Ragging To Loving Part-17+18

0
848

😠 Ragging To Loving 😍
Part:: 17
Writer:: Ridhira Noor

সবাই জল খুঁজতে লাগলো। কোথায় পাবে পরবর্তী ধাঁধার উত্তর। একেকজন একেক দিকে গেল।

নূরঃঃ- অন্তত কেউ এক গ্লাস জল দে। সুইমিং তো জানি না। নাহয় ডুবে মরি। (রেগে আর বিরক্ত হয়ে বলল) এই জল… সুইমিং! ভার্সিটির সুইমিং পুলে। (দৌড়ে গেল।)

সুইমিং পুলে পানির মধ্যে ভাসছে। পানির মধ্যে হাত দিয়ে অনেক চেষ্টা করল নেওয়ার। কিন্তু কোন ভাবে আসছে। একে তো সাঁতার জানে না তার উপর যদি পানিতে পড়ে তাহলে শেষ। রেগে গিয়ে কোমরে দুই হাত দিয়ে অনেক্ষণ চিন্তা করল। তারপর বাইরে গেল একটা লম্বা লাঠি জাতীয় কিছু আনতে। পান্না নূরকে মাঠ থেকে দৌড়ে আসতে দেখে তার পিছু পিছু আসল। নূর যে সাঁতার জানে না সেটা শুনে ছিল।

পান্নাঃঃ- আফরানকে পাওয়ার জন্য কত কি না করলাম। আর তুমি দুই দিনের মেয়ে এসে আফরানকে ফাঁসাতে চাইছ? তোমাকে আমার আর আফরানের মধ্যে আসতে দিব না। (ব্যাগ থেকে ক্রিম জাতীয় কিছু বের করে পুরো সুইমিং পুলের চারপাশে ছিটিয়ে দিল) পা পিছলে সোজা যাবে ধপাসসস সুইমিংপুলে। (নূরের আসার আওয়াজ শুনে তৎক্ষনাৎ সেখান থেকে সরে গেল।)

নূর একটা লম্বা লাঠি আনল। সেটা দিয়ে পানির মধ্য থেকে পতাকাটি টানতে লাগলো। কাছে আসতে নিয়ে নিল।

পান্নাঃঃ- (শিট পড়ছে না কেন? পুরো ক্রিম ঢেলে দিলাম যাতে পিছলে পড়ে যায়। তাও এই নাছোড়বান্দা পড়ে না।)

পতাকাটি নিয়ে পিছন ফিরতে পা পিছলে যায়। পান্না মনে মনে বিজয়ী হাসি দিল। নূর পিছলে পড়ে যেতেই আফরান নূরের হাত ধরে ফেলে। নূর পিছন দিক দিয়ে সুইমিংপুলে ঝুকে আছে। হাত ছাড়লেই সুইমিংপুলে পড়ে যাবে। আফরান হেচকা টান দিয়ে নূরকে টেনে নিল। ভয়ে নূরের নিশ্বাস ভারি হয়ে গেল। জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগলো। বুকের ভেতর হৃৎপিন্ডটা ডিজে গানে উরাধুরা লাফাচ্ছে।

আফরানঃঃ- (রাগে রীতিমতো কাঁপছে) তোমার কি মাথা খারাপ? এক্ষুনি পড়ে যেতে। ভাগ্য ভালো যে লাঠি নিয়ে আসার সময় তোমাকে দেখে পিছু নিয়েছি। এখন যদি আমি না থাকতাম? (মনে ভয় কাজ করছে আবার রাগও হচ্ছে।)

নূরঃঃ- (আফরানের চিল্লানোতে মুখ দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছে না) ও… আমি…

পান্নাঃঃ- (লুকিয়ে এসব দেখে রাগে তার গাঁ জ্বলছে) নূরের প্রতি তোমার এত চিন্তা কেন আফরান? তুমিও কি??? নো। তোমাকে আমি ছিনিয়ে যেতে দিব না।

আফরানঃঃ- ইচ্ছে তো করছে আমি নিজেই তোমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেই।

নূরঃঃ- আমি আগেই বুঝেছিলাম আপনি আমাকে মারার প্লানিং করছেন। সেই প্রথম দিন থেকে। একবার গাড়ি চাপা দিয়ে আর এখন পানিতে চুবিয়ে।

আফরানঃঃ- (নূরের মাথা ধরে ভালো করে দেখতে লাগলো) তোমার মাথার তার কয়টা ছিড়া দেখি একটু। (নূর মাথা ছাড়িয়ে নিল) আমি কখন গাড়ি চাপা দিয়ে মারতে চেয়েছি?

নূরঃঃ- সেই প্রথম দিনে। গাড়ি ফুল স্পীডে চালিয়ে আমার উপর দিয়ে যেতেন। সেটা তো আমার কপাল ভালো ছিল বেঁচে গেলাম।

আফরানঃঃ- (কিছুক্ষণ চিন্তা করল) ওটা তুমি ছিলে? আমার আগেই বোঝা উচিৎ ছিল। আমার লাইফে যত অঘটন ঘটবে তার পিছে তুমিই থাকবে। সেই দিন তোমার জন্য লাইফে প্রথমবার আমি হেরে যেতাম।

নূরঃঃ- ডোন্ট ওয়ারি। যেটা তখন হয়নি সেটা এখন হবে। লাইফে সব কিছু প্রথমবার হয়। আপনিও প্রথমবার হারবেন। আর আপনাকে হারাবো আমি। রিধিরা নূর। ফুহ্। (কান ফুহ্ দিয়ে দিল দৌড়)

নূর সবাইকে ডেকে তৃতীয় ধাঁধা নিল। “সে তো এক কিংবদন্তি, শ্রদ্ধা তার প্রতি, সংগ্রাম করেছে বেশ, যার জন্য পেয়েছি এই দেশ”
আফরানদেরও একই ধাঁধা।

রিহানঃঃ- কিংবদন্তি? যার জন্য পেয়েছি এই দেশ। বঙ্গবন্ধু!

ইয়াশঃঃ- বঙ্গবন্ধুর সব কিছু আমাদের ভার্সিটির ইতিহাস লাইব্রেরিতে পাওয়া যাবে।

পুষ্পঃঃ- এটা বঙ্গবন্ধু হবে। ভার্সিটির ইতিহাস লাইব্রেরিতে পাওয়া যাবে।

সবাই একসাথে সেখানে একত্রিত হলো। একে অপরকে দেখে বেশ অবাক। সেখানে বঙ্গবন্ধুর একটি বড় ছবি। তার সাথে একটি মাত্র পতাকা। নূর দৌড়ে গিয়ে সেটা নিল। কিন্তু সেখানে কোন ধাঁধা নেই। শুধু বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকা।

নূরঃঃ- এটাতে তো কিছু নেই। শুধু মানচিত্র আঁকা।

মেহেরঃঃ- স্যার বলেছিল সব ধাঁধা একত্রে করে সর্বশেষ ধাঁধা সমাধান করতে হবে।

নূর সব ধাঁধা দেখতে লাগলো। কিন্তু কিছু বুঝতে পারছে না। আফরানও তাদের গুলো দেখতে লাগলো। সেইও কিছু বুঝতে পারছে না। নূর বিরক্ত হয়ে আবার দেখতে লাগলো।

নূরঃঃ- ওয়েট ওয়েট। এই দেখ প্রথম ধাঁধা লাল কালি দিয়ে আর দ্বিতীয় ধাঁধা সবুজ কালি দিয়ে লিখা। আর তৃতীয় ধাঁধা মানচিত্র। লাল সবুজ মানে বাংলাদেশের পতাকা।

আফরানঃঃ- আর এই মানচিত্র। ভার্সিটিতে বাংলাদেশের পতাকা ভার্সিটির মাঠে।

বলতে না বলতে আলিফা দিল দৌড় তার পিছে আরিফ গেল। বাকিরাও দৌড়ে গেল। আলিফা সিড়ি দিয়ে নামতেই পা মচকে পড়ে যায়। আরিফ আলিফাকে অতিক্রম করে খানিকটা দূরে গিয়ে আবার ফিরে আসে। আলিফার পা দেখতে লাগলো। আলিফা অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে। আরিফ না গিয়ে ওর পা দেখছে। নূর এসে আলিফার পাশে বসে পড়ল।

আলিফাঃঃ- আমি ঠিক আছি তোমরা যাও।

নূরঃঃ- তোকে…..

আলিফাঃঃ- যা…. (নূরকে ধাক্কা দিয়ে এগিয়ে দিল)

নূর উঠে দৌড় দিল পতাকা উড়িয়ে দিবেই কি আফরান তার আগেই এসে উড়িয়ে দিল।

আফরানঃঃ- ইয়েএএএএএ। (খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেল। পিছন ফিরে দেখে নূর মুড অফ করে আছে) উহু উহু কে যেন বলেছিল আমাকে হারাবে। আফরানকে হারানো এত সহজ না মিস চাশমিশ। ফুহ্ (নূরের কানে ফুহ্ দিয়ে চলে গেল)

.
.
.

চলবে

😠 Ragging To Loving 😍
Part:: 18
Writer:: Ridhira Noor

আরিফ আলিফার পা ধরে দেখতে লাগলো। আলিফা ব্যাথায় কুঁকড়ে যাচ্ছে। সাথে অবাকও হচ্ছে। আরিফ চাইলে তাকে ছেড়ে যেতে পারত কিন্তু সে গিয়েও আবার ফিরে এলো। আরিফ খুব যত্ন সহকারে তার পায়ের ব্যাথা দেখছে। আলিফা তার ব্যাথার দিকে খেয়াল নেই। এক ধ্যানে আরিফকে দেখছে। হঠাৎ জোরে চিৎকার দিয়ে উঠল।

আলিফাঃঃ- আআআআ আমার পা ভেঙে দিল এএএ। আপনি আমার পা ভেঙে দিলেন। আমি জানি আপনি আমার থেকে প্রতিশোধ নিতে আমার পা ভেঙে দিয়েছেন। দেখবেন আপনার বউয়েরও এমন পা ভেঙে যাবে। আমার জামাইর কি হবে এখন।

আরিফঃঃ- ঢং একটু কম কর। আমার তো খেয়ে দেয়ে কাজ নেই তোমার পা ভাঙতে যাব।

আলিফাঃঃ- ঢং করছি আমি? এই দেখুন আপনার জন্য আমি পা…. (পা নাড়িয়ে দেখে ব্যাথা নেই। উঠে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ লাফালাফি করল।) আমার পা ঠিক হয়ে গেল। তার মানে আমার জামাইর কপাল ভালো। ইয়াহু থ্যাংক ইউ (বলে আরিফকে জড়িয়ে ধরল। খুশিতে এত পাগল হয়ে গেল যে কি করছে খেয়ালই করেনি)

আরিফঃঃ- (শকড হয়ে একদম সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে) কি করছ কি তুমি?

আলিফাঃঃ- (খেয়াল হতেই সাথে সাথে ছেড়ে দিয়ে দূরে গিয়ে দাঁড়াল) স… সরি। (দৌড়ে নূরের কাছে গেল) সরি ইয়ার। আমার জন্য হেরে গেলাম। ওই সিড়ি দিয়ে….

নূরঃঃ- আমি কি কিছু বলছি। ওটা আমাদের ভাগ্যে ছিল না তাই। সো জাস্ট চিল বেবস।

স্যার আফরানের টিমকে বিজয়ী ঘোষণা করল। তাদের চেহারায় বিজয়ের হাসি উৎফুল্ল ফুটে উঠেছে। তেমনি নূরের টিমের সবার চেহারায় রাগ আর বিরক্তি প্রকাশ করছে। আফরান নূরের দিকে তাকিয়ে দুঃখ প্রকাশ করছে। নূর তো পারছে না ওর সব চুল টেনে ছিড়ে ফেলতে। আফরান নূরের সামনে এসে দাঁড়াল।

আফরানঃঃ- কালকে ঠিক সকাল আট টায় তোমরা সবাই রেডি থেকো।

নূরঃঃ- কেন?

আফরানঃঃ- আরে ভুলে গিয়েছ কি শর্ত ছিল? যে টিম হারবে তাদের পুরো একদিন বিজয়ী টিম যা বলবে তাই করতে হবে। কাল তোমাদের যা বলব তাই করতে হবে।

নূরঃঃ- (না পারছে কিছু বলতে না পারছে কিছু করতে। চ্যালেঞ্জ যেহেতু হেরেছে তাই কিছু বলতেও পারছে না।) হুমম।

আফরানঃঃ- কি বলছ শুনতে পারছি না।

নূরঃঃ- (কানের কাছে গিয়ে জোরে চিল্লিয়ে বলল) হ্যাঁ আসব। এসে আপনাকে উদ্ধার করব। (যত্তসব খাচ্চর বেটা।)

আফরানঃঃ- উফফ আস্তে। এমনিতে ফাঁটা বাঁশের মত কন্ঠস্বর তোমার আর না চেঁচালে চলবে। চাশমিশ কাহিকি। (কান ঝাড়তে ঝাড়তে চলে গেল।)

নূরঃঃ- চাশমিশ বলল কাকে? নিজেকে যে সারাক্ষণ কালো চশমা পড়ে ঘুরে। পান্ডা কাহিকে।
_______________________________

আফরানঃঃ- গাইজ গেট রেডি। ওদের শায়েস্তা করার সময় চলে এসেছে।

ইয়াশঃঃ- মানে কিভাবে?

আফরানঃঃ- ওদের চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যদি হারে পুরো একদিন যা বলব তাই করতে হবে। ওদের একসাথে শায়েস্তা করা যাবে না। তাই আলাদা আলাদা শিক্ষা দিতে হবে।

রিহানঃঃ- তোর কথা কিছুই মাথায় ঢুকছে না। একটু ক্লিয়ারলি বল।

আফরানঃঃ- ওহ গড। (দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলল) শোন। একসাথে হলে ওরা আবার কিছু একটা করে নতুন কান্ড পাকাবে। তাই কাল আমরা ওদের আলাদা আলাদা নিয়ে যাব। আর ওদের এমন টর্চার করব যাতে নেক্সট টাইম আমাদের সামনে আসতেও ভয় পায়।

আহিলঃঃ- (তার মানে কালকে সারাদিন আমরিন আমার সাথে থাকবে। গ্রেট এই সুযোগে ওর ফিলিংসও জানতে পারব। ওয়াসিমকে মেসেজ দিল।)

ওয়াসিমঃঃ- (“কালকে তুই আর আমি মিলে নেক্সট প্ল্যান এক্সিকিউট করব। এই চ্যালেঞ্জে আমাদের কাজ আরো সহজ হয়েছে।”)

আহিলঃঃ- (“হ্যাঁ! এবার দেখব ওরা কি করে।”) মেসেজ দেখে একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসছে।

আফরানঃঃ- আরিফ-আলিফা,, ইয়াশ-মেহের,, রিহান-পুষ্প,, ওয়াসিম-সিমা,, আহিল-আমরিন। তোরা ওদের ইচ্ছে মতো টর্চার করবি। এতদিন আমাদের যে পরিমাণ প্যারা দিয়েছে তার সব প্রতিশোধ নিবি। আর মিস চাশমিশকে আমি হ্যান্ডেল করব।

আরিফঃঃ- একেকটার প্রতিশোধ নিব। চুন চুনকে বাদলা লুংগা।

ইয়াশঃঃ- আমি আছি তোর সাথে।

ওয়াসিম-আহিলঃঃ- আমরা তো জমিয়ে রোমান্স করব।

আফরানঃঃ- আহিলের বুঝলাম। তোর রোমান্স কেমনে?

আহিলঃঃ- ভাই এটাও আমার সাথে শহীদ হয়ে গেল। আই মিন সিমার প্রেমে পইড়া ওয়াসিম হলো দিওয়ানা।

আফরানঃঃ- হায়! (দুঃখ প্রকাশ করে) বাকিদের ম্যানেজ হয়ে যাবে। রিহান তুইও কিন্তু সামলে নিস। জানি পুষ্পর সাথে তোর তেমন একটা ঝামেলা হয়নি। তাও ওই টিমের প্রত্যেকেই আমাদের দুশমন।

রিহানঃঃ- (তুই তো ভাবতেই পারবি না পুষ্পর সাথে আমার ঝামেলা অনেক আগে থেকেই) হুমম।
_______________________________

নূর ও বাকিরা ক্যান্টিনে বসে আছে। নূর নখ কামড়াচ্ছে।

মেহেরঃঃ- আচ্ছা ওরা আমাদের কি করতে বলবে? ভার্সিটির সবার সামনে র‍্যাগিং করবে না তো? প্রথম দিনের কথা আমার এখনো মনে আছে। তার উপর ওই ইয়াশ আরিফ ওরাও আছে। আগের সব প্রতিশোধ নিতে কিছু না কিছু করবেই। আমার হেব্বি টেনশন হচ্ছে।

আলিফাঃঃ- আমারও। (না আরিফ তেমন খারাপ না। আমার সাহায্য করেছে। সেটা ভেবে মুচকি হাসি দিল। পরক্ষণে হাসি উধাও হয়ে গেল। কিন্তু ওর সাথে যা কিছু করেছি তার জন্য যদি প্রতিশোধ নিতে চাই।)

নূরঃঃ- তা তো কালকেই জানতে পারব।
.
.
.
পরের দিন আফরান ও বাকিরা ভার্সিটির পার্কিং এরিয়ায় অপেক্ষা করছে। নূর ও বাকিরা এলো। রাগ ভয় চিন্তা সব অনুভূতি মিশ্রিত হয়ে অন্য এক নতুন অনুভূতি মনের মধ্যে কুতকুত খেলছে। আফরান উল্টো দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ছিল রিহানের ইশারায় পিছন ফিরে তাকায়। নূর আজ চশমা পড়েনি। আফরান তো এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে সেই চোখ জোড়ায়।

নূরঃঃ- (খাচ্চর এমন করে তাকিয়ে আছে কেন?) চোখ খুলে নিচে পড়ে যাবে।

আফরানঃঃ- (ইতস্তত বোধ করে একটু নড়েচড়ে দাঁড়াল) উহুম। চাশমিশ আজ চশমা পড়নি কেন?

নূরঃঃ- তাতে আপনার কি?

আফরানঃঃ- সবসময় উল্টো কথা বার্তা। সেই যাই হোক আজ সারাদিনের জন্য তোমরা আমাদের পিএ। পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। আজ পুরো দিন আমরা যা যা বলব তাই করবে। আলিফা আরিফকে,, মেহের ইয়াশকে,, সিমা ওয়াসিমকে,, আমরিন আহিলকে,, আর তুমি আমাকে অ্যাসিস্ট করবে।

আহিলঃঃ- সো লেটস গো।

আমরিনঃঃ- কোথায়?

আহিলঃঃ- আজ আমি যেখানেই যাব তুমি আমার সাথে যাবে। ওয়াসিম তুইও চল।

ওয়াসিমঃঃ- ইয়াহ লেটস গো। মিস পিংকি চল।

আমরিন সিমা না চাইতেও তাদের সাথে গেল।

.
.
.

চলবে