব বললো।
নিরবঃ শুনো কাদবে না তুমি উঠো।
তখন নিরব তানিয়া কে তার কাছ থেকে ছাড়িয়ে খাট থেকে উঠে তানিয়া কে খাটে বসিয়ে নিরব হাটু গেড়ে বসে তার চোখের পানি মুছে দিয়ে বললো।
নিরবঃ তোমার পাগলামির কাছে আমি হেরে গেছি আমিও পিচ্চিটা কে ভালবেসে ফেলছি আর কাদবে না আমি শুধু তোমার।
এটা তানিয়া শুনে নিরব কে সাথে সাথে জরিয়ে দরলো আর তানিয়া কান্না করতে লাগলো। তখন নিরব বললে
নিরবঃ কি হলো আবার এখন কাঁদছো কেন।
তানিয়াঃ খুশিতে কাঁদছি এখন।
নিরবঃ হয়েছে আর কাদেতে হবে না ।
তানিয়াঃ হুম আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু একটা কথা তোমার আম্মু যে ওই মেয়ের সঙ্গে বিয়ে দিবে বলছে।
নিরবঃ সেটা নিয়ে আগামীকাল চিন্তা করবো এখন যাও গিয়ে ঘুমাও অনেক রাত হয়েছে
তানিয়াঃ নাহ আজ আমি তোমার সাথে এই ছাদে ঘুমাবো তোমার বুকে মাথা রেখে ।
নিরবঃ পাগলামি করবে না রুমে যাও তোমার আম্মু এখনো তোমাকে খুজতে আসেনি এটা ভাগ্য যদি আমায় দেখতো এসে তাহলে অনেক কিছু হতো এখন যাও আর আমিও যাই আগামীকাল আবার আসবো আমি ।
তানিয়াঃ ঠিক আছে কিন্তু আর একটা কথা৷ বলার ছিলো।
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা দিবেন।
চলবে,,,,,,,,,,