#Game
#মিমি_মুসকান ( লেখনিতে )
#পর্ব_১৬
নিশান থমতম খেয়ে তাকিয়ে আছে নিশি’র দিকে। নিশি বাঁকা হেসে সেখান থেকে চলে গেল। তার পিছনে ইহান, রোদ্দুর, আর কাব্য তার পিছনে পিছনে চলে গেল। নিশান গালে হাত দিয়ে নিশি’র চলে যাওয়ার পানে তাকিয়ে আছে। হুট করেই নিশি পিছনে ফিরে নিশানকে পিছনে ফিরে চোখ টিপ দিলো। নিশান চোখ বড় বড় করে দেখতে লাগল। নিশানের সব বন্ধুরা একসাথে হেসে উঠলো।
.
অভ্র একবার এই অফিসে যাচ্ছে, একবার ফ্যাক্টরিতে যাচ্ছে, আবার একবার অফিসের কাজের সাইডে যাচ্ছে। তার সাথে সাথে আনহাও ঘুরছে। এতোক্ষণে অফিসের কেবিনে ঢুকল অভ্র। আনহা কেবিনে ঢুকেই ধপাস করে বসে পড়ল। অভ্র দৌড়ে এসে বলল..
– ঠিক আছো তুমি!
– কিভাবে ঠিক থাকবো, একবার এখানে যাও তো একবার এই কাজ করো আমি ক্লান্ত এখন!
অভ্র আনহা কে পানি খেতে দিয়ে..
– নাও পানি খাও!
আনহা পানি নিয়ে খেয়ে ফেলল। অভ্র ফাইল দিয়ে আনহা কে বাতাস করতে লাগল। আনহা বলে উঠে..
– এসি তো চলছে!
– তবুও তুমি ঘামছো।
– আপনি কিভাবে এতো কাজ করেন, এখানেও এতো কাজ আবার বাসায় গিয়ে সবার জন্য রান্না, আর সবচেয়ে কঠিন কাজ তো আদুরী কে সামলানো। আমি হলে কবেই শেষ হয়ে যেতাম!
– কারন তুমি তুমি আর আমি আমি!
– ক্লান্ত হন না!
– আমার মা বলতো জানো, পরিশ্রম ছাড়া কিছু সম্ভব না!
– মা কে দেখার খুব শখ আমার!
– আমার মা দেখতে পুরো মেহেরিন’র মতো! তার মতোই এতো দুষ্টামি করতো!
– আপনি দেখেছেন!
– হুম! আম্মু আর রোদ্দুর, কাব্য,ইহান ওদের মা সবাই মিলে প্রচুর ফাজলামি করতো আর আমার বাবা সব ঠিক করতো!
– তার মানে আপনি আপনার বাবা’র মতো হয়েছেন!
– হুম তার মতো চাঁপা স্বভাবের!
– আচ্ছা আমাদের ছেলে মেয়ে কি রকম হবে!
আনহা’র কথা শুনে অভ্র চোখ বড় বড় করে তার দিকে তাকিয়ে আছে। আনহা শান্ত ভাবেই আবার বললো..
– আমার ছেলে হোক বা মেয়ে সে আপনার মতো হলেই হবে!
– আচ্ছা আনহা এই ফাইল টা একটু চেক করো।
আনহা রেগে উঠে অভ্র’র সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। অতঃপর তার কাছে যেতে যেতে বলল..
– একটা ইম্পর্ট্যান্টে বিষয় নিয়ে কথা বলছি আমি!
– এই ফাইল টাও অনেক ইম্পর্ট্যান্টে!
আনহা মুচকি হেসে অভ্র’র গলা জরিয়ে ধরল। অভ্র শান্ত ভাবে বলে…
– এটা অফিস কি করছো কি এসব!
– তো বাসায় কোথায় আপনি রোমান্স করতে দেন।
– আনহা ছাড়ো কেউ এসে পড়বে।
– না ছাড়বো না, আমার বর আমি ধরেছি কার কি?
– কারো কিছু না কিন্তু কেউ এসে পড়বে।
– আসুক!
বলেই আনহা অভ্র’র দিকে আগাতে লাগল। এর মাঝেই মেহেরিন’র গলা পাওয়া যাচ্ছে। মেহেরিন কাছে আসার ১ মাইল আগে থেকেই ডাকতে থাকে। অভ্র জলদি করে আনহা সরিয়ে দিয়ে বলে..
– আদুরী আসছে ছাড়ো আমায়!
– এখন তো বেঁচে গেলেন পরে বাঁচবেন কিভাবে! থাকবেন তো আমার সাথেই!
বলেই একটা বাঁকা হাসি দেয়। মেহেরিন এসে আনহা কে নিয়ে চলে যায় শপিং এ যাবে বলে। অভ্র যেন হাঁফ ছেড়ে যাবে।
.
নিহা ভার্সিটির ক্যাম্পাসে বসে ছিল। হুট করেই আহিয়ান’র উদয় হলো সেখানে। নিহা ভ্রু কুঁচকে তাকে জিজ্ঞেস করল..
– আপনি তো এই ভার্সিটিতে পড়েন না তাহলে এখানে হুটহাট করে আসেন কিভাবে?
আহিয়ান হেসে গেটের দাড়োয়ানের দিকে তাকায়। নিহা”রং বুঝতে বাকি নেই দাড়োয়ান কে ঘুষ দিয়ে আহিয়ান এখানে আসে। কিন্তু সে কিছু না বলে ফোন টিপতে থাকে। আহিয়ান তার বসে বলে..
– কি করছো ভূতনি!
– আমার মা বাবা অনেক সুন্দর একটা নাম দিয়েছে আমায় নিহারিকা নিহা খান!
– হ্যাঁ জানি তো নাম তো প্রিয় মানুষ’ই দেয় তাই আমিও দিলাম।
– কিন্তু আপনি আমার সেই প্রিয় মানুষটি নন।
– হতে কতোক্ষণ!
– সে গুড়ে বালি!
– এভাবে বলো না! আচ্ছা একটা জিনিস খাবে?
– কিহহ?
আহিয়ান নিহা’র হাত ধরে বাইরে নিয়ে আসে। নিহা ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে থাকে। আহিয়ান নিহা কে নিয়ে ফুচকার দোকানের সামনে যায়।
– ফুচকা খাবে!
– না আপনি খান।
– আরে কি মেয়ে তুমি অন্যকেউ হলে এতোক্ষণ ১ প্লেট খেয়ে ফেলতো।
– আমি অন্য কেউ না নিহা খান.
– হুম তাই তো তুমি আমার ভূতনি! তাই…
বলেই ফুচকা ওয়ালা কে সরিয়ে আহিয়ান নিজে সেখানে দাঁড়ায় আর বলে..
– আমি তোমাকে নিজ হাতে বানিয়ে খাওয়াবো।
– ইমপ্রেস করার জন্য শেষে ফুচকা ওয়ালা সাজবেন।
– তোমার জন্য ঝালমুড়ি বেঁচতে রাজী আছি। নাও খাও!
নিহা মুচকি হেসে আহিয়ান’র কাছ থেকে ফুচকা নিয়ে খেতে লাগল আর আহিয়ান এক দৃষ্টিতে নিহা’র দিকে তাকিয়ে ফুচকা বানাতে লাগল!
নিহা কয়েকটা ফুচকা খেয়ে আর খেলো না। অতঃপর সে হাঁটতে শুরু করল। আহিয়ান তাড়াতাড়ি করে তার পিছন পিছন হাঁটতে লাগল। দুজনে পাশাপাশি হাঁটতে অনেক পথ অতিক্রম করল। নিহা বলে উঠল..
– আমি এখন বাসায় যাবো আপনি চলে যান।
– যানো আজ তোমার সাথে পাশাপাশি হেঁটে খুব ভালো লাগলো কিন্তু একটা জিনিস খুব মিস করেছি।
– কিহ?
– তোমার হাত ধরে হাঁটার ইচ্ছে টা।
– এতো ইচ্ছে যে কিভাবে হয় আপনার! আর কতোদিন এভাবে ঘুরবেন আমার পিছনে।
– পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবে তাই না।
– কিন্তু যেটার ভবিষ্যত নেই সেটার পিছনে সময় নষ্ট না করাই ভালো।
– কিন্তু আমার ভবিষ্যৎ যে তুমি!
নিহা একটু অবাক হয় কিন্তু কিছু না বলে গাড়িতে উঠে চলে যায়!
.
আনহা আর মেহেরিন অভ্র আসার আগেই চলে আসায় বাসায়। অতঃপর আনহা সবার জন্য রান্না করে। কিন্তু এভাবে সে রান্না করে না তবে আজ শুধু শখ বসত রান্না করেছে। অতঃপর সবাই খেতে আসলে আনহা নিজ হাতে সবাইকে খাবার বেড়ে দেয়। কিন্তু মেহেরিন তখন ও আসে না। সবাই খেতে শুরু করে। আনহা অধীর আগ্রহে সবার দিকে তাকিয়ে আছে কে কি বলে এইজন্য। খাবার খেয়ে সবাই অনেক প্রশংসা করে। আনহা’র খুশি যেন ধরে না। এরমধ্যে মেহেরিন আসে। আনহা তাকে খাবার দিতে যাবে তখন অভ্র না বলে উঠে! আনহা মুখটা মলিন করে অভ্র’র দিকে তাকায়। অভ্র বলে উঠে..
– খাবারে অয়েল অনেক বেশি আনহা! এগুলা ওর না খাওয়া ভালো। তুমি দেখো রান্না ঘরে আমি ওর জন্য রেঁধে রেখেছি সেটা নিয়ে আসো।
মেহেরিন বলে উঠে..
– আচ্ছা একটু খাই না মিষ্টি ভাবী রেঁধেছে!
– না আদুরী! ডাক্তার আংকেল আমাকে বলেছে তোমার খাবারের প্রতি অধিক নজর রাখতে।
আনহা মুচকি হেসে বলে উঠে..
– হ্যাঁ তাই তো। ঠিক আছে আদুরী আমি বরং কাল তোমার জন্য আবার রান্না করবো আজ তোমার দা রান্না করা খাবার খাও।
– আচ্ছা!
অতঃপর মেহেরিন অভ্র’র রান্না করা খাবার’ই খেতে থাকে। অভ্র নিজ হাতে তাকে খাইয়ে দিতে থাকে। মেহেরিন আনহা কে বলে..
– তুমি খাবে না মিষ্টি ভাবী!
– খাবো ননদিনী তার আগে তোমরা খাও।
কাব্য বলে উঠে..
– আজ ভার্সিটিতে কি হয়েছে জানো!
– কি হয়েছে!
রোদ্দুর বলে উঠে..
– নিশি কে একটা ছেলে জরিয়ে ধরেছে!
এই কথা শোনার পর কারো মুখে কোনো রিয়েক্ট নেই। যে যার মতো খাওয়ায় ব্যস্ত এমনকি নিশিও। শুধু আনহা’ই অনেক অবাক। আনহা বলে উঠে..
– কিহহহ? এতো বড় সাহস ছেলেটার! তোমরা কিছু বলো নি।
নিহা বলে উঠে..
– নিশি কিছু না করে ছাড়বে বলে মনে হয় ভাবী!
ইহান বলে উঠে..
– ঠিক তাই! নিশি কিছু না করে কিভাবে ছাড়বে! ছেলেটা বাজী লেগে নিশি কে জরিয়ে ধরেছিল। আর নিশি…
নীল বলে উঠে..
– আমিও ভাবছিলাম কোনো ছেলে তোকে ভালোবেসে কিভাবে ধরবে। তা ছেলেকে হসপিটালে ভর্তি করিয়েছিস!
নিশি খাবার খাওয়াতে মনোযোগ দিতে থাকে। রোদ্দুর বলে উঠে..
– তার চেয়েও বেশি!
– মেরে ফেললি নাকি!
ইহান বলে উঠে..
– বলতে পারিস!
– মানে?
কাব্য বলে উঠে..
– নিশি পুরো ভার্সিটির সামনে ছেলেটাকে কিস করল আর বললো সরি মিস্টেক!
কাব্য’র কথা শুনে আনহা হা হয়ে তাকিয়ে আছে নিশি’র দিকে। কিন্তু নিশি খাবার খাওয়াতে মনোযোগ দিয়েছে। মেহেরিন হাত তালি দিয়ে বলে..
– এই না হলে আমার বোন।
নিহা বলে উঠে..
– ইটের জবাবে পাথর মারল!
অভ্র বলে উঠে..
– আই এম প্রাউড অফ ইউ নিশি!
নিশি মুচকি হেসে বলে..
– থ্যাংক দা!
আহনা অভ্র কে খোঁচা মেরে বলে..
– এটা কি বললে?
– যা তুমি শুনলে! ছেলেটা যেমন করেছে নিশি তার জবাব দিয়েছে।
– কিন্তু এখন যদি নিশি’র পিছনে লাগে।
নীল বলে উঠে..
– মিষ্টি ভাবী চিল! নিশি খান আমার বোন এতো সাহস কারো হবে না বুঝলে!
– জানি তো! আর তোমরা ভাই বোনরা কখনো কোনো কথা সিরিয়াসলি নেও না।
মেহেরিন বলে উঠে..
– আমি কিন্তু খুব সিরিয়াস বুঝলে..
মেহেরিন’র কথা শুনে হাসির বন্যা পড়ে যায় সেখানে!
অতঃপর খাবার খেয়ে যে যার মতো রুমে চলে যায়। তবে নিশি আর কাব্য ওখানে বসেই মজা করতে থাকে। আনহা এবার খেতে বসে।
.
অভ্র ঘরে বিছানায় বসে ল্যাপটবে কাজ করছিল। হঠাৎ দরজা খুলে আনহা ঘরের ভেতর আসল। অভ্র তাকিয়ে দেখল আনহা’র মুখ সব লাল হয়ে গেছে। তার সাথে প্রচুর ঘামছে সে। অভ্র তাড়াতাড়ি করে উঠে পানির গ্লাস নিয়ে আনহা’র সামনে গেলো। আনহা পানির গ্লাস সরিয়ে দিয়ে গালে হাত দিয়ে সোফায় বসল। অভ্র পাশে বসে আবারও বলল..
– পানি খাও ঝাল কমে যাবে.
আনহা রেগে বলে..
– আপনি তখন বললেন না খাবার এতো ঝাল হয়েছে। নীল ওরা সবাই এই খাবার খেলো। বেচারাদের কি অবস্থা হয়েছিল কে জানে। আমাকে বললে কি হতো!
– তুমি কষ্ট পেতে তাই! প্রথম বার রান্না করলে আর এখন যদি ওরা খারাপ বলতো তাহলে কি তোমার ভালো লাগতো।
– কিন্তু তাই বলে এতো ঝাল খাবার চুপ করে খেয়ে নিলো।
– না আমাদের অভ্যাস আছে ঝাল খাবার!
– কিন্তু এটা বেশি ছিল অনেক।
– কিন্তু তবুও ওরা খেয়েছে। দেখেছো তো কতো তৃপ্তি করে খেলো ওরা।
– এজন্য আপনি আদুরী কে খেতে দেন নি নাহ!
– আদুরী ঝাল খেতে পারে না। ও খেলে পুরো বাড়ি মাথায় করতো।
– আপনি জানতেন না আমার রান্না ভালো হবে না তাই আগে থেকে আদুরীর জন্য রেঁধে রাখলেন।
– না এতোটা খারাপ হয় নি। সত্যি অনেক ভালো রেঁধেছো তুমি, জানতাম হয়তো একটু গোলমাল হবে কিন্তু তোমার সেই গোলমাল আদুরী অনেক বড়ো ঝামেলার সৃষ্টি করতো তাই। তবে সত্যি তুমি অনেক ভাল রেঁধেছো। প্রথমবার আমি ও এতো ভালো রাঁধিনি!
আনহা ঝালে ফুয়াতে লাগল। অভ্র ওর সামনে পানির গ্লাস টা রেখে বলল..
– নাও পানি খেয়ে নাও ঝাল কমে যাবে!
– নাহ পানি খেলে ঝাল কমবে না।
– তাহলে…
– মিষ্টি খাবো!
– বসো আমি নিয়ে আসছি!
বলেই অভ্র উঠে দাঁড়ালো। আনহা সাথে সাথে দাঁড়িয়ে বলল..
– আরে শুনুন তো!
অভ্র পিছনে ফিরে বলল..
– আবার কি?
– কি মিষ্টি খাবো এটা তো শুনুন!
– কোন মিষ্টি খাবে?
আনহা বাঁকা হেসে অভ্র’র সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। অভ্র ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে আনহা’র দিকে। হুট করেই আনহা অভ্র’র শার্টের গলার ধরে অভ্র’র ঠোঁটে চুমু খেতে লাগল। অভ্র অনেকটা অবাক হলো কিন্তু সে আনহা’র হালকা ভাবে আনহা’র কোমর ধরল। প্রায় কিছুক্ষণ পড় আনহা অভ্র’কে ছেড়ে দিয়ে বলল..
– এই মিষ্টি খাবার কথা বলছিলাম!
আনহা’র কথা শুনে অভ্র পুরোই লাল হয়ে গেছে। সে আনহা কে ছেড়ে বলল…
– ঝাল কমে গেছে তোমার!
– না এখনো আছে!
– আমি আসছি!
বলেই অভ্র বের হয়ে গেল। এদিকে আনহা বাঁকা হেসে বলল…
– এই নিরামিষ বর কে তো আমি আমিষ করবোই।
বলেই সেও বের হলো। বাইরে এসে দেখে অভ্র নিহা’র সাথে। আর নিহা’র হাতে মিষ্টি’র বাটি। আনহা কে দেখে নিহা মিষ্টির বাটি টা আনহা কে দিয়ে বলল…
– নিশি বললো তোমার নাকি অনেক ঝাল লেগেছে নাও মিষ্টি খাও ঝাল কমবে।
আনহা মিষ্টির বাটি টা হাতে নিয়ে বলল..
– ঝাল এখন কমেছে মিষ্টি খেয়েছি আমি!
অভ্র চোখ রাঙিয়ে আনহা’র দিকে তাকায়। আনহা কথা পাল্টে বলে..
– তোমরা খেয়েছো মিষ্টি, নিশ্চিত তোমাদের ও অনেক ঝাল লেগেছে নাহ। আমাকে বললেই পারতে খেতে গেলে কেন?
– মিষ্টি ভাবী ঝাল খাবার অভ্যাস আমাদের আছে। আর তুমি আমাদের জন্য শখ করে রেঁধেছো এই বেশি!
হুট করেই নীল এসে বলে উঠল…
– তাই তো! দি আমার তো মনে হয় না তুমি কখনো নিজের হাতে রেঁধে তোমার শশুরবাড়ির লোকদের কে খাওয়াবে
– বিয়েই করবো না আবার রান্না। সরি এসব আমার দ্বারা হবে না।
– হুম তাই তো!
আনহা বলে উঠে..
– আমার ননদিনী আমার সাথেই থাকবে। তাকে অন্য কোথাও দেবো না বুঝলে দেবরজী।
– দি কে সবাই মাথায় তুলে বসে আছে।
অভ্র বলে উঠে..
– কেন তোকে কম আদর কে করে।
কাব্য বলে উঠে..
– আর দা বুঝছো না কেন? দি বিয়ে না করলে ভাইয়া ওই মেয়েটাকে কিভাবে আনবে।
আনহা বলে উঠে..
– কোন মেয়ে গো দেবরজী!
নিশি বলে উঠে…
– শুধু মেয়ে না বলো গায়ে পড়া মেয়ে।
মেহেরিন বলে উঠে..
– শেষমেষ সে হবে আমার ভাবী।
আনহা বলে উঠে..
– আমি মিষ্টি ভাবী তাহলে তার নাম কি দেবে আদুরী।
নীল বলে উঠে..
– মিষ্টি ভাবী এখন তুমিও। যাও তোমাদের কারো সাথে আমার কথা নেই।
– আরে দেবরজী আমি তো মজা করছি। এই কেউ আমার দেবরজী কে রাগাবে না। বুঝলে!
– হ্যাঁ হ্যাঁ বুঝে গেছি।
অভ্র বলে উঠে..
– আশা করি একটা ভালো মেয়ে পড়ুক তোর কপালে।
অভ্র’র কথায় সবাই একসাথে হেসে উঠে!
#চলবে….