স্বপ্নের_crush ? (in reality) Part-33 +34

0
3090

স্বপ্নের_crush ? (in reality)
Part-33 +34
writer : Borno ☺
ছদ্দনামঃ Samiya Arohi
.
সন্ধ্যা হয়ে গেছে,, আহান আরোহির হাতটা অতি আদরে ধরে আছে,, সবাই মিলে পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে মুগ্ধ হয়ে সূর্যাস্ত দেখছে। কিন্তু সবার থেকে আহান আর আরোহির ফিলিংসটা আলাদা। কারণ তারা তাদের ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে একসাথে সূর্যাস্ত দেখছে।

সূর্যাস্ত দেখা শেষে সবাই মিলে হোটেলে যাওয়ার জন্য রওনা হয়। কাছেই হোটেল তাই সবাই হেটে যাবে। আহান অর্ণবের সাথে কিছু কথা ছিলো তাই সে আরোহিকে মিতুদের কাছে যেতে বলে অর্ণবের কাছে যায়। আরোহি আশেপাশে দেখতে দেখতে মিতুদের দিকে এগোচ্ছিলো। হঠাৎ করে নিহা সামনে চলে আসায় আরোহি চমকে উঠে। আর একটু হলেই পড়ে যেত

নিহাঃ ভয় পেয়েছো? ?
আরোহিঃ (স্বাভাবিক হয়ে) তোমাকে ভয় কেন পাবো? তুমি কি নিজেকে জিন, ভুত অথবা পেত্নি ভাবছো নাকি?
নিহাঃ ?? হোয়াট!
আরোহিঃ হুম, বাই দ্যা ওয়ে তুমি আমায় ভয় পাবে, আমার সামনে আসতে লজ্জা পাবে কারণ তুমি আমায় এতোদিন আহানের বিষয়ে মিথ্যা বলেছো
নিহাঃ Shut up, I love Ahan so you just stay away from him
আরোহিঃ And we love each other . So you better stay away from us. আর আহানের সাথে আমার বিয়েও ঠিক হয়ে গেছে, সো একটু লজ্জা করো অন্যের উডবি-র দিকে নজর দিতে

নিহাঃ ইউ ? (বলে আরোহিকে হালকা করে ধাক্কা দিতেই আরোহি পাহাড় থেকে পড়ে যেতে নেয় আর কেউ একজন আরোহির হাত ধরে টান দেয়। আসলে আমি আরোহিকে ফেলতে চাইনি। আমি খেয়াল করিনি আরোহি পাহাড়ের কিনারায়)

আহানঃ (আমি অর্ণবের সাথে কথা বলতে আসছিলাম আর তখনই অরনি আরোহির ফোনে কল দেয়। আরোহির ফোনটা আমার কাছে ছিলো, সেটা ফেরত দিতে আসছিলাম তখনই দেখি আরোহি একদম পাহাড়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে, আর একটু পেছালেই পড়ে যাবে। এই মেয়েটা এতো কেয়ার লেস কেন?? ?আমি দৌড়ে ওর কাছে যাই। আর নিহা ওকে ধাক্কা দিবে তখনই ওকে টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসি)

আরোহিঃ ( আমি এখনো কাউকে আকড়ে ধরে আছি। যাকে আকড়ে ধরে আছি তার হার্ট বিট শুনেই বুঝলাম এটা আহান, আর তখনি
ঠাসসসসসসসসসস
আরোহিঃ (আহান আমাকে থাপ্পড় মারলো)
আহানঃ (আমি রেগে আরোহিকে টেনে একটা চড় মারলাম) এই মেয়ে নিজের খেয়াল রাখতে পারিস না? পাহাড়ের কিনারায় কে দাড়াতে বলেছে তোকে? আর জায়গা ছিলো না দাড়ানোর?? আমার কাছে থেকে চলে যেতে সবার ভালো লাগে তাই না? এরপর থেকে নিজের খেয়াল রাখবি নয়তো তোকে নিজ হাতে মারবো আর আমিও মরবো ???

আরোহিঃ (আহানের রাগ দেখে আমি একেবারে চুপ হয়ে গেছি। ঠিকই তো। ও যদি না আসতো তাহলে?)

নিহাঃ সরি আসলে আহান…
ঠাসসসসসসসসসসসসসস

এবার আহান রেগে নিহাকে আর একটা চড় মারলো।
আহানঃ ফারদার যদি আমার ভালোবাসার মানুষের ক্ষতি করা তো দূরে থাক যদি ওর দিকে তাকিয়েছিস, তাহলে তোকে খুন করে ফেলবো

নিহাঃ (এতো কান্না পাচ্ছে, দৌড়ে চলে গেলাম)
আরোহিঃ (আহানের রাগ দেখে আমি কিছুই বলতে পারছিনা। আসলে নিহা আমাকে ধাক্কা দেওয়ার আগেই আমি পড়ে যাচ্ছিলাম। ওকে মারাটা ঠিক হয়নি)
__________________
কিছুক্ষণ পর সবাই এক ধাবাতে খাবার খাওয়ার জন্য যায়। তখন,
আহানঃ (আরোহির কাছে গিয়ে) সরি
আরোহিঃ (অবাক হয়ে) এ্যা?
আহানঃ খুব লেগেছে?
আরোহিঃ (নিজের কান কে বিশ্বাস করতে পারছিনা) হ্যা?
আহানঃ (রেগে) কি তখন থেকে ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মতো ভ্যা ভ্যা করছো
আরোহিঃ (হেসে দিলাম) ? আপনি আবার অরনির মতো কথা বলা কিভাবে শিখলেন?
আহানঃ (আরোহির হাসিতে মনে হয় কোনো জাদু আছে। ওর হাসি দেখে মনটা ভালো হয়ে গেলো) অরনির বোনের কাছে থেকে
আরোহিঃ ইশশশ বললেই হলো? আমি একদম গালি দেই না
আহানঃ হ্যা খালি স্বাভাবিক মানুষদের পশুপাখি বানিয়ে দাও
আরোহিঃ ??
আহানঃ খুব জোরে লেগেছে? ?
আরোহিঃ আপনার শক্তি আছে বলতে হবে
আহানঃ (ওর গালে একটা কিস করে দিলাম)
আরোহিঃ ??? এটা কি হল
আহানঃ আর কোনো মেডিসিন আমার জানা নেই। ???
আরোহিঃ (আমি লজ্জায় একেবারে শেষ) ??
আহানঃ এই পাটকাঠি এতো লজ্জা পাচ্ছো কেন?
আরোহিঃ ? নায়িকারা রেগে গেলে হিরোরা গোলাপী, লাল পরী আরো করো সুন্দর নামে ডাকে। আর তুমি আমাকে পাটকাঠি ডাকো ??
আহানঃ ? হিহি তাইলে বেশি বেশি খাবা। আর পাটকাঠি বলে ডাকবো না
আরোহিঃ wah বেশি খাওয়ানোর কি ট্রিক??
আহানঃ ??
ঠিক সেই সময় নিহা ওদিক দিয়ে যাচ্ছিলো,, নিহা জুস নিয়ে আরোহির পাশে দিয়ে যাচ্ছিলো, এমন সময় আহান অর্ণবকে ইশারা করতেই অর্ণব নিহার পায়ের সাথে পা বাধিয়ে দেয়। আর নিহার হাতের জুস আরোহির স্যান্ডেলে পড়ে।

আহানঃ ঠিক মতো দেখে চলতে পারো না নাকি?
নিহাঃ আমার দোষ নেই। কেউ আমার পায়ে…
আহানঃ (নিহাকে বলতে না দিয়েই) তুমি ইচ্ছা করেই করেছো। আরোহি সেদিন ক্যান্টিনে তোমার পায়ে ভুল করে জুস ফেলেছিলো সেইজন্য তুমি রিভাঞ্জ নিচ্ছো তাই না

নিহাঃ মোটেই না, আমি ইচ্ছা করে করিনি। ভুল করে পড়ে গেছে
আহানঃ তা ভুল যখন করেছোই, প্রায়শ্চিত্ত করো
নিহাঃ মানে?
আহানঃ হয় আরোহিকে সরি বলো আর নয়তো ওর পায়ে যেখানে জুস পড়েছে, সে জায়গাটা মুছে দাও
নিহাঃ হোয়াট ?? ইমপসেবল
আহানঃ যা বললাম তাড়াতাড়ি করো
আশেপাশে সব স্টুডেন্ট জমা হয়ে গেছে,,
আরোহিঃ আহান বাদ দাও, ভুল করে ফেলেছে ও
আহানঃ তুমি চুপ করো আরোহি (ধমক দিয়ে)
আরোহি ভয় পেয়ে চুপ হয়ে যায়,,,, আরোহি ভয় পেয়েছে দেখে আরোহিকে স্বাভাবিক করতে,
আহানঃ আরে আরোহি জানো হুমায়ুন আহমেদ কি বলেছেন?? তিনি বলেছেন, “কেউ তোমাকে যন্ত্রণা দিলে তুমিও তাকে যন্ত্রণা দিবে,,, তোমাকে একটা চড় দিলে তুমিও একটা চড় লাগাবে,, যদি তোমার বাঁ পায়ে লাথি বসায়, তুমি বসাবে ডান পায়ে। ফ্রি স্টাইল পদ্ধতি” ?
আহানের কথা শুনে আশেপাশে সবাই হাসতে শুরু করেছে।
আরোহি মুচকি হাসলো
আহানঃ ওহ সরি আরোহি তুমি তো সায়েন্সের স্টুডেন্ট। তাহলে নিউটনের তৃতীয় সূত্রটা মনে করো। (নিহার দিকে তাকিয়ে) তো নিহা কাজে লেগে পড়ো

নিহা রেগে আরোহিকে সরি বলে চলে গেলো ?

নিহা চলে যেতেই অর্ণব আহানের কাছে গিয়ে বললো,
অর্ণবঃ ? হুমায়ুন আহমেদের হাস্যকর সুন্দর বাণীটা নিয়ে যেভাবে বললি, আমার তো হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা করছে ??
আহানঃ ??
.
to be continued…… ??

স্বপ্নের_crush ? (in reality)
Part-34
writer : Borno ☺
ছদ্দনামঃ Samiya Arohi
.
আহানঃ ??
আরোহি আহানের শার্টের হাতা ধরে টান দিলো (আসলে আহানকে নক করলো ?)

আহানঃ (আরোহির দিকে ঘুরে) কি হলো?
আরোহিঃ তোমার সাথে কথা আছে
আহানঃ (আরোহির পাশে বসে) হুম বলো
আরোহিঃ (ভয়ে ভয়ে) আ..আসলে নিহার ক..কোনো দোষ নেই
আহানঃ (ভ্রু কুচকে) কি বলতে চাইছো?
আরোহিঃ তখন নিহা আমাকে ধাক্কা দেওয়ার আগেই আমি পড়ে যাচ্ছিলাম। তাই আ..আমার
আহানঃ তোমার কি???
আরোহিঃ আমার মনে হয় নিহাকে তখন থাপ্পড় মারাটা ঠিক হয়নি
আহানঃ ?? (রেগে) তো তুমি কি বলতে চাইছো? ও তোমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলবে তারপর আমি ওকে থাপ্পড় মারবো? ধাক্কা না লাগলেও ও তোমাকে ধাক্কা দিতেই যাচ্ছিলো। আর কেউ তোমাকে বিন্দু মাত্র খারাপ ইন্টেনশনে ছুঁলেও আমি তাকে শেষ করে ফেলবো। নিহাকে সে তুলনায় এখনো কিছুই করিনি
(বলেই আহান রেগে ওখান থেকে উঠে চলে গেলো)
আর এদিকে নিহা রাগে আশেপাশের সবকিছু ছুড়ে ছুড়ে ভাঙছে।
নিহাঃ আহান You have to pay for this ?
I will punish you ? (নিহা সেদিন সারারাত ঘুমায়নি। শুধু কিভাবে আহানের ক্ষতি করবে ভেবে গেছে)
_________________________
পরেরদিন সকালে,,
আজ ৩১ ডিসেম্বর। আজ সকালে সবাই মিলে কক্সবাজার সী বিচের জন্য রওনা দিয়েছে। চট্টগ্রাম এলো আর কক্সবাজার, টেকনাফ এগুলো দেখবে না,, এটা কেমন কথা। আর বছরের শেষ দিন তাই সবাই মিলে কক্সবাজারে ফান করবে বলে প্লান করেছে।
রাতে আরোহি একটা খারাপ স্বপ্ন দেখেছিলো তাই সকাল থেকে ওর মন খারাপ। স্বপ্নে দেখেছে আহান গভীরে তলিয়ে যাচ্ছে আরোহির নাগাল পাচ্ছে না। আহানকে সেটা বলার পর আহান আরোহিকে অনেক বুঝিয়েছে যে আহানের কিছু হবে না তবুও আরোহির মন খারাপ। তাই আহান আরোহির মুড ঠিক করতে সকাল থেকে আরোহিকে টিস করে যাচ্ছে। আর আরোহি একেক বার একেক রকম রাগী ফেস বানাচ্ছে ,,,
আহানঃ (গম্ভীর হয়ে) আরোহি!
আরোহিঃ ——-
আহানঃ (একটু জোরে) এই আরোহি
আরোহিঃ হু !? (আড়চোখে তাকিয়ে) [বিঃদ্রঃ There is no আড়চোখা emoji ?]
আহানঃ ইউ নো হোয়াট! আই এম কানফিউসড
আরোহিঃ ????
আহানঃ (গালে হাত দিয়ে চিন্তিত ভঙ্গিতে) আচ্ছা নিহা বেশি হট না মাহি বেশি হট? ??
আরোহিঃ ?? কিহহ!! বজ্জাত ছেলে কোথাকার! তুই কক্সবাজারে মেয়ে দেখতে এসেছিস ?? তোর সাহস কি করে হয় ওদের দিকে তাকানোর? বেটা বজ্জাত, কালো ইদুর, মহিষের বাচ্চা, পচাঁ ছাগল, বেটা হনুমানের ছোট ভাই ????? (সাথে কয়েকটা ঢিসুম ঢিসুমও বসিয়ে দিলো)
আহানঃ আরেএএ আমি তো তোমার মাইন্ড ডিসট্রাক্ট করতে এসব বললাম
আরোহিঃ আমার মাইন্ড ডিসট্রাক্ট করতেছিস নাকি তোর মাইন্ড কতোটা ডিসট্রাক্ট হইছে সেটা বোঝাচ্ছিস বেটা লুচু ?
আহানঃ আমি লুচু না ?
আরোহিঃ তা তো তোর কথাতেই বোঝা গেলো
আহানঃ ? সরি
আরোহিঃ (ভেঙচি কেটে বাহিরে দেখতে থাকলো) ??

আহানঃ (মনে মনে) আজ প্রুভ পেলাম আরোহি অরনির নিজের বোন ?? যাক মাইন্ড ডিসট্রাক্ট তো হইছে,, ফালতু ড্রিম নিয়ে পড়ে আছে,।

সবাই কক্সবাজার সমুদ্রে পৌঁছে গেছে।।। সবাই মিলে এদিক সেদিক ঘুরছে,, কেউ পানিতে নামছে,, কেউ শাল বনের ঘুরে বেড়াচ্ছে,, কেউ বসে বসে সবার দুষ্টুমি গুলো দেখছে।। আর তাদেরই একজন হলো আরোহি। আরোহি চুপচাপ সী বিচে বসে সবাইকে দেখছে। যেহেতু সবাই এডাল্ট তাই টিচাররা তাদের কড়া নিয়মে বেধে রাখেননি। যে যার মতো ঘুরছে। শুধু সময় মতো এক জায়গায় হাজির হলেই হলো।

আহান স্পিড বোর্ডে উঠার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে,, আরোহি অনেকবার নিষেধ করলো কিন্তু আহান উঠবেই। কারণ আহান আরোহিকে বোঝাতে চায় স্বপ্ন সব সময় সত্যি হয় না, ওর কিছু হবে না। আহান ড্রাইভারও নিবে না বলায় আরোহি আরও টেনশনে আছে,,,,,

(নিহাঃ ঠিক যেমনটা বললাম তেমনটাই হওয়া চায়
– হয়ে যাবে)

আহান স্পিড বোর্ডে উঠে ড্রাইভিং শুরু করে।। সব কিছু ঠিকই ছিলো কিন্তু হঠাৎ করে আহান দেখলো ওর স্পিড বোর্ডের হ্যান্ডেলটা ঘুরছে না,, একদিকেই যাচ্ছে,, কোনোভাবেই ঘোরানো যাচ্ছে না,,, আর এদিকে সামনে আর একটা স্পিড বোর্ড। দুইটা যেকোনো সময় লেগে যাবে। সবাই ভাবছে আহান স্পিড বোর্ড ঘোরাচ্ছে না কেন? আর একটু হলেই লেগে যাবে,, আর এতে বিস্ফোরণও হতে পারে।
ঢাসসসসসসসসসসসস
আর তাই হলো,, আহানের স্পিড বোর্ডের সাথে সামনের বোর্ডটা লেগে গেলো। অন্য বোর্ডের ড্রাইভার আগে পানিতে লাফ দেওয়ায় কিছু হয়নি। কিন্তু আহানকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। আহানকে বাচাঁতে অনেক জন পানিতে ঝাপ দেয়৷
৭ মিনিট পর আহানকে তুলে আনা হলো। আর এতক্ষনে আরোহি কান্না করতে করতে চোখ মুখ লাল করে ফেলেছে।।। আহানকে নিয়ে এসে বালুতে শুইয়ে দিতেই আরোহি দৌড়ে আহানের কাছে চলে যায়। আহানকে ঝাকাতে থাকে,, কিন্তু দেখেই বোঝা যাচ্ছে আহানের শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তাই আরোহি আর কিছু না ভেবেই আহানের ঠোঁটে নিজের ঠোঁট বসিয়ে আহানকে নিশ্বাস নিতে সাহায্য করে। ওখানে উপস্থিত সবাই জানে পানিতে ডুবে যাওয়া কোনো রোগীকে বাঁচানোর প্রাথমিক নিয়ম গুলো তাই কেউ কিছু বললো না।
আহানকে ৪ মিনিট ধরে শ্বাস নিতে সাহায্য করার পর আহান চোখ খুলে তাকায়। আরোহি আহানে বুকের উপর মাথা রেখে কাদতে থাকে। আহান অনেক কষ্টে এক হাত তুলে আরোহির মাথায় রাখে। আরোহি রেগে ওখান থেকে উঠে যেখানে বড় নৌকা বাধা আছে ওখানে চলে আসে। জায়গাটা নিরিবিলি,, হঠাৎ আরোহি কাউকে কথা বলতে শোনে,,,আরোহি একঠ এগিয়ে গিয়ে দেখে একজন মেয়ে আর একজন ছেলে,,
আরোহিঃ মেয়েটা ওপাশ ঘুরে থাকায় মেয়েটাকে দেখা যাচ্ছে না কিন্তু ছেলেটা!! হ্যা ছেলেটাকে তো আমি আহানের স্পিড বোর্ডের কাছে দেখেছিলাম ??

মেয়েঃ একটা কাজ দিলাম, সেটাও ঠিক মতো করতে পারলে না?
ছেলেঃ আমি কি করবো? আমি তো হ্যান্ডেলটা লক করে দিয়েছিলাম, তবুও যে কিভাবে বাঁচলো!
মেয়েঃ (ছেলেটার উপর টাকা ছুড়ে মেরে) হুহ যত্ত সব, আর আমার নাম যেন কেউ জানতে না পারে (বলে পেছনে ঘুরেই আরোহিকে সামনে দেখে ভয় পেয়ে যায়)
– আ..আরোহি
আরোহিঃ নিহা ?? (অবাক হয়ে)
নিহাঃ তু….তুমি এখানে?
আরোহি রেগে নিহার হাত ধরে সামনে টেনে এনে গায়ের সব শক্তি দিয়ে একটা থাপ্পড় মারে
ঠাসসসসসসসসসসসসসসসস
আরোহির থাপ্পড়ের শব্দে সবাই চমকে ওদের দিকে তাকায়। আর নিহা গালে হাত ঢাস করে বালিতে বসে পড়ে,,,, [আহারে বেচারি সবার কাছে মাইর খাই বেরায় ??]

আরোহিঃ ( নিহার চুলের মুঠি ধরে চিল্লিয়ে) তোর সাহস কি করে হয় আহানের ক্ষতি করার? তুই না আহানকে ভালোবাসিস! তাহলে আহানকে মেরে ফেলার মতো জঘন্য কাজ করলি কি করে??? বল ?? আহান ঠিকই বলেছিলো, তুই আসলেই আহানকে ভালোবাসিস না। নয়তো কেউ নিজের ভালোবাসার মানুষের ক্ষতি কি করে করে?? এরপর যদি তোকে আহানের আশেপাশে দেখেছি তাহলে ওখানের তোর চুল গুলো টেনে টেনে ছিড়ে ফেলবে ??? শাকচুন্নি কোথাকার
.
to be continued……… ?
[ ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন]