প্রিয় প্রত্যয় পর্ব-২০

0
38

#প্রিয়_প্রত্যয়
#পর্ব২০
#রাউফুন
সন্ধ্যা নেমেছে। শহরের বাতিগুলো একে একে জ্বলে উঠছে। দুই মাস পার হয়ে গেছে। বিউটি আজকাল শরীর নিয়ে বেশ ক্লান্ত অনুভব করে, তবে মন ভরে যায় অদ্ভুত এক অনুভূতিতে। কেমন যেনো মাতৃত্বের এক অনির্বচনীয় সুখ খেলা করছে তার অন্তরে। আজ সকালে যখন ডাক্তার তাকে নিশ্চিত করলেন যে সে মা হতে চলেছে, বিউটির মনে হলো, জীবন যেন নতুন অর্থ পেলো। সে সিদ্ধান্ত নিলো, সুপ্রিয়কে এ খবরটা একদম বিশেষ ভাবে জানাবে।

সুপ্রিয় অফিস থেকে ফিরেছে একটু আগেই।
বিউটি রান্নাঘরে সন্ধ্যার নাস্তা বানাতে ব্যস্ত। সুপ্রিয় ঘরে ঢুকে প্রথমেই শ্বশুর-শাশুড়িকে দেখতে পেলো। হঠাৎ তাদের আসার ব্যাপারটা ধরতে পারে না সে। তবে সে খুশিই হলো। তারা না এলে, সেই বিউটিকে আগামীকাল নিয়ে যেতো ও বাড়িতে। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করল।

সুপ্রিয় বিউটির দিকে তাকাল। রান্নাঘরের দরজা দিয়ে তার ব্যস্ততা দেখছে। বিউটির মুখে একধরনের উদ্দীপনা। সন্দীপ্তার সঙ্গে গল্প করছে আর রান্না করছে। আনাস ড্রয়িং রুমে বসে ছিলো। সুপ্রিয় তার পাশে বসে বললো,“কি রে শা’লা কি ব্যাপার? এতোদিন পর মনে পড়েছে বোনকে?”

“শা’লা, আমি তোর শা’লা না, তুই আমার ছোটো বোনের বর, ভুলে গেছিস?”

“আমি তো শা”লা নজরেই দেখে এসেছি বিয়ের প্রথম দিন থেকেই। ভবিষ্যতেও সেই নজরেই দেখবো। কোনো সমস্যা?”

“অবশ্যই সমস্যা। তুই কোন আক্কেলে আমাকে শা’লা বানাস? তুই জানিস এই অপরাধে আমি তোকে চোদ্দ শিকের ভাত খাওয়াতে পারি?”

“ওবাবাহগো ভয় পেয়ে গেছি।”

সুপ্রিয় ব্যাঙ্গ করে হাসলো৷ পরক্ষণেই বললো,“তোর এসব হুমকি ধামকি থানায় দেখাবি, আমাকে না। সর।”

হঠাৎই ওর ঘাড় চেপে ধরলো আনাস। আকস্মিক ঘটনায় তাল হারালেও সামলে নিলো সুপ্রিয়। এর সঙ্গে পরিচিত ওরা দুজনেই। আনাসের আর্মির পে’টানো শরীরের সঙ্গে সুপ্রিয় কমই পারছে। তবে সুপ্রিয়ও কম যাই নাকি? সেও তার ঘাড় চেপে ধরে কুপোকাত করছে। একবার সে উপরে তো আরেকবার আনাস। শুরু হলো তাদের দুজনের এক প্রকার যুদ্ধ। ঠিক সেই ছোটো বেলার মতো। কেউ কাউকে ছাড় দেবে না এক চুলও। সন্দীপ্তা কফি হাতে এনে ওঁদের এরকম অবস্থা দেখে হাসবে না কাঁদবে ভুলে গেলো। এরা কি এখনো বাচ্চা নাকি? সন্দীপ্তা বিউটিকে ডেকে আনলো।

“দেখো দুজনের হাল। কি অবস্থা, পিড়াপিড়ি শুরু করেছে তোমার বর আর তোমার ভাই!”

“আরে ভাইয়া, থামো। কি করছো? এখনো কি বাচ্চা আছো দুজনে?”

ওদের কথা শুনে, দুজন দুজনকে ছেড়ে দিলো। দুজনেই হাঁপাচ্ছে।

“ভাবি তোমার বরকে সামলাও। একে আজ ছেড়ে দিলেও পরে কিন্তু আর ছাড় পাবে না।”

“এসব ছাড়া ছাড়ি তোমাদের ব্যাপার ভাই, আমাকে টেনো না।”

“সন্দীপ্তা, তুমি আমার বউ, তাই আমার পক্ষে কথা বলো।”

“আমি এসবে নেই আগেই বলেছি!”

বিউটি ওদের তালাতালি দেখে হাসলো। বেশ স্নিগ্ধ লাগছে আজ তাকে। সুপ্রিয় ওর হাসি খানা দেখে যেনো স্তব্ধ হয়ে গেলো। কি সুন্দর এই মেয়ের হাসি। মেয়েটাও হাসেও যেনো হিসেব করে। বিউটি লক্ষ্য করলো সুপ্রিয়র চাহনী। এই চাহনী থেকে বাঁচতে সে বললো,

“ভাবি, মা বাবা কোথায়?”

“ঐ রুমে, তোমার শ্বশুর শাশুড়ির সঙ্গে বসে আছে। যাও চা দিয়ে এসো।”

বিউটি মাথা নেড়ে চলে গেলো রান্না ঘরে চা নিতে। সন্দীপ্তা সোফায় বসলো। সুপ্রিয় ওদের সঙ্গে আরও কিছু কথা বলে চলে গেলো ফ্রেশ হতে।
বিউটি চা দিয়ে আসতেই সন্দীপ্তা ওকে ডাকলো।
ফিসফিস করে বললো,“বর তো অপেক্ষা করছে যাও!”

বিউটি লজ্জায় আড়ষ্ট হয়ে বললো,“মোটে সে অপেক্ষা করছে না।”

“হয়েছে, আরনাজ। আর লজ্জা পেতে হবে না। যাও বরের কাছে!”

এক প্রকার জোর করেই ওকে পাঠিয়ে দিলো সন্দীপ্তা। বিউটি আজ খুব সুন্দর সাজগোজ করেছে। তার হাতে একটা ছোট্ট বাক্স। ওয়াশরুম থেকে শব্দ আসছে। সুপ্রিয় ফ্রেশ আসতেই বিউটি তাকে কফি এগিয়ে দিলো।

সুপ্রিয় কফি নিতে নিতে ওর দিকে তাকালো। কালো কুচকুচে রঙের একটা শাড়ী পড়েছে বিউটি। খয়েরী রঙের ব্লাউজ, চুল গুলো খোলা। সুপ্রিয়র খেয়াল হলো, এই প্রথম বিউটি তার সামনে খোলা চুলে ধরা দিয়েছে। এর আগে ওর চুল সব সময় বাঁধা অবস্থায় দেখেছে বেশি। নিশ্চয়ই সন্দীপ্তা ভাবি আজ ওকে সাজিয়ে দিয়েছে। বিউটি ওর এহেন চাহনীতে লজ্জায় মুষড়ে গেলো। বললো,“কি দেখো?”

“তোমাকে!”

“আগে দেখোনি?”

“এই রূপে দেখিনি!”

মুচকি হাসলো বিউটি। বিউটিকে আজ একটু বেশিই খুশি লাগছে। কেমন অদ্ভুত এক স্নিগ্ধতা বিরাজমান মুখমন্ডলে। সে শুধালো,

“আজ তোমাকে বেশ হাসিখুশি দেখাচ্ছে, কি খবর বলো তো?” সুপ্রিয় জিজ্ঞেস করলো।

বিউটি চুপ করে মিষ্টি হেসে বাক্সটা তুলে দিলো তার হাতে।
“এটা খুলে দেখো,” বিউটি কাঁপা গলায় বললো।

সুপ্রিয় ধীরে ধীরে বাক্স খুললো। ভিতরে ছোট্ট একটা বাচ্চার জুতা আর একটা কার্ড। তাতে লেখা, “শিগগিরই তুমি বাবা হতে চলেছো।”

সুপ্রিয় বাকরুদ্ধ যেনো হয়ে গেলো। তার চোখ ভিজে উঠলো। সে একটুও দেরি না করে বিউটিকে জড়িয়ে ধরলো।
“তুমি সত্যি… তুমি সত্যিই বলছো?”

বিউটি সুপ্রিয়র এক হাত ওর পেটের উপর ধরে বললো, “আমাদের ঘর আলো করে আসছে আমাদের নতুন জীবন, একটা ছোট্টো প্রাণ। তুমি খুশিতো?“

“খুউউব, ওর ছোটো ছোটো হাত, পা হবে তাই না?”

বিউটি আবেগ প্রবণ হলো। মাথা নাড়লো। পাগলামো দেখতে থাকলো সুপ্রিয়র। কতবার যে ওর পেটে ওষ্ঠ ছুইয়েছে হিসেব নেই। কঠিন মানুষ টার চোখেও আজ সে অশ্রু দেখতে পেলো। বাবা হওয়ার আনন্দ বুঝি এমনই?

মারিয়াম এখনও সেই পুরোনো জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকে। মিনহাজের অফিস থেকে বের হওয়ার অপেক্ষায়। সে শুধু চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে মানুষ টাকে একটা পলক দেখার জন্য। মিনহাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে নয়। মিনহাজের তীর্যক দৃষ্টি এখন সয়ে গেছে, খারাপ লাগে না আর।

মিনহাজ গাড়ি চালিয়ে তার বাড়ি ফিরল। মারিয়ামকে উপেক্ষা করেই চলে গেলো আজও। বাড়িতে ঢুকে তার মা তাকে বললেন,
“মিনহাজ শুনো, আজ তোমার সঙ্গে একটা ফয়সালা হওয়া প্রয়োজন।”

মিনহাজ ক্লান্ত মুখে বলল,
“মা, আজ খুব ক্লান্ত লাগছে। একটু বিশ্রাম নিতে দিন।”

তার মা কিছুটা হতাশ হয়ে বললেন,
“আমার বয়স তো অনেক হচ্ছে, বাবা। তোমার বিয়েটা মা হয়ে কি দেখে যাবো না? তোমার অফিসের মেয়ে রুমকিকে ঠিক করলাম, তাকেও রিজেক্ট করলে। বিয়ের কথা একবারও ভাববে না? আমি তোমার জন্য পাত্রী দেখছি, প্রত্যেকের কাছে অপমানিত হতে হয় তোমার জন্য। সেসব অপমানের থেকে তোমার উদাসীনতা দেখে ভীষণ কষ্ট পাই। আমার কষ্ট, আমার অপমান তোমার চোখে পড়ে না?”

মিনহাজ কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল,
“মা, বিয়ে করে কী হবে? আরেকটা দায়িত্ব! আমার হাতে অনেক কাজ, এখন এসব নিয়ে ভাবার সময় নেই। আর আমি আপনাকে বলেইছিলাম, পাত্রী দেখবেন না আর। এক্ষেত্রে যেচে আপনিই অপমানিত হোন। এখানে আমার কিছু করার নেই।”

তার মা একটু চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন,
“তুমি এভাবে আর কত দিন চলবে? একদিন দেখবে, তোমার চারপাশ ফাঁকা হয়ে গেছে। তখন শুধু কাজ নিয়ে থাকবে?”

মিনহাজ কিছু না বলে নিজের ঘরে চলে গেল। তার মা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চুপ করে বসে রইলেন। মিনহাজের উদাসীনতা তার মনে গভীর একটা শূন্যতা তৈরি করল।

মিনহাজ জানে, তার মায়ের কথা ঠিক। কিন্তু তার মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা অস্থিরতা, পুরোনো কিছু না বলা কথার ভার, তাকে কোনো সম্পর্কে বাঁধতে দেয় না। এই মূহুর্তে কেন যেনো ওর মারিয়ামের মুখশ্রী ভেসে উঠলো চোখে। মেয়েটার রোজ ক্লান্ত মুখ দেখেও সে কি সুন্দর তাকে এড়িয়ে আসে। মেয়েটা কি এভাবেই তার জন্য অপেক্ষা করে যাবে? ওর ভীষণ আফসোস হয় মেয়েটার জন্য। কেন করে সে এমন পাগলামো?

এরপর এক সপ্তাহ হলো মিনহাজ অফিস থেকে বের হয়েই মারিয়ামের দেখা পায় না। প্রতিদিন সে অবচেতনভাবে তাকিয়ে থাকতো তাকে এক ঝলক দেখার জন্য, যদিও সে বরাবরের মতোই গম্ভীর। এই অভ্যাসে ছেদ পড়ায় মিনহাজ নিজেই অস্থির হয়ে উঠলো।

মিনহাজ ঠিক করলো, সে নুহাশের বাসায় যাবে। যদিও বাইরে বলবে অফিসের কোনো ফাইল প্রয়োজন, আসল উদ্দেশ্য হলো মারিয়ামকে একবার দেখা। মেয়েটার কি শরীর খারাপ হলো নাকি? আশ্চর্য, মেয়েটাকে অবহেলা করতে করতেই কি তার অভ্যাসে পরিণত হলো নাকি? এই বিচলিত মনোভাব কেন তার মাঝে লক্ষনীয়?

মিনহাজ না চাইতেও মারিয়ামের বাড়ি গেলো। তাকে দেখে নুহাশ অবাক হলো। মিনহাজের মতো গম্ভীর বস তার বাসায় এসেছে!

“বস আপনি?”

“একটা ইম্পর্ট্যান্ট ফাইল নিয়ে ডিসকাস করার ছিলো। এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম ভাবলাম কাজ টা করেই ফিরি!”

“বস, এতো কষ্ট করার কি দরকার ছিলো।”

“এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবো?”

“স্যরি বস, আসুন না প্লিজ! ভেতরে আসুন!”

মিনহাজ প্রবেশ করলো। তিন কামড়ার একটা ফ্ল্যাট। দুটো রুম, একটা ড্রয়িংরুম। বেশ পরিপাটি। নিশ্চয়ই ঐ বাচাল মেয়েটা এসব পরিপাটি করে রাখে? দেখে মনে হয় না তো, এতো গোছালো? মিনহাজ অত্যন্ত সাধারণভাবে কথা বললো, কিন্তু তার চোখ খুঁজে ফিরলো মারিয়ামকে। নুহাশের হাতে ফাইলটা দিলে মিনহাজ। ফাইলটা হাতে নিয়ে নুহাশ উঠে বললো,“আপনি একটু বসুন, আমি এটা ঠিক করে নিয়ে আসছি বস।”

মিনহাজ মাথা নাড়লো। ওর ভেতরটা কেমন অদ্ভুত অস্থিরতায় দগদগ করছে। মনে হচ্ছে এখানে আসাটা বোকামো হয়ে গেছে। কেমন হাসফাস করছে ও।

একটু পরে মারিয়াম যখন হাতে এক কাপ কফি নিয়ে ড্রয়িংরুমে হাজির হলো অদ্ভুত ভাবে মিনহাজের অস্থিরতা যেনো লাঘব হলো। এই অস্থিরতা তবে কি ছিলো? যা এই মেয়েটাকেও দেখা মাত্র কমে গেলো? মিনহাজ চুপ করে তাকিয়ে রইলো।

মারিয়ামও তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষণ। মিনহাজ কিছু বললো না, কিন্তু তার চোখে ছিল অজানা টান। মেয়েটা কি অসুস্থ? ওমন শুকনো লাগছে কেন মুখটা? ধ্যাণ ভাঙে মিনহাজের মারিয়ামের কথায়। সে হেসে বললো,
“কিছু প্রয়োজন ছিল স্যার? হঠাৎই গরীবের বাড়ি?”

মিনহাজ নিজেকে সামলে বললো, “হ্যাঁ, একটা ফাইল… কাজের জন্য।”

মারিয়ামের মৃদু হাসলো। মিনহাজের মনে হলো, হাসিটা তাকে তাচ্ছিল্য করলো এক প্রকার। মারিয়াম বললো,“আপনি মিথ্যাও বলেন, জানা ছিলো না তো?”

“কি? কিসের মিথ্যা বললাম?”

মিনহাজের গলায় বিস্ময়। মারিয়াম বসলো মিনহাজের মুখোমুখি সোফায়। ঠোঁট চেপে বললো,“আপনি কাজের অজুহাতে এখানে আসলেও আমি জানি, এখানে আসার কারণটা আমি।”

মিনহাজ উঠে দাঁড়ালো। মারিয়াম নিজেও উঠলো। বললো,“ভুল কিছু বলেছি স্যার?”

মিনহাজ মৌন রইলো। সে ভাবলো, এ মেয়েটা হয়তো তিন চার মাসে তার জীবনে এক গভীর প্রভাব ফেলছে, রোজ দেখতে দেখতে দেখাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিলো। কিন্তু হঠাৎই না দেখতে পেয়েই এমন অস্থির হচ্ছিলো সে। এটাকে সে সম্পুর্ন এড়িয়ে গেলো। মারিয়ামও পিড়াপিড়ি করে না। সে ভীষণ অসুস্থ। জ্বরে কাহিল অবস্থা তার। সে শুয়ে ছিলো এতক্ষণ, কিন্তু তার ভাই জানালো মিনহাজ স্যার এসেছে। এক পল দেখার লোভ সামলাতে না পেরে অসুস্থ শরীরেই উঠে এসেছে সে। মিনহাজ মিনমিন করে শুধালো,“অসুস্থ?”

“কি করে বুঝলেন?”

“এমনি!”

“আমায় মিস করেছেন স্যার?”

”নাহ!”

তক্ষুনি নূহাশ এলো ফাইল হাতে। বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠতেই মিনহাজের মুখে একটাই চিন্তা, “এ মেয়ে কে? কেনো সে আমার মনে হঠাৎই এতোটা জায়গা দখল করছে? কেন এমন উৎপাত শুরু করেছে? সে তো বিউটিকে ভালোবাসে, তাহলে হঠাৎই এই মেয়ের বিচরণ কেন?”

গাড়িতে উঠে কেন যেনো সে উপরে তাকালো। দেখলো দু জোড়া চোখ ওকে দেখছে বারান্দা থেকে। চোখাচোখি হতেই গাড়ি স্টার্ট করলো মিনহাজ। এখানে আসাটা ঠিক হয়নি, একদম ঠিক হয়নি।

#চলবে