টর্চার Part-12

0
1809

#টর্চার
#Apis_Indica
#Part_12.
.
– কি ভেবে ছিলে আমার কাছ থেকে দূরে যেতে পারবে নো নেভার।। তুমি যদি পাতলেও লুকিয়ে থাকতে খুজে বেড় করতাম।। যাই হোক টেবিলের নিচে পেল্স টা ভালোই সিলেক্ট করেছে।। তা এখানে কি সারা রাত থাকার প্লেন করেছো বুঝি।। বাকা হয়ে (আয়মান)

-আমুরতো কথা যেন গলায় আটকে গেছে কি বলবে কিছুই বুঝতে পারছে না।। না শুধু তাকিয়ে আয়মানতে দেখছে।।
-আ,,,,প,,,নি, কি,,,,ভা,,,বে।(আমায়রা)

-ভয় পাচ্ছো কেন তুমিনা সাহসী মেয়ে তোমারতো এতো এতো সাহস তাইনা বলো।। (আয়মান)

-আমু কিছু না বলে মাথা নিচু করে বসে রইলো।।

-আমুর এক ধরে,,
-আচ্ছা চলো আমার সাথে। এভাবে তাকিয়ে আছো কেন চলো,,,, আরে আসো না বলে টেবিলের নিচ থেকে বেড় হয়ে গেল(আয়মান)

-আমু তো ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে রইলো।। আর আয়মান তাকে টানতে টানতে নদীর পারে নিয়ে এসে দাড় করা লো।।।



-এই তুমি এখানে কি করছো হুম।। তোমাকে কখন থেকে খুজছি।। আচ্ছা চল।। (এহসান)

-কোথায়?(নুহা)

-আমার শহরে মো না লি সা,,,বলে টানতে টানতে ছাদে নিয়ে গেলো রিসোর্ট এর।। আর ২ জন মিলে ছাদের কর্নার টায়।। পা ঝুলিয়ে বসে পরলো।।আর তাদের সেই টক মিস্টি ঝাল, খুনসুটি ভালবাসায় মেতে উঠলো।।। তাদের জুটি টাই এমন। কিন্তু খুব ভালোবাসে একে অপরকে তারা।।
তাদের ঠিক উল্টা টা হচ্ছে আয়মান আর আমায়রা।। আয়ু তাকে বাধতে চায়।। আর আমু খোলা আকাশে উড়তে চায়।। এমন ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ গুলো কি কখনো এক হতে পারে।। কিন্তু উপর ওয়ালা চাইলে সব সম্ভব।।


-আমু আর আয়মান নদীর পারে দাড়িয়ে আছে,, নদীর ঠিক ওপারে আরো একটি প্যালেস আছে,, সেখানে বড় পক্ষরা উঠেছে।। সেই রিসোর্ট ও খুব করে সাজানো হয়েছে।। নদীর ওপর লাইটের আলো পড়াতে পারটি ও আলো কিত হয়ে উঠেছে।। আর সেই মৃদু আলোতে আয়মান তাকিয়ে আছে আমায়রার দিক।। তার কাছে আজ আমুকে কোনো রাজ্যের রাজকুমারির থেকে কম লাগছে না।। আয়মানের তাকানো দেখে আমায়রার কেমন জানি লাগছে যেমনটি সেই রাতের পার্টিতে লেগেছিল।।

– কি দেখছেন? (আমায়রা)

-এক এন্জেল কে।(আমায়রা)

-এন্জেল আশেপাশে তাকিয়ে কই।।(আমায়রা)

– আমায়রার দিতে ২ কদম এগিয়ে এসে তার গালে হাত রেখে এই যে,,, আমার এন্জেল বলেই গালে স্লাইড করতে লাগলো।।(আয়মান)

-আয়মানে স্পর্শে আমু শিহরিত হতে লাগলো,,, আয়মানের মতো আমুও যেন আজ এক ঘোরে চলে যাচ্ছে।। আয়মানের স্পর্শ তার কাছে আজ অন্যরকম অনুভূতির জানান দিচ্ছে।। হটাৎ করেই নদীর এ পার থেকে আর ওপার থেকে এক সাথে আতশবাজি ফোটানো হলো। যা আকাশে গিয়ে বার বার আলোকিত তৌরি করে দিলো।। আতশবাজি আলোতে ২ জনেরই ধেন ভেঙ্গে যায়।। আমু আয়মানের কাছে থেকে ২ কদম পিছিয়ে যায়।। তার খুব লজ্জা লাগছে।। আয়মান আবারো তার দিক তাকি আমুর লজ্জা মাখা মুখটি দেখতে ব্যস্ত।।
এরি মাঝ্য বারে দুয়েক আবার আতশবাজি ফোটানো হলো।। তা দেখে আমু লাফি উঠলো।। আয়মান হঠাৎ আমুর এই কাজে কিছুটা গাভ্ররে গেল।। তার পর আমুর এমন কারন বুঝতে পেরে সে নিজেই হেসে উটলো।। আমুর তো কোনো খবরি নেই সে তো আয়মান থেকে পালাতে চায় কিন্তু এখন যেন তার কিছুরি খেয়াল নেই।। হঠাৎ করেই চারিপাশে ফানুশ ছাড়া হলো।।। আকাশটা যেন আজ আধারের মাঝেও রঙ্গিন হয়ে উঠেছে।।
আমু তা মুগ্ধ নয়নে দেখছে।।
-এরি মধ্য আয়মান হুট করে রিসোর্টের দিক ছুটলো।। আবার কিছু একটা নিয়ে দৌড়ে চলে এলো।।
-কই গিয়েছিলেন(আমায়রা)

– দুহাত দেখিয়ে এগুলো আনতে।। (আয়মান)

-আয়মানের হাতে ফানুশ দেখে খানিকটা অবাক হলো আমু।।
-কি করবেন এগুলো এক ভ্রু উচু করে(আমায়রা)

-খাবো তুমি খাবে,, দাঁতে দাত চেপে(আয়মান)

– মুখ বাকিয়ে ছি আপনি এসবো খান ইয়াক থু। আপনার কথা শুনে আমার বমিবমি লাগছে।।(আমায়রা)

-চুপ মারবো এক চড় গাদী। (আয়মান)

-তো কি করবেন শুনি?(আমায়রা)

-সবাইযা করছে তাই করবো।।(আয়মান)

-সবাই কি করছে আশেপাশে তাকিয়ে।।(আমায়রা)

-তোমার মাথা ধরো এটা(আয়মান)

-আচ্ছা আমরা কি এটা উরোবো।।।আবাক হয়ে(আমায়রা)

-ইয়াপ বেব।। বলে ফানুশ টাকে উড়ানের জন্য রডি করে তাতে আগুন লাগিয়ে। আমুকে ইশারা করলো ধরতে। আমু ও ভয়ে ভয়ে ধরলো।।
-এখন ছেড়ে দেও (আয়মান)

-আমুতো ভয়ে ছাড়ছে না।। এখকনে আগুনের বেগ বেড়ে যাচ্ছে না ছারলে পুরোটাতে আগুন লেগে যাবে।। তাই আয়মান আমুর হাত থেকে নিয়ে ছেড়ে দেয়।। র ফানুস টিও দুর গগনে উড়তে লাগে।। তা দেখে আমু চিৎকার করে খুমিতে লাফাতে থাকে। ও এতোটাই খুশি যে আয়মানকে জড়িয়ে ধরে।


??⚫(past)
.
.
-আজ এহসানের বার্থডে সে উপলক্ষে। তাদের বাসায় বেশ বড় সর পার্টির আয়োজন করা হয়েছে।। নুহা, আর আমু কে যাওয়ার জন্য খুব করে বলে এসেছে।। নুহাতো যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে গেছে।। আলমিরার সকল কাপর বের করছে বার বার একটা করে আর আয়নায় দেখছে আর ফেলে দিচ্ছে।। তা দেখে মজা নিচ্ছে আমু,, আর লুকিয়ে ভিডিও করে রাখছে।।

-ফোনে কি করছিস আমু প্লিজ কি পরবো ঠিক করে দেনা মা।।(নুহা)

– আমি কি জানি আমার ড্রেসিং সেন্স একদম কম।।আমাকে এগুলো তে জরাবি না।। (আমায়রা)

– ছোখ গুলো ছোট করে,,,তাই নাকি আমু আজ হটাৎ ড্রেসিং সেন্স কমে গেল কেন।। হুম বুঝতে পারসি।। হিংসে হয় না হুম হুহহহহ।।(নুহা)

-ফোন রেখে বিছানা থেকে উঠে দাড়িয়ে না মেরি জান,, আচ্ছা আয় আমার সাথে ওম এটা না,, এটা না এটা কালার ভালো তুই বরং এটা ট্রাই কর,,, একটা শপিং বেগ এগিয়ে দিয়ে।। (আমায়রা)

-বেগটা খুলতে খুলতে এটাকিরে।। ওয়াও জানু এটা কখন কিনলি।।(নুহা)

-কিনি নি আম্মু দিয়ে ছিলো তোকে দেয়ার জন্য বাট মনে ছিল না।।তোর পছন্দ হয়েছেতো।।(আমায়রা)

-হুম অনেক।।শাড়িটা অনেক সুন্দর।। তা তুই কি পরবি??(নুহা)

-আমি পরবো কিছু একটা,, তুই রেডি হয়ে নে। (আমায়রা)

– না না তুইও শাড়ি পড়বি আমি একা পরবো না দাড়া এক মিনিট বলে আলমিরার দিক দৌড় দিলো।। তখনি দরজায় নক পরলো বের হয়ে দেখে তাদের কাজের মেয়ে।।

-কি চাই তোর।। (নুহা)

-আফা এই পেকেট টা কে যেন বাহিরে রাইখা গেসে(কাজের মেয়ে)

-ব্যাগটা হাতে নিয়ে তুই যা আমরা দেখছি(নুহা)

-কাজের মেয়েটি চলে যেতেই দুজনে রুমে এসে বেগটি খুললো।। ব্যাগটি খুলতেই তাড়া ( থ)?

চলবে,,,