প্রণয়ের সুর ২ পর্ব-০৯

0
1119

#প্রণয়ের_সুর২
#পর্ব৯
#মহুয়া_আমরিন_বিন্দু
রাতে ভয়ে ঘুম ভেঙে গেলো নেহার।চোখ বড় বড় করে তাকালো,সে বিছানায় নেই!
নিখিলের কোলের উপর,নেহা আকষ্মিক চিৎকার করে উঠলো। নিখিল ও কম না এক হাতে তার মুখ চেপে ধরে চিবিয়ে চিবিয়ে বললো–,,চুপ বেয়া’দব!

নেহা হাত পা ছুঁড়া’ছুড়ি করলো কোনো লাভ হলো না,নিখিল তাকে নিজের ঘরে নিয়ে নামিয়েছে।দরজাটা ধা’ম করে লাগিয়ে দিলো।ধাক্কা খেয়ে সেটা আবার খুলে ও গেলো।

নেহা দুকদম পিছিয়ে গিয়ে বললো–,,নিখিল ভাই দেখুন!

নিখিল দু হাত বুকের সাথে ভাজ করে বললো–,,রাত বিরাতে কি দেখাতে চাস?

নেহা নাক ছিট’কে বলে উঠলো–,,আসতাগফিরুল্লাহ!

নিখিল এসে নেহার কান চেপে ধরে বললো–,,ইঁচড়ে”পাকা!

নেহা চেচিয়ে বললো–,,আপনি একটা খারা’প লোক!

–,,আজকে জেনেছিস নাকি?

–,,রাতের বেলা এভাবে চেংদো”লা করে তুলে এনেছেন কেনো?

–,,বা’সর করবো বলে!বাসর বুঝিস তুই?

নেহা চোখ বড় বড় করে তাকালো ভুত দেখার মতো চমকে উঠলো যেনো। চোখ পিট পিট করে বললো–,, ছি!ছি!আমি আপনার বোন হই ভাইয়া।এসব বললে পাপ হবে পাপ।

নিখিল দু কদম এগিয়ে আসলো নেহা দৌড় মে’রে পিছিয়ে গেলো।
নিখিল নেহার দিক তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললো–,,বাসর বললে পাপ হবে তাই না?আর তুই যে আমার পুরো ভার্সিটি শুদ্ধ মেয়েকে বলে এসেছিস তুই আমার বউ,তোর আর আমার বিয়ে কবেই হয়ে গেছে!বিয়ে হয়েছে তার মানে তুই তো আমার বউ।এখন তো আর বোন না, বাসর করলে পাপ কেনো হবে?

নেহা ফেঁ’সে গেছে বুঝেও এদিক ওদিক তাকিয়ে বললো–,,ক..কই!না তো এরকম কথা আমি জীবনে মুখে ও আনতে পারি না ভাইয়া।ওই মেয়েরা মিথ্যা বলেছে!

নিখিল নেহার দিক না তাকিয়ে গিয়ে বসলো খাটের উপর।

নেহা বেরিয়ে যেতে নিলো নিখিল ধম’ক দিয়ে বললো–,,তোকে যেতে বলেছি আমি?

–,,না!থাকতেও তো বলেননি।

নিখিল মোবাইলে চোখ রাখলো,অগোছালো বিছানায়ই বসে আছে, নেহা একবার রুমটা দেখলো যেভাবে রেখেছে সে রকমই আছে এখনো,শুকনো ঢুক গিললো একটা নেহা।

নিখিল বাজ”খাঁই গলায় বললো–,,চুপচাপ রুম পরিষ্কার কর!

তখনই বাহির থেকে হাসির শব্দ ভেসে আসলো।নেহা তড়িৎ গতিতে বাহিরে তাকালো।জেরিন,বৃষ্টি, নিঝুম দাঁত কেলিয়ে হাসছে।সাব্বির ও আছে!

নেহা তাদের দিক চোখ পাকিয়ে তাকালো।নিখিল বুঝতে পারলো তবুও চুপ রইলো।নেহা এখনো আগের জায়গায় দাড়িয়ে, ওড়নার একপাশ হাতের সাথে প্যাচাচ্ছে, আর আড় চোখে বাহিরে দেখছে।

নিখিল আবার বলে উঠলো–,,কিরে সং সেজে দাড়িয়ে আছিস কেনো?তোর রূপ দেখতে এখানে এনেছি তোকে।পরিষ্কার কর!

–,,আর কখনো করবো না তো নিখিল ভাই।এবারের মতো মা,,!

নিখিল গম্ভীর কন্ঠে ধমকে বললো–,,চুপ!

নেহা ফুপিয়ে কেঁদে উঠলো ফ্লোরে বসে সব প্যাকেট জড়ো করে ঝুড়িতে ফেললো বিছানার কাছে এসে পরিষ্কার করার সময় হাতে লেগে অসাবধানতায় কাঁচের গ্লাস টা পড়ে ভেঙ্গে গেলো।নেহা সেদিকে তোয়াক্কা করলো না।কিছু পল তাকিয়ে থেকে আবার কাচ উঠানো তে মন দিলো।

নিখিল তাকিয়ে দেখলো শুধু কি রাগ মেয়েটার।সব কিছু করলো নিজে এখন রাগ ও দেখাচ্ছে।

নিখিল বলতে নিলো হাত টা কাট’বে নেহা।
তৎক্ষনাৎ নেহার হাত কে’টে যায়,মেয়েটা ব্যাথা”তুর কন্ঠে চেচিয়ে উঠলো।নিখিল দ্রুত খাট থেকে নেমে নেহার হাত চেপে ধরে, বাহির থেকে এবার বাকিরাও ভিতরে চলে আসে নিখিল সবাইকে সাবধান করে বলে।এই দূরে থাক বলছি আবার সব গুলাকে এখন সামলাতে পারবো না।

নিখিল নেহার দিক কট’মট দৃষ্টিতে তাকায়।নেহা তা দেখে আরো শব্দ করে কেঁদে উঠলো। নিখিলের হাত থেকে নিজের হাত সরিয়ে দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।

নিখিল বিরক্তি নিয়ে তাকিয়ে রইলো।বাকিদের ধম’ক দিয়ে বললো–,,বের হ তো ঘর থেকে।

বৃষ্টি তো নেহার পিছনে গেলো পিছু ডাকলো –,,নেহা দাঁড়া বলছি হাত বেন্ডে’জ করতে হবে, ইনফে’কশন হয়ে যাবে!

নেহা রুমে গিয়ে দরজা আটকে বসে রইলো। আর যাবে না কারো সামনে, কেউ তাকে ভালোবাসে না,নিখিল ভাই কে একটু বেশি পাত্তা দেয় দেখে ভাব বেড়ে গেছে লোকটার।যা খুশি করুক, যে মেয়ে খুশি তার কোলে চড়ে বসে থাকুক, নেহা আর নাক গলাবে না তার ও একটা মান ইজ্জত আছে।নিখিল কে ভালোবাসে তার মানে এই না গায়ে পড়ে সব কিছু করবে।সে লোকটা তো নেহাকে দু টাকার মূল্য ও দেয় না।

হাতের দিক তাকিয়ে হাসলো নেহা।নিখিল তো তাকে একদমই পছন্দ করে না, আর সে তো বোকা সব সময় শুধু নিখিলের সব কিছুতে নিজের জন্য ভালোবাসা ভালো লাগা খুঁজে বেড়ায়,ওর খুশিতে খুশি থাকতে চায়।যেখানে নেহার পোশাক,চুল,কথা বার্তা আচার আচরণ সব কিছুতে নিখিলের সমস্যা, নেহা কে একটা নেহাৎ বাচ্চা ছাড়া কিছুই ভাবে না নিখিল,নেহা সহজ সরল রাগ পুষে রাখে না তাই হয়তো নিখিল তাকে ভালোবাসে না।যে মানুষ টার পার্সো’নালিটি এতো ভালো সে কি করে একটা অসামাজিক বাচ্চামো করা মেয়েকে পছন্দ করবে!আকাশ কুসুম চিন্তা হয়তো নেহা একাই করে,আর নিজের মনে এক আকাশ সমান অনুভূতির পাহাড় জমিয়ে রেখেছে নিখিল কে নিয়ে,কিন্তু সে তো জানে এসব কিছুই পূরণ হওয়ার মতো না।
নেহা কান্না করতে করতেই ঘুমিয়ে পড়লো।
__________
রাহাত নিখিল কে দেখেছিস?এখনো ভার্সিটি আসলো না যে?

শিলার কথায় ভ্রু কিছুটা কুচকে নিলো রাহাত।এর মধ্যে সাহিল সেখানে আসলো।সে এসেই শিলাকে খোঁচা মে’রে বললো–,,বুঝলাম না বইন তুই সারাদিন নিখিল নিখিল করিস কেন?তার থেকে বড় কথা তুই এতো এতো মেয়ে থাকতে আমাদের সাথে গায়ে পড়ে ফ্রেন্ডশিপ করতে আসিস কেনো?আমরা তো তোকে ফ্রেন্ডই মানি না!

শিলার ইগো’তে লাগলো তার পরও চুপ রইলো হেসে বললো–,, আমার ভাইয়ার সাথে তো নিখিলের ভালো সম্পর্ক, শিশির ভাইয়াদের ও ক্লাস মেট আমার ভাইয়া।ভাইয়া বলেছে নিখিল ভালো ছেলে ওদের সাথে বন্ধুত্ব করতে!

মিহির দৌড়ে আসতে আসতে বললো–,,আরে আরে আজকেও আমি লেইট!

রাহাত ঘড়ি দেখে বললো–,,তুই লেইট না এক মিনিট আগে এসেছিস,আজ কি সকালে উঠে ভাবির মুখ দেখিস নি নাকি?না মানে দেখতে দেখতে তো তোর ছয় ঘন্টা হাওয়া হয়ে যায় টেরই পাস না!

মিহির তেড়ে গেলো তার দিকে,সাহিল বলে উঠলো –,, থাম তো তোরা নিখিল এখনো আসলো না কেনো আজ!

মিহির হু হা করে হেসে বললো–,, ওর জানের হাত কে’টে গেছে তো কষ্টে ঘুম হয়নি রাতে।আহ!বেচারা।

শিলা চকিত নয়তে তাকিয়ে উদ্বিগ্ন কন্ঠে বললো–,,নিখিলের জান?কে সে?

মিহির চোখ টিপলো সাহিল কে।সাহিল ভাব নিয়ে বললো–,, মেয়ে মানুষ কে এসব বলি না আমি।শকু”নের মতো সব কিছুতে নজর দেয় এরা!

শিলা বলে উঠলো–,,আরে আমি তো শুধু জানতে চাইছি,নিখিলের মতো স্মার্ট একটা ছেলে গালফ্রেন্ড কি আমাদের ভার্সিটিতেই পড়ে?কোন ডিপার্টমেন্ট একটু পরিচিত হতাম আর কি জানতাম কে সে লাকি গার্ল!

রাহাত বিরক্ত হয়ে বললো–,, শিলা দেখো ভাই ছেলেদের ব্যাপারে এতো জানতে চেও না।যাও বান্ধবীদের সাথে গিয়ে মিশো।আমাদের গ্রুপে একটা মেয়েকে কোনো মতেই মানতে পারছি না আমি, তুমি নিখিলের ফ্রেন্ড তো ও আসলে দু এক মিনিটের জন্য কথা বলতে এসো না হয় দূরে গিয়ে ওর সাথে যা খুশি করো।শুধু আমাদের সামনে না!

শিলা অপমানে ফে’টে পড়লো যেনো হন হনিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো।সাথে তার কষ্ট হচ্ছে নিখিল ও কাউকে পছন্দ করে?সে কি দেরি করে ফেললো নিখিল কে হাত করতে, এখন থেকেই নজর রাখতে হবে।

শিলা চলে যেতেই সাহিল বলে উঠলো–,,তোরাও না,কিসের মধ্যে কি করলি, এই মেয়ে দেখবি আবার কোন কাহিনি করে বিরক্তিকর।

রাহাত এসে বললো–,,তা বন্ধু এ ঝলমলে রোদেও কি বৃষ্টির দেখা মিলবে তোমার?ক্রাশ বয় হয়ে তুমি কিনা একজনের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে কালা হচ্ছো মিহির ভাই!

সাহিল রসিকতা করে বললো–,,তুই ডাকছিস কেনো?এটা তো বৃষ্টি ডাকবে মিহির ভাই,ও মিহির ভাই!

মিহির রাগী চোখে তাকালো।আড্ডা দিতে বসলো তিন জন মিলে।
————
নেহা পায়ের উপর পা তুলে বসে বসে খাচ্ছে।আজ তাকে খাইয়ে দিচ্ছে শাহআলম চৌধুরী। নেহা খাচ্ছে আর হাত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কথা বলছে,সেদিকে একবার তাকালো নিখিল।মনে মনে একবার বললো–,, কবে যে বড় হবে!

নিখিল কে দেখেই নেহা মুখ বাকালো। শাহআলম চৌধুরী কর ফিস ফিস করে বললো–,, দেখেছো তো ঠিক এসে পড়েছে,আবার এসেই চোখ পাকালো কেমন করে।কাচের টুকরো গুলো আমাকে উঠাতে বলেছিলো কি নির্দ’য় তোমার পোলা!

শাহআলম চৌধুরী দুঃখ প্রকাশ করে বললো–,,হ্যাঁ রে হয়েছে একদম আমার বাপের মতো, তোদের দাদাজানও এমন গোমড়া মুখো বজ্জা’ত ছিলো!

সেতারা বেগম বললো–,,বাপ বেটিতে আমার উপরে যাওয়া সোয়ামী টাকে অন্তত রেহাই দে!
শহিদুল এই বি”চ্ছুটা কে জন্ম দিয়েছে আর শাহআলম এটাকে আরো বিচ্ছু হওয়ার টেরে’নিং দিতোছে!

নিশাত এসে বললো–,,এটা টেরে’নিং না দিদুন ট্রেনিং হবে!

সেতারা বেগম বললো–,, আইছে পাকা বুড়ি।যা গিয়া খাইয়া স্কুলে যা,নতুন ভর্তি হইলি না পড়ালেহা করোছ নি ঠিক মতো?বড় স্কুলে গেছছ পোলা গো দিক তাকাইছ না আবার!

তখনই তোহা আসলো,এসেই দুই বেনি ধরে বললো–,,তাকায় তো দাদি!এটা তো পঁচা কাজ বলো!

সেতারা বেগম সুর তুলে বললো–,,কয় কি ছেম’ড়ি!সামলা সামলা মাহফুজ মাইয়া সামাল দে!

হামিদা বেগম কপাল চাপড়ালো তার শাশুড়ি কি থেকে কি যে মনে করে না, এখন কার বাচ্চা গুলাও হয়েছে বি”চ্ছু সব।

নিখিল খেতে বসলো, তাহমিদা বেগম এগিয়ে এসে বললো–,, কি হয়েছে বাবা, হাত কাট’লো কি করে?

নেহা বলে উঠলো–,,গু’ন্ডামি করে এসেছে মনে হয়।জানো বড় আব্বু ভার্সিটি তে একটা গু’ন্ডা আছে ওটার সাথে সারা দিন বসে থাকে!

নিখিল রেগে নেহা কে ধম’ক দিলো–,,নেহা ছোট ছোটর মতো থাক,উল্টোপাল্টা কথা বলবি না একদম!

নেহা ছলছল নয়নে তাকালো শুধু।হয়ে গেলো শাহআলম চৌধুরী নিখিল উল্টো ধম’ক দিলো।–,,কি ভুল বলেছে শুনি?তুই কি ভালো নাকি রাজনীতি কি ভালো মানুষে করে?

হামিদা বেগম কিছু বলতে যাবে, সাহারা বেগম না করলো–,,আপা তুমি কিছু বলো না আবার না খেয়ে চলে যাবে!

মফিজুর চৌধুরী এসে বললো–,,নেহা মায়ের হাতে কি হয়েছে?বেন্ডে’জ কেনো?

নেহা তাকালো হাতের দিক,চিন্তিত হলো নিজেও বেন্ডে’জ কে করে দিলো।

নেহা তাকিয়ে থেকে বললো–,,হাতে বেন্ডে’জ কে করে দিয়েছে আমার?বড় মা তুমি করেছো?

হামিদা বেগম একবার ছেলের দিক তাকালো।নিখিল হনহনিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো!

হামিদা বেগম সবার উদ্দেশ্য একবার জিজ্ঞেস করলো–,, আমি তো করিনি তোমরা কেউ কি বেন্ডে’জ করেছো?

তাহমিদা বেগম হেসে ফেললো।বৃষ্টি সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে বললো–,, ভাইয়া বেন্ডে”জ করে দিয়েছে!আমিও তখন সাথেই ছিলাম।

নেহা চিৎকার করে বললো–,,মানি না মানবো না!কে’টে দিয়ে আবার ঢং করা বড় আব্বু তোমার ছেলে বাঁচার জন্য এমন টা করেছে।

সেতারা বেগম বির বির করে বললো–,,গা’ধী একটা!

সাব্বির তখন এসে ডাকলো–,,বৃষ্টি তোদের বাসার পে”ত্নী টা কি কোচিং এ যাবে আজকে?জানো আন্টি তোমার মেয়ে কোচিং এর পরীক্ষায় একশো তে দুই পেয়েছে!

হু হা করে হেসে উঠলো সাব্বির সাথে বাকিরাও।নিঝুম বললো সাব্বির তুই বেশি বকি”স না তো কোচিং এর প্রশ্ন গুলা যা করে না।

হামিদা বেগম ধম’কের সুরে বললো–,,তুই এটাকে সঙ্গ দিস না নিঝুম,পড়াশোনা লাটে উঠেছে এর পড়তে না বসে কি করিস সারাদিন, ফোন চালানো বন্ধ আজ থেকে!

জেরিন ব্যাগ কাঁধে ঝুলিয়ে সাব্বির কে তাড়া করলো।সাব্বির দৌড়াতে দৌড়াতে বললো–,,ও বুড়ি বউ আমার আবার আসতেছি তোমার বাড়ি,বিকেলে রেঁধে রেখো!

জেরিন রেগে বলছে–,,আমার বাড়ি আর আসবি না তুই,ব্যাটা পেটে কিছু থাকে না, আবার আমার দিদুন কে বউ ডাকিস?তুই কতো পেয়েছিস হ্যাঁ?তুই তো পেয়েছিস তিন।

সাব্বির ভাব নিয়ে বললো–,, তো কি হয়েছে তোর থেকে এক তো বেশি পেয়েছি!

চলবে?