#সুখের_পাখি
(এডিট ছাড়া পর্ব। ভুলত্রুটি ক্ষমা করবেন।)
৫৮
পায়ে ব্যথা নিয়ে তনুর হাঁটতে কষ্ট হচ্ছে। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হচ্ছে তাকে। ইহান ভাইয়ের এই রূপ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না তনু। ইহান ভাই এতটা কঠিন কীভাবে হতে পারে? তাকে কষ্ট পেতে দেখেও ইহান ভাইয়ের মন কেমন করল না! দেশে এসে তনু পুরোনো অভ্যাসটা আবার ফিরে পেয়েছে। এখন সে যতবারই ঘুমায় তা কাঁদতে কাঁদতেই চোখ লেগে যায়। তারপর হার মানার মেয়ে তনু না। সে ইহানের ভাইয়ের সাথে খোলাখুলি কথা বলবে। আজ রাতেই বলবে।
ইহান ফিরেছে বারোটার পর। সে ঘরে গিয়ে জ্যাকেট খুলে রাখছে পেছন থেকে তনু এসে ঘরে ঢুকলো।
–‘ইহান ভাই।’
ইহান খানিকটা চমকে পেছনে ফিরে তনুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। তার চেহারার ভাব শক্ত হয়ে যাচ্ছে। তনু তা দেখেও বলতে শুরু করল,
–‘আপনি আমার সাথে এমন কেন করছেন?’
ইহান এক মুহূর্ত চুপ রইল। তারপর তনুর উপস্থিতি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে জ্যাকেট খুলতে লাগল। ইহানকে এরকম দেখে তনুর জেদ চেপে গেল।
–‘কথা বলছেন না কেন? উত্তর দিন।’
ইহান তখনও কোনো কথা বলছে না।
–‘আপনি জেনে-বুঝে কেন আমাকে কষ্ট দিচ্ছেন? আমাকে ইগনোর করছেন কেন?’
ইহান মুখে বিরক্ত ভাব নিয়ে আবার তনুর দিকে ফিরে দাঁড়াল। তনুকে দেখে একগাল হাসল। সহজ গলায় বলল,
–‘আরে তুমি তনু না! ওহ্হ হ্যাঁ। হাই, কবে ফিরেছ? ভালো আছো?’ কথাগুলো বলেই মুখ থেকে হাসি মুছে গিয়ে শক্ত গলায় বলল,
–‘হয়েছে?’
তনুর কান্না চেপে রাখতে কষ্ট হচ্ছে। এত অবহেলা সে সহ্য করতে পারছে না।
–‘আমাকে কি আপনি কোনোদিনও ক্ষমা করতে পারবেন না? আমার অপরাধ অনেক বড়। তাই বলে কি ক্ষমার অযোগ্য? কেন এমন কর…
–‘অপরাধ! কী অপরাধ করেছ তুমি হ্যাঁ?’
ইহানের স্বভাবের শান্ত ভাবটা খসে গেল। তনুর উপর এত বছরের চেপে রাখা ক্ষোভ বেরিয়ে আসছে এইবার।
–‘আমি কে! আমার কাছে ক্ষমা কেন চাইছ তুমি?’
–‘আমার ভুল হয়ে গেছে…
–‘ভুল! কিসের ভুল? জেনেশুনে যেটা করা হয় সেটাকে আর যাই বলুক ভুল বলা যায় না। তুমি না জেনে কিছু করোনি। তাই দয়া করে ওটাকে ভুল বলে চালিয়ে দিও না।’
–‘আরেকটা সুযোগ দিন না আমাকে।’
–‘বিশ্বাস। বিশ্বাস বলে একটা শব্দ আছে। জানো তো তুমি? শব্দটার সাথে তোমার পরিচয় আছে?’
–‘আপনি এতটা কঠিন হতে পারেন না। আমি আপনাকে চিনি। আপনি শুধু রাগ থেকে এসব বলছেন।’
তাচ্ছিল্যের সাথে হাসল ইহান। মুখ বাঁকিয়ে বলল,
–‘পাঁচটা বছর। পাঁচ বছরে একটা মানুষের সবকিছুই পাল্টে যেতে পারে।’
তনু ঠোঁট কামড়ে ধরে নিঃশব্দে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে। ইহান অন্য দিকে ফিরে বলল,
–‘আমি পছন্দ করব না। এত রাতে কোন মেয়ে আমার ঘরে এসে চোখের পানি ফেলে। একটা ছবি লিক হয়ে গেলে আমার ক্যারিয়ার শেষ।’
–‘ফুলি আপনার ছেলের নাম আপনি রেখেছেন। নামটা তানভীর। অথচ ফুলি আপার নাম ‘ফ’ দিয়ে শুরু হয়। ওর স্বামীর নামও ‘ত’ দিয়ে নয়। আপনি কখনও আমাকে ভুলতে পারেননি। আমাকে সবসময় আপনার আশেপাশেই রেখেছেন।’
–‘এসব যুক্তি ভীষণ লেইম। লোকে শুনলে হাসবে।’
–‘আপনি অস্বীকার করতে পারবেন আপনি এখনও আমাকে ভালোবাসেন না? আপনার ভালোবাসা তো আমি জানি। আমার জন্য আপনার ভালোবাসার কোন সীমা নেই।’
–‘যার ভালোবাসা যত বেশি। তার অভিমানটাও তত বেশি। আর ঘৃণার পরিমাণটা এ দু’টার থেকেও বেশি।’
ইহানের কথা শুনে তনু চোখের জল আটকে রাখতে পারল না। ঝরঝর করে ইহানের সামনেই কেঁদে ফেলল সে। ইহান যেন তা দেখেও দেখল না। তনু কোনোভাবে নিজেকে থামিয়ে জল টলমল করা চোখে ধরা গলায় বলল,
–‘আপনি আমাকে ঘৃণা করেন!’
–‘চেষ্টা করেছিলাম। পারিনি। পারলে এই মুহূর্তে তুমি আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতে না। আমি তোমার মুখটাও দেখতে চাইতাম না। আমার ভালোবাসা, রাগ,অভিমানের থেকেও ঘৃণাটা অনেকে বেশি।’
তনু আর কিছু বলার শক্তি পেলো না। সারা শরীর অবশ হয়ে আসছে তার। অনেকক্ষণ দু’জন চুপচাপ যার যার জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল। তনু ইহানকে দেখছে। ইহান ভুলেও তনুকে দেখছে না। নীরবে অনেকটা সময় কেটে যাওয়ার পর ইহান বলল,
–‘আমি এখন ঘুমাব। ঘর থেকে বেরোলে দরজাটা লাগিয়ে দিতাম।’
তনু নড়লো চড়লো না। ইহানের ঘরে এখনও আলো জ্বলছে দেখে সাবিনা এদিকেই আসছিলেন। ইহান কান খাড়া করে কিছু শোনার চেষ্টা করল। কারো পায়ের আওয়াজ পেয়ে নিঃশব্দে দরজা লাগিয়ে দিল। তনু কোন ভ্রুক্ষেপ করল না। সাবিনা ঘরের সামনে এসে ডাকছে।
–‘ইহান। জেগে আছিস তুই? এখনও ঘরে আলো জ্বলছে কেন?’
ইহান একবার তনুকে দেখল। মা ভেতরে আসতে চাইলে তনুকে তার ঘরে দেখে ব্যাপারটা নিশ্চয় সহজ ভাবে নিবে না।
–‘ইহান। ঘুমচ্ছিস নাকি?’
–‘না মা। কাজ ছিল। এইতো এখন ঘুমাব। তুমি যাও।’
–‘আলোটা নিভিয়ে শুয়ে পড়।’
–‘হুম।’
ইহান লাইট অফ করে দিল। সাবিনার চলে যাওয়ার অনেক পরেও ইহান কিছুই বলল না। অন্ধকারেই তনুকে না দেখে ইহান বলল,
–‘নিজের ঘরে যাও তনু। আমি চাই না তোমাকে জড়িয়ে মানুষ আমার সম্পর্কে কিছু ভাবুক। তোমার নিজের কোন অসুবিধা না-ই থাকতে পারে। কিন্তু আমার ক্যারিয়ার রিস্কে ফেলতে চাই না।’
ইহানের অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে সবাই যাবে। সাবিনা সবচে আগ্রহী। খুশিতে গদগদ করছে সে। আহান প্রথমে যেতে না চাইলেও ইহানের একটা কথার পর যেতে হচ্ছে।
–‘শুনলাম তুই নাকি যাবি না।’
–‘তুই অ্যাওয়ার্ড পাবি। সেখানে আমি গিয়ে কী করব? আমার তো কোনো কাজ নেই।’
–‘তার মানে আমার খুশি তুই দেখতে পারিস না! আমার প্রাপ্তি তোর সহ্য হয় না।’
কথাটা শুনে আহান হতভম্ব। কিছুটা কাতর গলায় সে বলল,
–‘তোর খুশি আমার সহ্য হয় না!’
–‘উঁহু। হলে তো যেতিই। আমাকে অ্যাওয়ার্ড নিতে দেখে বড় ভাই হিসেবে তুই খুশি হতি। যেতে না চাইলে জোর করব না।’
ইহান ভেবেছিল সবাই গেলেও তনু যাবে না। কিন্তু না। তার ধারণা ভুল প্রমাণ হলো। তনুও যাওয়ার জন্য সেজেগুজে বের হয়েছে। বেশি কিছু না। কালো রঙের একটা সিল্কের শাড়ি পড়েছে। কানে কালো পাথরের ছোট দুল। চুলে ঢিলে খোঁপা। কপালের ছোট ছোট চুলগুলো বেরিয়ে এসে মুখের উপর পড়ে আছে। ইহান সেদিক থেকে চোখ সরিয়ে নিল। তনুকে দেখে বোঝাই যাচ্ছে না কাল রাতে ওরকম কিছু হয়েছিল। সব ভুলে কত স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আগে এরকমটা হতো না।
আহান তনুকে দেখে হেসে বলল,
–‘তুমিও যাচ্ছ!’
–‘হুম। চলুন।’
ইহান ড্রাইভ করতে চাচ্ছিল। আহান বলল,
–‘তোকে ড্রাইভিং সিট থেকে নামতে দেখলে তোর মিডিয়া অন্য কিছুই ঝাপিয়ে দিবে। আমি চালাচ্ছি।’
আহানের পাশের সিটে তনু উঠে বসল। আহান আড়চোখে ওকে একবার দেখল। কিছু বলল না। ইহান মা’কে নিয়ে পেছনে বসেছে।
গাড়ি চলছে। তনু আহান যেন কী নিয়ে কথা বলছে। ইহান শান্ত থাকতে চেয়েও পারছে না। একবার সিটে হেলান দিচ্ছে। একবার উঠে বসে কোটের বোতাম খুলছে। সাবিনা লক্ষ করে বলল,
–‘কী হয়েছে তোর?’
–‘জানি না। গরম লাগছে হয়তো।’
আহান বলে উঠল,
–‘গরম লাগবে কেন তোর? এসি চালু করা। নার্ভাসনেসে হয়তো এরকম হচ্ছে। স্ট্রেস নিস না। ইজি হয়ে বোস। এটা তো তোর প্রথম অ্যাওয়ার্ড শো না। আগেও তো কত পেয়েছিস।’
–‘হু।’
ওখানে যাওয়ার পর ইহানকে পেয়ে আর কারো দিকে নজর দেওয়ার সময় নেই। তনু পুরোটা সময় আহানের সাথেই ছিল। সাবিনা অতি উৎসাহে ইহানের মেয়ে ফ্যানদের সাথে সেল্ফি তুলছে। তনু হেসে ফেলে বলল,
–‘ফুপু আম্মাকে আজ ছেলেমানুষ মনে হচ্ছে। কত খুশি লাগছে!’
–‘হুম। কী করবে ভেবেছ?’
–‘হ্যাঁ?’
–‘লাইফে এখন কী করবে তা নিয়ে কিছু ভাবোনি?’
–‘ভালো কোনো হাসপাতালে এক বছর ইন্টার্নশিপ করব।’
–‘তাহলে আমার ওখানেই করতে পারো। আমি ব্যবস্থা করে দিব।’
–‘ঠিক আছে।’
ইহান নামি-দামি ফিল্ম স্টারের হাত থেকে অ্যাওয়ার্ড নিল। স্পিচ দিল। তনু পুরোটা সময় ওকে দেখেছে। ইহানকে সত্যিই আর ছুঁতে পারবে না। এই জাঁকজমক, এত মানুষের ভীড় ঠেলে তনু চাইলেও ইহানের কাছে পৌছুতে পারবে না।
মিতা এখন কোথায় আছে জানে না তনু। মিতার কি বিয়ে হয়ে গেছে? মিতার বাড়ি তো তনু চিনে। সে কিছু না ভেবে মিতাকে দেখতে ওর বাড়ি গিয়ে উঠল। মিতা বাড়িতেই ছিল। তনুকে দেখে খুশির প্রথম ধাক্কায় মিতা কোন কথা বলতে পারল না। তারপরই তনুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কাঁদতে লাগল মিতা। তনু ঠোঁট কামড়ে ওকে থামাতে চাইছে।
–‘মিতা!’
অনেকটা সময় নিয়ে মিতা নিজেকে সামলে নিল। চোখ মুছে ধরা গলায় বলল,
–‘আমাকে তুই ক্ষমা করিস তনু। আমার জন্যই তুই ইহানকে…
–‘চুপ। এতগুলো বছর পর দেখা। আমি কেমন আছি জিজ্ঞেস না করে তুই পুরোনো কথা শুরু করেছিস! চলে যাব আমি?’
–‘না,না। যাবি কেন? ভেতরে আয়।’
মিতা তনুকে নিয়ে বসালো। মিতাদের বসার ঘর এখনও আগের মতই আছে। ছিমছাম, গোছালো।
–‘খালাম্মা কই?’
–‘নেই।’
তনুর কপাল কুঁচকে বলল,
–‘নেই মানে? কোথায় গেছে?’
–‘মৃত্যুর পর আল্লাহ যেখানে নিয়ে যান।’
কথাটা বলার সময়ও মিতার মুখ একইরকম আছে। ও যাবার আগেই মিতার বাবা মারা গিয়েছিল। ওর মা-ও যে মারা গেছে এটা তনু জানত না।
–‘বাবার মৃত্যুর কথা তুই মনে হয় শুনে গিয়েছিস। তার কয়েক বছর পরই মা-ও চলে যায়।’
–‘তুই ততদিন একা ছিলি?’
–‘এখনও আছি।’
তনু একটার পর একটা ধাক্কা খেয়ে যাচ্ছে। হতভম্ব গলায় সে বলল,
–‘তোর না বিয়ে ঠিক ছিল!’
মিতা হাসল।
–‘ঠিক ছিল আর হয়েছে এর মানে অনেক তফাৎ। ওরা অনেককিছু দাবি করেছিল। বাবা বেঁচে থাকলে হয়তো ঋণ করে হলেও দিত। কিন্তু বাবা যাবার পর এমনিতেই ঋণে গলা পর্যন্ত ডুবে ছিলাম আমরা। মা কোনোভাবে গয়না টয়না বেঁচে ধার শোধ করে। এসব খবর ওদের কানে গেলে বিয়েটা ভেঙে দেয়। তা নিয়ে আমার অবশ্য কোন আফসোস নেই। বিয়ের আগেই যাদের এত চাহিদা! বিয়ের পরও নিশ্চয় তা দিনদিন বৃদ্ধি পেত। এখানে বিয়েটা না হয়ে ভালোই হয়েছে। সারাজীবনের কষ্ট থেকে আমি বেঁচে গেছি।’
তনু কী বলবে ভেবে পাচ্ছে না। সেই চটপটে চঞ্চল মিতাটা এখন আর সেরকম নেই।
–‘এ-এখন কি তুই একাই আছিস?’
–‘একাই তো ভালো আছি।’
–‘কীভাবে কি করছিস?’
–‘ভাগ্য করে কোনোরকমে অনার্সটা শেষ করেছিলাম। অনেক জায়গায় চেষ্টা করার পর একটা চাকরিও পেয়ে গেছি। এখন দিনকাল ভালোই যাচ্ছে আমার। তোর খবর বল।’
–‘আমিও ভালোই আছি।’
কথাটা শুনে মিতা তনুকে ভালো করে দেখল। হেসে বলল,
–‘আমি চাকরিটা কার জন্যে পেয়েছি জানিস? ইহান। হুম। নইলে চাকরির বাজারে এই অনার্সের ডিগ্রি কোন কাজেরই না।’
তনু দীর্ঘশ্বাস আড়াল করল। ইহান ভাই তার সব সম্পর্ক গুলোকে আগলে রেখেছে। শুধু সে-ই ইহান ভাইকে আগলে রাখতে পারল না।
–‘ইহানের সাথে আমি সত্যিই অন্যায় করেছি। তুই চলে যাবার অনেকদিন পর ইহান আমার কাছে এসেছিল। তুই শান্তিকে ওর সাথে দেখেছিস এটা জানার পর আর কিচ্ছু বলল না। না আমাকে, না তোকে। কেমন একটা ভাঙাচোরা মুখ নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। তার এক বছর পরই ইহান সম্পূর্ণ পাল্টে গেল। আমাকে বুঝতে না দিয়ে আমার চাকরির ব্যবস্থাও করে দিল। ইহানের কথা ভেবে আমি আজও নিজেকে ক্ষমা করতে পারিনি। তুইও যে এমন কিছু করবি এটা জানতাম নাকি আমি? সব সম্পর্ক শেষ করে দিয়ে চলে গেলি। আমি তোর সাথে যোগাযোগ করার অনেক চেষ্টা করেছি। তোকে বলতে চেয়েছি, সবটাই আমাদের ভুল। ইহান শুধু তোকেই ভালোবাসে। শান্তি কবেই ওর অতীত হয়ে গেছে।’
ইহানের ফোন বেজেই যাচ্ছে। হারুন কল তুলবে কিনা ভাবছে। তনুটা আবার কে? নাম্বার যেহেতু সেভ করা তার মানে স্যারের চেনা কেউ। হারুন কল তুলে কথা বলে বেশ উত্তেজিত হয়ে গেল। ইহান রেকর্ডিং শেষ করে বের হতেই হারুন বলল,
–‘স্যার, স্যার…
বিরক্ত মুখে ইহান বলল,
–‘কী হয়েছে হারুন?’
–‘তনু নামের কেউ একজনের অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। স্পট ডেড।’
চলবে