গল্প : দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্ব : ৭
লেখক : দুষ্ট ছেলে
নিরবঃ পাগলামি করবে না রুমে যাও তোমার আম্মু এখনো তোমাকে খুজতে আসেনি এটা ভাগ্য যদি আমায় দেখতো এসে তাহলে অনেক কিছু হতো এখন যাও আর আমিও যাই আগামীকাল আবার আসবো আমি ।
তানিয়াঃ ঠিক আছে কিন্তু আর একটা কথা৷ বলার ছিলো।
নিরবঃ হুম বলো কি বলবে।
তানিয়াঃ যাওয়ার আগে বলছিলাম কি আরেকটু তোমার ঠোটে কিস করতে দিবে প্লিজ না করো গো দাও গো প্লিজ দাও ।
নিরবঃ তুমি কি শুরু করলে বলো তো এতখন কিস করে তারপরও হয়নি।
তানিয়াঃ এত টেস্টি জিনিস সারাদিন খেলেও মন ভরবে না। বিয়ের পর ঘুমাতে দিবো না তোমাকে।
সারা রাত রোমাঞ্চ করবো আর তোমার মিষ্টি ঠোঁটে কিস করবো।
নিরবঃ বাবাহ তুমি তো হেব্বি পিচ্চি রোমান্টিক মেয়ে।
তানিয়াঃ হুম তবে সেটা তোমার জন্য। আর তোমার পাগলি।
নিরবঃ হয়েছে বুঝতে পারছি এখন তারাতাড়ি কিস করে নাও আমি চলে যাবো আম্মু ফোন করছে।
এটা বলার সাথে সাথে ঝাপিয়ে পড়লো তানিয়া নিরব এর ঠোঁটের উপর দশ মিনিট কিস করে ছেড়ে দিয়ে বললো।
তানিয়াঃ এখন যাও হয়েছে।
নিরবঃ ঠিক আছে যাচ্ছি।
এইবলে নিরব চলে আসছে তখন তানিয়া আবার ডাকলো।
তানিয়াঃ এই শুনো দাড়াও দাড়াও ।
নিরবঃ আবার কি হলো৷
তানিয়াঃ আগামীকাল কিন্তু আমায় পড়াতে আসতে হবে।
নিরবঃ আচ্ছা ঠিক আছে আসবো চিন্তা করতে হবে না।
তানিয়াঃ ঠিক আছে এখন তাহলে যাও।
তখন নিরব সেখান থেকে চলে আসলো বাসায় আসার পর নিরবের আম্মু অনেক বকা দিলো এত লেট করার জন্য তারপর নিরব কিছু খেয়ে শুয়ে পড়লো সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে খাবার গেলো কলেজ যাবে তখনি নিরব এর আম্মু বললো।
নিরবের আম্মুঃ কোথায় যাস তুই।
নিরবঃ কলেজ যাচ্ছি কেন।
নিরবের আম্মুঃ আজ কলেজ যেতে হবে না।
নিরবঃ কেন যাবো না।
নিরবের আম্মুঃ সুলতানা কে নিয়ে একটু ঘুরে আসবি মেয়েটা কি সারাদিন বাসায় থাকবে নাকি।
নিরবঃ তারা যায়নি গতকাল।
নিরবের আম্মুঃ নাহ আরো দুইদিন থাকবে তর বিয়ের তারিখ ফাইনাল করে তারপর একবারে যাবে।
নিরবঃ আচ্ছা ঠিক আছে।
নিরবের আম্মুঃ তুই এখন রুমে যাহ খাবার এর সময় ডাকবো আমি।
তারপর নিরব চলে গেলো তার রুমে যাওয়ার পর সুলতানা আসলো আর৷ বললো।
সুলতানাঃ আমি কি আমার হবু বর এর রুমে আসতে পারি।
নিরবঃ এসেই তো গেছেন আর অনুমতি নিয়ে কি করেন।
সুলতানাঃ ওহ ঠিকি তো।
তখন সুলতানা নিরব এর কাছে গিয়ে বললো।
সুলতানাঃ কেমন আছো।
নিরবঃ আছি কোনো মতো আরকি।
সুলতানাঃ কেন মন খারাপ নাকি তোমার।
নিরবঃ নাহ মন খারাপ থাকবে কেন।
সুলতানাঃ হুম সেটাও ঠিক কথা এমন সুন্দরী একটা মেয়ে নিয়ে ঘুরবে মন তো খারাপ থাকার কথা না খুশি থাকারি কথা৷ ।
নিরবঃ কে সুন্দরী।
সুলতানাঃ কে আবার আমি।
তখন নিরব হাসতে হাসতে সুলতানা কে রাগানোর জন্য বললো।
নিরবঃ তুমিতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর মতো কালা। 😁😁😁
তখন সুলতানা প্রচন্ড রেগে বললো।
সুলতানাঃ কিহহহহহহ 😡😡😡😡😡
নিরবঃ হ্যা কেন বিশ্বাস হচ্ছে না তাহলে আয়নার সামনে গিয়ে দেখো।
সুলতানাঃ সয়তান তুই দাড়া তরে দেখাচ্ছি।
এইবলে সুলতানা দরজা বন্ধ করে নিরব কে ধাক্কা দিয়ে খাটে শুইয়ে তার বুকের উপর বসে ঘুসি মারতে লাগলো আর বলতে লাগলো।
সুলতানাঃ আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর এর মতো কালা তাই না 😡😡😡
নিরবঃ হ্যা সত্যি কথা।
তখন সুলতানা আবার মারতে লাগলো তখন নিরব বললো।
নিরবঃ আরে ব্যাথা পাচ্ছি আর মারতে হবে ছাড়ো ।
সুলতানাঃ তাহলে আমায় এটা বললে কেন।
নিরবঃ ঠিক আছে সরি তুমি অনেক সুন্দর।
সুলতানাঃ হুম আমি সেটা যানি।
নিরবঃ এইবার উঠেন আমার উপর থেকে বাবাহ কি বারি।
তখন সুলতানা উঠে গেলো আর বললো।
সুলতানা,ঃ বিয়ের পর এই বারি জিনিস নিয়ে থাকতে হবে তারাতাড়ি খেয়ে নাও ঘুরতে যাবো।
নিরবঃ ঠিক আছে আম্মু যেহেতু বলছে যেতে হবেই।
তখনি নিরব এর আম্মু ডাকলো নিরব কে খাবার খেতে আর তখন নিরব সুলতানা দুজন নিচে চলে যায় খাবার খেতে।
।
তারপর নিরবের আম্মু দুজন কে খাবার দেয় দুজন খেয়ে যার যার রুমে চলে যায় রেডি হতে।
এখনি তারা ঘুরতে যাবে নিরব এর ইচ্ছে নেই যাওয়ার কিন্তু তবুও যেতে হবে তার আম্মু বলছে বলে।
।
নিরব রেডি হয়ে নিচে এসে বসে রইলো তখন তার আম্মু এসে বললো।
নিরবের আম্মুঃ এইনে এখনে ৫০০০ হাজার টাকা বৌমা যা কিনতে চায় খেতে চায় যেখানে যেতে চায় যাবি।
তখন নিরব অবাক হয়ে বললো।
নিরবঃ বাবাহ আমি ৫০০ টাকা চাইলে নেই এখন বৌমা ঘুরতে যাবে তার জন্য ৫০০০ হাজার।
নিরবের আম্মু,ঃ এত কথা বলার দরকার নেই যা বললাম তাই কর।
এইবলে টাকা দিয়ে নিরবের আম্মু চলে যায় তখনি সুলতানা আসে একটা নিল শাড়ি পরে নিরব তো তার দিকে তাকিয়ে হা করে চেয়ে আছে কারন নিল শাড়িতে অনেক সুন্দর লাগছে তাকে তখন সুলতানা তা বুঝতে পেরে বললো।
সুলতানাঃ কি হলো এমন করে চেয়ে আছো কেন।
এখন চলেন বিয়ের পর দেখতে পারবেন ।
তখন নিরবএর দেন ভাঙ্গলো আর একটু লজ্জা পেলো তখন সুলতানা বললো।
সুলতানাঃ কেমন লাগছে আমায়।
নিরবঃ হুম সুন্দর লাগছে।
সুলতানাঃ আচ্ছা চলো পরে কথা বলা যাবে।
। তখম দুজন বাসার বাহিরে চলে আসলো এসে দড়িয়ে আছে তখন সুলতানা বললো।
সুলতানাঃ চলো আগে সামনের দোকান থেকে ফুচকা খাই।
নিরবঃ আমি ফুচকা খাই না।
সুলতানাঃ তুমি না খেলে আমি খাবো চলো।
নিরবঃ নাহ আমি যাবো না।
সুলতানাঃ যেতে হবে তোমাকে চলো।
এইবলে নিরব কে তার হাতে দরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে তখন নিরব মনে মনে বললো।
নিরবঃ এই দোকানে তানিয়া এসে ফুচকা খায় আল্লাহ যানে এখন আছে কি না। থাকলে আমি শেষ।
তখন কিছুটা সামনে যাওয়ার পর দেখে তানিয়া তার বান্ধবী কে নিয়ে দাড়িয়ে আছে তখন নিরব মনে মনে বললো৷
নিরবঃ আজ আমি শেষ যদি দেখে আমি এই মেয়ের সঙ্গে তাহলে কি করে তানিয়া আল্লাহ ভালো যানে যেটা ভয় পাচ্ছিলাম সেটাই হলো।
তখন নিরব সুলতানা কে বললো।
নিরবঃ আচ্ছা তুমি হাতটা ছাড়ো যাচ্ছি আমি।
কিন্তু সুলতানা উল্টো আরো শক্ত করে হাতে দরে নিয়ে যেতে লাগলো কিছুটা সামনে যাওয়ার পর তানিয়া দেখে ফেললো নিরব কে আর দেখলো সুলতানা নিরব কে টেনে নিয়ে আসছে হাতে দরে এটা দেখে তানিয়া রেগে আগুন হয়ে গেছে।
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।
চলবে,,,,,,,