দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা পর্ব-০৮

0
597

গল্পঃ দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্বঃ ৮
লেখকঃ দুষ্ট ছেলে

নিরবঃ আজ আমি শেষ যদি দেখে আমি এই মেয়ের সঙ্গে তাহলে কি করে তানিয়া আল্লাহ ভালো যানে যেটা ভয় পাচ্ছিলাম সেটাই হলো।

তখন নিরব সুলতানা কে বললো।

নিরবঃ আচ্ছা তুমি হাতটা ছাড়ো যাচ্ছি আমি।

কিন্তু সুলতানা উল্টো আরো শক্ত করে হাতে দরে নিয়ে যেতে লাগলো কিছুটা সামনে যাওয়ার পর তানিয়া দেখে ফেললো নিরব কে আর দেখলো সুলতানা নিরব কে টেনে নিয়ে আসছে হাতে দরে এটা দেখে তানিয়া রেগে আগুন হয়ে গেছে।
।।
তখন নিরব তানিয়ার দিকে ল্যক্ষ করলো দেখলো রাগী দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে এটা দেখে ভয় পেয়ে গেলো নিরব আর মনে মনে বলতে লাগলো।

নিরবঃ বাবাহ রেগে তো দেখি এখনি লাল হয়ে গেছে আজ খবর আছে আমার। কে যানে আজ কয়টার খবর দেখায়।

এদিকে তানিয়ার বান্ধবী ফারিয়া হঠাত তানিয়াকে এত রাগী দেখে জিজ্ঞেস করলো ।

ফারিয়াঃ কিরে তর আবার কি হলো হঠাত রেগে এটম বোম হয়ে গেলি কেন।

তানিয়াঃ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,( চুপ করে রাগে ফুপাতে লাগলো)

ফারিয়াঃ বাবাহ তর কি রাগরে কিসের জন্য এত রাগ উঠলো বলবি তো।

তানিয়াঃ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, ( চুপ করে রইলো)

ফারিয়া আবার জিজ্ঞেস করলো।

ফারিয়াঃ কিরে কি হলো বল।

তখন তানিয়া তার বান্ধবী কে পিঠে একটা জোরে ঘুসি দিলো। আর ফারিয়া চিৎকার দিয়ে বললো।

ফারিয়াঃ ওহ মা বাবা গো তুই ঘুষি দিলে কেন,,,,( হালকা কান্নার কন্ঠে বললো )

তখন তানিয়া রাগে ফুপাতে ফুপাতে বললো।

তানিয়াঃ তুই কানা সামনে দেখে,,,,,,( রাগী গলায় বললো)

তখন ফারিয়া সামনে তাকিয়ে দেখে নিরব একটা মেয়ের সঙ্গে আসছে তখন ফারিয়া বললো

ফারিয়াঃ ওহ এই কথা অন্যের গরম আমায় দেখাচ্ছিস কেনবে আমায় মারছিস কেন ইস শয়তান এত জোরে কেউ ঘুসি দেয় ওহ বাবা হাড্ডি নড়িয়ে ফেলছে ।

এদিকে সুলতানা টেনে নিয়ে যেতে লাগলো নিরব কে তখন সুলতানা তানিয়া কে দেখে নিরব কে বললো।

সুলতানাঃ এই এই এটা তো তোমার ছাত্রী দাঁড়িয়ে আছে তাই না ।

নিরবঃ হুম

সুলতানাঃ চলো তো যাই গিয়ে দেখি কিসের জন্য দাড়িয়ে আছে আর দেখে মনে হচ্ছে কোনো কারনে রেগে আছে ।

তখন নিরব মনে মনে বলতে লাগলো।

নিরবঃ এইরে কাম সারছে এমনিতেই আগুন হয়ে গেছে রেগে এখন যাচ্ছে কেরাসিন তেল আরো ডালতে না না এখন সামনে যাওয়া যাবে না ।

তখন আবার সুলতানা বললো।

সুলতানাঃ চলো যলদি চলো।

নিরবঃ এই না না না এখন যাওয়া লাগবে না সামনে। তুমি চলো অন্য কোনো যায়গা থেকে ফুচকা খাওয়াবো তোমাকে এই ফুচকা ভালো না ।

সুলতানাঃ অন্য কোথাও খাবো না আমি এখানেই খাবো যেমনি হোক আর চলো দেখি তোমার ছাত্রী কেন এখানে কিসের জন্য রেগে আছে নিশ্চয়ই কারন আছে ।
নিরব মনে মনে বললোঃ আজ আমি শেষ আল্লাহ দরি ফালাও।

তখন সুলতানা টেনে নিরব এর হাতে দরে তানিয়ার সামনে নিয়ে গেলো তানিয়া এটা দেখে আরো রেগে গেলো আর তখন সুলতানা বললো।

সুলতানাঃ কি ব্যাপার তানিয়া তুমি এইখানে।

সুলতানা নিরব এর আম্মুর কাছ থেকে পরে নাম জেনে নিয়েছিলো তানিয়ার তাই জানে ।

তখন তানিয়া কোনো উওর দিলো না রাগে ফুপাতে লাগলো আর তখন তার বান্ধবীর হাতটা তার পিছনে নিয়ে শক্ত করে দরলো। আর তখন ফারিয়া চিৎকার দিয়ে উঠলো।

ফারিয়াঃ ওহ বাবা আমি শেষ ,,,,,,৷,।

তখন সুলতানা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো।

সুলতানাঃ কি হয়েছে চিৎকার দিলে কেন।

ফারিয়াঃ ওফ মনে হচ্ছে একটা বড় পিপড়া রাগে কামড় দিয়েছে।

সুলতানাঃ ও আচ্ছা কোথায় পিপড়া তারাতাড়ি মেরে ফেলো।

তখন তানিয়া ফারিয়ার হাত ছেড়ে দিলো আর ফারিয়া বললো।

ফারিয়াঃ এই পিপড়া মারা যাবে না কোথাও লুকিয়ে গেছে পরে দেখে নিবো।

তখন সুলতানা তানিয়া কে বললো।

সুলতানাঃ কি ব্যাপার তানিয়া আজ এত রেগে আছো কি হয়েছে বলো তো কোনো সমস্যা।

তানিয়া চুপ করে রইলো তখন নিরব সুলতানা কে বললো।

নিরবঃ তুমি চলো তো তানিয়ার বাসা এটাই তুমি দেখো না তার বান্ধবী আছে সাথে দুজন মিলে সমাধান করতে পারবে তুমি চলো ফুচকা খাবে।

এইবলে নিরব সুলতানা কে টেনে জোর করে নিয়ে যেতে লাগলো তখন সুলতানা বললো।

সুলতানাঃ আরে দাড়াও আমি শুনতে চাই কি হয়েছে।

নিরবঃ অন্যের পারসোনাল ব্যাপার নিয়ে তুমি মাথা ঘামাচ্ছ কেন চলো।

সুলতানাঃ তুমি কেমন টিচার বলো তো তোমার ছাত্রী রেগে আছে কিসের জন্য সেটা না যেনে চলে আসছো।

নিরবঃ আমার জানার প্রয়োজন নেই। চলো

তারপর সেখান থেকে ফুচকার দোকানে চলে আসলো নিরব আর সুলতানা।

এদিকে তানিয়া রেগে তো শেষ তখন কিছু একটা খুজতে লাগলো এদিক ওদিক তাকিয়ে তখন ফারিয়া বললো।

ফারিয়াঃ কিরে আবার কি খুজিস।

তানিয়া কোনো উওর না দিয়ে পাশে একটা ইট পড়ে ছিলো সেটা নিয়ে যেতে লাগলো তখন ফারিয়া বললো।

ফারিয়াঃ কিরে তুই ইট নিয়ে কই যাস।

তখন তানিয়া বললো।

তানিয়াঃ দুইটার মাথা ফাটাতে যাই আগে অই মেয়ে কে এই ইট দিয়ে মাথা ফাটাবো ওর কত বড় সাহস আমার জানটার হাত দরে আমার সামনে দিয়ে নিয়ে যায় বলতে বলতে ফুচকা খাবে। আজ খাওয়া বের করছি গিয়ে দাড়া।

এইবলে তানিয়া ইট নিয়ে যেতে লাগলো তখন ফারিয়া দৌড়ে গিয়ে ইট নিয়ে দূরে ফেলে দিলো আর শক্ত করে দরে বললো।

ফারিয়াঃ বাবারে বাবা তুই তো হেব্বি সাংঘাতিক মেয়েরে। কি রাগরে তর।

তানিয়াঃ ছাড় আমায় দরে রাখছিস কেন ছাড় ।

ফারিয়াঃ শুন মাথা ঠান্ডা কর আর মারিস না মারলে জেলে চলে যাবি।

তানিয়াঃ তাও যেতে রাজি তুই ছাড় আমায় আজ মেরেই ফেলবো ছাড়।

এই বলে তানিয়া ছুটতে চাচ্ছে তখন ফারিয়া বললো।

ফারিয়াঃ নাহ তুই এখন বাসায় চল।

তানিয়াঃ আমি বাসায় যাবো না মাথা না ফাটিয়ে।

ফারিয়াঃ আরে ঠান্ডাহ এত রাগের কি হলো আর এই মেয়েটা কে এটা আমায় বল।

তানিয়াঃ নিরব এর আম্মুর পছন্দ করা মেয়ে।

ফারিয়াঃ ও আচ্ছা এই কথা তুই বাসায় চল।

তানিয়াঃ নাহ বাসায় যাবো না আগে মাথা৷ ফাটাবো।

ফারিয়াঃ আচ্ছা তুই মাথা ফাটালে কি সমাধান হবে তর ভাবতে হবে কি করলে তুই নিরব কে পাবি এখন মাথা গরম করলে পাবি না।

এটা শুনে তানিয়া শান্ত হয়ে যায় তখন বলে।

তানিয়াঃ কি করবো বল অন্য কারো সাথে দেখলে নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না।

ফারিয়াঃ সেটা তর একা না সব মেয়ের এমনি হবে তার ভালবাসার মানুষ কে অন্য মেয়ের সঙ্গে দেখলে ।

তানিয়াঃ আচ্ছা চল এখন ফুচকা খাবো আর নজর রাখবো দুজন এর উপর আর মেয়েটি যেন বেশি কাছে না যায় চল।

ফারিয়াঃ সত্যি তো।

তানিয়াঃ হুম সত্যি এখন চল

ফারিয়াঃ আচ্ছা ঠিক আছে চল।

তখন ফারিয়া ছেড়ে দিলো আর মনে মনে বললো।

ফারিয়াঃ যাক বাবা শান্ত হলো কি রাগি মেয়ে।

তখন ফারিয়া দেখে তানিয়া তার পাশে নেই ইট নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে মারতে।

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।

চলবে,,,,,,