গল্পঃ দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্বঃ ৯
লেখকঃ দুষ্ট ছেলে
তখন ফারিয়া ছেড়ে দিলো আর মনে মনে বললো।
ফারিয়াঃ যাক বাবা শান্ত হলো কি রাগি মেয়ে। 🙁
তখন ফারিয়া দেখে তানিয়া তার পাশে নেই ইট নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে মারতে আবার আর দৌড়ে যেতে যেতে বলছে তানিয়া ।
তানিয়াঃ কাটাপ্পা তুই খাড়া তর বাহুবালি আইতাছে ইট নিয়া তুই খাড়া খালি । 😤😤
তখন ফারিয়া এটা শুনে বলতে লাগলো।
ফারিয়াঃ এইরে কাম সারছে শয়তান মেয়ে আবার যাচ্ছে মারতে। কি সাংঘাতিক মেয়ে এটা কথাই শুনে না যাই হোক এখন তারাতাড়ি আটকাতে হবে নয়তো কিছু একটা হয়ে যাবে।
এইবলে ফারিয়া দৌড়ে যেতে লাগলো পিছন পিছন গিয়ে একপর্যায়ে তানিয়া কে দরে ফেললো দরে বললো।
ফারিয়াঃ কিরে ওই শয়তান বান্দরনি তুই আবার ইট নিয়ে যাচ্ছিস কেন হুম তুই না বললি মারবি না।
তখন তানিয়া বললো।
তানিয়াঃ আরে নাহ আমি এমনি ইট নিয়ে দৌড় দিলাম দেখলাম ইট কতটুকু ওজনের দৌড়ে যেতে পারি কি না।
ফারিয়াঃ হ কইছে তরে আমি জানি আর বলতে হবে না।
তানিয়াঃ আরে হ হাসা কথা এই ইট নিয়ে আমার দৌড়ে যাওয়ার মতো শক্তি আছে । মশার চেয়ে শক্তি কম আমার।
ফারিয়াঃ হ আমি যানি এখনি যেই দৌড় দিছিলি তকে তো দরতেই পাচ্ছিলাম না মিথ্যা কথা বলে লাভ নাই
তানিয়াঃ তাইলে ছাইড়া দে দরে রাখছিস কেন আবার লইয়া দৌড়ে যাই বাহুবালির মতো।
ফারিয়াঃ হইছে আইছে আমার বাহুবালি কাটাপ্পা তরে ঘুসি দিলে খুজে পাওয়া যাবে না আইছে আমার বাহুবালি হইতে ।
তানিয়াঃ কাটাপ্পারে কামুড় দিয়া দিমু হাতে না পারলে।
ফারিয়াঃ হইছে রাখ আজাইরা কথা আবার ইট নিলে তকে সত্যি মাইর দিমু।
তানিয়াঃ আচ্ছা এই ফেলে দিলাম এখন চল গিয়ে দেখি কি করে ।
ফারিয়াঃ ঠিক আছে চল ছেড়ে দিলে আবার ইট নিয়ে দৌড়ে যাবি না তো ।
তানিয়াঃ নাহ এখন চল।
এইবলে যেতে লাগলো তানিয়া আর ফারিয়া।
তানিয়া এখনো রেগে আছে নিশ্চয়ই পেলে সেখানে আজ তেরোটা বাজাবে।
।
তারপর ফুচকার দোকানে গিয়ে দেখে কেউ নাই তখন তানিয়া বললো।
তানিয়াঃ কিরে গেলো কই এইগুলা।
ফারিয়াঃ মনে হয় চলে গেছে।
তানিয়া রাগী গলায়ঃ চলে গেছে মানে কই গেছে।
ফারিয়াঃ আমি কি যানি কই গেছে।
তানিয়াঃ দাড়া জিজ্ঞেস করি কোথায় গেছে।
তখন তানিয়া গিয়ে ফুচকার দোকানদার কে জিজ্ঞেস করলো ।
তানিয়াঃ এইযে কাকা শুনছেন।
তখন দোকানদার এসে বললো।
দোকানদারঃ হুম।
তানিয়াঃ আপনার এইখানে কি একটা ছেলে আর মেয়ে আসছিলো।
তখন দোকানদার তানিয়া কে বললো
দোকানদারঃ হুম আসছিলে কিন্তু আমার কাছে ফুচকা না থাকায় শেষ হয়ে যাওয়ার জন্য চলে গেছে একটা রিকশা করে।
তানিয়া রিকশার কথা শুনে আরো রেগে গেলো আর বললো।
তানিয়া রাগী গলায়ঃ চলে গেছে মনে আপনি আটকাতে পারলেন না আর দুজন কে রিকশার মাঝে উঠতে দিলেন কেন হুম আলাদাভাবে পাটাতে পারলেন না।
লোকটা এই কথা শুনে অবাক হয়ে গেছে তানিয়ার রাগ দেখে আরো অবাক হয়ে গেছে তখন ফারিয়া দোকানদার কে বললো।
ফারিয়াঃ সরি কাকা কিছু মনে করবেন না আমি নিয়ে যাচ্ছি একে ।
এইবলে টেনে তানিয়া কে নিয়ে এসে পড়লো সেখান থেকে কিছুটা দূরে।
নিয়ে এসে বললো।
ফারিয়াঃ তুই কি পাগল হয়ে গেলি নাকি।
তানিয়াঃ পাগল মানে আমার জান কে নিয়ে ফুচকা খাবে আবার রিকশায় ঘুরবে কেন আমি ঘুরবো ওই মেয়েটা গেছে কেন আজ দুটোকে মারবো ছাড় তুই।
ফারিয়াঃ দূর চল তো তুই বাসায় এত কথা বলতে পারবো না বিকেলে পড়াতে আসলে দেখে নিস তখন।
তানিয়াঃ ঠিক কথা বলছিস চল আসুক আজ পড়াতে তারপর দেখাবো আমার রেখে আরেকটা মেয়ে নিয়ে ঘুরে আজ আসুক দেখে নিবো চল।
তখন তানিয়া রেগে চলো গেলো বাসায় পিছনে পিছনে ফারিয়া ও চলে গেলো।
।
এদিকে নিরব রিকশার মাঝে বসে ভাবছে।
নিরব মনে মনেঃ আজ কি যানি হয় পড়াতে গেলে আল্লাহ যানে।
তখন সুলতানা বলে উঠলো।
সুলতানাঃ কি ভাবছো এমন করে হুম।
নিরবঃ কিছু না কিছু না।
সুলতানাঃ খুব ভালো লাগছে রিকশার মাঝে উঠে তোমাকে নিয়ে ঘুরতে পারছি।
নিরবঃ আমার কাছে ভালো লাগছে না চলো নেমে পড়ি।
সুলতানাঃ মেরে মুখ ভেঙে দিবো নামলে চলো চুপ করে।
নিরব তখন মন খারাপ করে বললো।
নিরবঃ ঠিক আছে চলো
তখন সুলতানা নিরব এর কাদে মাথা রাখলো নিরব কিছু বললো না নিরব চিন্তা করছে তানিয়া কে নিয়ে
তারপর নিরব আর সুলতানা একটা পার্কে চলে গেলো সেখানে কিছু খন ঘুরাঘুরি করে একটা ফুচকার দোকানে গিয়ে ফুচকা খেয়ে ঘুরতে লাগলো দুপুর পযন্ত ঘুরে বাসায় চলে আসলো আসার সময় একেবারে দুপুরের খাবার খেয়ে আসছে এসে নিরব ফ্রেশ হয়ে শুয়ে রইলো।
।
এদিকে তানিয়া তার রুমে বসে আছে তখন তার আম্মু গেলো খাবার খাওয়া জন্য ডাকতে গিয়ে যা দেখলো দেখে তো অবাক হয়ে গেছে তানিয়ার আম্মু তখন বললো।
।
তানিয়ার আম্মুঃ কিরে মা তুই লাঠি দরি হকিস্টিক এইগুলা দিয়ে কি করবি এইগুলা এখানে নিয়ে আসছিস কেন ।
তখন তানিয়া রেগে বললো।
তানিয়া রাগী গলায়ঃ যা খুশি করি তা তোমার কি যাও তো। 😡😡
তানিয়ার আম্মুঃ কি হলো এত রেগে আছিস কি হয়েছে।
তানিয়া রাগী গলায়ঃ কিছুনা যাও তুমি। 😡😡
তানিয়ার আম্মুঃ ঠিক আছে যাচ্ছি কে যানে কিসের জন্য আজ এত রেগে আছে আয় খাবার খেয়ে যা।
তানিয়া রাগী গলায়ঃ তুমি গিয়ে খাবার খাও আমি খাবো না যাও।
তানিয়ার আম্মুঃ অল্প কিছু খেয়ে যা
তানিয়া রাগী গলায়ঃ তুমি যাবে।
তানিয়ার আম্মুঃ যাচ্ছি যাচ্ছি এত রাগ দেখানোর কি হলো শুন আমি ফারিয়া কে বলছি বিকেলে আসতে আমি কিছুখন পর তর নাজমুল কাকার কাছে যাবো ৩০০০০ হাজার টাকা নিয়ে আসতে আজ নাকি দিবে তর আব্বু বললো
তানিয়াঃ যেখানে খুশি যাও তুমি এখন যাও তো বিরক্ত করো না।
তানিয়ার আম্মুঃ কি যানি আজ এত রেগে আছিস কেন যাই হোক খিদে পেলে খেয়ে নিস।
এইবলে চলে গেলো তানিয়ার আম্মু তখন তানিয়া বললে।
তানিয়াঃ আজ আসুক পড়াতে শয়তানটা মেরে হাড্ডি ভাঙ্গবো।
এইবলে তানিয়া সব কিছু রেখে ছাদে চলে গেলো।
এদিকে
নিরব বিকেলে উঠে রেডি হয়ে পড়াতে যাচ্ছে আর মনে মনে ভাবছে।
নিরবঃ কে যানে এখন গেলে কি হয় নিশ্চয়ই তেরোটা বাজাবে আমার আল্লাহ রক্ষা করো।
এইবলে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়লো তানিয়ার বাসার উদ্দেশ্যে কিছুখন পর পৌঁছে গেলো বাসায় গিয়ে দেখে কেউ নেই তখন নিরব পড়ার ঘরে চলে গেলো গিয়ে দেখে তানিয়া বসে আছে সাথে লাঠি হকিস্টিক দরি নিয়ে তখনি তানিয়া বললো।
তানিয়াঃ আসুন স্যার বসুন আপনার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।
নিরব মনে মনেঃ হাবভাব তো দেখছি খুবি খারাপ আল্লাহ রক্ষা করো।
বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।
চলবে,,,,,,,,,,