#রাখি_আগলে_তোমায়_অনুরাগে💕
#written_by_Liza
#৮ম_পর্ব
আরাশ রুমে এসে ড্রয়ার থেকে পেনড্রাইভ বের করে ল্যাপটপে কানেক্ট করলো। এরপর যা দেখলো তাতে আরাশের শরীর থরথর করে কাঁপছে,আরাশ মুহুর্তেই ঘামতে শুরু করলো। আরাশের পাশে বেঘোরে ঘুম রাজু। আরাশ রাজুর দিকে তাকিয়ে আবারো ল্যাপটপের দিকে তাকালো।
পেনড্রাইভে কিছু ভিডিও ক্লিপ ছিলো যেটা আরাশ দেখার পর বাকশুন্য হয়ে পড়েছে। আরাশ কিছু ভেবে উঠতে পারছে না,তার সাথে ইকজেক্টলি কি হচ্ছে? আরাশ এতদিন জানতো তাঁর মা-বাবা এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছে,কিন্তু এখন আকাশের ধারণা মুহুর্তেই ভিডিও ক্লিপ দেখার পর বদলে গিয়েছে। আরাশের বাবা-মা কোনো এক্সিডেন্টে মারা যায় নি। এটা একটা প্লানিং মার্ডার ছিলো। আরাশ মাথায় হাত দিয়ে ছক কষতে লাগলো আর ভাবতে লাগলো সেদিন কিভাবে মার্ডার হয়েছিলো তার বাবা-মায়ের,
বেশ অনেক বছর আগের কথা…
অরীনের ৮ম শ্রেনীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ, তাই আরাশ অরীনের বাবা-মা ঠিক করেছে মেয়ের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ তাঁরা ট্রিপে যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ,রাতেই গোজগাজ প্যাকিং শুরু করে দেয়,সকালে খুব ভোরে তাঁরা বেরিয়ে পড়বে।আরাশ তখন অনেকটা ছোট। সব গোজগাজ শেষ।
আরাশের আব্বুরা দুইভাই,দুইবোন, আরাশের আব্বু সবার ছোট। আরাশের চাচা এবং আরাশের দুই ফুফু আছে। আরাশের আব্বু সবার ছোট হওয়াতে ফ্যামিলিতে একটু বেশিই আদরের ছিলো। আরাশের দাদা দাদি শখ করে আরাশের আব্বু (আদিল আহমেদ)কে বিয়ে করিয়ে দেয়। আদিল আহমেদ একটু রাগী স্বভাবের ছিলো বংশের মধ্যে,তার সাথে কেউ আটিয়ে আসতে পারতো না। আদিল আহমেদের বড় ভাই আরাশের চাচা (আজহার আহমেদ) ভয়ে তর্ক করতো না। এভাবে চলছে দিন।
আরাশের দাদি মারা যাওয়ার পুর্বে সবার নামে সম্পত্তি ভাগ করে দিয়ে যায়। ব্যাংক ব্যালেন্স এর দায়িত্ব একমাত্র আদিল আহমেদকে সপে দেয় আরাশের দাদি। এতে আজহার আহমেদ রেগে অনেক তর্ক কথা-কাটাকাটি করে,তাঁরা দুই ভাই আলাদা হয়ে যায়। আরাশের দাদি ব্যাংক ব্যালেন্সের দায়িত্ব ইচ্ছে করেই আজহার আহমেদকে দেয় নি কারণ আজহার আহমেদ অযথা টাকা নস্ট করতো।ফ্যামিলি চালাতে চাইতো না।তাই বুদ্ধি করে আদিল আহমেদকে সব ব্যাংক ব্যালেন্সের দায়িত্ব দেয় যাতে সুষ্ট ভাবে পরিচালনা করতে পারে আদিল আহমেদ। এই দায়িত্বটাই আদিল আহমেদের জীবনের কাল হয়ে দাড়িয়েছিলো। সম্পত্তির লালসার কারণে প্রাণ দিতে হয়েছিলো সেই দম্পতিকে।
মূল ঘটনা…
শীতের সকাল চারদিকে কুয়াশাজড়ানো প্রকৃতি,আদিল আহমেদ গাড়িতে সকল লাগেজ রেখে নোরা আহমেদ ও তাঁর ছেলেমেয়ে আরাশ,অরীনকে আনতে চলে গেলো ফ্লাটের ভেতর। ফ্লাটের সামনে গাড়ি দাড়িয়ে আছে। আজহার আহমেদ বারান্দা থেকে দাড়িয়ে সবটা পর্যবেক্ষণ করছে। আজহার আহমেদ কাকে কল দিয়ে যেনো বলতে লাগলো “এক্ষুনি বেরিয়ে পড়বে তারা,তাড়াতাড়ি কাজ শেষ কর”
আজহার আহমেদের কথামত কে যেনো এসে গাড়ির চাকার টায়ার ও ব্র্যাক নস্ট করে দেয়।
আজহার আহমেদ চেয়েছিলো আদিল আহমেদের পুরো ফ্যামিলিকে মেরে সব সম্পত্তি তাঁর বাকি ভাইবোন ভাগ করে লুটেপুটে খাবে।
আদিল আহমেদ সবাইকে নিয়ে গাড়িতে বসে পড়লো। গাড়ি চলছে পাহাড়ি রাস্তার আঁকাবাঁকা পথ ধরে। একটু পর পর গাড়ি ঝাঁকুনি দিয়ে থেমে থেমে চলছে,আদিল আহমেদ গুরুত্ব না দিয়ে গাড়ি চালাতে লাগলো। হঠাৎ সামনে ট্রাক আসাতে গাড়ির ব্র্যাক ধরতে না পারায় ব্র্যাকফেল করে খাঁদে পড়ে গেলো। ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলো আরাশ অরীন, তাদের বাঁচার কারণ হলো গাড়ি খাঁদে পড়ার আগ মুহুর্তেই নোরা আহমেদ আরাশ ও অরীনকে গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে বাহিরে ফেলে দেয়। আরাশের মাথায় বড়সড় ব্যথা পায়, কিন্তু আরাশের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। অন্যদিকে অরীন পাগলের মতো খাঁদের পাশে ছুটছে আর কাঁদছে। লোকজনের ভীড় জমে যায়, পুলিশ এসে লাশ সনাক্ত করতে পারেনি। কারণ খাঁদটা খুব গভীরে ছিলো। পুলিশ ধরে নিয়েছে তাঁরা আর বেঁচে নেয়। অরীনের স্টেটমেন্ট অনুযায়ী অরীন আর আরাশকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর কয়েকমাসের মধ্যেই আরাশের চাচা চাচী লন্ডনে শিফট করে। আরাশ এর কারণ কখনো বুঝতে না পারলেও আজ পরিষ্কার বুঝতে পেরেছে
আরাশ ভাবছে আর বাচ্ছাদের মতো বেলকনিতে দাড়িয়ে কাঁদছে,সব স্মৃতি আরাশকে মৃত্যু যন্ত্রণা দিচ্ছে। আরাশের চোখের সামনে ভিডিও ক্লিপটি ভাসছে, সেই ভিডিও ক্লিপটাতে ছিলো আজাদের সাথে এক বয়স্ক লোক দেখা করতে এসেছে আর বলছে
“সামান্য সম্পত্তি হাতাতে পারলে না বাবা, আর আমি তোমাদের বয়সে পুরো গাছের গোড়াটাই পিষে মাড়িয়ে ফেলেছি” (আজহার আহমেদ)
মানে (আজাদ)
মানে টানে কিছু না বাবা, অফিসটা নিজের হাতের মুঠোয় রাখার চেষ্টা করো। আদিলের ছেলে আরাশ যেনো এক অংশ ও না পায়। আমার মত হতে শেখো, আমি একসময় খুব খেলেছি এসব নিয়ে। তারা আমারার কিচ্ছুটি করতে পারে নি (আজহার আহমেদ)
আপনি কি বলতে চাইছেন ওটা বলুন।কে আপনি? (আজাদ)
আমি আরাশের চাচা আজহার আহমেদ, তোমার এই করূণ কাহিনি শুনে না এসে পারলাম না।কারণ তুমি তো আমার দলের, শত্রু শত্রু তো বন্ধু হয় বুঝলেনা ব্যপারটা? (আজহার আহমেদ)
তো এখন আমার কি করা লাগবে? এসব যদি আরাশ জানে আমাকে মেরেই ফেলবে, আমি মুক্তি চায় আমাকে বের করুন। আমি ওকে জানে মেরে দিবো (আজাদ ক্রোধান্বিত স্বরে বলতে লাগলো)
আরাশের বাবা-মাকে তো আমিই মেরেছি, এখন যদি আরাশকে তুমি মারতে পারো তাইলে রাস্তা ক্লিয়ার, অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো আজহার আহমেদ (আজহার আহমেদ)
রাতের তিনটা আরাশের চোখমুখ রাগে লাল হয়ে আছে। আরাশ ড্রয়ার থেকে রিভলবার বের তাতে বুলেট আছে কি-না চ্যাক করতে লাগলো। টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রিভলবার রেখে দিলো ড্রয়ারে সযত্নে।
আরাশ বিড়বিড় করে নিজেকে বলতে লাগলো
“কন্ট্রোল ডার্ণ ইট,এত সহজে সব শেষ করা যাবে না, ধাপে ধাপে করতে হবে সব। আপাতত ঠান্ডা হ আরাশ”
আরাশ মুখ ধুয়ে ফ্রেস হয়ে রাজুর পাশে শুয়ে পড়ে, রাজুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। রাজু নড়েচড়ে শীতে গুটিসুটি মেরে ঘুম।
ভোর ফুটে উঠেছে,
সকালে সবাই খাবার টেবিলে বসে আছে, রাজু গিয়ে বাচ্ছার সাথে খেলা করছে, অরীন রাজুকে ডাকছে “রাজু খেতে আই, বাচ্ছা ঘুমাক। খেয়ে নে, আরাশ কই রে? তাকেও নিয়ে আসিস। নবাব এখনো ঘুমাচ্ছে”
রাজু বাচ্ছা দুটোকে দোলনায় দিয়ে আরাশকে ডাকতে চলে গেলো রুমে। আরাশ ততক্ষণে উঠে ওয়াশরুমে ফ্রেস হতে গিয়েছে। খাবার টেবিলে সবাই এসে বসে হাসাহাসি করছে। ঘরে যেনো প্রাণ ফিরেছে গত ১৬ বছর পর। আরাশ খাবার টেবিলে এসে চুপচাপ বসে আছে গম্ভীর মুখে। অরীন আরাশের দিকে তাকিয়ে ইশারা দিয়ে জিজ্ঞেস করছে কি হয়েছে তাঁর। আরাশ মৃদু হেসে এড়িয়ে যায়। অরীন চুপচাপ পাউরুটিতে জ্যালি ব্রেড করে সবাইকে সার্ভ করতে লাগলো, রাজুকে জুসের গ্লাস এগিয়ে দিয়ে অরীন বলে
“এটা খা, এটা টেস্ট আছে। বাহিরের জুসের চেয়ে মাচ ব্যাটার”
রাজু আর অরীনের বন্ডিং দেখে আরাশ মনে মনে শান্তি অনুভব করছে আর বলছে “নিশ্চিন্তে রাজুকে রেখে আমি বাহিরে যেতে পারবো তাহলে, রাজু সবার মন কেড়ে নিয়েছে। গুডজব রাজু”
পাউরুটির স্লাইস মুখে দিয়ে আরাশ মোবাইলে কাকে যেনো টেক্সট পাটাচ্ছে। টেক্সটে লিখা ছিলো “লোকেশন এড্রেস টা পাঠিয়ে দিন, আমি একটু পর বেরোচ্ছি”
ব্রেকফাস্ট সেরে আরাশ রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়ে অফিসে, অফিসে এসে এক এক করে সব ফাইল চ্যাক করে। অফিসের যাবতীয় ডকুমেন্টস নিজের হাতে কাছে রেখে দেয়। একটা ক্লাইন্ট এসে আরাশকে বলতে লাগলো “চলুন স্যার আমরা বেরিয়ে পড়ি দুপুর দু’টোর আগে আসতে হবে, আপনার আবার তাড়া আছে বললেন”
আরাশ ক্লাইন্ট’টাকে নিয়ে চলে গেলো লোকেশন অনুযায়ী, বিশাল বড় পুরোনো কারখানার ভেতর আরাশকে নিয়ে যাওয়া হলো। কারখানার ভেতর ধাপে ধাপে গার্ডরা দাড়িয়ে আছে। আরাশকে দেখে তাঁরা আরাশের পেছন পেছন যেতে লাগলো আর বলতে লাগলো “স্যার আমার মনে হয় তাকে শিফট করে অন্যদিকে পাঠানো উচিৎ”
আরাশ পেছন থেকে হাত দেখিয়ে সাইলেন্ট হতে বলে সবাইকে। সবাই চুপ হয়ে যায়। আরাশ ভেতরে গিয়ে আজাদের সামনে দাড়ায়, আজাদের মুখে কাঁপড় বাধা, আরাশ ইশারা দিয়ে মুখ থেকে কাঁপড় সরিয়ে দিতে বলে, গার্ডরা আরাশের কথামতো কাঁপড় সরিয়ে দেয়।
আজাদ আরাশকে দেখে রেগেমেগে দাঁতে কিড়মিড় করছে আর বলছে “কেনো এসেছো আমার সামনে, মেরে লাশ বানিয়ে রেখে দেবো”
আরাশ আজাদের কথা শুনে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে,সাথে সাথে আরাশের গার্ডরাও হেসে দেয়। আজাদ নিশ্চুপ হয়ে আছে রাগে থরথর করে কাঁপছে।
আরাশ এক হাটু গেড়ে আজাদের দিকে তাকিয়ে বলছে “আপনি যদি ভেবে থাকেন, আমি আপনাকে আমার সম্পত্তি আত্মসাৎ করার লোভের কারণে আটকে রেখেছি তবে আপনি ভুল করবেন।খুব বড় ভুল করবেন আজাদ সাহেব”
আরাশ শিস বাজিয়ে উঠে দাড়ায়, আজাদের আশেপাশে সার্কেলের মত হাটছে আরাশ। আজাদ আরাশের কথা শুনে থ বনে গেলো, আজাদ ভাবছে “তাহলে আটকে রেখেছে কেন তাকে, কোন উদ্দেশ্যে?”
আরাশ অট্টহাসি দিয়ে বলে
“কারণ খুঁজতে খুঁজতে মৃত্যুর দরজায় পৌছে যাবেন আরামসে,খুঁজুন খুঁজুন। আপনাকে কেন আটকে রেখেছি কারণ কি এসব খুঁজুন।”
আজাদ চিৎকার দিয়ে বলে উঠে “চাও টা কি তুমি আরাশ? কেন আমাকে আটকে রেখেছো।কি পাচ্ছো এসব করে?”
হুসসসসসসস আওয়াজ নিচে, নয়তো একেবারে আওয়াজটাই উপড়ে নিবো (আরাশ)
আজাদ চুপচাপ আওয়াজ না করে এদিক ওদিক গার্ডদের দেখছে,যাতে দৌড়ে পালাতে পারে, আরাশ আজাদের দিকে তাকিয়ে বলে
“আপনি অনেক বোকা আজাদ,এই বোকা মাইন্ড নিয়ে আরাশের সাথে গেইম খেলতে মাঠে নামলেন? আরাশ নিশানা মিস করে না, আপনি ভাবছেন সেদিন এক লোক এখানে ঢুকতে পেরেছে আপনার সাথে আলাপ করতে পেরেছে,গার্ডরা কিছু বুঝতে পারেনি,তাঁকে ধরতে পারেনি তাই না! আদৌ কি তাই আজাদ সাহেব? তাহলে শুনুন সেদিন সবটা আমার প্লানমাফিক চলেছে, গার্ডদের আমিই সরে যেতে বলেছি, কারণ আপনাদের কথপোকথন শুনাটা খুব দরকার। ইভেন প্রত্যেকটা কাজ আমার অনুসারে চলেছে। আমার পাতানো জালে ফেঁসে গেলেন, সবগুলো কথপোকথন ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে সেদিন,যাক গে এভাবে মাঝেমধ্যে গেস্ট আসলে মুখ খুলবেন ঠিকাছে? এতে আমার সুবিধা হয় আর কি,মজার বিষয় হলো সেদিন সে পারতো আপনাকে বাঁচাতে, কিন্তু তা করে নি। সে আপনাকে কুবুদ্ধি দিয়ে নিজের প্রাণের ভয়ে পালালো, কথায় আছে না? আপনি বাঁচলে বাপের নাম।অমনটাই হলো।হাহাহা”
আরাশের কথা আজাদের পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেলো,আজাদ ভেবে কুল পাচ্ছে না আরাশ কি করে এতকিছু জানলো, আজাদ আশেপাশে সিসি ক্যামেরা আছে কি না দেখতে লাগলো।কিন্তু খুজে পেলো না। আজাদের কপাল বেয়ে ঘাম ঝড়ছে। আজাদের কেন যেনো মনে হচ্ছে তাকে আটকে রাখার অন্য কারণ আছে। কিন্তু কারণটা কি সেটাই খুজে পাচ্ছেনা আজাদ। আজাদের মাথায় প্রশ্নের জোট পাকিয়ে যাচ্ছে। আজাদের মাথা কাজ করছে না।
আরাশ আজাদের ভাবমূর্তি দেখে রহস্যময় মৃদু হাসে,
গার্ডদের সকল দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে সোজা ক্যাফে চলে যায় আরাশ,
দুপুর ১টা, আরাশ ক্যাফে এসে বসেছে। ক্যাফের মালিক এসে আরাশকে বলতে লাগলো, “আজ এখানেই লাঞ্চ করবেন।কফি ছাড়া আপনাকে কিছু খাওয়াতে পারিনি। আপনি আসেন আবার চলে যান কাজ সেরে”
আরাশ মালিকের দিকে তাকিয়ে হেসে বলে “আজ লাঞ্চ করবো বলে এসেছি, ম্যানু কি?”
মালিশ খুশিতে উদ্ধীগ্ন হয়ে বলছে “সত্যি স্যার? দাড়ান ম্যানু কার্ড টা আনি”
চলবে।