৩.২০ মিনিট পর্ব-০৪

0
710

#৩.২০ মিনিট
#রাবেয়া_সুলতানা
#৪
_____আসতে পারি?

মিস্টার মাসুদ কথাটা শুনে মুখ উঠিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে, আরে আপনি? আসুন।

জোভান এসে চেয়ারে বসে, ফাইল দেখছেন নাকি?

হুম,,আসলে জিসানের খুনের মতো এইরকম খুন এতো রহস্যময় আমার চোখে আর পড়েনি।আসলে খুনটা ছেলে করেছে নাকি মেয়ে সেটাই বুজতে পারছিনা।

জোভান ফাইলটা মাসুদের কাছ থেকে টেনে নিজের দিকে এনে,আমি বলি খুনটা কে করছে?

কথাটা শুনেই মাসুদ বিস্ময়কর হয়ে তাকিয়ে আছে জোভানের দিকে।

জোভান মুচকি হেসে, মিস্টার মাসুদ আমি আপনার অন্তরের প্রিয় মানুষটি নয় যে মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকবেন।

কথাটা শুনেই মাসুদ ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে,স্যরি স্যার। আসলে খুনটা কে করেছে আপনি জানেন? তাহলে চুপ করে আছেন কেনো?

জোভান ফাইলটা বন্ধ করে দিয়ে,শান্ত গলায় বললো, খুনটা মেয়ে করেছে, ছেলে না।

মাসুদ চমকে উঠে, কি করে বুজলেন? ওড়না দেখে?

জোভান মাথা নাড়িয়ে না বুজিয়ে উঠে দাঁড়ালো।

মাসুদ ও দাঁড়িয়ে, তাহলে স্যার কিভাবে?

আমি আরেকটু ক্লিয়ার হয়ে নি তারপর। আজ তাহলে আসি।আর হ্যাঁ আপনি আপনার মতো করে এগিয়ে যান।

-স্যার একটা কথা বলবো?

হুম বলুন মিস্টার মাসুদ?

-আপনি কি জিসান সাহেবের স্ত্রী জেবাকে বিয়ে করবেন? আজকে অফিসে ঢুকার সময় শুনলাম। তানিয়া বলেছে।

জোভান কপালটা ভাঁজ করে,তানিয়াটা কে?

-ওই তো আপনার বোন মারিয়ার ফ্রেন্ড, এইখানে নতুন জয়েন্ট করেছে।

জোভান কিছু না বলেই চলে গেলো।

বিকেলে বাসায় আসার সময় হাসনাহেনা ফুল আর বড় একটা কেক এনে সদর দরজা দিয়ে ঢুকতেই দেখে তার মা বসে জিসানের ছবি গুলো দেখছে।
জোভান কে দেখে এলবাম টা বন্ধ করে জোভানের দিকে তাকিয়ে, কিরে হাতে এই গুলো কি?

-কেক আর ফুল তো দেখতেই পাচ্ছো।

-কিন্তু কেনো? কার জন্য এইসব?

-মা”আজ জেবার জন্মদিন তাই এইগুলো নিয়ে আসলাম।সারাদিন তো জিসানের জন্য মন মরা হয়ে থাকে।যদি এইগুলো দেখে মন ভালো হয় আরকি।

জিসানের মা জোভানের হাতে আরেকটা শপিং ব্যাগ দেখে,ওইটাতে কি?

-ওর জন্য একটা শাড়ি।
কথাটা বলে জোভান জেবার রুমে পা বাড়াতেই পিছন থেকে ওর চাচা এসে বললো,জোভান তুই কি করে জানলি আজ জেবার জন্মদিন?

জোভান থমকে দাঁড়িয়ে, পিছনে ফিরে,কাকা তোমাদের জোভান জানে না এমন কিছু নেই।মা তুমি দাঁড়িয়ে আছো এখনো? যাও সব কিছু আয়োজন করো কাকীদের ডাকো আমি ওকে নিয়ে আসছি কেক কাটার জন্য।

জোভান এসে দেখে জেবা গুটিয়ে একপাশ হয়ে শুয়ে আছে।

পাশে থাকা পানির গ্লাসটা নিয়ে জেবার গায়ে পানি ছিটকে দিতেই ধড়ফড় করে বসে পড়লো জেবা।

জোভান কে একগাল হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, আপনি? এই সময় আমার রুমে? আপনি এইখান থেকে চলে যান।সবাই দেখলে খারাপ ভাবতে পারে।

আমি সবাইকে বলেই এইখানে আসছি।কিন্তু তুমি হঠাৎ সবার কথার ভয় পাচ্ছো কেনো?

জেবা কিছু না বলে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে। জোভান পিছন থেকে ফুল গুলো বের করে জেবার সামনে নিচে বসে ফুল গুলো সামনে এগিয়ে দিয়ে,আজকের এই দিনে,
সবার মুখে হাসি ফুঠিয়ে,
এসেছিলে এই পৃথিবীতে।
তুমি কি জানো?
তোমার এই আসাতে করিয়েছো সবাইকে ধন্য।
হ্যাপি বার্থডে,,,

জেবা অবাক হয়ে জোভানের দিকে তাকিয়ে আছে,আবার ফুলের দিকেও তাকাচ্ছে।

করুন চোখে তাকিয়ে জোভানের দিকে নিজের অজান্তেই বললো,হাসনাহেনা,,,,,,?

– হুম,,,,,তোমার অনেক পছন্দের। তাই নিয়ে আসলাম।দেখো গন্ধটা কেমন চারদিকে মৌ মৌ করছে।

জেবা আস্তে আস্তে ফুল গুলো হাতে নিয়ে,নাকের কাছে ধরে,চোখ বন্ধ করে নিশ্বাস নিতে লাগলো।চোখের পানি গুলো না চাইতেও যেনো ঝরতে লাগলো।

জোভান উঠে জেবার পাশাপাশি বসে, চোখ দুটো মুছে দিয়ে,প্লিজ আজকের দিনে কেঁদো না।
তুমি কাঁদলে জিসানের মন যে আরও অশান্ত হয়ে উঠবে।হয়তো সে তোমাকে দেখতে পারছে।তুমি যদি এখন কান্না করো তাহলে শান্তিতে থাকতে পারবেনা।

-(চিৎকার দিয়ে)কিভাবে চুপ করে থাকবো আমি? আপনি যে আমায় পুরোনো ক্ষত গুলোতে লবণ মাখিয়ে দিচ্ছেন তা কি আপনি বুজতে পারছেন? মিস্টার জোভান আপনি কেনো করছেন এই সব? আমার জিসান যা যা করতো আপনিও ঠিক একি কাজ করে যাচ্ছেন।প্লিজ জোভান, আপনি আমাকে একা থাকতে দিন।ওইগুলো শুধুই স্মৃতি গুলোকে আমি আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাই।আপনি এইগুলোকে এইভাবে টানাহেঁচড়া করবেন না।

-জেবা আমি কিছু নিয়ে টানাহেঁচড়া করছিনা।আমি শুধু চাইছি তুমি ভালো থাকো।তোমার ছোটো ছোটো স্বাপ্ন গুলো ভালো থাকুক।ভালো থাকুক আমার ভালোবাসা।
কথাটা বলতেই জেবা চোখ বড় বড় করে জোভানের দিকে তাকাতেই,
স্যরি আমার ভাইয়ের ভালোবাসা।

আচ্ছা আজ আমার জন্মদিন আপনি কিভাবে জানলেন?

-সেটা তোমার না জানলেও চলবে।(শপিং ব্যাগটা হাতে দিয়ে)এইটা তোমার জন্য।তোমার জন্মদিন উপলক্ষে সামান্য একটা উপহার।

জেবা হাতে নিয়ে প্যাকেটটা খুলে দেখে, গাঢ় লাল রঙের একটা শাড়ী।

জেবা অবাক হয়ে,জোরালো কন্ঠে বললো, লাল শাড়ী?

-হুম।

-মিস্টার জোভান আপনি কি ভুলে গেছেন আমি বিধবা? আমার কপাল থেকে লাল রঙ মুছে গেছে।কথাটা বলেই শাড়ীটা আঁকড়ে ধরে আবার কান্না করছে জেবা।

জোভান বিরক্তি গলায় বললো,এই মেয়ে? তোমার চোখের ভেতর কি নদী টদী আছে নাকি? কোথায় থেকে চোখে এতো পানি আসে? জিসান যে তোমায় কি ভালোবাসা দিলো আল্লাই ভালো জানে।আরে বাবা মানুষ কায়েম হয়ে আসেনা এইটা তোমায় বুজতে হবে? এতো জিসান “জিসান” করো ভালো কথা, মরার পর স্যতি করে বলোতো তার মুখটা ঠিক করে দেখেছো কিনা?

কথাটা শুনেই জেবা অবাক দৃষ্টিতে তাকালো জোভানের দিকে।

-আমার দিকে এইভাবে না তাকিয়ে, প্লিজ শাড়ীটা পরে ড্রইংরুমে আসো।সবাই বসে আছে তোমার জন্য।

-আমি এইটা পরতে পারবো না।কেনো আপনি জোর করছেন আমার সাথে?

-আচ্ছা কোনো আইনে আছে বিধবারা লাল শাড়ী পরতে পারে না? তুমি দেশের প্রধানমন্ত্রী? তুমি করেছো এই আইন? আমার রাগ উঠার আগে ভালো ভালোই শাড়ীটা পরে ড্রইংরুমে আসো।না হলে আমার ছেয়ে খারাপ আর কেউ হবেনা।
কথাটা বলেই জোভান ড্রইংরুমে গিয়ে তার মাকে সবকিছু সাজাতে হেল্প করছে।

-কিরে” জেবার শাড়ীটা পছন্দ হয়েছে?

-না”

-তাহলে শাড়ীটা নিয়ে আসতি।ওইটা ফিরত দিয়ে অন্য একটা নিয়ে দিতি?

-মা কালারটা ওর পছন্দের কিন্তু বিধবা বলে পরবে না।
(পিছনে ফিরে জেবার রুমের দিকে তাকিয়ে) ও এখনো আসছেনা কেনো? নাকি শাড়ীটা পরেনি?
দাঁড়াও আমি দেখছি।
কথাটা বলে পা বাড়াতেই দেখে, জেবা আসছে।

জোভান মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে আছে জেবার দিকে।সবাই আশ্চর্যজনক চোখে তাকিয়ে আছে,

– ইন্না-লিল্লাহ,জেবা তুমি এইটা কি করলে? এই অপয়া মেয়েটা আমাদের সবাইকে ডুবিয়ে মারবে দেখছি।
তোমার লজ্জা লাগেনা এমন একটা শাড়ী পরতে? ভাবী তোমার চোখে কি নেবা হয়েছে,এই মেয়েকে কিছু বলছো না কেনো?

জেবাকে কথা গুলো বলতেই সে থমকে দাঁড়িয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে।

জিসানের মা জোভানের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললো, কিরে তুই কি করলি এইটা?

জোভান মাকে চোখ বন্ধ করে আশ্বাস দিয়ে,চাচীর দিকে তাকিয়ে, চাচী” শাড়ীটা কি সমস্যা হয়েছে তুমি আমাকে বলো?শাড়ীটা ওকে আমি পরতে দিয়েছি।
তাতে তোমাদের সমস্যা কি?আর কোন আইনে লিখা আছে বিধবা কি শাড়ী পরবে না পরবে?

-বাহ্ জোভান ভাইয়া, তুমি এই মেয়ের জন্য আমার মায়ের মুখে মুখে তর্ক করছো?আইন শিখাচ্ছো তুমি আমার মাকে?

কথাটা বলতে বলতে মারিয়া জোভানের সামনে এসে, জেবার দিকে তাকিয়ে যেনো শকড খেলো।নিজের অজান্তেই বলে ফেললো এই শাড়ীটা তো,,,,,,

জোভান মুচকি হেসে,হ্যাঁ তারপর কি বল?

-তুমি এই শাড়ী কোথায় ফেলে?

-কেনো? এইটাতো জেবার জন্য নিয়ে এসেছি।আজ তার জন্মদিন। জিসান থাকলে হয়তো তাই করতো।

মারিয়া কিছু না বলে দৌড়ে নিজের রুমে গিয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে, এইটা কিভাবে সম্ভব, এইটা হতেই পারেনা।জোভান ভাইয়া শাড়ীটা কোথায় পেলো?হাজারটা চিন্তা বাসা বেঁধেছে মারিয়ার মাথায়।

জেবা আসো কেক টা কাটো।ওইসবে কান না দিয়ে এইদিকে আসো।
জোভানের ডাকে জেবা সাড়া না দিয়ে মারিয়ার রুমের দিকে তাকিয়ে আছে।

জিসানের মা এসে জেবাকে জেবার কাঁধ জড়িয়ে, আয় মা। কেকটা কেটে নে।জোভান একা হাতে তোর জন্য এইসব করেছে।

-কিন্তু মা,মারিয়া এইভাবে চলে গেলো,,,,

– তুমি আসোতো ওর কথা তোমাকে ভাবতে হবে না। হয়তো মন খারাপ হয়েছে আমি এই গুলো বলায় তাই এমন করছে।তুমি আসো।
জোভানের কথায় কিছু না বলে, এগিয়ে এসে কেকটা কেটে সবাইকে একটু একটু করে খাইয়ে দিলো জেবা।জোভানকে খাইয়ে দিতে দিতে ,আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার জিসানকে আমাকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য।

কথাটা বলেই জেবা ছাদে চলে গেলো,আজ আকাশে একটুও মেঘ নেই।চাঁদের আলোয় চকচক করছে চারদিকে।দৌড়ে ছাদে উঠতে গিয়ে জেবা যেনো হাঁপিয়ে গেলো।দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে,আকাশের দিকে তাকিয়ে, জিসান আমি জানি না তুমি আমার কথা শুনছো কি না? তবে আমার কেনো জানি মনে হয় তুমি আমার চারপাশে বিরাজ করো। কেনো জানি মনে হয়, এইতো তুমি আমার পাশেই আছো,জানো জিসান জোভান সাহেব যখন জেবা বলে ডাক দেয় তখন মনে হয় এইবুজি তুমিই ডাকলে।জানো জিসান তুমি আমায় বলেছিলে আমার প্রতিবছর জন্মদিনে হাসনাহেনা ফুল দিয়েই তুমি আমায় উইশ করবে।আজ জোভান সাহেব ও তাই করেছেন।জিসান” আমাদের সব কথা তুমি উনাকে বলেছিলে? তোমার মনে আছে তুমি যেই দিন আমাকে প্রথম ভালোবাসার কথা বলেছিলে? আমি তো তোমাকে দেখলেই ভয় পেলে গালে হাত দিয়ে রাখতাম এই বুজি তুমি আমাকে মারবে।ওই দিনের পর থেকে যে তোমার সাথে আমার কেনো জানি বার বার দেখা হয়ে যেতো। জিসান তুমি এতোটাই রাগী ছিলে যে আমি তোমাকে দেখলেই পালানোর চেষ্টা করতাম।থাপ্পড়ে ভয় দেখিয়ে যে কেউ প্রপোজ করে সেটাও আমি তোমার কাছ থেকে শিখলাম।চলতে চলতে কখন যে তিনটা বছর পার হয়ে গেলো বুজতেই পারিনি।তোমার ভালোবাসায় আমি এতোটাই অন্ধ ছিলাম যে বাবার বলা কথা গুলো কখনোই শুনতাম না।(জেবা এইবার অট্র হাসি দিয়ে) জিসান তোমার মনে আছে? রাত দুটোর সময় আমায় ফোন দিয়েছিলে আর সেই ফোন বাবা রিসিভ করতেই তুমি বলতে লাগলে,,,জেবা বলার আগেই পিছন থেকে শব্দ কানে আসতে লাগলো,
ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি।

জেবা পিছনে ফিরে জোভানকে দেখে, আপনি এটাও জানেন? জিসান টা না! সব কিছু আপনাকে বলেছে।আচ্ছা আপনি জানেন না কি সেটা একটু বলবেন?

-সেটা জানিনা।তবে এইটা জানি,তোমার বাবা কথাটা শুনে বলেছিলো,এই বেয়াদব ছেলে, একজন পুরুষ মানুষকে এই গুলো বলতে তোমার লজ্জা লাগেনি?

আর জিসান তখন বললো, আপনাকে কখন বললাম? বললাম তো আপনার মেয়েকে।(কথাটা বলেই জোভান হাসলো)

-হুম ঠিক। আমার জিসান সবকিছুই সরাসরি বলতো।সেইজন্যই তো বাবা তাকে পছন্দ করতো না।

আমার হয়ে কাকীকে আর মারিয়াকে কথা গুলো না বললেই পারতেন।আমি তো দুইদিন পর চলেই যাবো।তাহলে শুধু শুধু কেনো আপনি আমার জন্য নিজের ফ্যামিলির সাথে ঝামেলা বাঁধাচ্ছেন?

জোভান এগিয়ে এসে ছাদের রেলিং এর পাশে দাঁড়িয়ে, গম্ভীর ভাবে বললো,আজকের চাঁদের আলোতে কেমন অন্য রকম স্নিগ্ধতা আছে তাইনা?

জেবা মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বুজিয়ে মাথা উপরে করতেই একহাতে জোভান জেবাকে টেনে নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে, সেই আলোতেই আমি তোমাকে চাই।

জেবা কিছু বুজে উঠার আগেই জোভান কথাটা বলে ফেললো।জেবার হঠাৎ করেই জিসানের কথা মনে পড়ে গেলো,সেই দিন জিসান শেষ বারের মতো এই কথাটাই বলেছিলো।এক বিস্ময়কর চোখ নিয়ে তাকিয়ে আছে জোভানের দিকে।

জোভান বাম হাত দিয়ে জেবার চোখের উপর থেকে চুল গুলো সরিয়ে,জেবা আমাকে দূরে সরিয়ে দিও না।জেবা আমার চোখের দিকে তাকাও দেখো সেইখানে শুধু তোমার কথা বলে।ভালোবাসে তোমায়।তোমার সময় লাগবে তাও নাও আমি দিবো তোমায় সময়।কিন্তু আনসার টা আমি হ্যাঁ চাই।
জেবা নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে,জোভানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে, দৌড়ে ছাদ থেকে নেমে যেতে দেখে জিসানে মা দাঁড়িয়ে আছে।জেবা কিছু না বলেই সিঁড়ি দিয়ে নেমে নিজের রুমে চলে গেলো।

চলবে…..