জোর করে বিয়ে পার্টঃ ১+২

0
3464

জোর_করে_বিয়ে
পার্টঃ ১+২
লেখকঃ সিয়াম হোসেন

-দোস্ত দেখ মেয়েটা কি সুন্দর । (রাফি)
-কই (আশিক)
-আরে ওইযে গেট দিয়ে যে ভিতরে আসছে একদম মেজিক মামুনি পোশাক গুলো দেখ । (রাফি)
-আহ্ কি সুন্দর যদি কাছে পেতাম তাহলে…..(আশিক)
এই টুকু বলার সাথে মেয়েটা আশিকের সামনে চলে এসেছে ।
-কাছে পেলে কি করতেন । (মেয়েটা)
-সব কথা কি বলে দিতে হয় বুঝনো কি করতাম । (আশিক)
-বেয়াদব আপনারদের ঘরে মা বোন নেই । (মেয়েটা)
-থাকবে না কেনো আছে তো কিন্তু বউ তো আর নেই । (আশিক)
-আজকেই প্রিন্সিপালের কাছে আপনাদের নামে বিচার দিবো । (আশিক)
-উরি মা মেয়েটা দেখি আমাদের ভয় দেখাচ্ছে । (রাফি)
-আরে কিসের ভয় তা কি বিচার দিবেন (আশিক)
-বলবো যে আপনারা পথের মাঝে মেয়েদের কে টিজ করে বেড়ান । (মেয়েটা)
-এখনও তো কিছু করলাম না । (এটা বলে আশিক মেয়েটার দিকে এগোতে লাগলো )
মেয়েটা ভয়ে পিছনের দিকে যেতে লাগলো হঠাৎ মনে হলো কিছু একটার সাথে ধাক্কা খেয়েছে ঘুরে দেখে একটা ছেলে দাড়িয়ে আছে ।
-ভাই আমাকে বাঁচান আমি এখানে নতুন দেখুন না ছেলে গুলা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করছে । (মেয়েটা)
-ওই কি হয়েছে রে (সিয়াম)
-সরি ভাই ভুল হয়ে গেছে এর পরে আর কখনও করবো না । (সবাই)
-হুমম মনে থাকে যেনো । আপনি ক্লাসে যান । (সিয়াম)
-ধন্যবাদ আপনাকে । (মেয়েটা বলেই সামনের দিকে চলে গেলো)
-এই মিস আপনার পিছনে তো ছেড়া । (সিয়াম বলার সাথেই সবাই হেঁসে উঠলো)
মেয়েটা কথাটা শুনে পিছনে তাকিয়ে দেখে তাকে যে বাঁচালো সেই কথাটা বলে তাদের সাথে হাঁসছে তার আর বুঝতে বাকি রইলো না যে ওদেরই বন্ধু এটা । মেয়েটা আর কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা ক্লাসের দিকে চলে গেলো ।
-কিরে মামু অভিনয় করে মেয়েটাকে বাঁচালি আবার নিজেই তাকে টিজ করলি বেপারটা বুঝলাম না । (রাফি)
-আরে এটা হচ্ছে নতুন ইষ্টাইল বুঝলি তা মেয়েটা কি বলছিলো তোদের । (সিয়াম)
-এই যে প্রিন্সিপালের কাছে নাকি বিচার দিবে তাই বলছিলো ।‌(আশিক)
-তাই নাকি সেটা দেখা যাবে চল বাসায় যাই । (সিয়াম)
-বাসায় যাবি মানে ক্লাস আছে তো । (আশিক)
-ধুর এতো পড়ে কি হবে চলতো । (সিয়াম)
-ঠিক আছে চল । (আশিক)

সবাই বাসার দিকে রওনা দিলো । এবার পরিচয়টা দেওয়া যাক । উপরে যারা কথা বললো তারা প্রত্যকেই বড় লোক বাবার ছেলে । ভার্সিটির একটা মেয়েও তাদের হাত থেকে বাদ যাই না । আর যদি নতুন মেয়ে হয় তাহলে তো কোনো কথায় নেই । ওদের মধ্য সিয়াম হলো সবার লিডার এবং সবার থেকে বড় লোকও । আর এই অধিক টাকা থাকার কারণেই বিগরে গিয়েছে । সবাই মিলে বাসায় চলে এসেছে । পাশা পাশিই বাসা ।
-আম্মু খেতে দাও ক্ষুদা লাগছে । (সিয়াম)
-এতো তাড়াতাড়ি চলে কেনো । (সিয়ামের মা)
-ক্ষুদা লাগছে সেই জন্য খেতে দাও । (সিয়াম)
-আচ্ছা তুই টেবিলে যা আমি খাবার নিয়ে আসছি । (সিয়ামের মা)
-কিসের খাবার সারাদিন টো টো করে ঘুরে বেড়াবে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবে মেয়েদের পিছনে ঘুরবে পড়ার নামে তো খোজ নেই । (সিয়ামের বাবা)
-কি খালি পড়া পড়া করো এতো পড়ে কি হবে । (সিয়াম)
-ত্যাড়া কথা বলবি না (সিয়ামের বাবা)
-আহ্ তোমরা থামবে । সিয়াম আয় খেয়ে নে । (সিয়ামের মা)
-হ্যা আদর দিয়ে তো মাথায় তুলে ফেলেছো যা খেয়ে নে আমার সাথে যাবি । (সিয়ামের বাবা)
-কোথায় । (সিয়াম)
-আমার অফিসে । (সিয়ামের বাবা)
-তুমি যাও আমি পারবো না । (সিয়াম)
সিয়ামের বাবা আর কোনো কথা বললো না জানে বলেও কোনো লাভ নেই । খেয়ে দেয়ে সিয়াম ঘুরতে বেড়িয়ে গেলো ।

অপরদিকে গল্পের নায়িকা খুবই শান্ত শিষ্ট এবং ভদ্র ।
-কিরে সানজিদা কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হবি তা নিয়ে কিছু ভেবে ছিস । (সুমাইয়া)
-হুমম ভাবছি ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হবো । (সানজিদা)
-কি ঢাকায় কিন্তু তোর বাবাকে তোকে সেখানে ভর্তি করতে রাজি হবে । (সুমাইয়া)
-সেটা নিয়েই তো ভাবছি । দেখি আজকে বাবাকে বলবো কি বলে । (সানজিদা)
-হুমম বলে দেখ কি বলে । (সুমাইয়া)
-আচ্ছা আজকে আসি ভালো থাকিস ।(সানজিদা)
ওর বান্থবীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে এলো ।
-আব্বু তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো । (সানজিদা)
-হুমম বল । (সানজিদার বাবা)
-বলছিলাম যে কি আমি ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হতে চাচ্ছি । (সানজিদা)
-ঢাকা এতো দূরে থাকবি কোথায় । (বাবা)
– ওখানে ম্যাচে থাকবো । (সানজিদা)
-কিন্তু তুই‌ একা । (বাবা)
-কোনো সমস্যা হবে না । (সানজিদা)
-ঠিক আছে ভেবে দেখবো এখন যা । (বাবা)
-হুমম যাচ্ছি । (সানজিদা)
নিজের রুমে চলে এলো ভাবছে তার বাবা কি তাকে যেতে দিবে নাকি দিবে না । রাতে সবাই এক সাথে খেতে বসলো ।
– ঢাকায় গিয়ে কি তুই থাকতে পারবি । (বাবা)
-হুমম পারবো । (সানজিদা)
– কিন্তু আমাদের তো ভয় হচ্ছে যদি তোর কিছু হয়ে যায় । (বাবা)
-আমার কিছুই হবে না । (সানজিদা)
-ঠিক আছে । (বাবা)
-ধন্যবাদ বাবা তুমি অনেক ভালো । (সানজিদা)
-হুমম ভালো মতো পড়বি কিন্তু । (বাবা)
-হুমম
– এখন যা গিয়ে শুয়ে থাক । (বাবা)
সানজিদা নিজের রুমে চলে গেলো । আজকে সে অনেক খুশি । ঢাকায় গিয়ে কেমন কাটবে এসব ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়লো ।

চলবে….

#জোর_করে_বিয়ে
পার্টঃ ২
লেখকঃ সিয়াম হোসেন

পরের দিন সকালে সানজিদা বাসা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য বেড়িয়ে গেলো ।
আচ্ছা ঢাকার শহরটা কেমন হবে । সেখান কার মানুষ জন কেমন আমি কি ঢাকায় চান্স পাবো(নানা প্রশ্নের মাঝে আছে । ঢাকায় আসতে আসতে প্রায় বিকাল হয়ে গেছে । তার এক বান্ধবীর মামার বাসা এখানে আর ওর বান্ধবীও এখন ঢাকায় আছে তাই ফোন দিলো ।
-হ্যালো মিম(সানজিদা)
-আরে সানজিদা কেমন আছিস । (মিম)
-ভালো কোথায় তুই । (সানজিদা)
-ঢাকাতেই আছি এখনও সুমাইয়া কালকে ফোন করেছিলো বললো তুই‌ নাকি ঢাকায় আসবি । তা কবে আসছিস । (মিম)
-আমি ঢাকায় চলে আসছি । (সানজিদা)
– এখন কোথায় । (মিম)
-এই মাত্র বাস থেকে নামলাম কিন্তু কোথাও তো ভালো মতো চিনি না তুই ঢাকায় আছিস সেই জন্য ফোন করলাম । (সানজিদা)
-ঠিক আছে তুই‌ কোথায় এখন (মিম)
-এই যে বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে আছি (সানজিদা)
-ওখানে দাড়িয়ে থাক আমি আসছি । (মিম)
-হুমম তাড়াতাড়ি আয় সন্ধ্যা হতে চললো । (সানজিদা)
-ওকে ।
তারপর মিম এসে সানজিদাকে ওর মামার বাসায় নিয়ে গেলো ।
-আসতে কোনো সমস্যা হয়নি তো । (মিম)
-না দাড়া বাসায় ফোন করে বলে দেই যে আমি চলে এসেছি নাহলে তারা শুধু শুধু চিন্তা করবে । (সানজিদা)
সানজিদা ওর বাবার কাছে ফোন দিলো ।
-হ্যালো বাবা । (সানজিদা)
-হ্যা রে মা গিয়েছিস । (বাবা)
-হ্যা আমি ভালো মতো চলে এসেছি তোমরা চিন্তা করো না । (সানজিদা)
-ঠিক আছে ভালো মতো থাকিস । (বাবা)
-আচ্ছা এখন রাখি । (সানজিদা)

-তা কি ভাবলি (মিম)
-কি ভাববো । (সানজিদা)
-এই যে হঠাৎ করে ঢাকায় আসলি । (মিম)
-কেনো তুই মনে হয় জানিস না । (সানজিদা)
-হুমম জানি তো । (মিম)
-আচ্ছা আমি একটা ম্যাচে থাকতে চায় তোর পরিচিত কেউ কি আছে যাদের সাথে থাকতে পারবো । (সানজিদা)
এমন সময় মিমের মামি এসে হাজির ।
–ম্যাচে থাকবে কেনো আমাদের এখানেই তো থাকতে পারো তাছাড়া মিম একা থাকে তুমি আর ও এক সাথে থাকবে । মিমও কালকে এডমিশন নিতে যাবে বুঝছো । (মিমের মামি)
-কিন্তু আমি এখানে থাকলে আপনাদের সমস্যা হবে না । (সানজিদা)
– না হবে না যাও গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসো খাবার দিচ্ছি । (মিমের মামি । )
কথা গুলো বলেই চলে গেলো ।
-তোর মামি অনেক ভালো । আর তুইও ঢাকায় ভর্তি হবি এটা তো বলিস নি । (সানজিদা)
-এমনি বলা হয় নি । যা গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আয় । (মিম)
তারপর সকলে মিলে ফ্রেশ হয়ে এসে রাতে খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লো । পরের দিন মিম আর সানজিদা এডমিশন দিয়ে চলে আসলো এবং দুজনেই চান্স পেয়েছে ।

অপরদিকে সিয়াম ও তার বন্ধুরা ভার্সিটির গেটের সামনে বসে আছে ।
এমন সময় সেদিন কার ওই মেয়েটা এসে হাজির ।
-ওই আপনি আমাকে সেদিন ওই কথা বললেন কেনো । (মেয়েটা)
-কোন কথা বলছি । (সিয়াম)
-ওই যে সেদিন বললেন যে আমার পিছনে নাকি ছেড়া । (মেয়েটা)
-কি তাই বলেছিলাম বুঝি দেখি তো পিছনে ছেড়া নাকি । (সিয়াম বলেই হেঁসে উঠলো )
-আরে শুধু ছেড়া দেখিস অন্য কিছু কিন্তু দেখিস না । (আশিক)
-আরে কি বলিস আমি‌কি এমন করতে পারি । (সিয়াম)
-আপনার সবাই বেয়াদপ আপনাদের নামে প্রিন্সিপালের কাছে বিচার দেওয়া দরকার । (মেয়েটা)
-বিচার দিয়ে কি হবে এর থেকে তাকে বিয়ে করে নাও । (সিয়াম)
-কি বললেন । (মেয়েটা)
-দেখে তো মনে হয় ফিট ফাট কিন্তু এখন দেখছি কানেও কম শুনেন । (সিয়াম)
-এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না (মেয়েটা)
-তাহলে যান না এখান থেকে । (সিয়াম)
মেয়েটা ওখান থেকে চলে গেলো ।
-ওই সিয়াম আমার একটা সমস্যা আছে । (আশিক)
-তোর আবার কি হলো । (সিয়াম)
-আরে আমার বাসার পাশে একটা বাসা আছে না ওই বাসার তিন তলায় একটা মেয়ে থাকে । আমার মনে হয় ওকে ভালোবেসে ফেলেছি কিন্তু সমস্যাটা হলো বলবো কি ভাবে । (আশিক)
-শালা প্রতিদিন এতো মেয়েকে টিজ করিস আর একটা মেয়ের সাথে কিভাবে কথা বলবি জানিস না । (সিয়াম)
-পারি তো কিন্তু ও অন্য সবার থেকে আলাদা । (আশিক)
-আচ্ছা বল এখন কি করবো (সিয়াম)
-কিছু করতে হবে না আমি যখন ওর সাথে কথা বলবো তোরা আমার পিছনে থাকবি তাহলে একটু সাহস পাবো । (আশিক)
-ঠিক আছে চল । (সিয়াম)
সবাই মিলে চলে গেলো । ওরা সবাই পিছনে দাড়িয়ে আছে । আশিক কি যেনো বলেছে ওমনি মেয়েটা ঠাসস করে থাপ্পড় দিছে ওর গালে ।
-কিরে মারলো কেনো (সিয়াম)
-বলছিলাম না সবার থেকে আলাদা এখন চল । (আশিক)
-দাড়া আমি আসছি । (সিয়াম)
-দেখ এটা আমার আমিই ঠিক করে নিবো তোকে ওর কাছে যেতে হবে না শালা তোরে বিশ্বাস নেই দেখা গেলো তুই নিজেই ওকে পটিয়ে নিলি । এর আগে রাফির সাথে এমন করছিলি । (আশিক)
-শালা জানিস যখন আনলি কেনো । (সিয়াম)
-বললাম না সাথে থাকলে সাহস বাড়ে এখন চল । (আশিক)
-ঠিক আছে বেঁচে গেলি সত্যি পটাতে চেয়েছিলাম । হি হি হি

তারপর যে যার বাসায় চলে গেলো ।
-ওই শোন । (সিয়ামের বাবা)
-কি ।
-আর কত বিচার আসবে তোর নামে । (বাবা)
-কেনো আবার কে বিচার দিলো (সিয়াম)
-ভার্সিটি থেকে তোর প্রিন্সিপাল ফোন করেছিলো তুই নাকি একটা মেয়েকে খারাপ কথা বলছিস । (বাবা)
-কি কেউ ‌একজন তোমাকে বললো আর তুমি তা বিশ্বাস করে নিলে । তুমি জানো না আমি কত ভালো । (সিয়াম)
-থাক আর বলতে হবে না তুই যে কত ভালো এটা সবাই জানে । (বাবা)
-প্রিন্সিপাল বিচার দিছে তাই না ওই‌ শালার টাকলু কেতো আমি । (সিয়াম)
-ওই‌মুখ সামলে কথা বলবি তোর টিচার হয় । (বাবা)
সিয়াম নিজের রুমে চলে গেলো । কি করবে সেটা নিয়ে ভাবছে । ঠিক আছে যা করার প্রিন্সিপালের মেয়েকে দিয়ে করাবো একটু হাবা গোবা আছে । পরের দিন ভার্সিটিতে গিয়ে কি করতে হবে তা সবাই কে বলে দিলো ।
-এই মিথিলা‌ আপু (প্রিন্সিপালের মেয়ে)
-হ্যা ভাইয়া বলুন । (মিথিলা)
-এই দেখো (সিয়াম)
-কি এটা । (মিথিলা)
-এটা হচ্ছে একটা উপহার এটা নিয়ে গিয়ে সোজা তোমার বাবার কাছে দিবে আর বলবে যে একটা লোক দিয়েছে আমার কথা কিন্তু বলবে না নাহলে নিবেনা । (সিয়াম)
-কি‌ উপহার আমি একটু খুলে দেখি । (মিথিলা)
-হ্যা দেখবে তো আগে তোমার বাবা কে দিয়ে আসো তোমার বাবা দেখার পর তুমি দেখবা । (সিয়াম)
-ঠিক আছে । (মিথিলা)
মিথিলা নিয়ে ওর বাবার কাছে চলে গেলো । অন্যদিকে সিয়ামের বন্ধুরা জানালার পাশে ক্যামেরা নিয়ে দাড়িয়ে আছে ।
প্রিন্সিপাল ওটা খুলে দেখলো যে ভিতরে একটা ডিভিডি রাখা । কে দিতে পারে এটা নিয়ে কিছুক্ষন ভাবার পর চালু করলে । যেটা দেখলো দেখার সাথেই যেনো চোখ কপালে উঠে গেছে তাড়াতাড়ি করে বন্ধ করে দিলো ।
কিছুক্ষন পর সিয়াম প্রিন্সিপালের রুমে এসে হাজির ।
-কি বেপার তুমি এখানে । (প্রিন্সিপাল)
-আপনি নাকি কালকে আমার বাবার কাছে বিচার দিছেন ।(সিয়াম)
-হ্যা দিয়েছি । আর তোমার সাহস কি করে হলো আমার রুমে এসে‌ আমাকে এমন কথা জিজ্ঞাসা করার । (প্রিন্সিপাল)
সিয়াম আর কোনো কথা না বলে মোবাইল টা বের করে যেটা ভিডিও করেছিলো সেটা দেখালো ।
-ছি ছি স্যার আপনি ভার্সিটিতে এসে এই সব দেখেন । (সিয়াম)
-এটা তুমি কোথায় পেলেও । তার মানে আমার মেয়ে যেই ডিভিডি টা এনে দিয়েছিলো সেটা তুমি দিয়ে ছিলে । (প্রিন্সিপাল)
-হুমম এখন থেকে আপনি আর আমার বাবার কাছে বিচার দিবেন না নাহলে এই ভিডিওটা ভার্সিটির সবার কাছে দিয়ে দিবো । (সিয়াম)
বলেই ওখান থেকে চলে এলো ।

অপর দিকে সানজিদার কালকে ভার্সিটির প্রথম দিন তাই আগে থেকেই সব কিছু রেডি করে রেখে দিলো ।

চলবে…..