ডিভোর্স পর্বঃ ৭

0
2731

#ডিভোর্স
পর্বঃ ৭
লেখকঃ আবু সাঈদ
সরকার


কান্না মিশ্রিত কন্ঠে
স্যার প্লিজ আমার
নীলকে আমার কাছে
ফিরিয়ে দিন…

সাঈদঃ হ্যালো কে কথা
বলতেছেন…

তানিশাঃ আমি
তানিশা নীল হঠাৎ করে
অঙ্গান হয়ে গেছে ওর
এখনো পযন্ত ঙ্গান
ফিরে নি আপনি প্লিজ
একবার আসুন না..

সাঈদঃ ওকে…

যাবো নাকি যাবো না
একদিকে স্নেহাও ওয়েট
করছে আর ওদিকে না
গেলেও হয় না..

কী করি এখন…

এখন একটাই উপায় আছে
স্নেহাকে আমার সঙ্গে
নিয়ে যেতে হবে না
হলে মেয়েটা একলা
বাড়িতে থাকতে ভয়
পাবে..

তাড়াতাড়ি রুমের দিকে
গেলাম..

স্নেহাঃ সেই কখন
থেকে সেজে আছি
এখনো আসছে না
কেনো..

সাঈদঃ রুমের মধ্যে
যেতেই স্নেহা…

স্নেহাঃ হুম

সাঈদঃ এই শাড়িটা
চেনজ করে নতুন একটা
শাড়ি পড়ো একজায়গায়
যাবো..

স্নেহাঃ এত রাতে
কোথায় যাবেন আর আজ
না আমাদের ফুল শয্যার
রাত..

সাঈদঃ কথাটা বুঝার
চেষ্টা করো এটা আমিও
জানি কিন্তু না গেলে
যে হয় না যাওয়াটা খুবই
দরকার…

স্নেহাঃ আচ্ছা ঠিক
আছে আমি শাড়িটা
চেনজ করে আসতেছি..

সাঈদঃ আমি ততক্ষণে
ড্রাইভার কে গাড়িটা
বেড় করতে বললাম.

কিছু খন পর স্নেহা
নিচে নামলো দুজনে
গাড়িতে বসে নীলের
বাসার উদ্দেশ্য
বেড়িয়ে পড়লাম…


গাড়িতে..

স্নেহাঃ আচ্ছা একটা
বলবো..

সাঈদঃ হুম বলো..

স্নেহাঃ ছোট থেকে
শুনেছি ফুলশয্যার রাতে
নাকি বিড়াল মারতে হয়
তা আমি তো আমাদের
রুমে বিড়াল দেখলাম
আচ্ছা বিড়াল কী কেউ
ছেড়ে দিয়ে যায়


সাঈদঃ এগুলো মিথ্যা
কথা আসলে এমন কিছুই
হয় না সব মানুষের
মিথ্যা কথা…

স্নেহাঃ ও..

তা এত রাতে কোথায়
যাচ্ছি..

সাঈদঃ গেলেই বুঝতে
পারবে..

কিছু খন পর নীলের
বাসায় পৌঁছে গেলাম
সেখানে যেতেই..

স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি..

তানিশাঃ এই উঠো না
আমি আর কখনো তোমার
সঙ্গে ঝগড়া করবো না
তোমার সব কথা মেনে
চলবো..

স্নেহাঃ মেয়েটার কী
হয়েছে ও এমন ভাবে
কাদছে কেনো..

সাঈদঃ ভিতরে চলো
নিজেই বুঝতে পারবে…

ভিতরে যেতেই..

তানিশাঃ দেখুন না
নীল আমার সঙ্গে কথাই
বলছে না..

সাঈদঃ নীল এই নীল না
এর তো শরীরটা ঠান্ডা
হয়ে আসতেছে এখনি
ডাক্তার কে ফোন
করতে হবে..

ডাক্তারকে ফোন করে
তাড়াতাড়ি আসতে
বললাম..

ডাক্তার এসে নীলকে
চেক করে বললো
পেসেন্ট এর অবস্থা খুব
খারাপ আমি ঙ্গান
ফিরার ইনজেকশন দিয়ে
দিয়েছি শ্রীঘই ঙ্গান
ফিরে আসবে..

সাঈদঃ tnx ডাক্তার..

ডাক্তারঃ সাঈদ এই
মেয়েটা কে..

সাঈদঃ জ্বী আমার বউ..

ডাক্তারঃ oh so sweet
girl কবে বিয়ে করলে..

সাঈদঃ আজকেই…

কথাটা শুনে তানিশা
ফ্যাল ফ্যাল করে আমার
দিকে তাকিয়ে আছে
এটা ওর কর্ম ফল…

সাঈদঃ আমাদের
যাওয়ার হয়ে গেছে আর
হ্যা যাওয়ার আগে
একটা কথা বলছি
মানলে মানবা না হলে
নাই নিজের স্বামীর
খেয়াল রেখো না হলে
জীবনে অনেক পস্তাতে
হবে বলেই চলে
আসলাম…


স্নেহাঃ কে মেয়েটা
আর ছেলেটাই বা কে..

সাঈদঃ ছেলেটা নীল
আমার জুনিয়র
অফিসার..

আর মেয়েটা সেই যে
টাকার জন্য নিজের
স্বামীকে ছেড়ে
দিয়েছিলো..


স্নেহাঃ তার মানে এই
সেই মেয়েটা তুমি
কেনো আসলে এখানে
আমি আগে জানলে
একদম আসতে দিতাম
না…

সাঈদঃ ওমা তাই
নাকি…

স্নেহাঃ হুম ওই মেয়েটা
তোমাকে এত কষ্ট
দিচ্ছে আর তুমি তার
স্বামীকে দেখার জন্য
ডেং ডেং করে এখানে
চলে আসলে ( রেগে )

সাঈদঃ না মানে এটা
তো আমার কর্তব্য
( মেয়েটাকে রাগলে
অনেক কিউট লাগে যখন
রেগে যায় গাল গুলো
রাগে লাল হয়ে যায় )


স্নেহাঃ আজকের পর
থেকে আর যদি আসো
তাহলে…

সাঈদঃ আসবো না
হয়ছে…

স্নেহাঃহুম

বিয়ে পর কিন্তু সবাই বউ
এর কথা মেনে চলে
তুমিও চলবা..

সাঈদঃ এই কথাটা
কোথাও লেখা আছে
নাকি

স্নেহাঃ হুম

সাঈদঃ বেশি কথা না
বলে বাসায় চলো…


স্নেহাঃ হুম …

তার পর বাসার উদ্দেশ্য
বেড়িয়ে পড়লাম..

সাঈদঃ বাসায় ফিরতে
সকাল হয়ে এসেছে
স্নেহা তো গাড়িতেই
ঘুমিয়ে গেছে..

মেয়েটাকে ঘুমন্ত
অবস্থায় খুব সুন্দর
লাগে…


বাসায় এসে স্নেহাকে
কোলে করে বিছানায়
এনে শুয়েই দিলাম.

আমি নিচে এসে ফ্রেশ
হয়ে এক কাপ চা খেয়ে
খবরের কাগজ পড়তে শুরু
করলাম…

হঠাৎ চোখ পড়লো একটা
বিশাল রেসটুরেন্ট
বিক্রি করা হবে…

আচ্ছা এই রেস্টুরেন্টে
টা কিনে যদি স্নেহার
নামে লেখে দিয়
তাহলে ও অনেক হ্যাপি
হবে আর এটা আমি ওকে
সারপ্রাইজ দিবো..

নিচের দেওয়া
নাম্বারে কল করে
রেস্টুরেন্ট টা কিনে
ফেললাম…









ওদিকে…





স্নেহার মাঃ মেয়েটা
শেষ এ এভাবে আমাদের
মানসম্মান মাটিতে
মিশিয়ে দিলো..

স্নেহার বাবাঃ সব
কপাল এর দোষ স্নেহার
মা..

স্নেহার মাঃ কাল
মায়া বিদেশ থেকে
ফিরবে ওকে আনতে
যেতে হবে..
( মায়া স্নেহার ছোট
বোন বিদেশে লেখা
পড়া করেছে কাল দেশে
ফিরবে )

স্নেহার বাবাঃ আজ
থেকে স্নেহা নামের
আমাদের কোন মেয়ে
ছিলো সেটা ভুলে যাও
একটা বেকার অপদার্থ
ছেলের সঙ্গে পালালো
যার কোনো স্ট্যাটাশ
নেই…

কাল মায়াকে আনতে
আমরা দুজনে যাবো …




স্নেহাঃ ঘুম ভাঙ্গতেই
নিজেকে রুমে মধ্যে
দেখলাম আমি তো
গাড়িতে ছিলাম বাসায়
কখন আসলাম ঠিক
তখনি..

চলবে