#মেঘলা_আকাশে_রংধনু_হবো
#লেখনীতে_তাইয়েবা_বিনতে_কেয়া
#পর্ব_১৯
রাতের আকাশে জোসনায় আলোতে একে আপরকে দেখছে তারা কি মায়া দুইজনে দুটি কাজল আখিঁতে। তারপর মামি এসে ওদের ডাক দেয় রাতের খাবার খাওয়ার জন্য যদিও হৃদান রাতে কিছু খায় না। তবে হিয়া খাওয়া দাওয়া শেষ করে মামি প্রথমববার ওর এতো যত্ন নিচ্ছে না হলে আগে সবসময় সবার শেষে খাবার দিতো।
হৃদান রুমে বসে বসে ফোন টিপছে হিয়া ঘরে আসে একটু আগে আকাশ পরিস্কার ছিলো কিন্তু এখন কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে। চারদিকে একটু ঠান্ডা হিমেল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে হিয়া ঘরে এসে থেমে যায় কারণ হৃদান যদি এখানে থাকে তাহলে হিয়া কোথায় থাকবে। মামার বাসায় বাড়তি কোনো রুম নাই থাকার মতো। হিয়াকে এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অবাক হয় হৃদান। হৃদান বলে –
“- কি হয়েছে হিয়া এইভাবে দাঁড়িয়ে আছেন কোনো কথা বলবেন “।
হিয়া এবার বলে –
“- না মানে আপনাদের বাড়িতে তো আমারা আলাদা রুমে ঘুমায় কিন্তু এই বাড়িতে বাড়তি কোনো রুম নাই। তাই মানে ওই “।
হিয়া আর কোনো কথা না বলে চুপ হয়ে যায় হৃদান কথাটা ভাবে সত্যি এখন কি তারা অন্য রুমে থাকবে। কিন্তু মামা আর মামি জানে তাদের মধ্যে স্বামী স্ত্রী মতো নরমাল সম্পর্ক এখন আলাদা থাকলে সন্দেহ করবে। মামা এতো আশা নিয়ে হিয়ার দায়িত্ব হৃদানকে দিয়েছে তাই তাকে কষ্ট দিতে পারবে না হৃদান। হৃদান বলে –
“- যেহেতু এখন আর কোনো উপায় নাই তাহলে এখানে ঘুমিয়ে পড়ুন আর গ্রামের বাড়িতে মেঝেতে শোয়া যায় না। এইটা মাটির আপনি তাই বিছানার একপাশে শুয়ে পড়ুন আমি অন্য পাশে “।
হিয়া কোনো কথা না বলে বিছানার অন্য পাশে গিয়ে শুয়ে পড়ে খুব চুপচাপ থাকে ওরা কিন্তু বাতাসের তীব্রতা বাড়ছে। জানলা খেলা রয়েছে তাই হিয়া উঠে জানালা লাগাতে যায় কিন্তু বাতাসের কারণে ঠিক করে লাগাতে পারছে না। হৃদান উঠে যায় হিয়াকে সাহায্যে করতে ও গিয়ে হিয়ার হাত ধরে। হিয়া পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখে হৃদান ঠিক তখন একটা জোরে শব্দ হয় হিয়া ভয় পেয়ে হৃদানকে জড়িয়ে ধরে।
হৃদান বুঝতে পারে হিয়া ভয় পেয়েছে সে ওকে খুব আলতো করে জড়িয়ে ধরে আর মাথায় হাত রেখে বলে –
“- হিয়া “।
“- হুম “।
“- ভয় করছে আপনার “।
“- আপনি যানেন একজন স্ত্রীর সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা কোথায় হয় এই পুরো পৃথিবীতে।তার হাজবেন বুকে। আর আমি সেখানে রয়েছি তাহলে ভয় করবে কোনো “।
“- সত্যি ভয় করছে না আপনার হিয়া “।
“- না “।
হৃদান ওকে একটু জড়িয়ে ধরে রাখে এরপর তারা ঘুমাতে যায় কিন্তু ঘরে চাদর হলো একটা হিয়া সেটা হৃদানকে দিয়ে। অন্য পাশে শুয়ে পড়ে ওরা ঘুমিয়ে যায় মধ্যেরাতে হৃদান হঠাৎ বুকে কারো নিশ্বাস অনুভব করে ঘুম ভেঙে যায়। হিয়া রয়েছে বাহিরে বৃষ্টি পড়ছে তাই শীত করছে আসতে আসতে চাঁদের কাছে এসে কখন ওকে জড়িয়ে ধরেছে বুঝতে পারে নাই। হৃদান দেখে মেয়েটার বেশ শীত করছে তাই কোনো কথা না বলে হিয়াকে জড়িয়ে ধরে।
মেয়েটা কি সুন্দর বুকের মধ্যে ছোট বাচ্চার মতো ঘুমিয়ে রয়েছে হৃদানের দেখে বড্ড মায়া হয়। হৃদান হাসি দিয়ে ওকে আবার সুন্দর করে জড়িয়ে ধরে সারা রাত কেটে যায় হিয়া একটু নাড়াচাড়া করে নাই অন্য সময় হলে পুরো বিছানা জুড়ে হাত পা ছুঁড়ে ঘুমিয়ে থাকে কিন্তু এখন একদম শান্ত।
সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যায় হিয়ার ঘুম থেকে চোখ খুলে নিজেকে একটা শক্ত বাধঁনের মধ্যে অনুভব করে হিয়া। ভালো করে খেয়াল করে দেখে সেটা হলো হৃদান তখন কালকে রাতের কথা মনে পড়ে যদিও বেশি কিছু মনে পড়ে না সে ঘুমিয়ে ছিলো। কিন্তু বুঝতে পারে হয়তো রাতে শীতের জন্য এখানে চলে এসেছে একটা লজ্জা মিশ্রিত হাসি দিয়ে খাট থেকে নেমে যায়। যদি হৃদান উঠে পড়ে ও বেশ লজ্জা পাবে তাই উঠে পড়ে তাড়াতাড়ি।
হিয়া ঘুম থেকে উঠে মামির কাছে রান্না ঘরে যায় সেখানে মামি খাবার তৈরি করছে। আগে হিয়া খাবার তৈরি করতো কিন্তু এখন মামি করে আসলে বিপদে পড়লে মানুষকে সব শিখতে হয়। হিয়া রান্নাঘরে গিয়া রান্না বসায় হৃদান ঘুম থেকে উঠে কিন্তু হিয়াকে দেখতে না পেয়ে বুঝতে পারে হিয়া হয়তো ঘুম থেকে উঠে পড়েছে।
ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য বাহিরে যায় একবার রান্নাঘরে উঁকি দিয়ে দেখে হিয়া সেখানে রান্না করছে। হৃদান হাত মুখ ধৌত করে নেয় মামা ঘুম থেকে উঠে পড়ে হৃদান ফ্রেশ হয়ে আসে হিয়া ওকে কফি দেয়। হৃদান জিজ্ঞেস করে –
“- এই গ্রামে আপনি কফি কোথায় পেলেন “।
“- ওহ আমি জানতাম সকালে আপনি কফি খান তাই কালকে রাতে পাশের বাড়ির একটা ছেলেকে দিয়ে দোকান থেকে নিয়ে এসেছি। যদি ও আপনাদের শহরের মতো এতো ভালো কফি না তবুও মনে হয় খাওয়া যাবে “।
“- কফি ভালো হওয়ার জন্য গ্রাম বা শহরের হওয়ার দরকার পড়ে না এইটার জন্য আমার হিয়ার হাত যথেষ্ট “।
“- সত্যি কফি ভালো হয়েছে “।
“- আপনি আর আপনার হাতের কফি কখনো খারাপ হতে পারে “।
হিয়া মাথা নিচুঁ করে একটা হাসি দেয় হৃদানের এই হিয়ার হাসিটা খুব ভালো লাগে। মনে হয় মনে একটা শান্তি বয়ে যায় হৃদানের মনে হিয়া কফির মগ দিয়ে আবার রান্নাঘরে চলে যায়। হৃদান বাড়িতে ফোন করে পিকু ফোন উঠায়-
“- মামা তুমি এইটা কি করে করলে আমার সাথে “।
“- তোর সাথে কি করেছি আবার এখন অবদি নিজের বউয়ের সাথে বাসর করতে পারি নাই। তোর সাথে কি করব আবার “।
“- মামা তুমি নতুন মামিকে নিয়ে গ্রামে চলে গেলে কিন্তু আমি এখানে একা একা আমার ভালো লাগছে না। বিয়ের পর তুমি আমাকে ভুলে গেলে মামা “।
“- আর তোর পড়াশোনা ছিলো সেই জন্য তোকে বলি নাই তুই যখন বিয়ে করবি তখন আমাকে না নিয়ে হানিমুনে চলে যাবি। হয়েছে এবার “।
“- হানিমুনে যাওয়ার জন্য বিয়ে করতে হয় মামা কিন্তু আমার বউ নাই মামা। এই দুনিয়ায় আমি বউ ছাড়া বিধবা মানুষ “।
#চলবে
#মেঘলা_আকাশে_রংধনু_হবো
#লেখনীতে_তাইয়েবা_বিনতে_কেয়া
#পর্ব_২০ ( গ্রামে সুন্দর মূহুর্ত).
হিয়া সবার জন্য খাবার রেডি করে নিয়ে আসে মামার অফিস আজকে থেকে পূজার বন্ধ দিয়েছে তাই মামা বাড়িতে রয়েছে। হৃদান পিকুর সাথে কথা বলতে থাকে পরে হিয়া ওকে খাবার খাওয়ার জন্য ডাক দেয়। হৃদান আসে তবে ওরা মাটিতে বসে খাবার খায় হৃদান বলে –
“- খাবার মানে মাটিতে বসে খেতে হবে “।
মামা বুঝতে পারে হৃদানের সমস্যা হচ্ছে ওদের বাড়িতে একটা টেবিল নাই সেইজন্য খুব লজ্জা বোধ হচ্ছে। ভাগনির জামাইয়ের জন্য ভালো কোনো আয়োজন করতে পারে নাই সে কি করে করবে মাস শেষে যা বেতন আসে সব দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খায়। আর গ্রামের মানুষ সাধারণ মাটিতে বসে খাবার খেতে পছন্দ করে মামা বলে –
“- ওহ হৃদান বাবা তোমার মনে হয় মাটিতে বসে খাবার খাওয়ার অভ্যাস নাই। তুমি একটা কাজ করো রুমে চলে যাও হিয়া সেখানে খাটের উপর তোমার খাবার নিয়ে যাবে। আসলে আমাদের বাড়িতে এতো ভালো কোনো টেবিল নাই “।
হৃদান বুঝতে পারে মামা একটু খারাপ ফিল করছে কিন্তু সে এইভাবে কথাটা বলতে চাই না। হৃদান রুমে না গিয়ে মাটিতে বসে যায় আর বলে –
“- মামা বাড়িতে সবসময় টেবিলে বসে খায় আজকে না হয় মাটিতে বসে খাবার খেলাম। আর মাটিতে বসে কখনো খাবার খাওয়া হয় নাই আজকে ট্রাই করা যাক “।
মামা ওর কথাটা শুনে হাসে ওরা খাবার খেতে বসে হিয়া খাবার বেড়ে দেয় হৃদান কোনো কথা না বলে খাবার খেতে থাকে। মামার সাথে কথা ও বলতে থাকে ওর ব্যবহার দেখে বেশ অনেক খুশি হয়েছে। হিয়া একটু দূরে দাঁড়িয়ে সব দেখছে হৃদানের সব ব্যবহার গুলো এখন ওর কাছে খুব ভালো লাগে কি সুন্দর সবার সাথে মিশতে পারে। লোকটা খুব তাড়াতাড়ি হিয়ার মনে জায়গা করে নিয়েছে হিয়া একটা হাসি দেয়।
হৃদান আর মামা খাবার খাওয়া শেষ করে তারা বেশ ভালো একটা আড্ডা দেয় হিয়া আর মামি খাওয়া দাওয়া শেষ করে। মামা বলে –
“- হৃদান বাবা তুমি আর হিয়া যখন গ্রামে এসেছো তাহলে একটু গ্রাম ঘুরে দেখো। হিয়া সব জায়গায় ভালো করে চিনে তোমাকে ঘুরাতে পারবে। যাও বেরিয়ে আসো “।
মামা আসলে চাই হৃদান আর হিয়া একসাথে সময় কাটায় যাতে ওদের মধ্যে সম্পর্ক যাতে আরো সুন্দর হয়। হৃদান আর হিয়া একটু রেস্ট নিয়ে ঘুরতে বের হয় রাতে বৃষ্টি হয়েছে তাই বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে রাস্তায়। আর গ্রামে সাধারণ বৃষ্টি হলে রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায় তাই প্রচুর কাঁদা রয়েছে।
হিয়া একটু সাহস নিয়ে হৃদানের হাত ধরে কারণ যদি পড়ে যায় তাই হৃদান ওর দিকে তাকিয়ে দেখে। হিয়া বলে –
“- যাতে পড়ে না যান তাই হাত ধরেছি “।
“- হুম ঠিক আছে “।
হিয়া ওকে একটা সুন্দর সরিষা ফুলের খেতে নিয়ে আসে কি সুন্দর দেখতে ফুলগুলো এখন অনেক জায়গায় সরিষা ফুল ফুটেছে। আর গ্রামে অনেক মানুষ সরিষা চাষ করে থাকে তাই হৃদান এতো সুন্দর পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়। সত্যি গ্রামের সৌন্দর্য অদ্ভুত সুন্দর হয় সেটা দেখে বুঝতে পারবে পারা যায়। হৃদান বলে –
“- ওয়াও জায়গা টা অদ্ভুত সুন্দর এতো সুন্দর সরিষা ফুলের খেত আমি আগে কখনো দেখি নাই “।
“- তা হলে এখন দেখে নেন আপনাদের শহরের পার্কের চেয়ে আমাদের গ্রামের সরিষা খেত অনেক বেশি সুন্দর “।
হিয়া যখন হৃদানের হাত ছেড়ে ফুলের ভিতরে যেতে চাই তখন হৃদান ওর হাত শক্ত করে ধরে ফেলে। এক টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসে আর বলে-
“- কি ম্যাডাম শুধু কি সরিষা ফুল দেখালে হবে আমার সামনে যে ফুটন্ত গোলাপ রয়েছে তাকে কি দেখতে দিবেন না। সে হাজারে শহস্র ফুলের রানী সে আমার ফুলটুশি “।
হিয়া লজ্জা পায় লোকটার কথাগুলো সত্যি মাঝে মাঝে হিয়ার হৃদয়ে ঝড় তুলে দেয়। মনে হয় সারাজীবন ওনার এই সুন্দর কথাগুলরা বুকের গোপনে এক সিন্দুকে বন্ধী করে রেখে দিবে। শুধু কি কথা হৃদানকে তার এর চেয়ে বেশি ভালো লাগে তাকে কোথায় রাখবে হিয়া নয়নে নয়নে। হিয়া বলে –
“-ওহ তাই তাহলে এই ফুলের চেয়ে বেশি সুন্দর আপনার ফুলটুশির একটা আবদার কি রাখতে পারবে।তার রাজা “।
“- কি আবদার আপনার ম্যাডাম এই হৃদান চৌধুরী সব করতে পারে আপনার জন্য। যদি বলেন আকাশের চাঁদ ও নিয়ে আসতে পারে কিন্তু আমার সামনে থাকা চাঁদ আকাশের চাঁদের চেয়ে বেশি সুন্দর “।
“- হিয়ার আকাশের চাঁদের দরকার নাই জনাব তাই দরকার সুন্দর সুন্দর কিছু পিকের সো তুলে দেন সেইগুলা “।
“- শুধু কয়েকটা পিক “।
“- না অনেক পিক তুলে দেন “।
হিয়া দূরে গিয়ে দাঁড়ায় সরিষা ফুলের মধ্যে কি সুন্দর দৃশ্য হৃদান হেঁসে পকেট থেকে ফোন বাহির করে কয়েকটা পিক তুলে দেয়। হিয়া আলাদা আলাদা ফ্রেমে পিক তুলে এরপর এসে মোবাইলে দেখে –
“- ওয়াও আপনি কতো সুন্দর পিক তুলেন কি সুন্দর হয়েছে
“- যদি সামনে মানুষটা এতো সুন্দর হয় তাহলে পিক অবশ্যই সুন্দর হবে। সব দোষ আপনার এতো সুন্দর কোনো আপনি “।
হিয়া লজ্জা মিশ্রিত একটা হাসি দেয় এরপর মাথা নিচুঁ করে ফেলে হৃদান আর হিয়া অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের সব জায়গা হিয়ার পরিচিত ছোটবেলা থেকে এখানে থেকেছে সে কিন্তু মনে হচ্ছে বৃষ্টি পড়বে। কালকে রাতে এতো বৃষ্টি হলো ও তারপর ও আরো বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে। হিয়া বলে –
“- আকাশে কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে মনে হচ্ছে বৃষ্টি পড়বে চলুন বাড়ি ফিরে যায় বিকালে ঘুরতে বের হবো “।
“- হুম সত্যি মনে হয় বৃষ্টি হবে তাই চলুন চলে যায় বাড়িতে “।
হৃদান আর হিয়া বাড়ি পৌঁছানোর আগে বৃষ্টি পড়া শুরু করে দিলো কিন্তু দাঁড়ানোর মতো তেমন কোনো জায়গা নাই এখানে। সামনে একটা ছাওনি রয়েছে সেখানে দাড়াঁ তারা। হৃদান বলে –
“- বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে “।
“- হুম “।
বৃষ্টিতে তারা সেখানে অপেক্ষা করতে থাকে তবে বৃষ্টির বেগ বাড়তে থাকে হিয়া ভিজে যাচ্ছে একটু একটু করে। হৃদান বিষয়টা খেয়াল করে সে গিয়ে হিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে যায় যাতে হিয়ার শরীরে পানি না আসে হিয়া দেখে হৃদানের শরীরে পানি পড়ছে। তাই ওর শার্ট ধরে টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসে বেশ অনেকটা কাছে।
হৃদান সবসময়ের মতো হিয়ার মুখের সামনে থাকা চুলগুলো সরিয়ে দেয়। এই মেয়েটার কাছে আসলে হৃদানের সব কেমন যোনো হয়ে যায় হৃদান ওর কপালে একটা কিস করে। হিয়া চোখ বন্ধ করে ফেলে পরে।
#চলবে