শালিকা যখন বউ part_8+9+10

0
1060

#শালিকা_যখন_বউ
#part_8+9+10
#Written_by_Adnan_Sami_Raj

দেখতে দেখতে আমার আর নিশির বিয়ের তিন মাস পার হয়ে গেছে। আর এই তিন টা মাসের মধ্যে নিশি একদিনও আমার বুকে মাথা না দিয়ে ঘুমাইনা। এই তিন মাসে আমার দুজন দুজনকে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলি।


সকালে আমি অফিস এর জন্য রেডি হচ্ছিলাম তখন নিশি এসে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে আর বলে।

নিশিঃ আজ অফিস থেকে একটু তারাতারি আসবেন কেমন। আজ আপনার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।

আমিঃ কি সারপ্রাইজ গো বউ।

নিশিঃ এখন বলা যাবে না,, আগে অফিস থেকে ফিরুন তারপর বলবো।

আমিঃ ওকে,, এবার আমার কাছে আসো তো তোমায় একটু আদর করে নিই।

নিশিঃ সবসময় দুষ্টুমি তাই না।

আমিঃ না গো বউ তুমি যানো না তোমায় আদর না করে গেলে আমার দিন ভালো যাই না। তাই এখন আর কোনো কথা না বলে আমার কাছে আসো।


তারপর নিশি আমার কাছে আসলো আর আমি নিশি ঠোট জোরা আমার দখলে নিয়ে নিলাম। প্রায় ৫ মিনিট পরে ছারলাম। তারপর আমি নিশি কে বললাম

আমিঃ আমি এখন আসি।

নিশিঃ আপনি খুব সার্থপর।

আমিঃ কেন গো আমি আবার কি করলাম।

নিশিঃ আপনি তো ঠিকি আপনার ভাগের আদর টা নিলেন আর আমার পাওনা টা না দিয়েই চলে যাচ্ছেন ( অভিমানি সুরে)

ও কি বোঝাতে চাইছে সেটা আমি বুঝতে পেরে আমি নিশিকে আমার কাছে ডাকি কিন্তু সে আসবে না মহারানি বলে।

আমিঃ নিশি বাবু আমার কাছে আসো।

নিশিঃ আমি কোনো বাবু নই। আর নিশি রাগ করেছে তাই কারো সাথে কথা বলবে না।

আমিঃ ও তাই, দেখি এবার নিশি কেমন করে রাগ করে থাকে।

এই বলে নিশিকে আমার কাছে নিয়ে এসে ওর কপালে একটা ভালোবাসার পরশ এসে দিই আর নিশি আমাকে। শক্ত করে জড়িয়ে ধরে।


আমিঃ নিশি সোনা এবার ছারো আমার তো অফিসে লেট হয়ে যাচ্ছে।

নিশিঃ উহহ,,,আর একটু থাকি না।

আমিঃ না বাবু আবার পরে থেকো আমি এখন অফিস যাবো যে।

নিশিঃ ওকে,, সাবধানে যাবেন কিন্তু।

আমিঃ যথা আজ্ঞা মহারানি।

নিশিঃ হুম যাও বৎস (বলেই হাসতে শুরু করলো,, উহহ এই হাসি টার জন্য আমি সব করতে পারি)

নিশিঃ এই যে মিস্টার এবার যান।

আমিঃ হুম বাই


তারপর আমি অফিসে চলে আসি। কিন্তু অফিসেও মন বসছে না তাই নিশিকে ফোন দিলাম।

অপর দিকে নিশি ভাবছে। আজ যখন ও জানতে পারবে যে ও বাবা হতে চলেছে তখন কতই না খুশি হবে। আমার যে আর অপেক্ষা সহ্য হচ্ছে না। মন চাইছে ওকে এখুনি গিয়ে বলে আসি।

নিশি এগুলো ভাবছিল এমন সময় ওর ফোন বেজে উঠে। আর নিশি ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখে আমি ফোন দিয়েছি তাই সে তারাতারি ফোন টা রিসিভ করে আর বলে।

নিশিঃ কি হল বর এতজলদি আমার কথা মনে পরে গেল।

আমিঃ হুম গো বউ তোমার কথা তো সবসময় মনে পরে কিন্তু কি করবো বলো।

নিশিঃ কিছুই করতে হবে না। আপনি শুধু আজ তারাতারি বাসাই আসবেন তাহলেই হবে। আর এখন কাজ করেন তো

আমিঃ ওকে আমার সুইট বউ। এখন রাখি।

নিশিঃ ওকে মিস্টার বর বাই


নিশির সাথে কথা বলার পর আমি কিছু জরুরী কাজ সেরে ফেলি। আর দেখতে দেখতে বিকাল হয়ে যাই তাই আমি বাসাই যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে নিই। আর তখুনি অফিসের পিওন এসে আমাকে একটা পার্সেল দিয়ে যাই। আর ওই পার্সেল টি খোলার পর আমার পায়ের তল থেকে মাটি সরে যাই।


পার্সেল টিতে অনেক গুলো ছবি ছিল আর সব গুলো ছবি নিশি আর একটা ছেলের। ছবিতে নিশি ছেলেটার সাথে অনেক ঘনিষ্ঠ অবস্থায় আছে। যা দেখার পরে আমার চোখ দিয়ে অবাধ ধারাই পানি পরছে। শেষে কি না নিশিও আমায় ধোকা দিলো। আমি আর কিছু ভাবতে পারছিলাম না। তখনি নিশি ফোন আসে। আর ও বলে……

চলবে……..

#শালিকা_যখন_বউ
#part_9
#Written_by_Adnan_Sami_Raj

অনিচ্ছা থাকা সত্যেও আমি ফোনটা রিসিভ করি। আর তখুনি নিশি বলরে শুরু করলো।

নিশিঃ আপনি কখন বাসাই আসবেন। আজকে আপনার তারাতারি আসার কথা তাহলে এত লেট করছেন কেন।(কেন যানি নিশির সব কথা আমার অসহ্য লাগছে)

আমিঃ এখন আমি অনেক ব্যাস্ত আছি আসি তাই আসতে লেট হবে।

নিশিঃ কিন্তু আপনি তো আমায় প্রমিজ করেছিলেন যে আজ তারাতারি বাসাই ফিরবেন।

আমিঃ আহ তুমি এত বেশি কথা বোলোছো কেন বললাম না আমি ব্যাস্ত আছি তারপরেও একি কথা বারবার বলে যাচ্ছ ( অনেক রেগে আর জোরে কথাটা বললাম এতে নিশি অনেক টাই ভয় পাই অপর পাশ থেকে ফুপিয়ে কান্নার আওয়াজ আসছে অন্য সময় হলে হইতো আমি ওকে সান্তনা দিতাম কিন্তু এখন ওর কথা ভাবতেও আমার অসহ্য লাগছে)

নিশিঃ আচ্ছা ঠিক কিন্তু…(আরো কিছু বলতে যাবে তার আগেই আমি ফোনটা কেটে দিই)


ফোন রেখে আমি চেয়ারে বসে পরি আর তখনি আমার চোখ যাই ছবি গুলোর দিকে। কারন ছবির অপর পাশে একটা নম্বর লেখা ছিলো। তাই আমি ওই নম্বরে ফোন দিই আর ফোনটা রিসিভ করে একজন ছেলে। সে ফোনটি ধরে বলতে শুরু করে।

অপরঃ আরে মিস্টার রাজ এত তারাতারি ফোন করলেন যে।

আমিঃ কে আপনি আর আমাকে কেমন করে চিনলেন।

সেঃ আমি কে সেটা না হয় দেখা করেই আপনাকে বলবো।

আমিঃ আমি কোনো অচেনা লোকের সাথে দেখা করি না।

সেঃ আমি সেটা জানি মিস্টার রাজ। তাই তো বলছিলাম যদি ছবি গুলোর ব্যাপারে জানতে চান তাহলে আমার সাথে দেখা করুন।

আমি কি করবো বুঝতে পারছি না। আমাকে তো জানতেই হবে এই ছবির ছেলেটা কে আর নিশির সাথেই বা তার কি সম্পর্ক। তাই আমি সেই লোকটির সাথে দেখা করার জন্য রাজি হয়ে যাই। আর সেই লোকটি আমাকে এক টা ঠিকানা দেয় তাই আমি দেরি না করে বেরিয়ে পরি। আর কিছক্ষন এর মধ্যে সেখানে পৌছে যাই।


সেখানে পৌছানো মাত্র আমি লোকটি কে ফোন দিই। কিন্তু লোকটি ফোন ধরছে না। আমি বেশ কয়েক বার ফোন দিই কিন্তু প্রতিবারই ব্যার্থ হই। আমি প্রায় ঘন্টা খানিক ধরে অপেক্ষা করছিলাম। তখন কেউ একজন বলে উঠলো। অপেক্ষা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি পিছনে তাকিয়ে দেখি লোকটি আর কেউ নয় নিশির সাথে যার ছবি দেখেছিলাম এটিই সেই লোক।


তবুও আমি মাথা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে বলি।

আমিঃ আমাকে এখানে ডাকার কারন কি। আর আপনিই বা কে।

সাজিদঃ আমি সাজিদ রহমান আমি আর নিশি একে অপর কে অনেক ভালোবাসি সেটা বলার জন্যই আপনাকে ডেকেছি।

লোকটির কথা শুনে আমার মাথা গরম হয়ে গেল তাই আমি রাগের মাথাই লোকটিকে মারতে শুরু করলাম এক সময় আমি একাই থেমে যাই। আর তাকে বলি।

আমিঃ আপনি যেটা বলছেন সেটা সত্যি এটা আমি কিভাবে বিলিভ করবো।

সাজিদঃ সে জন্যই তো আমি আপনাকে ছবি গুলো পাঠিয়েছি। আর এখন বিলিভ করা আর না করা সেটা আপনার ব্যাপার।

(আমি কি বলবো কিছু ভেবে পাচ্ছিলাম না। কারন ছবিতে নিশি আর সাজিদ কেই দেখা যাচ্ছে। তাই আর কথা না বারিয়ে লোকটি কে বললাম।)

আমিঃ নিশি যদি আপনাকে ভালোবাসে তাহলে সে আমাকে কেন বিয়ে করলো।

সাজিদঃ বিয়ে টা কিভাবে হয়েছে সেটা আপনি নিশ্চয় জানেন রাজ।

আমিঃ তাহলে নিশি কেন ৩মাস আমার সাথে থাকলো।

সাজিদঃ সেটার কারন আছে আর কারন টা হলো আপনার সম্পত্তি। আর আপনারা যেদিন ঢাকায় যান সেদিন আমার আর নিশির পালানোর কথা ছিলো। কিন্তু যখন আমরা জানতে পারলাম যে আপনি একজন সনামধন্য ব্যাবসায়ি। তখন আমি আর নিশি আপনার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার প্লান বানাই।

লোকটির কথা শুনে আমার কষ্টে মাত্রাটা আরো বেরে গেল। কারন প্রথমে টাকার জন্য ইশা আমার সাথে বেইমানী করলো আর এখম আমি যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি সেও আমার সাথে। নাহ আর কিছু ভাবতে পারছি না। তাই আমি হোটেল থেকে বের হয়ে আসি। আর আমার উকিল কে ফোন দিয়ে ডিভোর্স পেপার তৈরি করতে বলি তাই মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যে।


উকিল এর কাছ থেকে ফিরতে ফিরতে প্রায় রাত ১ বেজে যাই। তাই আমি বাসার কাউকে বিরক্ত না করে আমার কাছে যে চাবি ছিলো সেটা দিয়ে দরজা খুলে ভিতরে যাই। আর ভিতরে গিয়ে দেখি নিশি বসে বসে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করছে। যেখানে আমার কষ্ট হওয়ার কথা সেখানে আমার প্রচুর রাগ হচ্ছে। তখম আমি নিশির কাছে গিয়ে বলি।

আমিঃ বাহ অভিনয় তো খুব ভালোই করতে যানো দেখছি( হাত তালি দিয়ে)

আমার এরকম আচকা কথা শুনে নিশি কিছুটা ভয় পেয়ে যাই। পরে সে নিজেকে সামলে নিয়ে বলে।

নিশিঃ মানে আপনি কি বলতে চাইছেন।

আমিঃ আমি কি বলতে চাইছি সেটা বুঝতে পারছো না নাকি বোঝার চেষ্টা করছো না।

নিশিঃ কি বলছেন এসব। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।(আমার হাত ধরে)

আমিঃ Enough is Enough Nisi.. and don’t touch me

নিশিঃplease Raj tall me what’s happend with u..please tall me (কান্না করে)

আমিঃ আর কতো অভিনয় করবে নিশি আর কত।

নিশিঃ আমি অভিনয় করছি।

আমিঃ হ্যা তুমি অভিনয় করছো তার প্রমান এগুলো ( ছবি গুলা ওর দিকে ছুরে দিয়ে)

নিশি ছবি গুলো দেখে আরো কান্না শুরু করে দিলো আর আমাকে এসে জড়িয়ে ধরলো। কিন্তু আমি এবার রাগ কন্ট্রোল করতে না পেরে নিশি কে সজোরে একটা চড় মারি। (এই প্রথম আমি ওর গায়ে হাত তুললাম।)

আমিঃ তোকে না বললাম তুই আমাকে ছুবি না। তাও কেন আমকে ছোয়ার চেষ্টা করছিস। আর এই নে তুই যার জন্য এত অভিনয় করেছিস। আমার সমস্ত সম্পত্তি আমি তোর নামে লিখে দিয়েছি। আর আমাকেও মুক্তি দে।

তারপর আমি ওর দিকে ডিভোর্স পেপার আর সম্পত্তির পেপারস এগিয়ে দিই। তখন নিশি বলে।

নিশিঃ বেশ আপনি যখন আমার থেকে মুক্তি চান তবে তাই হোক ( এই বলে নিশি ডিভোর্স পেপারে সাইন করে দেয়) আর শুনুন মিস্টার রাজ আপনার সম্পত্তির আমার কোনো প্রয়োজন নেই তাই এগুলো আপনার কাছেই রাখুন!

কথা গুলো বলে নিশি কান্না করতে করতে বাড়ি থেকে বের হয়ে গেল। আমার অনেক ইচ্ছা হচ্ছিল ওকে আটকাবার কিন্তু সেই অধিকার আর আমার নেই। এখন নিশিকে ছাড়াই আমাকে থাকতে হবে।…….

চলবে নাকি…..

#শালিকা_যখন_বউ
#part_10
#Written_by_Adnan_Sami_Raj

১বছর পরঃ
নিশি আমায় ছেড়ে গেছে প্রায় একবছর হলো। এই ১ বছরে এমন কোনো রাত নেই যে রাতে আমি নিশির জন্য চোখের জল ফেলি নাই। কিন্তু এই ১ বছরে আমি নিশির কোনো খোজ করি নাই। হইতো রাগের বসে।


এই এক বছরে আমি কারো সাথে ভালো করে কথা বলি নাই। সারাদিন অফিস এর কাজে নিজেকে ব্যাস্ত রেখেছি। আর রাতে নিশির সাথে কাটানো মুহুর্ত গুলো ভেবে কষ্ট পেয়েছি। প্রতিদিন এত মতো আজ সকালেই অফিস যাচ্ছিলাম। তখন আম্মু এসে আমায় বলল।


আম্মুঃ বাবা রাজ আর কতদিন নিজেকে এভাবে কষ্ট দিবি বল। যার জন্য এত কষ্ট পাচ্ছিস সে কি এই ১ বছরে এক বারো তোর খবর নিয়েছে।

আমিঃ আহ আম্মু এত ঘুরিয়ে পেচিয়ে কথা না বলে কি বলতে চাও সেটা বলো তো।

আম্মুঃ বলছিলাম কি তুই এবার একটা বিয়ে করে নে। আর কত নিজেকে কষ্টের মাঝে রাখবি বল।

আমিঃ আমি তোমায় আগেও বলেছি আর এখনও বলছি আমি কোনো বিয়ে করতে পারবো না।

আম্মুঃ তোকে আমার দিব্বি তুই আর বিয়েতে অমত করবি না।

আমিঃ কিন্তু আম্মু….

আম্মুঃ আর কোনো কিন্তু নয়।

আমিঃ আচ্ছা ঠিক আছে তুমি যখন বলছো তখন তাই হোক। কিন্তু আমাকে এসব এর মধ্যে টানবে না আর বিয়েটা যাতে একদম সাধারন ভাবে হয় ( আসলে আমি আম্মুর মুখের দিকে তাকিয়েই বিয়েতে রাজি হলাম কারন এই ১বছর আম্মুও অনেক কষ্ট পেয়েছে)

আম্মুঃ আচ্ছা তুই যা বলবি তাই হবে (কান্না করে বলল)

আমিঃ ওকে আমি এখন আসি।

তারপর আমি অফিস এ চলে আসি কারন আজ অফিস এ নতুন পিএ নেওয়া হবে।


তারপর আমি অফিস এ চলে আসি।

সবাইঃ Gd morning sir.

আমিঃ Gd morning..

তারপর আমি আমার কেবিনে চলে যাই। আর ম্যানেজার কে ডাকি।

ম্যানেজারঃ May i come in sir

আমিঃ yes come in…

ম্যানেজারঃ স্যার আপনার পিএর জন্য তিন জন কে সিলেক্ট করা হয়েছে যদি আপনি একবার দেখে নিতেন।

আমিঃ হুম অবশ্যই, দিন আমি দেখতেছি।

আমি ফাইল গুলো চেক করছিলাম এমন সময় আমার চোখ আটকে গেল একটা ফাইলে তাই আমি ম্যানেজার কে বললাম।

আমিঃ ম্যানেজার সাহেব এই মেয়েটিকে নিন আর তার আগে কন্টাক্ট পেপার সাইন করিয়ে নিবেন।

ম্যানেজারঃ okk..i take leave now

ami: sure you can.


সেদিন কার মত অফিস এর সমস্ত কাজ শেষ করে বাসাই আসলাম। আর আসা মাত্র আম্মু বলল।

আম্মুঃ আমি একটা মেয়ে পছন্দ করেছি যদি তুই একবার দেখে নিতি।

আমিঃ তার কোনো দরকার নেই। আর আমি বিয়েটা ১ মাস পরে করতে চাই।

আম্মুঃ কিন্তু তুই..

আমিঃ প্লিজ আম্মু একটু বোঝার চেষ্টা করো।

আম্মুঃ আচ্ছা ঠিক আছে।


তারপর আমি আমার রুমে চলে আসলাম আর ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পরলাম যদিও যানি ঘুম আসবে না তবুও ঘুমানোর ব্যার্থ চেষ্টা করলাম। কারন এখন রাতে আর ঘুম আসে না যদিও আসে তাও নিশির সাথে কাটানো মুহুর্ত গুলো মনে হয়ে ভেঙ্গে যাই। কোনো ভাবে রাত টা পার করলাম।


পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে অফিস এ চলে আসলাম। এসে দেখি আমার নিউ পিএ এখনও অফিস এ আসে নাই। তাই ম্যানেজার কে বলে আসলাম সে আসলেই আমার সাথে দেখা করতে বলতে। তারপর আমি আমার কেবিনে চলে গেলাম।


কিছুক্ষন পরে কেউ আমার কেবিন এর দরজা নক করলো তাই আমি পেছনে ফিরে বসলাম।

সেঃ May i come in sir

আমিঃ yes… come in..

সেঃ আসলে স্যার আমি আসার সময় জ্যামে আটকা পরে গেছিলাম তাই আসতে লেট হইলো কিন্তু স্যার আর কোনোদিন লেট হবে না।

আমিঃ তাই বুঝি ( এবার ওর দিকে ফিরে তাকালাম আর সে আমাকে দেখে ভুত দেখার মতো চমকে উঠলো মনে হয় সে আমাকে এখানে আশা করে নাই)

সেঃ আ,আপনি এখানে……

চলবে….