জোরপূর্বক ভালোবাসা part: 8+9+10

0
1533

#জোরপূর্বক_ভালোবাসা
#Writer_Ashiya_Nur
#part: 8,9&10

রাজ কি আর আশিয়া কথা কানে নেয়। ও নিজের মতো চুল নিয়ে খেলা করতে লাগলো। আমি রেগে চুল বাধঁতে গেলে আকাশ আমার হাতে আটকে দেয়।
আমি – হাত ধরছেন কেন ছারুন আমার অসহ্য লাগছে;
আকাশ : আচ্ছা আর ডিসটার্ব করবো না তবুও চুল বেধ না প্লিজ ! ( ইনোসেন্ট মুখ করে)
কি আর করবো এতো রিকোয়েস্ট করলে কি না মেনে পারা যায়। আর চুল বাধলাম না জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি। একটু পর পর চুল গুলো মুখে উড়ে আসছে আর আমার রাগ হচ্ছে এজন্য আমি কখনো চুল ছেড়ে রাখি না।
বিরক্ত হয়ে চুল সরাতে যাবে তার আগে কেউ সরিয়ে দিল। আকাশ আমার চুলে সরিয়ে দিচ্ছে। এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে আমার দিকে।
আমি : এতো তাকিয়ে কি দেখছেন বলেন তো?
আকাশ : আমার জান কে!
আমি : এতো দেখার কি আছে এমন ভাবে তাকিয়ে আছেন মনে হচ্ছে আজই প্রথম দেখছেন।
আকাশ : প্রথম ই তো দেখছি মনে হচ্ছে যত দেখি দেখার তৃষ্ণা মেটে না।
কথা বলতে বলতে হঠাৎ আকাশ খেয়াল করলো আশিয়া ঘুমিয়ে পরেছে। কথার মাঝে যে কেউ ঘুমাতে পারে একে না দেখলে বুঝতে না। আকাশ আশিয়ার মাথাটা টেনে নিজের বুকের উপর এনে রাখলো। সব চুল মুখের উপর এসে পরেছে আকাশ মুচকি একটা হাসি দিয়ে চুল গুলো সরিয়ে জরিয়ে ধরে রইল।
এদিকে অশি আকাশদর পাশে সিটে বসে ছিলো। এতোক্ষন যা যা হয়েছে সব দেখেছে আর রাগে ফুলছে।
অশি: আমি ছারবো না এই মেয়েকে?( রেগে)
টগর : অশি কি করবি তুই দেখছিস না ওরা দুজন দুজনকে ভালোবাসে আর আকাশ যে ডেন্জারাস ছেলে কিছু তেই তোকে মেনে নেবে না ও আশিয়াকে অনেক ভালোবাসে যা ওর পাগলামো দেখেই বুঝা যায়।
অশি: আমি কিছু শুনতে চাই না আকাশ কে তো আমার চাইই চাই। আশিয়াকে আমি ওর জীবন থেকে সরিয়েই ছারবো।
টগর: যা কিছু হয়ে যাক আকাশ আশিয়াকে ছারবেই না। আমার মনে হয় আগে তো আশিয়া আকাশ কে দেখতে পারতো না তখন কি কি না করেছে আকাশ আর এখন তো মিলেই গেছে?
অশি: আকাশ না ছারুক আশিয়া তো ছারতে পারে তাই না;
টগর : মানে
অশি: এতো মানে তোর জানতে হবে না। সময় হলেই জানতে পারবি দেখতে ও পারবি! ( বলেই একটা শয়তানি হাসি দিয়ে তাকালো আকাশের দিকে আকাশে আশিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে)
অশি টগরের সাথে গল্পে মেতে উঠলো। একজন যে হা করে তাকিয়ে আছে খেয়াল ও করে নি।
বাচ্চু উঠে এসে সুমি পাশে দাড়ালো সুমি কারো উপস্থিতি টের পেয়ে উপরে তাকিয়ে দেখে হাবলাকানত দাড়িয়ে আছে।
সুমি: কি
বাচ্চু: ( একটা হাসি দিয়ে) তোমরা কি করছো?
সুমি: কি করছি? ( একটু রেগে) দেখসিস না কি করছি এটা জিগ্গেস করতে আসছিস!
বাচ্চু: না আসলে হুম? ( কি বলবে বুঝে উঠছে না কারণ বাচ্চুর খুব কথা বলতে মন চাইছিল তাই চলে এসেছে। এই রক্ত গরম মেয়েকে কি তা বলা যাবে বললে তো আমাকে এখানেই মেরে তকতা বানিয়ে দিবে)
সুমি: আবার তুই কথা বাদ দিয়ে ভাবতে লাগছিস?
বাচ্চু: লিমা ( সুমির পাশে লিমা ছিলো লিমাকে উদ্দেশ্য করে )
সুমি: আবার লিমাকে ডাকসিস কেন?( ভ্র কোচকে)
বাচ্চু: তুমি একটু আমার সিটে বসবে আমি এখানে বসতাম।
সুমি: তুই এখানে বসবি কেন?
লিমা: আচ্ছা
লিমা উঠে যেতে লাগলে সুমি আটকে ধরে কিন্তু আটকে রাখতে পারে না কারণ বাচ্চু অনেক করে বলে যার জন্য যেতেই হয়। সুমি তো নানা কথা বলে বকেই যাচ্ছে।
রাত নয়টার দিকে রিসোর্সে এসে পৌঁছায় সবাই। আশিয়া এখন ও ঘুমিয়ে আছে আকাশ কয়েকবার ডাকলো কিন্তু উঠে না তাই আর উপায় না পেয়ে কোলে করে নিয়ে রুমে শুয়ে দিয়ে এলো।
#চলবে
#জোরপূর্বক_ভালোবাসা
#writer_Ashiya_Nur
#part_9
কারো ডাকে ঘুম থেকে ধরফরিয়ে উঠলাম। তাকিয়ে দেখি একটা সুমি দাড়িয়ে আছে আমার সামনে। চারপাশে তাকিয়ে দেখি দেখি এটা একটা রুম। আমি রুমে এলাম কিভাবে, আমি তো বাসে ছিলাম। এখানে কখন এলাম একবার চোখ বন্ধ করছি তো আবার খুলছি। আমি কি সপ্ন দেখছি নাকি এতোক্ষণ দেখলাম।
সুমি: আল্লাহ এই মেয়ে কি পাগল টাগল হয়ে গেল নাকি ! ( আশিয়ার দিকে তাকিয়ে )
আমি সুমির কথার শব্দের ওর দিকে তাকালাম রেগে। কারণ পাগলটা যে আমাকে বলেছে সেটা বুঝতে পেরেছি।
আমি : কি বললি? রেগে
সুমি: কই কিছু না তো! ( না জানার ভাব করে )
আমি : আমি এখানে এলাম কি করে আমি তো বাসে ছিলাম। আর আমার পাশে তো আকাশ ছিলো ও কই ( আশে পাশে খুজার চেষ্টা করে )
সুমি: তিনি এখানে নেই খুজে লাভ নাই? আর বাসে কি থাকবো নাকি কখন আমার এসে পেরেছি আপনি তো নাক ডেকে তখন ঘুমাচ্ছিলেন!
আমি : কিহ আমি নাক ডেকে ঘুমাচ্ছিলাম। অসম্ভব আমি নাক ডাকি না বুঝছত?
সুমি: ভালো এখন উঠে ফ্রেশ হয়ে আয় সবাই খেতে গেছে?
আমি : এখানে কিভাবে এলাম আমি?
সুমি: কিভাবে আর আসবেন ঘুমে তো আর চোখ মেললেন না তাই আমাদের নায়ক তার নায়কাকে কোলে করে নিয়ে এলো? এবার তারাতারি কর!
আমি: মানে
সুমি; তোর আর মানে টানে বুঝতে হবে না তো যা।
আর কিছু বলতে পারলাম না জোর করে বাথরুমে ঢুকিয়ে দিল সুমি। কিন্তু আমার তো প্রশ্ন মন থেকে যাচ্ছে না। আকাশ আমাকে কোলে করে এনেছে ছি ছি ছি সবার সামনে দিয়ে। কি লজ্জার ব্যাপার, কি ভাবে ঘুমিয়ে পরলাম এখন সবার সামনে কি ভাবে যাব।
নানা কথা ভাবছি বাইরে থেকে সুমির আওয়াজ পেয়ে ভাবা বাদ দিয়ে হাত, মুখ ধুয়ে বেরিয়ে এলাম।
?
আকাশ সেই কখন থেকে অপেক্ষা করছে আশিয়ার কিন্তু এখন পযর্ন্ত মেয়েটা এসে পৌঁছালো না। আর বসে না থেকে উঠে দাড়ালো এক কদম এগাবে ওমনি সামনে চোখ আটকে গেল।
আশিয়া আসছে সুতি সাদা জামা, নীল পায়জামা নীল ওড়না দিয়ে মাথা ডেকে আসছে। মুখে কোনো সাজ নেয় তবুও অপূর্ব লাগছে দেখতে আকাশ হা করে তাকিয়ে আছে আশিয়ার দিকে।
আশিয়া একবার তাকিয়ে দেখেছে আকাশ এক দৃষ্টিতে তাকে আছে একটু লজ্জা পেয়ে অন্য দিকে তাকালো।
খাওয়া দাওয়া শেষে সবাই গল্প করতে বসলো।
আকাশ জোর করে আশায়াকে ওর পাশে বসিয়েছে। আশিয়া সবার মাঝে বসতে চাইছিল না কিন্তু আকাশ কি কথা শুনার মানুষ। সে তো কাউকে কেয়ার করে না।
সবাই কি বলছে কি করছে কোন খেয়াল নেই আকাশের সে তো আছে আশিয়াকে জালাতে।
একবার চুল এলোমেলো করছে। একবার গালে চুমু দিচ্ছে, হাতে আর আশিয়া কিছু বলতে গেলেই ঠোট দেখাচ্ছে ভয়ে আর আশিয়া কিছু বলছে না।
?
হঠাৎ কারো ডাক কানে এলো ফিসফিসিয়ে কথা বলছে। গায়ে হাত দিয়ে ধাক্কা দিচ্ছে ভয়ে ভয়ে তাকিয়ে চিৎকার করবো কেউ মুখে হাত দিয়ে আটকে ধরলো,
আকাশ : এতো ভয় পাও কেন আমি। উঠো তারাতারি?
আমি : এখন উঠবো কেন আর আপনি এখানে কেন?
আকাশ : কথা বাদ দিয়ে উঠোতো?
আমি : না আমি এখন ঘুমাবো আপনি যান ঘুমান। ( বলে ধাক্কা দিলাম যাওয়ার জন্য )
আকাশ : কিসের ঘুম সারা রাস্তা না ঘুমিয়ে এলে। এখন উঠো চুপচাপ?
আমি : না সুমি, লিমা কিন্তু উঠে যাবে এখন যদি ওরা আপনাকে এখানে দেখে কি ভাববে বুঝতে পারছেন। আপনি আসলে কা করে দরজা তো বন্ধ ছিলো।
আকাশ : আসার কথা পরে বলি এখন উঠো। আর ওরা জাগলে জাগবে আমার কি।
আমি কিছুতেই উঠতে রাজি না শুয়েই আছি। হঠাৎ আমাকে কোলে উঠিয়ে নিলো। আমি তো নামার জন্য ছটফট করছি কিন্তু সে কি নামানোর কিছু তেই কিছু করছে। আমি ও হাল ছারছি না।
আকাশ : আছাড় দেবো কিন্তু আর একটু নরলে
আমি ভয়ে আর নরলাম না। ছাদে এনে আমাকে দোলনায় বসিয়ে নিজেও বসে পরলো। আমি রেগে অন্য দিকে তাকিয়ে আছি। আকাশ আমার মুখটা ধরে নিজের দিকে ঘুরালো,
আকাশ : রাগলে কিন্তু তোমাকে আর ও বেশি কিউট লাগে।
আমি আবার অন্য দিকে তাকালাম আকাশ আমার মুখটা আবার নিজের দিকে ঘুরিয়ে আমার কপালে চুমু দিয়ে বসলো। আমি আগুন চোখে তাকিয়ে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম।
আকাশ : ওফ ব্যথা পেলাম;
আমি : ভালোই হয়েছে?
আকাশ; কি বললা
বলেই আমার কাছে এসে বসে নিজের সাথে জরিয়ে ধরলো। তারপর উপরের দিকে মুখটা উচু করে ধরলো। আর আমি আকাশের দিকে মুগ্ধ হয়ে গেলাম এতো সুন্দর একটা চাদঁ উঠেছে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি। ঠান্ডা বাতাস এসে ছুয়ে যাচ্ছে আকাশ পেছনে থেকে আমাকে জরিয়ে ধরে আছে মুহূর্তটা আমার জীবনের চেষ্ট সময় লাগছে এতোভ ভালো লাগছে বলে বুঝাতে পারবো না।
চলবে?
#জোরপূর্বক_ভালোবাসা
#Writer_Ashiya_Nur
#part_10
আকাশ : আমার অনেক দিনের ইচ্ছে ছিলো যাকে ভালোবাসি তার সাথে রাতের সৌন্দর্য অনুভব করবো। আজ আমার সেই আশা টা সত্যি হলো আশিয়া।
বলেই আকাশ আমার গালে চুমু দিয়ে বসলো। আমি চাঁদ দেখা বাদ দিয়ে রেগে আকাশের দিকে তাকালাম।
আকাশ : কি হলো আবার এভাবে তাকাও কেন জান?
আমি : আপনি আসলেই ( কথা কেরে নিয়ে )
আকাশ : থাক জান আর বলা লাগবো না। এতো রাগ করো কেন খালি আমি তো তোমার আদর করি তুমি তো নিজে থেকে করোই না আমি করলেও রেগে থাকো।
আমি : আমার এতো আদর ভালোবাসার দরকার নেই। আপনি দূরত্ব রাখলে ভালো হয়।
আকাশ : তুমি আসলেই আনরোমান্টিক!
আমি : আমার এতো রোমান্টিক হয়ে কাজ নাই। এখন আমি রুমে যাব আর আটকাবেন না।
আকাশ : কেন তোমার কি এখানে আমার সাথে ভালো লাগছে না।
আমি : লাগছে কিন্তু এখন আমি সময় টা উপভোগ করতে চাই না।
আকাশ : কেন
আমি : এতো কেনর উওর দিতে পারবো না। আপনি ও শুয়ে পরেন যান।
আকাশ কে আর কিছু বলতে না দিয়ে সিরির দিকে যেতে লাগলাম। আকাশ ও দৌড়ে আসলে আমার পাশে হাটতে লাগল।
পরদিন
সকালে
সুমি বাইরে এসে দাড়াল হঠাত ঝড়ের গতিতে পাশে এসে দাড়ালো বাচ্চু। বাচ্চু এসেই জামা কাপড় ঠিক করছে আজ অনেক অন্য রকম লাগছে বাচ্চু কে ড্রেস আপ ভালো পরেছে বেরাতে এসেছে দেখে মপে হয়।
বাচ্চু একটু অবাক হয়েছে সব সময় সুমি তো তাকে ধারের কাছে দেখলে ও বকতে থাকে কিন্তু আজ কিছু বললো না স্বাভাবিক ভাবে তাকিয়ে থেকে আবার চোখ ফিরিয়ে নিলো।
বাচ্চু: কি ব্যাপার তোমার কি মন খারাপ?
সুমি: ( ভ্র কোচকে তাকিয়ে ) কেন?
বাচ্চু : না মানে কিছু বললে না যে সব সময় তো ঝগড়া করো?
সুমি: কি আমি ঝগড়া করি ( রেগে)
বাচ্চু: না মানে ঐ আর কি
সুমি : তোর সাহস হলো কি করে আমাকে ঝগড়াটে বলছিস। তোকে তো আমি আজ ( বলেই মারতে আসে)
বাচ্চু বেচারা কি বলতে কি বললো এখন আবার ঝগড়া দৌড়ে আকাশের সামনে এসে হাপাচ্ছে।
আকাশ : কি রে এভাবে দৌড়াচ্ছিস কেন?( ভ্র কুচকে)
বাচ্চু: ভাই কি ডেন্জরেস মেয়ে এ আমাকে কখনো মানবে না। কথা বললেই খালি তেরে আসে? ( অসহায় মুখ করে )
আকাশ : মেয়েরা এমন ই চিন্তা করিস না ঠিক মানবে তার আগে প্রপোজ তো কর?
বাচ্চু: আমার তো ভয় লাগে প্রচুর আমি প্রপোজ টপোজ করতে পারুম না ভাই।
আকাশ আর কিছু বলতে পারল না বাচ্চু দৌড়াচ্ছে কারণ সুমি এদিকেই আসছে।
অশি আর টগর বাইরে আসছিল হঠাৎ দেখলো আকাশ একা দাড়িয়ে আছে। আশেপাশে দেখলো নাহ আশিয়া নাই এই টগর কে বলে ই একাই আকাশের কাছে গিয়ে পরে যাওয়ার মতো করে চিৎকার করলো । কেউ একজন ধরে ফেলেছে অশিকে অশি তো আকাশ ভেবে খুশি যে আকাশ ওকে ধরেছে ইচ্ছে করে চোখ বুজে আকাশ কে ভালো করে ধরলো গলা। খুশি হয়ে চোখ খুলেই ৪৪০ ভোল্টেজের শক খেয়ে দিলো এক চিৎকার,,,
এদিকে সুমি, লিমা টগর সবাই এখানেই ছিলো সব দেখছিলো এমন চিৎকার কেন করছে বুঝতে পারছে না কারণ। কাউকে পরে যাওয়া থেকে র্বচালে সে এতো রাগে কেন এটাই কেউ বুঝছে না টগর তো সব বুঝেছে কারণ অশি তো ইচ্ছে করে পরেছিলো যাতে আকাশ ধরে নেয়। কিন্তু এখানে তো আকাশ না রাজু ধরে আছে অশি কে আর এটা দেখেই চিৎকার করে উঠেছে অশি।
আশিয়া ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে বাইরে এসে দেখে সবাই জরো হয়ে আছে। কি হয়েছে দেখার জন্য এগিয়ে আসে সবাই চুপ তাই সুমিকে জিগ্গেস করে,,,
আমি : কি হয়েছে রে সুমি সবাই এভাবে দাড়িয়ে আছিস কেন?
সুমি: আমি ও কিছু বুঝতে পারছি না এই মেয়েটার হয় কি মাঝে মাঝে। এই তো পরে যাচ্ছি লো রাজু তাকে ধরে বাচালো আবার তাকে দেখে চিৎকার করছে। নেকামু সহ্য হয় না আমার এসব।
অশি টগর কে নিয়ে চলে গেল। মনে হয় অনেক রেগে আছে কিন্তু কেন।
#চলবে