পাপমোচন পর্ব-০৪

0
325

#পাপমোচন (৪র্থ পর্ব)

-লাগেজের ভিতরে লাশ দেখে তিনজনই হকচকিয়ে উঠলাম। একটা বছর তিনেকের বাচ্চা মেয়ের মৃত শরীর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ব্যাগে ভরে রাখা হয়েছে! মুখটা রক্তশূণ্য ফ্যাকাসে, চোখজোড়া ধূসর আর ঠিকরে বেরিয়ে আসতে চাইছে যেন। প্রান হীন ধূসর চোখজোড়া উপরের দিকে বিস্ফারিত নয়নে তাকিয়ে আছে।

লাশটাকে দেখা মাত্রই রিয়াদ ভাইয়া ভয় পেয়ে গিয়ে লাগেজের কাছ থেকে সিটকে সরে গেলো কয়েকহাত দূরে। ভয়ে আমাদের তিনজনারই বুক ঢিপঢিপ করছে সমান তালে । বজলুল সিকদার আর্তনাদ করে চেচিয়ে উঠলো,’ একি ব্যাগের ভিতরে এটা আবার কার লাশ!’

আর্তনাদ শুনে ড্রইংরুমে বসে থাকা বাকিরাও এবার ছুটে এলো আপুর রুমে। লাগেজের ভিতরে পলিথিনে মোড়ানো লাশ দেখে মায়ের অবস্থা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠলো।
একে তো সকালে মেয়ের মৃত শরীরটাকে নিজের চোখে ঝুলতে দেখা এখন আবার ব্যাগবন্দী আরেকটা লাশ! মা-ও আর্তনাদ করে আবার মূর্ছা গিয়ে লুটিয়ে পড়লো মেঝেতে।

আমরা বাকি সবাই লাগেজের ভিতরে থাকা মৃত বাচ্চার লাশটার দিকে স্তম্ভিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। লাশের মুখটা শক্তভাবে টেপ দিয়ে আটকানো। হাত দুটো পিছমোড়া করে বেঁধে ছোট্ট একটা পুটুলি সাইজ বানিয়ে তারপর পিলিথিনে ভরে রেখেছে। মোড়ানো পলিথিনের ভিতরে লাশ ফুলে উঠলেও পলিথিন ফাটতে না পারার কারণে হয়তো গন্ধটা বার হতে পারেনি এতক্ষণে। তবে পলিথিনটা এখন এমন পর্যায়ে আছে যে কোনো সময় ফেটে গিয়ে দম বন্ধ করা বিশ্রী সেই পঁচা গন্ধটা বেরিয়ে বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে একমূহুর্তও সময় লাগবেনা। লাশটা দীর্ঘসময় থাকার কারণে অসম্ভবরকমের ফুলে উঠেছে। মুখটাও ফুলে গিয়ে বিকৃত হয়ে গিয়েছে!
বাচ্চাটির সারা শরীরে সাদা গুড়ো অর্থাৎ লবণের মত মিহি দানার কিছু একটা ছড়ানো রয়েছে। হয়তো লাশের পঁচন রোধ করার কোনো ক্যামিক্যাল।

বাবা আমাদের সবাইকে শান্ত হতে বলে পকেটে থাকা মোবাইলটা বার করে আবার থানায় ফোন দিলেন। তারপর এক নিঃশ্বাসে যতটুকু বলা সম্ভব বলার পর কল কেটে দিয়ে আমাদের সবাইকে ব্যাগের থেকে দূরে থাকতে বললেন।

মিনিট বিশেক পর আবার সাইরেন বাজিয়ে পুলিশের গাড়ি এসে উপস্থিত হলো আমাদের বাড়ির সামনে। তবে এবার আর সাধারণ জনগণকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হলো না। ওসি রুদ্র সাহেব গোটা কয়েক কনস্টেবল সাথে নিয়ে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলেন। তারপর আপুর ঘরে ঢুকে লাগেজবন্দী সেই লাশটার কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন।

লাশটাকে ভালোমতো তদারকি করে নিয়ে আমাদের সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন,’ বাচ্চাটাকে কেউ চিনেন?’

আমরা সবাই মিলে আরও একবার পলিথিনে মোড়ানো বাচ্চাটার মুখের দিকে তাকালাম। তারপর সবাই একবাক্যে উত্তর দিলাম,’না।’

রুদ্র সাহেব এবার একজন কনস্টেবলকে বললেন,’ লাগেজটা আবার আগের মত করে লাশটাকে ব্যাগ সমেত গাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করো।’

রুদ্র সাহেবের আদেশ পেয়ে দুজন কনস্টেবল এগিয়ে গিয়ে লাগেজটা আগের মত করে নিয়ে তারপর বেরিয়ে গেলো।
আমাদের সবার তখন মুমূর্ষু রোগির মত মুষড়ে পড়া অবস্থা। আর মায়ের অবস্থা আরও বেশি শোচনীয়। মা’কে বাইরে নিয়ে গিয়ে মাথায় পানি ঢালা হচ্ছে আবার।

কনস্টেবল দুজন, লাশ বন্দী লাগেজটা নিয়ে বেরিয়ে গেলে আমরাও সবাই আপুর রুম ছেড়ে বেরিয়ে এসে ড্রইংরুমে দাঁড়ালাম। রুদ্র সাহেব এগিয়ে এসে আবার বললেন,’ লাগেজের ভিতরে লাশ ছিলো বুঝলেন কীভাবে? লাশ পঁচা গন্ধও তো ছড়ায়নি এখনো।’

আমি উত্তর দিলাম,’ ব্যাগের ভিতরে লাশ ছিলো তা আমরা কেউ জানতাম না। থানায় গিয়ে আপুর লাগেজ আনার কথাটা ওঠার পর রিয়াদ ভাইয়া বাড়ি ফেরার সময় লাগেজের কথা জিজ্ঞাসা করলে বাড়ি এসে লাগেজটা চেক করতে গিয়ে দেখি ভিতরে লাশ! ‘

‘ওহ আচ্ছা। এবার তো তাহলে দাবার চাল অন্যদিকে মোড় নিয়ে নিলো হায়দার সাহেব। এখন তো আমার আপনার মেয়েকেই সন্দেহ হচ্ছে। কারণ আপনাদের স্টেটমেন্ট অনুযায়ী তো মিসেস সুমনা নিজেই গতরাতে ওই লাগেজটা সমেত এই বাড়িতে এসেছিলো। আর ব্যাগটা যেহেতু সে নিজেই নিয়ে এসেছিলো সেহেতু লাশের ব্যাপারেও জানার কথা। কিন্তু আপনাদেরকে সেসব কোনকিছু না বলে বেমালুম চেপে গিয়েছে। আর তাছাড়া আপনার মেয়ের শরীরে মানে; হাতে, উরুতে অসংখ্য সিরিঞ্জের ফুটো পাওয়া গিয়েছে। এ-ধরনের ফুটোগুলো সাধারণত ড্রাগ এডিক্টেড যারা হয় তাদের শরীরেই পাওয়া যায়। আপনাদের মেয়েও কি ড্রাগ অ্যাডিক্টেড ছিলো? ‘

বাবা হাউ হাউ করে উঠলেন।
‘স্যার কি বলেন এসব! আমার মেয়ে সামান্য সিগারেটের ধোয়া সহ্য করতে পারতো না। আমি সিগারেট খেতাম দেখে কত বকাঝকা করতো। আর সেই মেয়ে কি-না! না স্যার,আপনাদের কোথাও ভুল হচ্ছে। আমার মেয়ে ওমন নয়,তার কোনো বাজে অভ্যাস ছিলো না।’

‘আমি তো এমনি এমনি বলছি না। লাশের শরীরের অসংখ্য সিরিঞ্জের চিহ্ন দেখেই অনুমান করছি। আচ্ছা রিয়াদ সাহেব আপনি কোনকিছু জানতেন না?’

‘স্যার সুমনা এসব নিজেই অপছন্দ করতো। সামান্য সিগারেট খাওয়া সহ্য করতে পারতো না। সে ওসব কীভাবে সেবণ করবে? আর তাছাড়া বিয়ের পর সুমনা একা একা কখনো বাড়ির বাইরে যেতো না। এমনকি এখানে আসলেও আমি নিজে সাথে করে নিয়ে রেখে যেতাম।’

‘সিগারেটের ধোয়া সহ্য করতে পারেনা দেখেই যে কেউ ড্রাগস নিতে পারবেনা এমনটা কে বলেছে আপনাদেরকে?
ড্রাগস তো খেতো না বা নাকেও দিতো না। সরাসরি শরীরে ইনজেক্ট করতো। হতেও তো পারে আপনাদের লোকচক্ষুর আড়ালে এসব করতো। আর আপনারা সেসব টেরও পাননি।’

‘না স্যার সুমনা এমন মেয়ে নয়।’

‘আচ্ছা বুঝলাম। সে যায় হোক, বাকিটা পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট আসলেই জানা যাবে।’

কথাটা শুনে বাবা এবার ধপ করে মেঝেতে বসে পড়লেন। আমার অবস্থাও তখন মাথায় বজ্রপাত পড়ার মত।
ওসি সাহেব এসব কি বলছে! আপু নাকি ড্রাগস নিতো! হৃদয় ভাইয়াও বিস্ময়ে কাঠের পুতুলের মত জমে গিয়েছে।

‘এখন তো মনে হচ্ছে এইসব কিছুর পিছনে আপনাদের মেয়েও কোনো না কোনোভাবে ইনভলভ। আমি জোর দিয়ে বলছি না সে নিজেই খুনটা করেছে তবে বাচ্চাটিকে খুন করতে বা খুন করার পর গুম করতে সাহায্য যে করেনি সেটাও মানতে পারছিনা। হয়তো কোনো কারণে ইনভলভ হয়েছিলো আর তারপর ঘোর কাটতেই নিজের আত্মগ্লানি সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।’

রিয়াদ ভাইয়া জবাব দিলেন,’ না স্যার। আমি আমার স্ত্রী ভালোমত চিনি। সুমনার সাথে আমার প্রায় তিনবছরের বেশি সময় ধরে পরিচয়। সে কোনদিনও এসব করবেনা। আর ড্রাগ সেবনের কথা বললে বলবো সেটাও সে কখনো করেনি। কারণ সে যদি একদিনের জন্যও ওসব নিজের শরীরে নিতো,তাহলে কেউ টের না পেলেও আমি তার স্বামী, অন্তত আমার চোখকে কোনভাবেই ফাঁকি দিতে পারতো না সে। হয়তো এসবের পিছনে অন্যকারও হাত আছে। সুমনার ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে সুমনাকে কেউ ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। যেখানে আমার স্ত্রী কারও সাথে মোটা গলায় কথা বলার সাহস পায়নি কোনোদিনও, ছোট বাচ্চা বলতেই অজ্ঞান ছিলো সেখানে তার মত একজন মানুষ একটা নিষ্পাপ বাচ্চা মেয়ের সাথে এমন অমানবিক কাজ করবে! কোনদিনও না। তর্কের খাতিরে ধরেও নিলাম সুমনা ওই বাচ্চাটার খুনের সাথে জড়িক,কিন্তু আপনার কি মনে হয় কেউ একজন কাউকে খুন করার পর সেই খুন হওয়া লাশটাকে আবার ব্যাগে ভরে নিজের বাড়িতে বয়ে এনে রেখে দিবে? ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত নয় স্যার?’

‘ খটকাটা তো ওখানেই। সবকিছু কেমন ঘোলাটে হয়ে আছে। আচ্ছা ঠিক আছে,আমরা আমাদের মত চেষ্টা করবো। বাকিটা দেখা যাক কি হয়। আর হ্যাঁ, মিসেস সুমনার মোবাইল ফোনটা একটু দরকার। মোবাইলটা লাগবে আমার।’

আপু মারা যাওয়ার পর থেকে তাঁর মোবাইলটা আমরা কেউ ধরিনি। ধরার মত সুযোগ হয়নি।

বললাম,’ আপুর ঘরেই আছে হয়তো।’

‘একটু নিয়ে আসেন।’

ওসি সাহেবের কথামত আপুর মোবাইলটা আনতে গিয়ে আপুর বিছানা,বালিশের পাশ,খাটের তলা,আলমারি সহ আপুর পার্স এমনকি পুরো ঘরটা খুঁজে দেখার পরও মোবাইলটা কোথাও পেলাম না। হতাশ হয়ে ফিরে গিয়ে বললাম,’ আপুর মোবাইল পাওয়া যাচ্ছেনা। হয়তো আপু এখানে আসার সময় তার সাথে করে মোবাইল নিয়ে আসেনি। কারণ আপু এখানে আসার পর থেকে আমরা কেউ তার হাতে মোবাইল দেখিনি।’

‘ মোবাইলটাও গায়েব! আচ্ছা ঠিক আছে। দেখি পোস্টমর্টেমে কি রিপোর্ট আসে।সেই সাথে এই বাচ্চাটারও কোনো সন্ধান মিলে কি-না। আশা করছি এই বাচ্চাটার মৃত্যুর সাথে মিসেস সুমনার আত্মহত্যা করার একটা যোগসূত্র রয়েছে। বাচ্চার পরিচয়টা মিললে মিসেস সুমনার মৃত্যু রহস্যটাও কিছুটা হলে উম্মোচিত হবে আশা করছি। এখন শেষ ভরসা ওই মৃত বাচ্চাটা। যদি এর থেকে কিছু জানতে পারি তবেই একটা সমাধা হবে,নয়তো… দেখা যাক কি হয়।’

কথাগুলো বলে ওসি সাহেব বের হয়ে গেলো।

সেদিন পুরোটা দিন একরাশ দুশ্চিন্তা আর মন খাপার নিয়ে কাটলো সবার। মায়ের শরীরটাও বেগতিক দেখে মাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাবা তার ভুল বুঝতে পেরে রিয়াদ ভাইয়ার কাছে গিয়ে অনুতাপের স্বরে তার ভুল স্বীকার করে নিলো।
আমি, বাবা, রিয়াদ ভাইয়া আর বজলুল শিকদার চারজন মিলে হাসপাতালের করিডরে দাঁড়িয়ে আছি এইমূহুর্তে। মা হাসপাতালের বেডে ঘুমাচ্ছে,স্যালাইন দেওয়া হয়েছে শরীরে।

‘আমার মেয়েটা কি সত্যি খুন করতে পারে বলে হয় তোমাদের?’

বাবা কান্না জড়ানো কণ্ঠে আমাদের তিনজনকে কথাগুলো বলে ছলছল চোখে উত্তরের আশায় তাকিয়ে রইলেন আমাদের দিকে।

আমি এগিয়ে গিয়ে বাবার হাত দুটো শক্ত করে ধরে বললাম,’ বাবা, আপু কখনো এমনটা করবেনা। নিশ্চয় কেউ তার নিজের সমস্ত দায়ভার আপুর ঘাড়ে জোর করে চাপিয়ে দিতেই এই কাজটা করেছে। গতকাল রাতে আপু যখন আমার কাছে এসেছিলো তখনি আপুর মুখ দেখে মনে হয়েছিলো আপুর সাথে নিশ্চয় খারাপ কিছু হয়েছে।’

আমার দেখাদেখি রিয়াদ ভাইয়াও বাবাকে যতটা সম্ভব অভয় দিলেন। সাহস যোগালেন।
সেদিন রাত আনুমানিক নয়টার পর মা খানিকটা সুস্থ হলে হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে ফেরার সময় আমাদেরকে গাড়িতে তুলে দিয়ে রিয়াদ ভাইয়াও আরেকটা গাড়ি দেখে বাড়িতে ফিরে গেলেন।

বাড়িতে আসতেই মা আবার কান্নায় ভেঙে পড়লো। এই একদিনে বাড়িটা কেমন বিষাদময় হয়ে উঠেছে। আপুর অনুপস্থিতিতে যেন গোটা বাড়িটা হাহাকার করছে। পরতে পরতে আপুর স্মৃতিগুলো এখন উম্মুক্ত হয়ে চোখের সামনে দৃশ্যমান হয়ে উঠতে চাইছে।

গতকাল অব্দিও এই সময় পর্যন্ত বাড়িটা ঠিক ছিলো। তারপর হঠাৎ করে আপুর আগমন হলো আর একদিনের ব্যবধানে সবকিছু এখন পাল্টে গিয়েছে। বাড়িতে আসার পর থেকে যতবার আপুর ঘরটার দিকে চোখ পড়েছে ততোবারই বুকের ভিতরটা অজানা কষ্টের তীব্রতায় বার বার মোচড় দিয়ে উঠেছে। আপুর শূন্যতায় ঘরটা এখন পুরো বাড়িটাতে গিলে খেতে চাইছে।

নিজের ঘরে চুপচাপ শুয়ে আছি। বাবা অনেকদিন পর আজ সিগারেট খাচ্ছেন আবার। শুনেছি সিগারেট খেলে নাকি টেনশন কমে।

শুয়ে শুয়ে গতকাল রাতে আপুর বলা কথাটার মানে খোঁজার চেষ্টা করছি। আপু গতকাল হঠাৎ করে ওভাবে নিজেকে খারাপ বলে দাবি করলো কেন? আপু নিশ্চয় তার মনের মাঝে চেপে রাখা কথাগুলো বলার জন্যই এসেছিলো আমার কাছে। হয়তো আমি আরেকটু জোর করলেই আপু বলে দিতো সবটা। তাহলে তো আপুকে আর মরতে হতো না। কেন যে একটু জোর করলাম না।

নানানরকমের দুশ্চিন্তা আর মনখারাপ নিয়ে এপাশ ওপাশ করতে করতে সারাদিনে ক্লান্তিমাখা দুচোখে ঘুম নেমে এলো একটা সময়।

পরদিন দুপুর নাগাদ থানা থেকে কল আসলো বাবার ফোনে। বাবা ফোন রিসিভ করতেই ওসি রুদ্র সাহেব কৌতুহলী স্বরে বাবাকে জানালেন,’ যত দ্রুত সম্ভব একবার থানায় আসুন। আর হ্যাঁ, আপনার মেয়ে জামাইকেও অবশ্যই সাথে নিয়ে আসবেন।’

এইটুকু বলে কলটা লাইনচ্যুত হয়ে গেলে; বাবা, রিয়াদ ভাইয়াকে কল করে সবটা বলার পর আমি আর বাবা দু’জন মিলে থানার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দিলাম।
চলবে…

#আশিক_মাহমুদ