টর্চার Part-06

0
2396

#টর্চার
#Apis_Indica
#part_6
.
.
-মিট মিট করে চোখ খুলে দিখি।। আমি বিছানায় শুয়ে আছি।ভালো করে তাকিয়ে দেখি এ মা এইটাতো ওই লম্বু খাসির রুম।।
কিন্তু এলাম কখন,, মনে করতে চেষ্টা করতেই তখনের কথা মনে হতে লাগলো আশেপাশে তাকিয়ে দেখি না মাকড়শা নেই।।সেই ছোট থেকেই আমার মাকড়শা ফোবুয়া আচ্ছে।।আর এই লম্বু খাসি শালা তা দিয়েই ভয় দেখাইসে।।হুহ সুযোগ পেলে তার শাস্তি নেব আমি।। কেন যে এই বেটার সাথে লড়তে গেসিলাম হাহহহ।।।(আমায়রা)

-রুমে ঢুকে দেখি,, আমু আমাকে যা ইচ্ছা তাই বলতাসে।।
-এই এসব কি বলতেসে আজিব মেয়েতো তুমি, একা একা বিড়বিড় করো।।আর আমাকে এ সব বলার সাহস হয় কেমনে তোমার। হুমমমম।।(আয়মান)

-আমার মুখ আছে আমি বলেছি বলেই জ্বিবে কামড় দিলাম।। কি বলে ফেলসি এখন যদি আবার উল্টা পাল্টা কিছু করে বসে তখন,, মনে মনে এসব ভাবছি আর তার দিকে আড় চোখে তাকাচ্ছি,, বেটা মুচকি মুচকি হাসতেসে, বুঝলাম না তার হাসির কারন।।।(আমায়রা)

-মুচকি হাসি দিয়ে তুমি খুব অদ্ভুত একটি মেয়ে বলে আমুর পাশে বসলো।। কি হলো এভাবে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে কি দেখছো হুম।। যা বলছি একদম সত্যি বলছি বুঝলে।।
এ অদ্ভুত মেয়েটিকেই আমার ভালো লাগে আমুর নাক টেনে দিয়ে।।(আয়মান)
-আচ্ছা তাহলে ভালোলাগে বলেই আমাকে বন্দি করে রেখেছেন।। (আমায়রা)
-হুম টিক তাই।। কেন যেন তোমায় দেখতে আমার খুব ভালো লাগে,তুমার আজিব কাজ গুলো আমার খুব ভালো লাগে।।তোমার সব কিছুই আমার ভালোলাগে তাই তোমাকে সাজিয়ে রাখার জন্য তুলে নিয়ে আসছি।।(আয়মান)

-আপনিও খুব বড় আজিব, একদম আমার থেকে বড়। (আমায়রা)

-আজিবের কি দেখলে?(আয়মান)
– তা নয় তো কি,, মানুষ ভালবাসলে শুনছি নানা রকম পাগলামো করে, আর আপনি ভাললাগে বলে রিতিমত টর্চার করছেন আপনি।,,,,,

-বলতেই স্যার মেম এর সুপ(স্টাফ)

-আমার কাছে দেও আর তুমি যাও আপাদতে আমাদের কেউ যেন ডিস্টার্ব না করে।।

-ওকে স্যার।(স্টাফ)

-কে বলেছে, ভাললাগা আর ভালোবাসা একি বুঝলা,,(আয়মান)

-জ্বি না কে কেই সে আপনারে হে,,,,,
শুনেন ভালোলাগা, ভালোবাসা ২ জিনিস।।
দাড়ান আমি ২ টারি সংঙ্গা ব্যাখ্যা করছি।।
(ওর এখন এমন ভাব মনে হচ্ছে আয়মান তার না জানি কত কাছের বন্ধু ঁ)(আমায়রা)

-এখন দাড়াতে হবে?(আয়মান)

-নানা ওডা কথার কথা বহেন বহেন…(আয়মানও বাধ্য ছেলের মতো এক গালে হাত দিয়ে আমুর কথা শুনতে লাগলো।)শুনেন ভালোবাসা হচ্ছে,, একটি মানুষের মন আরেকটি মানুষের মনের মধ্য বাধা পড়ে যায়।। যার জন্য পৃথিবীর সবার সাথে লড়তে পর্যন্ত দিধা করে না।।একে অপরের পছন্দ অপছন্দ মেনে চল।। তারা একটা সম্পর্কের আবদ্ধ হয়ে যায়।। তাই ভালোবাসা।।
আর ভালোলাগা হচ্ছে অন্য কথা এটি আমাদের যখন তখন যেখানে সেখানে লেগে যেতে পারে তাই যেমন টা আপনার হয়েছে,দাড়ান একটু নড়ে চড়ে বসে আপনাকে একটা উদাহরণ দেই,,,
দেখন আমরা উঠতে বসতে এখানে সেখানে পথে ঘাট এই ধরেন রিকসায় আপনি চলাচল করেন।। তাদের মধ্যে কাউকে না কাউকে ভালোলাগতেই পারে বা ক্রাশ খাইতেই পারেন।।।তাকে তো আর ভালবাসা বলে না,, কথা বলতে বলতে আয়মানের দিকে চোখ পড়তেই ওই আমার দিককে রক্ত চোক্ষু ভাবে তাকিয়ে আছে,, মনে হচ্ছে তার চোখে রক্তের বন্যা হচ্ছে আর এখন এইবন্যা আমাকে ডুবিয়ে মারবে।।।এরি মাধ্যে মারলো এক ধমক।। (আমায়রা)

-whattttttttttt??????? কি আবল তাবল বোকছো হে।।।
দাড়াও তুমার ব্যবস্থা করতেসি।। সব রেখে রিকসা ওয়ালা ছিছিছি কি তোমার choice..

– একটু ভয়ে কান্না ভাব করে দেখুন আমার তা মতলব ছিল না একটু জোড়ে আমি তো বাস এমনি উদাহরন দিচ্ছিলাম বলেই মাথা নিচু করে ফেলাম।।(আমায়রা)

-বেচারির কথা শুনে খুব হাসি পাচ্ছে এ এতে আজাইরা পেচাল কই থেকে পায় বুঝি না।।
এখন আবার ভয়ে চুপসে যাচ্ছে।।। কিন্তু এইটা কেমন কথা কেউ কি রিকসা ওয়ালার উপর ক্রাশ খায় ভাবার বিষয়,, ওকে আরেকটু ভয় দেখানোর বললাম
-যাও গিয়ে আমার জন্য কিছু বানিয়ে নিয়ে আশো।। (আয়মান)

-আমিইইইই একটু চিল্লিয়ে আর একটু কথাটা টেনে,,,(আমায়রা)

-তো এখানে আর কাউকে দেখতে পাচ্ছি না।।।মাএ ৫ মিনিট দিলাম নিচে আসো বলে চলে যেতে নিবে তখনি আমু ডাকে(আয়মান)

-আমায়রা মিন মিন করে বললো আমি রান্না করতে পারি না।। (আমায়রা)

-তা আমার দেখার বিষয় না বলে হন হন করে চলে গেল(আয়মান)

– এই শালা লম্বু খাসি আমাকে টর্চার করার একটা পথও ছাড়ে না।।আহহহহহ বলে বালিশ নিচে ছুড়ে মারলো আর বেড থেকে উঠে আমু ও হনহন করে নিচে নেমে গেল।।(আমায়রা)

??⚫(past)
.
-আয়মানের হঠাৎ এভাবে জড়িয়ে ধরাতে অবাকের থেকে রাগ হতে লাগলো।।
এহ মন্রির ছেলে হইছে দেখে কি মাথা কিনে নিবে নাকি।।তাই জোড়ে ধাক্কা দিলাম।।শরীর পুরো জলতেসে কি করবো ভেবে না পেয়ে এহসানের হাতে থাকা কাচের বোতল এনে তার মাথায় মেরে দিলাম।।।(আমায়রা)

-নুহা হেলমেট খুলে আমুর কাছে গেল,,,
আমু কি করে ফেললি তুই চল তাড়াতাড়ি এখান থেকে।।। বলেই টেনে নিয়ে যেতে লাগলো।। (নুহা)

-আমি এমন কিছু করতে চাইনি।। রাগের মাথায় যখন এমনটা করে বসি তখন যেন হুসও ছিল না।। যখন আয়মান মুচকি হাসতে লাগলো আর তার মাথার উপর থেকে গড় গড় করে তরল জাতীয় লাল রক্ত বেড় হতে লাগলো।।আমি তা দেখে গাভ্ররে যাই।।কি করবো মাথায় আসতে না।। তখনি নুহা ডাকতে থাকে আর আমাকে টানতে টানতে নিয়ে যায়।।
-আর তখন আয়মান দাড়ানো থেকে মুচকি হাসতে হাসতে ধীরেধীরে মাটিতে পরে যায়।।
তা দেখ তার দিকে পা বাড়াতেই নুহা ডাকতে লাগলো।।(আমায়রা)

-আমু চল যদি জেলে পচে মরতে না চাস।। তুই মন্রীর ছেলেকে মেরেছিস।। আর না জানি এখানে cc camera আমাদের এই সব কাজ উঠে গেছে চল তাড়াতাড়ি।।(নুহা)

– নুহার কথা গুলে ভেবে তাড়াতাড়ি বাইক স্টার্ট করে চলে গেলাম।। ঢাকা আস্তে না আস্তেই কুফা লেগে গেল।।(আমায়রা)

-ভাই উঠ কি হয়েছেে চোখ খোল ভাই মেয়ে ২ টাকে আমি ছারবো না রাফিন ওদের খবর নে এদের আমি নিজ হাতে শাস্তি দেব।। আর যা গাড়ি স্টার্ট কর ভাইকে হাসপাতালে নিতে হবে।।।(এহসান)

-হে এহসান আমি শাফিন আর ফুআদকে ওদের পিছে পাঠিয়ে দিসি।।
আয় ভাইকে নিয়ে আমি গাড়ি স্টার্ট করছি।।(রাফিন)..

*নুহাদের বাসায়*

– বাসায় ঢুকে এদিক সেদিক উকি দিয়ে দারাম করে ডোর লক করে দিলাম। ভয়ে ভয়ে আমি আগেই বলেছিলাম দরকার নেই যাওয়ার দেখ কি থেকে কি হয়ে গেল।।
এখন আমাদের কি হবেরে আমুর হাত ধরে যদি পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায় কান্না কান্না ভাবে(নুহা)

-দোস্ত এই ফাস্ট আমারো ডর করতাসে এটা ময়মেনসিংহ হলে কথা বলতে না দিয়েই নুহা বলে উঠলো,,,
-এটা তোর ময়মেনসিংহ না।। এটা ঢাকা বুঝলি।।।আর যাকে মাএ মেরে আসলেন তাকে দেখে গুন্ডারাও ভয় পায় বুঝলি।।(নুহা)

-আমি কিছু জানি না আল্লাহ প্লিজ রহমত করো আমি ২ রাকাত নামাজ পরবো,,, পরবো কি এখনি পরমু বলেই ওয়াশরুমে ওযু করতে চলে যায়।।(আমায়রা)

– আমায়রা এসব ভয় পায় না কিন্তু নতুন শহর বলে ভয় করছে তার শহর হলে তাদের সব কটাকে নাকে রশি বেধে গোয়াল ঘরে রেখ আসতো।। কিন্তু এখানে ভিন্ন।।

-ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়তে লাগলো।। কারন তার মা যদি একবার জানে তো তাকে নিয়ে যাবে আর ওই গাধা রাতিন এর সাথে বিয়ে দিয়ে দেবে।।কান্না করতে করতে জায়নামাজেই ঘুমিয়ে যায় আমু।।

*হাসপাত*

-ডাক্তার আয়মানের রুম থেকে বের হলো,
ভয়ের কোনো কারন নেই এহসান আয়মান ঠিক আছে চোট বেশি লাগেনি।। তোমার বাবাকে কিছু বলি নি তোমাদের রিকুয়েস্ট এ কিন্তু নেক্সট টাইম যেন এমন না হয় বলে চলে গেল (ডাক্তার)

-জ্বি আঙ্কেল খেয়াল রাখবো বলেই আয়মানের রুমে ঢুকলো এহসান।।
-ভাই এখন কেমন লাগছে। আর ওই মেয়েটিকে তুমি চিন?(এহসান)

-হুম বলে সব খুলে বললো।।।(আয়মান)

-তখনি রাফিন ঢুকে ভাই একটি কাগজ এগিয়ে দিয়ে এই হচ্ছে মেয়েটির সব ডিটেল্স।।(রাফিন)

-আয়মান কাগজটি নিয়ে মুচকি হাসলো আর বলো,,
– আম কামিং বেবী বলেই ডেবিল মার্কা হাসি দিল।।(আয়মান)

চলবে,,,,,,????