টর্চার Part-07

0
2200

#টর্চার
#Apis_Indica
#part_7
.
-আয়মানের জন্য নাস্তা বানাতে রান্না ঘরে এলাম।।
কাজের মেয়ে নাসরিন কে বলাম,,
ভাত আছে?(!আমায়রা)

-জ্বি।(নাসরিন)

-আমাকে একটু পেয়াজ, কাঁচামরিচ, কেটে দিতে পারবে আমি ওগুলো কাটতে পারি না।।
আর ডিমটাও বের করে দেও।।(আমায়রা)

-এই যে মেম সব এখানে করা আছে।।(নাসরিন)

-ওকে আমি ডিম ভাজা দিয়ে সব গুলো ভাত বেজে ওপর দিয়ে মাংসের মসলা দিয়ে দিলাম।। ফাইড রাইসের মতো হয়ে গেছে।।
এটা আমার খুব favourite…আম্মু যখন বাসায় না থাকতো তখন এভাবে রান্না করে খেয়ে ফেলতাম।।(আমায়রা)

-কি বেপার হুম এত লেট হচ্ছে কেন ৫ মিনিট তো পার হয়ে গেল।।।এখন যে আবার শাস্তি পেতে হবে বেবী।।মুচকি হাসি দিয়ে গালটা টেনে দিয়ে বলল।।(আয়মান)

-হু জানা আছে সারাদিনতো এই ধানদায় থাকেন কেমনে আমারে টর্চার করবেন।।হু আপনার কখনো ভালো হবে বলে দিলাম কপালে ফুটাকা মাছের মতো বউ ঝুটবো দেইখা লয়েন।। এই যে দেখনে জ্বিব দেখিয়ে,,দেখন আমার জ্বিব এ তিল আছে।।
আমার কথা ফলবো তাড়াতাড়ি হু বলে ভেগ্ঙচি কেটে দিলাম।।(আমায়রা)

-ভ্যাবাচেকা খেয়ে এই মে কি বলছো এসব হে পাগল হলে নাকি আজিবত।।(আয়মান)

-আমি ভেঙ্গচি কেটে খাবার গুলো ট্রেতে নিয়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে ডায়নিংরুমে চলে আসলাম।।

-খাবার রেখে টেবিলের পাশে দাড়িয়ে আছি।।
কখন খাবার টা খাবে তাই চিন্তা করতেসি।।
হি হি হি খাও বাচ্চু খাও আমাকে টর্চার করা হাহহ। এবার বুঝবে মজা।। কত ধানে কত চাল। হু।।।
– কি হল দাড়িয়ে আছেন কেন আসেন আয়মানের হাত টানতে টানতে আরে আসেনত বলেই চেয়ারে ধাক্কা দিয়ে বসিয়ে দিলাম।।
-এই যে মিস্টার মুখের সামনে তুরি বাজিয়ে কি হে আমার মুখে কি খাবার নাকি টেবিলে খাবার।। ওই দিকে তাকান আর খান। খেয়ে উধার করুন হু।।।।(আমায়রা)

-আমুর ব্যবহার হঠাৎ এত আজিব লাগছে কেন বুঝতে পারতেছি না।। নিশ্চিত কোনো ফন্দী এটেছে।।।বেবস তুমি কি জানও অতি ভক্তি চুরের লক্ষন।।সন্দেহ নজরে তাকিয়ে আছি।।।

-এহহহহ না না তে,,ম,,,ন কিছুনা।। আমিতো আপনার ক,,থা শুনতে চাইছি।।আপনি আমাকে সন্দেহ করছেন বলেই নেকা কান্না শুরু করেছি।।। বেটা বেক্কেল সত্যি সত্যি মনে করতেছে আমি কানতেসি।।(আমায়রা)

-আচ্ছা বাবা ঠিক আছে সরি সরিতো এই যে কানে ধরতেসি।।। এখন কি নাকে ধরবো।।(আয়মান)

-নানা ঠিক আছে।। আপনি খান।। (আমায়রা)

-আয়মান খাচ্ছে,,,,
-বাহ্হহহ ভালোই হইসে।। তুমি তো ভালো রান্না করতে পারো।।(আয়মান)

-লজ্জা পেয়ে thankss..(আমায়রা)

-হুম।। গম্ভীর ভাবে তাই বলে শাস্তি থেকে বেচে জাবে না হাই তুলতে তুলতে।। কি বেপার আমার এত ঘুম পাচ্ছে কেন।। আমি ঘুমবো।। এই তুমি কিছু মিশাও নিতো হুম বলো বলো।।। আমি উপরে গেলাম ঘুমুতে উঠে দারিয়ে,, শুনো আমার দিকে এগিয়ে একদম পালানো চেষ্টা করবে না খবর দার বলেই হেলে দুলে উপরে চলে গেল।(আয়মান)

-যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ইয়েহহ।।কি মজা বেটা লাল বাদর।। আমার সাথে পাঙ্গা।। হুু।।।
ভাগিস বেটা ঘরে ঘুমের ঔষধ পেয়েছিলাম।।
বলেই নাচতে লাগলাম পিছনে তাকিয়ে দেখি নাসরিন আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে।। আমি তাকে দেখে না দেখার ভান করে ভদ্র ভাবে শিশ বাজাতে বাজাতে উপরে চলে এলাম।।। নাসরিন হয়তো এখনো এভাবেই দাড়িয়ে আছে তাই একদম উপরে গিয়ে আবার পিছনে তাকিয়ে দেখি না তাকিয়ে আছে।। এ না সরলেতো বাহিরে যাবো কেমনে।।
– হুহ ততখনে দেখে আমি বেটা ঘুমায়সে নাকি।। আয়মানের রুমে গিয়ে দেখি বেটা উবু হয়ে জুত না খুলেই ঘুমিয়ে আছে।। হাহহ রাস্তা ক্লিয়ার হু হা হি।।।
-নিচে গিয়ে দেখি তেমন কেউ নেই আস্তে আস্তে হাটার ভান করতে করতে মেন গেট দিয়ে বেড় হয়ে দিলাম দৌড়।। যেন তেন না মিল্কা সিংয়ের মতো দৌড়।।।???????????????
.
.
??⚫(past)
.
– আজ আমি আর নুহা আমাদের ভার্সিটি যাচ্ছি।। আজ আমাদের শুভেচ্ছা ক্লাস।। নুহা কি পরমু কতো মাথা কাজ করতেসে না।।২ হাতে দুইটা ড্রেস নিয়ে(আমায়রা)

-উমমম এক কাজ কর জন্ম কাপড় পরেই চলে যা মোবাইল টিপতে টিপতে(নুহা)

-খারাপ কি বললি,,, বলেই হাতের কাপড় বিছনায় রেখে বালিশ ছুরে মারলাম।। (আমায়রা)

-আহ্হ্হ্হ্ এই তুই খালিমারন কেন হে জামা গুলো হাতে নিয়ে এতো এতো জামা কাপর এই গুলো তোর চোখে পরে না বলে ওর দিকে ছুরে মারলাম।।(নুহা)

-ওকে যা তোর সাথে কথা কমুনা মুখ ফুলাইয়া বইসা রইলাম।।যানি বান্দি আমার রাগ ভাগ্ঙাবেই।।(আমায়রা)

-সরি জানু।।।কানে ধরে।।(নুহা)

-মুখ গুরিয়ে নিলাম(আমায়রা)

-আমু,,,,,, বলেই কাতুকুতু দিতে লাগলাম।।(নুহা)

-নুহা প্লিজ আর না।।। হা হাহ্হ্হ্হ্। হাসতে হাসতে জান শেষ।।(আমায়রা)


কিছুক্ষণ পর,,,,,

-আজ নুহা আর আমু ২ জনই সেম ড্রেস পরেছে।। জামা আর ধুতি পায়জামা সাদা।। আর গলায় মাল্টি কালারের ওরনা।।
কানে বড় বড় ঝুমকো।। ঠোট লিপ বাম।। কপালে টিপ পরে নি কারন তা মুসলমানদের জন্য হারাম তাই তারা পরে না।।

-বোইন তোরে যা সু্ন্দর লাগতেসে।।(নুহা)

-একটু ভাব নিয়ে thanks।। তোকেও কম লাগছে না।। আয়নার সামনে দাড়িয়ে দেখ আমাদের যমজ লাগছে।।(আমায়রা)

– হা হা আচ্ছা চল চল ড্রাইভার চাচা দাড়িয়ে আছে।।(নুহা)

– তারা ২ জনেই গাড়িতে উঠে গেল র নুহা গান ছেড়তে বলল ড্রাইভার চাচাকে চাচাও ছেড়ে দিল বলে যো কোয়াল,,,,,,,


– এহসান আয়মান কই তোমরা খেতে এসো।। (আয়মানের মা)

– এই তো আমি ভাই রেডি হচ্ছে খাবার টেবিলে বসে পাউরুটিতে জেল লাগাতে লাগাতে। মা পাপা কই।। (এহসান)

– কি জানি সকাল সকাল কই জানি গেল।। জানিস তোর বাবার শরীরটা ভালো যাচ্ছে না।। কতো করে বললাম যে ডাক্তারের কাছে যাই না কোনো কথা শুনছেই না।।(আয়মানের মা)

– ওহো মা এতো হায়পার কেন হচ্ছো হাতা ফোল্ড করে নিচে নামতে নামতে,, আমাদের সুপার মেন ঠিকি আছে শুধু শুধু চিন্তা করো না তো।।(আয়মান)

-তোরা কি কথাও যাচ্ছিস নাকি।। (মা)

-হুম মা আজ ভার্সিটিতে নবীনদের জন্য অনুস্ঠান আর আমাদের উপর দ্বায়িত সব কিছুর।। বুঝইতো পাপার ভার্সিটি বলে কথা।।আর পাপা যেহেতু যাবে না তো আমাদের থাকতে বলসে।।(আয়মান)

-ঠিক আছে।। আয়ু তোর মাথায় কি হইসে।। বাবা তুই আবার মারামারি করেছিস তাইনা।।(মা)

-ওহো আমার হাইপার কুইন তেমন কিছুনা বুঝলে।। ওটা ছোটো একটা এক্সিডেন্ট মাম।।
মা কে আর কিছু বলতে না দিয়ে টেবিল থেকে একটি আপেল নিয়ে এহসানকে উদ্দেশ্য করে বলে আমি গাড়িতে গেলাম ৫ মিনিটের মধ্যে আয়।।বলেই হন হন করে চলে গেল।।(আয়মান)

-আয়ু খেয়েতো যা যাহ চলে গেল।। তোরা আমার একটা কথা শুনিস না আরে তুই কই যাস খাবারটা শেষ করে যা।। এটাও চলে গেল।। সব কটা বাদর। ঠিক বাপের মতো হইসে। আসুক আজ তোর বাপ তোদের বাধার ব্যবস্থা করছি আমি।।(মা)


*ভার্সিটি *

-নুহা ওয়াও কি সুন্দর তোদের ভার্সিটি।।
আহ্হ্হ্হ্ মারলি কেন মাথায় হাত দিয়ে।।(আমায়রা)

-মারমু না তো পুজা করমু এটা তোরো ভার্সিটি বুঝলি গাধী। (নুহা)

-ওহ মাথায় বাড়ি দিয়ে তাইতো।। আচ্ছা চল।।
বলে ভিতরে সব কিছু ঘুড়ে ঘুড়ে দেখতে লাগলাম।সবাই কি সুন্দর করে সেজে আসছে মনে হচ্ছে সোজা পার্লার থেকে ভার্সিটিতে লেন্ড করেছে।। সব চিন্তা ভাবনার মধ্যে দিয়ে আমরা অডিটোরিয়ামের সামনে।। আস্তে আস্তে রুমে সবাই এসে বসলো।। আমরা ৫ নং সারিতে বসেছি।। একজন টিচার্সরা এসে কিছু বগ আপ্পি আর ভাইয়াদের বললেন আমাদের রজনীগন্ধা স্টিক দিতে।। আর তারা সবাই মিলে আমাদের স্টিক দিতে লাগলেন।। তখনি এহসান এসে নুহাকে আর আমাকে ফুল দিল।। এহসানকে দেখে আমাদের ভয়ে গলা শুকিয়ে গেছে আমি আর নুহা একে ওপরের দিকে তাকিয়ে শুধু ঢোক গিলছি।(আমায়রা)

-ওহো বেবস এটুকুতেই এই হাল এখনোতো আরও অনেক সারপ্রাইজ বাকি আছে।।
বলেই বাকা হেসে হেসে চলে গেল।।(এহসান)

-নুহা তার পাশের এক বড় আপুকে ভয়ে ভয়ে জিগাসা করে আপি ইনারা কারা(নুহা)

-ওরা ওনার্স 4th ইয়ারের বড় ভাইয়া আর আপুরা।।(আপি)

-ওহ আ,,চ্ছা ত,,া,,ই।। নুহার দিকে তাকিয়ে নু,,,হা,,, আ,,,মি,,, পা,,,নি খাবো।। কাপা কাপা কন্ঠে(আমায়রা)

-আমারো সেম চল যাই,,, বলে আমাদের বেগ গুলো সিটে রেখে আপিকে বলে বের হয়ে আসলাম আপি বলেও দিল অডিটোরিয়ামের পিছনে পানির ব্যবস্থা করা আচ্ছে।।(নুহা)

– কইরে এইখানেতো কিছু দেখতে পাচ্ছি না।। হুম এখানে তো সবাই সাজগুজে ব্যস্ত।
নুহা ওই দেখ মাঠের দিকে ইশারা করে ওখানে কল আছে চল।।(আমায়রা)

-হুম চল।। আমু আর আমি যেতে লাগলাম হঠাৎ ওরনায় টান অনুভব করলাম ভাবলাম কোথাও বেজেছে।। আমুকে ডাক দিতে নিব তার আগেই কেউ আমার মুখ চেপে ধরে ফেলে আর টানতে টানতে কই যানি নিয়ে যেতে লাগলো।। আর এই গাদী আমু বকরবক করতে করতে যাইতেই আসে খাটাস মাইয়া এই দিক দেখ চাইয়া আমারে নিয়া গেল এ হেে আমার জামাইয়ের কি হবে।।(নুহা)

-আমি বক বক করতে করতে পিছনে তাকিয়ে দেখি এমা এই নুহা গেল কই।। হাহহহ এখন এরে কই খুজমু।। হু আগে পানি খাই।। তাই তাড়াতাড়ি কল পাড়ে যাই।। চাপ দিয়ে পানি খেতে নেই পানি সব পরে যায় কি করি ২,৩ বার করার পর সেম একি রকম।। এখানে গ্লাস টাস ও নাই ধুর নুহার বাচ্চাও নাই করি লাস্ট আরেক বার ট্রাই করি হুম।। চাপ দিয়ে কলে মুখ লাগাই এমা এবারো বুঝি গেল গেল।। তখনি আবার পানি পড়তে লাগলো আমিও খুশি মনে খেয়ে নিলাম।। খেয়ে পড়ে মনে পরলে আরে কল চাপ কে দেয় মনে হয় নুহা তাকিয়ে যা দেখলাম তাতে আমার গলা আবার শুকাইয়া গেল।। বাপরে বাপ এতো আয়মান।। দেখে যেই না দৌড় দিম ওমনি খপ করে হাত ধরে ফেললো আর টানতে টানতে একটি রুমে নিয়ে গেল।।নিয়েই ধারাম করে ফেলে দিল।।। আমি উঠে কিছু বলতে নিমু তার আগেই আমাকে তার কাছে নিয়ে চুলের মুঠি ধরে কিস করতে লাগলো।।।কিস বললে ভুল হবে রিতিমতো কামর দিতে লাগলো।।। হঠাৎ এমন হওয়াতে আমিতো শকড খাইলাম পুরা।। আমি যেন কারেন্টর খাম্বার মতো দাড়ায়া রইলাম আর লাল বান্দর তার কাজ করতেই লাগলো।।(আমায়রা)



চলবে,,,,