জোরপূর্বক ভালোবাসা Part-11+12+13

0
1868

#জোরপূর্বক_ভালোবাসা
#Ashiya_Nur
#Part_11,12&13

আকাশ : এতো সময় কেউ ঘুমিয়ে কাটায়?

কানের কাছে কারো আওয়াজ পেয়ে ঘুরতে গিয়ে কারো বুকের কাছে গিয়ে ধাক্কা খেলাম। মাথা উচু করে দেখি আকাশ তার মানে আকাশ কথা বলেছে। রাগী চোখে তাকিয়ে ধাক্কা দিয়ে চলে এলাম ওখান থেকে।
সকালের খাবার খেয়ে রুমে এসে রেডি হতে লাগলাম। সুমি রা বেরিয়ে যাওয়ার একটু পর আমি ও বের হয়ে যাবো পেছনে থেকে কেউ আমাকে টেনে ধরলো। তাকিয়ে দেখি আকাশ,,

আমি : কি হলো

আকাশ : কি হবে

আমি : মজা কেন করছেন?

আকাশ : কোথায় মজা করছি তুমি ই তো বলছো কি হলো তুমি ই বলো কি হবে!

আমি : দূর খালি কথা পেছান আপনি;

আকাশ : আমি কথা কই পেছাইলাম!

আমি : আমাকে আটকালেন কেন? সবাই বেরাতে যাচ্ছে দেখছেন না।

আকাশ : না দেখার কি আছে?

আমি : তাহলে ছারেন আমি যাবো তো;

আকাশ : আমি কি তোমাকে বলেছি তুমি যাবেনা।

আমি : যাবো তাহলে ধরে আছেন কেন ছারেন যেতে দেন।

আকাশ : যাবো কিন্তু সবার সাথে না।

আমি : মানে

আকাশ : আমি আর তুমি যাবো।

আমি : কেন আমি সবার সাথে যাবো ছারেন ( ছুটার চেষ্টা করে )

আকাশ : না সবার সাথে না আমরা আলাদা যাবো চলো?

কথাগুলো বলেই আকাশ আমার হাত ধরে হাটতে লাগল। আমি ছারানোর চেষ্টা করছি কিন্তু পারছি না।

আমি : সবার সাথে গেলে কি হতো আপনি;

আকাশ : অনেক কিছু হতো,,,,!

আমি : কিছু হতো না কতো মজা হতো সবার সাথে গেলে সুমি লিমা সবাই কতো মজা করতেছে, আপনার জন্য আমি ওদের সাথে যেতে পারলাম না।

আকাশ : আমার সাথে কি তোমার ভালো লাগছেনা; সবার সাথে গেলে আমার ভালো লাগে আমি আর তুমি দুজন একা সময় কাটাবো আর তুমি এখন ওদের কথা ভাবছো।

আমি : হুম ভাবছি একা একা আবার কিসের মজা।

দুজনে কথা কাটাকাটি করলাম অনেক ক্ষণ সারাটা সময় অনেক জায়গার ঘুরেছি কিন্তু মনটা খারাপ করেই রেখেছি ভালো লেগেছে তবুও বুঝতে দেয়নি আকাশ কে সব সময় জোর করা ও বুঝেছে।

হঠাৎ কেউ খারো সাথে ধাক্কা খেয়ে নিচে পরে গেলাম আমি আহ করে উঠলাম।

আকাশ : আশিয়া তুমি ঠিক আছো দেখি কোথায় ব্যাথা পেয়েছো ( ব্যস্ত হয়ে)

আমি : আমি ঠিক আছি এতো হায়ফায় হওয়ার কিছু নেই?

আকাশ : কিছু ঠিক নেয়

বলেই আমার ধরে উঠাল একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে এর সাথে মনে হয় ধাক্কা খেয়েছিলাম। আকাশ তো ইচ্ছে মতো বকছে আমি এতোনা করছি শুনছেই না অনেক কিছু বলে টেনে নিয়ে আসলাম ওখানে থেকে। আশেপাশের মানুষ জন অদ্ভুত ভাবে তাকিয়ে আছে আমাদের দিকে আমার লজ্জা লাগছে এখন আকাশের এমন করাতে।

আমি : মেয়েটার সাথে এমন ব্যবহার করা উচিত হয়নি আপনার সে তো দেখে ধাক্কা দেয় নি আমি ও তো খেয়াল করে হাটি নি। দোষ তো আমার ও অযথা

আকাশ : আমি এতো কিছু জানতে চাই না। তোমাকে ধাক্কা দিয়ে এটাই তার অপরাধ।

আমি : বেশি বাড়াবাড়ি আমার ভালো লাগে না। এখানে খারো দোষ নেয় সিমপোল একটা কারণে

আকাশ : এটা সিমপোল তোমার তো ব্যাথা লেগেছে।

আমি : পরে গেলে সবার ই ব্যাথা লাগে সামান্য ব্যাপার।

আকাশ : আমার কাছে সামান্য না এটা।

এর সাথে কথা বলাই বেকার আর কিছু বললামতো না।

এদিকে

অশি: আশিয়া আকাশ কে তো দেখছি না রে টগর;

টগর : হুম আমি ও খেয়াল করেছি?

অশি: ওরা কোথায় বলতো?

টগর; আমার মনে হয় ওরা আলাদা ঘুরতে গেছে!

অশি: ওফ সেট

অশি তো সারাটা সময় রেগে আগুন হয়ে ছিলো। আর টগর তাকে ঠান্ডা করতে কিন্তু পারলে তো।

পরদিন

#চলবে

#জোরপূর্বক_ভালোবাসা
#Writer_Ashiya_Nur
#part 12

সকালে ঘুম ভাঙলো সুমি আর লিমার হাসির শব্দে ওদের দিকে তাকালাম দুজন কি যে বলছে আর হাসছে। আমি উঠে ওদের দিকে তাকিয়ে আছি

– কি হলো রে এতো হাসছিস কে তোরা।
– কাল মজার একটা কাণ্ড ঘটেছে ( লিমা)
– ( ভ্র কুচকে) কি?
– আগে ফ্রেশ হয়ে আয় যা তারপর বলছি! ( সুমি)

আমি গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এলাম এলাম।

– এবার বলেন আপনাদের হাসির রহস্য?
– কাল ( সুমি)
– কাল কি সেটা বল খালি কাল কাল করছি।
– আমি বলছি কি হয়েছে?( লিমা)
– বল
– কাল সুমি আর আমি দাড়িয়ে আছি হঠাৎ সেখানে বাচ্চু ভাইয়ের আগমন।
বাচ্চু ভাই হাসি হাসি মুখ করে আমাদের সামনে এসে দাড়াল।

লিমা: বাচ্চু ভাই আপনি এখানে আর আপনার হাত এভাবে পেছনে দিয়ে রেখেছেন কেন?

বাচ্চু: না মানে,, লিমা তুমি একটু ওইদিকে যাবে আসলে আমার সুমির সাথে দরকার ছিলো।

সুমি: ( লিমাকে থামিয়ে ) কেন ও ওইদিকে যাবে কেন তুই যা বলার ওর সামনে বল;

বাচ্চু: ( লিমার দিকে,,প্লিজ)

সুমি: ( লিমার হাত ধরে ) ও কোথায় যাবে না কি বলবি বল তারাতারি, আর হাত ওমন পেছনে দিয়ে রেখেছিস কেন?

বাচ্চু: ( মুখটা কাচুমাচু করে ) থাক আমি যাই?

সুমি: যাই মানে বল কি বলবি?

লিমা: আহ সুমি আমাকে ছার পরে বলিস না হ য় এখন তুই থাক। ( বলেই হাত ছারাতে লাগল কিন্তু সুমি হাত ছারছে না )

বাচ্চু: কিছু বলম না আমি এখন আসি?

সুমি: আসি মানে এই তোর হাতে কি যেন দেখলাম দেখি হাত এখানে আন দেখি।

বাচ্চু: ( হাত লুকিয়ে ) কই কিছু না এমনি।

বলেই বাচ্চু পেছনে ঘুরতে যাবে সুমি ফট করে ওকে টেনে ধরে আর বাচ্চুর হাত থেকে কিছু নিচে পরে যায়। সুমি নিচে তাকিয়ে দেখে গোলাপ ফুলের তুরা বাচ্চুর দিকে তাকিয়ে দেখে ভয় স্পসট। সুমি ও একটু রাগী ভাবে তাকিয়ে বলে,,

সুমি: এসব কি ফুল এনেছিস কেন কাউকে প্রপোজ করবি নাকি?

বাচ্চ 🙁 কি বলবে ভেবে না পেয়ে সুমির হাত ছারিয়ে দৌড়ে পালায়)

আর আমার তো হাসতে হাসতে শেষ।

আশিয়া: এতো হাসির কি আছে এখানে আর সুমি তুই বাচ্চু ভাইয়ে সাথে বেশি বেশি করিস। বেচারা কে এভাবে লিমাকে যেতে দিতি আমি সিউর তোকে কাল প্রপোজ করতে চেয়েছিল কিন্তু তোরা।

লিমা: আমার কিন্তু দোষ নেই বাবা আমি যেতে চাইছিলাম?

সুমি: বেশি বেশি না ঠিকই করেছি। বোকা হাদারাম একটা যে কিনা ঠিক মতো কথা বলতে পারে না আমাকে প্রপোজ করবে

বলেই ভুখ ভেংচি কাটলো। সুমি যে বাচ্চু ভাইয়াকে পছন্দ করে সেটা আমরা আগে থেকে জানতাম এখন বাচ্চু ভাই ও করে সেটা আকাশ বলেছে।

তিনদিন ভালো ভাবে কাটিয়ে দিলাম। ওইদিন আমি রেগেছিলাম বলে আর আকাশ একা কোথায় নিয়ে যায় নি সবার সাথেই ঘুরেছি কিন্তু সব সময় নিজের সাথে চিপকে রেখছে আমাকে।
একটা ব্যাপার আমার কাছে খটকা লেগেছে ওইদিনের পর আর অশি ও আমার সাথে কথা বলে নি ঘুরতে গিয়েছি ও অচেনা দের মতো থেকেছে।
আজ
চলে যাচ্ছি সব কিছু প্যাকিং করে সবাই চলে গেছে আমি সবার পরে যাচ্ছি হঠাৎ পেছনে থেকে অশি আমার পাশে এলো। ওকে নিয়ে ই ভাবছিলাম আর এখনই ওই আমাকেসরি বলল, ওর নাকি মন খারাপ ছিলো তাই এমন করেছে।
আমি আর কিছু বলেনি মন খারাপ থাকতেই পারে আমি আর অশি এলাম গাড়ি তে একসাথে। অশি অনেক জোর করায় ওর সাথেই বসলাম। আকাশ তো আগুন চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো।

দুইদিন পর

ক্লাসে বসে আছি আমি আর অশি আজ সুমি, লিমা কেউ আসে নাই। আকাশ এলো হঠাৎ আমি একবার তাকিয়ে আবার চোখ ফিরিয়ে নিলাম। কারণ দুইদিন হলো আকাশ আমাকে ফোন ও করে না ফোন দিলে ও রিসিভ করে না তাই অভিমান করে অন্য দিকে তাকিয়ে আছি। আমি জানি এখন ও আমার রাগ ভাঙাবে আমি এতো সহজে রাগ ভাঙবো না হু। কথা গুলো ভাবছিলাম আর মনে মনে খুশি হচ্ছি লাম।
আমার সমস্ত আসায় জল ডেলে দিয়ে আকাশ আমার পাশ কাটিয়ে অশির কাছে গিয়ে দাড়ালো। আমি মাথাটা একটু উচু করে ওর দিক তাকালাম,,

আকাশ : হাই অশি( হেসে)

অশি: হাই কেমন আছ?

আকাশ : আমি তো তোমাকে দেখে ভালো হয়ে গেলাম, তুমি কেমন আছ?

অশি: আমি ভাল।

আকাশ : আস বাইরে যাই তোমার সাথে আমার কথা ছিলো।

আমি তো অবাকের চরম সীমায় পৌঁছে তাকিয়ে আছে ওদের দিকে। আকাশ কথা বলছে তাতে অবাক হচ্ছি না অবাক হচ্ছি ও এমন ভাবে কথা বলছে পাশে যে আমি আছি খেয়াল ই করছে না মনে হয় চেনে না আমাকে।

আকাশ আর অশি চলে গেল হাসতে হাসতে অশি একবার আমাকে বলেছিল কিন্তু আকাশ বলল ওর যাওয়া দরকার নেই। আমার মাথায় তো কিছুই ঢুকছে না অশির সাথে তো আগে কথায় বলতে চাইতো না আজ কি হলো যে আমাকে ও চিনছে না এমন করে অশির সাথে।

কিছু ক্ষণ পর অশি হাসি মুখে ফিরে এলো। সারাটা ক্লাস এসব ভেবেই কাটিয়ে দিয়ে মাথায় কিছু ঢুকছে না আকাশের ব্যবহার টা ও মানতে পারছি না।

রাতে

রুমে বসে আছি আর ভাবছি আকাশ কি ওইদিনর জন্য রাগ করে। কিছু বুঝছি না আমি আকাশ নাম্বারে কয়েক বার ফোন দিলাম বার বার কেটে দিচ্ছে। আবার দিলাম এবার রিসিভ হয়েছে,,,,

আকাশ ফোন রিসিভ করেই বলতে লাগল,, বারবার ফোন দিচ্ছো কেন দেখতেই তো পাচ্ছো রিসিভ করছি না তবুও ডিসটার্ব না করলে হয় না তাই না।

আমি : আমি তোমাকে ফোন দিয়ে ডিসটার্ব করছি।

আকাশ : হুম

বলেই কল কেটে দিলো। এই কথাটা বলতে পারলো আমি নাকি ডিসটার্ব করি আকাশ এততটা চেনজ কি করে হলো। অনেক কষ্ট হচ্ছে চিৎকার করে কাদতে মন চাইছে। না আকাশ এমন কি করে করতে পারে ও তো আমাকে অনেক ভালোবাসে তাহলে আজ এমন কেন করলো।

#চলবে

#জোরপূর্বক_ভালোবাসা
#writer_Ashiya_Nur
#part_13
কেন এমন করছে আকাশ ও তো আমাকে ভালোবাসে অনেক তাহলে এখন কেন ইগনোর করছে। চোখ দিয়ে অধরে জল গরিয়ে পরছে না কিছু তেই আকাশের এমন ব্যবহার মেনে নিতে পারছি না। সেদিন আকাশের সাথে বসি নি বলে কি কিন্তু এর আগে ও তো অনেক সময় অনেক খারাপ ব্যবহার করেছি কখনো তো এমন করে কিছু বলেনি। আমার ফোনে ও বিরক্ত হ য়ে এটা কি করে বলতে পারলো না কিছু তেই মানতে পারছি না।
অর্ধেক রাত এসব ভেবেই কাটিয়ে দিল আশিয়া। কখন যে ঘুমিয়ে পরছে বসেই তার খেয়াল নেই।

এদিকে আকাশ আশিয়া বারান্দায় বসে এসব দেখছিল। আর যখন ফোন দিয়েছিল তখন আকাশ আশিয়াদের বাড়ির নিচে ছিলো। আশিয়া ঘুমিয়ে পরা মাএই রুমে প্রবেশ করলো।
আকাশ এসে আশিয়াকে ঠিক করে শুয়িয়ে দিল তারপর মুখটা ধরে কপালে একটা কিস করলো।

আকাশ : তুমি অনেক কষ্ট পাচ্ছ আমার ব্যবহারে তাই জান কিন্তু এই কষ্ট টা যে তোমার পেতে হবে নয়লে তুমি বুঝবে না ষব সময় আমাকে ইগনোর করবে। তোমাকে বুঝানোর জন্য ই তো এসব করছি। আর এই প্রলান্টা অশির।

[ হঠাৎ আননোন নাম্বার থেকে একটা কল আসে খুফ একটা আননোন নাম্বার রিসিভ করে না আকাশ তাই করলো না বারবার কল আসার রাজুর কাছে দেয়। রাজু রিসিভ করে দেখে অশি আকাশ কে চাইছে একরাশ বিরক্তি নিয়ে ফোন কানে নেয়।

-হ্যালোা আকাশ কেমন আছ

– ভালো আপনি আমাকে ফোন দিয়েছেন কেন?( রেগে)

– রাগ করছো কেন। আমি তোমাকে হেল্প করার জন্য ই ফোন দিয়েছি।

– মানে

– দেখো তুমি আশিয়াকে ভালোবাস আর আশিয়া তোমাকে সব সময় ইগনোর করে তাই না।

– না

– আমাকে মিথ্যে বলে লাভ নাই ইগনোর না করলে আজ আমার সাথে বসে এলো না কেন তোমাকে ছেড়ে।

আকাশ আর কিছু বলল না আসলেই সব সময় অশিয়াকে জোর করত হয়। একবার শুধু বলেছিল ও আমাকে ভালোবাসে তবুও আই লাভ ইউ বলে নাই জাস্ট হুম বলেছে। আশিয়া তখন বলল ওকে ইগনোর করতে অন্য মেয়ের সাথে বেশি মিসতে তাহলে আশিয়া জেলাস হবে প্রথমে রাজি না হলে ও পরে রাজি হয় আশিয়া নিজের করে পেতে]

আকাশ এক ধ্যানে আশিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে এক দিনে মেয়েটা চোখ মুখ ফুলে কি হয়েছে। চুল গুলো সরিয়ে পুরো মুখে চুমু দীতে লাগল হঠাৎ আশিয়া নরে উঠে আকাশ দ্রুত ওখানে থেকে সরে যায়।

আশিয়া একটু করে তাকিয়ে দেগে কেউ নেই কিন্তু মনে হলো কেউ আমাকে দেখছে খুব কাছে থেকে নরম কিছু মুখে লাগছিল।

পরদিন ও আকাশ আশিয়ার সাথে কথা বলে না ওকে দেখিয়ে দেখিয়ে অশির সাথে কথা বলে। আশিয়া এটা বুঝছে না অশির সাথে এতো কিসের কথা। আশিয়া অনেক কষ্ট পায় এতে কিন্তু কিছু বলে না।

তিন দিন পর

আশিয়া ক্লাসে বসে আছে হঠাৎ টগর আসে।

টগর – কেমন আছ আশিয়া

আমি – ভালো তুমি

টগর – ভালো,, তোমার আর আকাশের কি ব্রেকআপ হয়েছে নাকি!

আমি শক হয়ে টগরের দিকে তাকালাম,,, মানে

এমন একটা কথা শুনবো সাথে দেখবো যে আমার পায়ে নিচ থেকে মাটি সরে গেল। কারণে আকাশ আর অশির কিছু কাপেল পিক। টগর আর ও বলল ওরা নাকি রিলেশন করে এখন।

এর জন্য ই কি তাহলে আকাশ আমাকে ইগনোর করে। ও কি অশিকে ভালোবাসে তা।লে আমার কি হবে কি করে থাকবো আমি।চোখের পানি বাধ মানছে না। অনেক কষ্টে ক্লাস টা শেষ করে বাড়ি এসে দরজা বন্ধ করে কান্না করতে লাগলাম,,,

#চলবে