পাপমোচন পর্ব-১১

0
92

#পাপমোচন (১১ পর্ব)

-ঘটনার আকস্মিকতায় হতবিহ্বলের মত তাকিয়ে আছি রামদা হাতে ধরা নারীমূর্তিটার দিকে। মেয়েটার চোখ থেকে যেন আগ্নেয়গিরির দাবানলের মত ক্রোধ ঝলসে পড়ছে! ফর্সা মুখটা ক্রোধে লাল হয়ে উঠেছে। প্রবল রাগে নাকের পাটা ক্রমাগত ফুলছে!

কিন্তু এতক্ষণ ধরে হেসেখেলে কথা বলা মেয়েটার ভিতরে হঠাৎ কি এমন হলো, যে নারীসুলভ আচরণ থেকে বেরিয়ে সোজা দুর্গতিনাশিনীর রূপ ধারণ করলো! নাকি এসবের পিছনে কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে?

মেয়েটা কয়েক মূহুর্ত রামধা হাতে ধরে নির্বাক,নিশ্চল চোখে পলকহীন কলের পুতুলের মত ঠাঁই দাঁড়িয়ে রইলো। তারপর ডান হাতে মুষ্টিবদ্ধ করে ধরে রাখা রামদা টা হাত থেকে ছেড়ে দিতেই ঝনঝন শব্দ করে মেঝেতে পড়ে গেলো। বিমূঢ় আমি বিস্ময়ের চোখে মেয়েটাকে দেখে চলেছি তখনো। চাইলেও কোনভাবেই চোখ ফিরিয়ে নিতে পারছি না নারীমূর্তিরটার দিক থেকে। তার ঠিক পায়ের কাছে রুহুলের মাথা বিহীন ধড়টা পড়ে আছে। রুহুলের তাজা গরম রক্তে পুরো মেঝে ভেসে একাকার।

মেয়েটা কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকার পর এবার হাঁটু মুড়ে পায়ের কাছে পড়ে থাকা রুহুলের মৃত শরীরটার কাছে বসে ধপ করে পড়লো। তারপর রুহুলের মাথা বিহীন শরীরটার দিকে একবার তাকিয়ে মুখ তুলে চারপাশটাতে কিছু একটা খোঁজার চেষ্টা করলো। ঘরের এক পাশে রুহুলের কাটা মাথাটা পড়ে আছে সেদিকে তাকাতেই মেয়েটার ঠোঁটে নির্লিপ্তের হাসি ফুটে উঠলো এবার।

আমার সবকিছু কেমন যেন মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটার হঠাৎ করে এভাবে পাল্টে যাওয়া,পিছন থেকে আক্রমণ করে রুহুলকে ধরাশায়ী করে ফেলা, আর মেয়েটায় বা কে? রুহুলের সাথে তার ঠিক কি সম্পর্ক? কোনকিছুই ঠিক বুঝতে পারছিনা আমি।

মেয়েটা আরও কতক্ষণ নির্বাক থাকার পর এবার শব্দ করে হেসে উঠে আমার দিকে তাকালো। তার সেই চাহনিতে বুকটা ঢিপঢিপ করে উঠলো আমার। ভয়ে আড়ষ্ট স্বরে নারীমূর্তিটিকে জানতে চেয়ে বললাম,’ রুহুল আর আপনি তো একই দলের মানুষ। তাহলে আমাকে বাঁচানোর জন্য রুহুলকে মেরে ফেললেন কেন?’

নারীমূর্তিটা শীতল দৃষ্টিতে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো। তারপর ক্রুর ভাবটা কাটিয়ে তার চেহারায় মাতৃত্বের এক নিদারুণ করুণ ছায়া ফুটে উঠলো। মুখের ভাব খানিকটা শান্ত করিয়ে ছলছল চোখে বলে উঠলো,’ আমি তোমাকে বাঁচানোর জন্য ওকে খুন করিনি। নিজের পাপমোচন করার জন্য খুন করেছি। তারপরও জানিনা নিজেকে কোনদিনও ক্ষমা করতে পারবো কি-না। ‘

খানিকটা অবাক আর কৌতুহলী চোখে জিজ্ঞাসা করলাম,’ মানে?’

‘তোমার বোনের লাগেজে যেই বাচ্চা মেয়েটার লাশ দেখেছিলে ওই মেয়েটা আমার। আমি নয়মাস গর্ভে ধরেছিলাম তাকে। কিন্তু ওই নরপিশাচ টা আমার মেয়েটাকে বাচঁতে দিলো না। ক্রোধে অন্ধ হয়ে গিয়ে ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেললো আমার নিস্পাপ মেয়েটাকে।’

কথাগুলো বলতে গিয়ে কণ্ঠস্বর জড়িয়ে এলো মেয়েটার। কান্না জড়ানো গলায় বলতে লাগলো তারপর,’ আমি গ্রামের খুব গরীব ঘরের একটা মেয়ে। সুখ নামক অদৃশ্য মালা কখনো আলিঙ্গন করেনি আমাকে।
জন্মের পর মা’কে হারিয়ে বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে আনার পর থেকে জীবনে সুখের মুখ আর কখনো দ্যাখা হয়ে ওঠেনি আমার। নিজের বাড়িতে ফাইফরমাশ খাটতাম দু বেলা ভাতের জন্য। একটা চাচি ছিলো সেই ছিলো আমার শেষ সম্বল। তার কাছেই বড় হয়েছি আমি।
নাবালিকা হওয়ার পর এলাকার এক চাচার মারফত শহরে এসেছিলাম একটু সুখের সন্ধানে। আর তারপর এখানে এসেও একের পর এক দুর্বিষহ জীবনের সম্মুখীন হতে থাকি। শেষমেশ রুহুলের সাথে আমার চাচা কথাবার্তা বলে
এই বাগান বাড়ির পরিচারিকা হিসাবে কাজে রাখে। রুহুল মাঝেমধ্যেই এই বাগান বাড়িতে আসতো,নানান রঙিন কথার ছলে আমাকে মুগ্ধ করার চেষ্টা করতো। এটা ওটা কিনে আনতো আমার জন্য। অনাদরে বেড়ে ওঠা মেয়েটার জীবনে হঠাৎ করে রুহুলের মিষ্টি মিষ্টি কথা,দায়িত্বশীলতা দেখে বুদ হয়ে গিয়েছিলাম। তারপর ধিরে ধিরে ওর প্রতি দূর্বলতা আর দূর্বলতা থেকে একটা সময় প্রণয় ঘটে আমাদের মাঝে।

রুহুলের সাথে আমার কাগজে কলমে বিয়ে হয়নি দেখে ও কখনোই আমার মেয়েটাকে ভালো চোখে দেখতো না। ও চাইতো মেয়েটাকে আমি মেরে ফেলি বা সরিয়ে ফেলি। রুহুলের ক্ষনিকের আনন্দে ভুলে গিয়ে হয়তো ভুলটা করে ফেলেছিলো কিন্তু আমি আমার নাড়িছেঁড়া ধন কীভাবে ফেলে দেই? তাই জন্মের পর মেয়েটাকে গ্রামের বাড়িতে চাচির কাছে রেখেছিলাম দুইবছর। কিন্তু মেয়েটাকে গ্রামে রেখে আমার কোনভাবেই মন টিকতো না,তাই রুহুলকে বলে কইয়ে অনেক অনুরোধের পর মেয়েটাকে মাস খানেক হলো নিয়ে এসেছিলাম আমার কাছে। কিন্তু ওই নরপশু টা আমার ফুলের মত মেয়েটাকে বাঁচতে দিলো না।

আমি গর্ভবতী হওয়ার রুহুলের আসল চরিত্রটা জানতে পেরেছিলাম। ও কোনদিন আমায় ভালোবাসেনি,ও চেয়েছিলো বাকি মেয়েদের মত আমাকেও ভোগ করতে।
আর তাই বাচ্চা পেটে আসার পর থেকেই ওর আসল চরিত্রটা বের হয়ে এসেছিলো। একজন নারীর সবচাইতে বড় সম্পদ কি জানো? তার সতিত্ব। আর একজন পুরুষের হলো বিশ্বাস। সেই বিশ্বাসটাকে রুহুল প্রতিনিয়ত ভেঙেছে।

নিজের চোখের সামনে একেকদিন একেক মেয়ের সাথে শুতে দেখেছি নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে।
এই বাগান বাড়িতে তোমার বোনের আগেও বহু মেয়েকে নিয়ে এসেছে রুহুল। তবে বেশিরভাগই থাকতো নিষিদ্ধ পল্লীর। মাঝেমধ্যে যে দু একটা সাধারণ মেয়ে আসতো, তারা আসতো অভাব অনটনের শিকার হয়ে।

কিন্তু তোমার বোনকে যখন নিয়ে এসেছিলো তখন আমি অনেকবার বারণ করেছিলাম রুহুলকে। একজন মেয়ে হয়ে আরেকটা মেয়ের সর্বনাশ করতে চাইনি আমি। কিন্তু অভাবের সংসার আর ছোট্ট মেয়েটার মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে পারেনি।
কিন্তু যেই মেয়েটার আশায় এতদিন ধরে ওই নরপশুটার সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করে গিয়েছি শেষমেশ আমার মেয়েটাকেও ছাড়লো না। মেয়েটা আমার সারাদিন বাড়ির এদিক সেদিক খেলা খেলে বেড়াতো। তোমার বোনকে ধরে আনার পর আমি তাকে এসবের জন্য বাধা দিতে গেলে একটা সময় দুজনার ভিতরে ধস্তাধস্তি শুরু হয়,আর ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মেয়েটাকে সে প্রবল বেগে ধাক্কা মেরে বসলে দেওয়ালের সাথে ধাক্কা লেগে মাথা ফেটে গিয়ে মেয়েটা আমার তখনি ছটফট করতে করতে মারা যায়।
আমি আমার এই হাত দিয়ে নিজের মেয়েটাকে পিলিথিনে পেচিয়ে তোমার বোনের লাগেজে ভরেছিলাম। এই হাত দিয়ে।’

শেষ কয়েকটা লাইন বলতে গিয়ে রেশমি মাতৃস্নেহে হু হু করে ডুকরে কেঁদে ফেললো। তারপর কিছুক্ষণ দম নিয়ে আবার বলতে লাগলো, অনেক আগে হতেই রুহুলের প্রতি আমার ঘৃণা ছিলো। শুধু মেয়েটার মুখের দিকে চেয়ে কিছু বলিনি তাকে। হাজার হলেও আমার সন্তানের বাবা তো। কিন্তু মেয়েটা মারা যাওয়ার পর সেই ঘৃণাটা পাহাড় ছুঁয়ে ছিলো।

রুহুল সেদিন টাকাগুলো দেখিয়ে অনেক বুঝিয়েছিলো আমাকে। এই টাকাগুলো পেলে নাকি সে ওসব কাজ ছেড়ে দিয়ে আমাকে নিয়ে দূরে কোথাও চলে যাবে। তারপর নতুন করে আবার সবকিছু শুরু করবে। কিন্তু কথায় আছে না,কুত্তার লেজ মরার আগ পর্যন্ত সোজা হয় না। রুহুল হলো সেই কুত্তার লেজ। তাই আজকে সুযোগ বুঝে নিজেই সোজা করে দিয়েছি। দ্যাখো না এখন নিশ্চুপ হয়ে আছে। না আছে কোনো টাকার লোভ না আছে নারীর শরীরের।’

কথার এক পর্যায়ে রুহুলের প্যান্টের পকেটে থাকা মোবাইল ফোনটাতে রিং বাজতেই রেশমি পকেট থেকে মোবাইল ফোনটা বার করতেই ঠোঁটে মৃদু হাসি ফুটে উঠলো।
আমার দিকে তাকিয়ে চাপা স্বরে বলে উঠলো,’ শয়তানের বাবায় কল করেছে। এইডারে কি করা যায়? এইডারেও ডেকে নিই এখানে। তারপর আজকেই সব হিসাব কিতাব মিটিয়ে নিবো।’

আমাকে হাতের আঙুলে চুপ থাকতে বলে কলটা রিসিভ করে বেশ স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলে উঠলো রেশমি।
‘হ্যালো স্যার। রুহুল তো একটু বাইরে গেলো। মোবাইলটা ভুল করে রেখে গিয়েছে।’

ওপাশ হতে কি বললো তা শোনা না গেলেও রেশমির প্রত্যুত্তরে বুঝতে পারলাম। লোকটা আমার ব্যাপারেই জানতে চাইছে।
রেশমি উত্তর দিলো,’ হ্যাঁ স্যার। কাজ শেষ করেই রুহুল বাইরে গেলো। রূপা নাকি কার সাথে কথা বলছিলো।’

তারপর আরও কিছুক্ষণ কথা বলার পর কল কেটে দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে সুক্ষ্ম হেসে বললো,’ মাছ জালে ফেসেছে। এখন শুধু ঠিকঠাকমত ডাঙায় তুলে ভাজা বাকি।’

আমি জানতে চেয়ে বললাম,’ বুঝলাম না। আর এই রূপা মেয়েটায় বা কে?’

‘রূপা’দি। উনি হলেন নিষিদ্ধ পল্লীর খালা। তার কাছে নতুন মেয়ে আসলেই রুহুলকে ফোন করে ডাক দিতো। আর রুহুল গিয়ে সেই মেয়েটাকে এখানে নিয়ে আসতো ফাইয়াজ সাহেবের জন্য। ফাইয়াজ সাহেবও রওনা দিয়েছে। তোমার কাটা মাথাটা দেখে রুহুলের নিয়ে আসা মেয়েটাকে ভোগ করে তবেই ফিরবে সে।’

‘কিন্তু আমি তো বেঁচে আছি। ফাইয়াজ এসে যদি দ্যাখে আমার পরিবর্তে রুহুল মাথা কেটে পড়ে আছে। তাহলে…

কথাটা শেষ করতে না দিয়েই বললো,’ তোমার কাজটা আরও সহজ করে দিলাম আমি। ফাইয়াজ সাহেবের মত রাঘব বোয়ালকে নাগালে আনা এতটাও সহজ হতো না। আমার কাজ আমি করে দিয়েছি। এখন বাকিটা তুমি করবে। কীভাবে করবে সেটা তুমি জানো।’

কথাগুলো বলতে বলতে হাতের বাঁধন খুলে দিলো আমার।

বাঁধন মুক্ত হওয়ার পর দুজন মিলে রুহুলের কাটা মাথাটা টেবিলের উপর রেখে শরীরটাকে অন্যখানে সরিয়ে ফেলার পর, পুরো জায়গাটা দুজন মিলে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে নিয়ে জাল ফেলে অপেক্ষা করতে লাগলাম রাঘব বোয়াল ধরার জন্য।

ঘন্টাখানেক পর বাগান বাড়ির বাইরে গাড়ির হর্ন শুনতে পেয়ে রেশমির চোখমুখ জলজল করে উঠলো। ধূর্ত স্বরে আমাকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো,’ শিকারী এসে গ্যাছে শিকার হওয়ার জন্য। এখন বাকিটা তোমার কাজ।’

কথাটা বলে রেশমি আমাকে পাশের ঘরটাতে ঢুকিয়ে দিয়ে নিজেও ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলো বাড়ির বাইরে। তারপর কিছুক্ষণ পর সদর দরজা খুলতেই একটা গমগমে পুরুষালী কণ্ঠস্বর কানে ভেসে এলো আমার। ঘন ঘন পায়ের শব্দে কেউ একজন এগিয়ে এসে রেশমির দেখিয়ে দেওয়া ঘরটার ভিতরে ঢুকলো। ভিতের ঢোকার কয়েকমূহুর্ত পর লোকটার গলার স্বর বদলে গিয়ে হিংস্রাত্মক হয়ে উঠলো।
কর্কশ স্বরে রেশমিকে বিশ্রী ভাষায় গালি দিয়ে উঠলো বার কয়েক তারপর রেশমির আর্তনাদ ভেসে এলো আমার কানে।

আমি পা টিপে টিপে সন্তর্পণে ঘরের বাইরে চোখ রাখতেই দেখলাম অন্য আরেকটা ঘরের দোরগোড়ায় ফাইয়াজ নামের লোকটা রেশমিকে মেঝেতে ফেলে দিয়ে রেশমির গলায় পা চেপে ধরে দাঁড়িয়ে আছে তার দিকে রিভলবার তাক করে,আর অশ্রাব্য ভাষায় গালি দিচ্ছে। রেশমির মুখ থেকে কাতর স্বরে চাপা গোঙানি বেরিয়ে আসছে।

রেশমির প্রাণ তখন ওষ্ঠাগত। মরিয়া হয়ে হাত-পা ছড়িয়ে বাঁচার আকুতি করে চলেছে মেয়েটা। বেশিক্ষণ সময় নিলে হয়তো নরপশুটার জুতোর চাপে রেশমির প্রাণটায় বের হয়ে যাবে। দেরি না করে চটজলদি দেওয়ালে হেলিয়ে রাখা শক্ত কাঠের লাঠিটা মুষ্টিবদ্ধ করে নিয়ে এবার ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পা টিপে টিপে এগিয়ে গেলাম ফাইয়াজ হুসাইনকে লক্ষ্য করে।

তারপর কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাতের লাঠিটা সোজা মাথা বরাবর বসিয়ে দিতেই রেশমিকে ছেড়ে দিয়ে আমার দিকে ঘুরে দাঁড়ালো মাথায় হাত চেপে ধরে। মুখ থেকে অস্ফুট গোঙানির সাথে কপাল কুচকে আমার দিকে হাতে ধরা রিভলবারটা তাক করতেই হাতের লাঠিটা আরও একবার তার মাথা লক্ষ্য করে বসিয়ে দিলাম সজোরে। বার কয়েক লাঠির আঘাতে ফাইয়াজ হুসাইন মেঝেতে লুটিয়ে পড়তেই রেশমিকে হাত ধরে তুলে নিলাম।
রেশমি ফাইয়াজ হুসাইনের হাত থেকে রিভলবার টা হস্তগত করে নিয়ে লম্বা লম্বা বার কয়েক শ্বাস নিয়ে নিজেকে ধাতস্থ করার চেষ্টা করলো। তারপর মেঝেতে পড়ে থাকা ফাইয়াজের দিকে কটাক্ষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ঘৃণাভরে একদলা থুথু ছুড়ে বললো,’ ওরে এমন শাস্তি দিয়ে মারবা,যেন গোটা বিশ্ব ওর মৃত্যু দেখে ভয়ে কেঁপে ওঠে।’
চলবে…

#আশিক_মাহমুদ