তোর নেশায় মত্ত পর্ব-১১

0
1613

#তোর_নেশায়_মত্ত
#লেখনীতে- আবরার আহমেদ শুভ্র
|| পর্ব- ১১ ||
_____________

একা দিন, ফাঁকা রাত নিভেছে আলো..
তুই নেই, কেউ নেই লাগছে না ভালো..

একা দিন, ফাঁকা রাত নিভেছে আলো..
তুই নেই, কেউ নেই লাগছে না ভালো..

তোর নাম না জানা অভিমানে
কত দূরে ভাসা যায়?
আমি চাইছি তবু পারছি না তো
থামাতে আমায়!

একা দিন, ফাঁকা রাত নিভেছে আলো..
তুই নেই, কেউ নেই লাগছে না ভালো..

যতবার,
আমি তোর ভাষাতে বলছি কথা ততবার..
তুই ভাবলি বুঝি তা আলাদা, যতবার..
আমি তোর ভাষাতে বলছি কথা ততবার..
তুই ভাবলি বুঝি তা আলাদা..

একা দিন, ফাঁকা রাত নিভেছে আলো..
তুই নেই, কেউ নেই লাগছে না ভালো..

একমনে আকাশের পানে চেয়ে গীটারে সুর তুলে গানটি গাইছে আদ্র। পরিবেশটা বেশ রোমান্টিক! কারণ, মিহিয়া তার পাশেই বসে আছে। হা সেদিনই ডাক্তারের বলা কথাগুলো ছিলো এমন,

ফ্লাসব্যাক—

-মিস্টার আদ্র কাম ডাউন প্লীজ! আমরা জানি, এখন যেটা বলবো সেটা হয়তো আপনারা আশা করবেন না। বিকজ, She is now out of danger..! সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যে এমন রোগীর অবস্থা বেশ সিরিয়াস হয়, আপনার মিসেস এর অবস্থা খুবই ক্রিটিক্যাল হলেও বাঁচার চান্স ছিলো প্রায় ৭৯%। যার ফলে তিনি এখন বেশ সুস্থই আছেন। তবে ওনার এখন প্রপার রেস্টের প্রয়োজন, সো আমরা সেটা বিবেচনা করে ওনাকে ২দিন অবজারভেশনে রাখবো মানে ওনার জ্ঞান ফেরার পর আরও দুদিন।

-ওকে কি আমরা বাসায় নিয়ে প্রপারলি রেস্ট দিতে পারি না? তারপরেও যদি, কোনো চিকিৎসা বিষয়ক হেল্প লাগে তাহলে ১জন নার্স দিন সাথে দুটো দিনের ব্যাপারই তো! বাদ বাকি সময়টা আমিই হ্যান্ডেল করে নিবো।

-ওকে, দেখা যাক। আগে জ্ঞান ফিরুক তারপরে নাহয় এই বিষয়ে কথা হবে।

-আচ্ছা, মিহিকে কখন কেবিনে দেয়া হবে ডাক্তার আংকেল?

-এই তো কিছুক্ষণ পরেই।

-ওকে, এন্ড থ্যাংকস এগেইন।

-ইটস আওয়ার ডিউটি ইয়াংমেন।.. মুচকি হাসি দিয়ে চলে গেলো ডাক্তার সাহেব।

এতক্ষণ সবাই মনোযোগ দিয়ে সবটাই শুনলো। নিতুও এসেছে সেখানে। ওর সেন্স ফিরেছিল কিছুক্ষণ আগেই। আর এখন সে মোটামুটি সুস্থ। আদ্র গিয়ে তার মামার সামনে মানে হায়দার জামানের সামনে দাঁড়ালো। চোখেমুখে তার রাগ স্পষ্ট। রাগটাকে কন্ট্রোল করতে যেও পারছে না। দাঁতেদাঁত চেপে হায়দার জামানকে জিজ্ঞেস করলো,

-মামা সাহেব, আপনার মনোবাসনা পূর্ণ হলো?

-কি বলছো আদ্র? আমার মনোবাসনা মানে?

-বুঝছেন না?

-কি বলতে চাইছো ক্লিয়ার করে বলো।

-হা হা, আমাড মিহিয়ার ক্ষতিতো আপনিই করতে চেয়েছিলেন না? তাহলে সেখানে মিহিয়ার ফুফা আর মাহমুদ আলম কি করছিলেন? আন্সার মি ড্যাম ইট!

-আজও আমায় ভুল বুঝলে তোমরা? কিন্তু সময় খুব কাছেই, সত্যিটা আমি বলবোই। তবে, আজ নয় মিহিয়ার সুস্হতার পর। ওরও এটা জানা অত্যন্ত জরুরী। আই হোপ, ইউ রিয়েলাইজড মাই পয়েন্ট! না বুঝার মতোন এতটুকু বুদ্দু তুমি নও!

-বেশ তাই হবে।.. বলেই চলে এলো হাসপাতালের বাইরে।

তার পিছুপিছু নিতুও এলো। তবে সে জানে আদ্র তার উপর রেগেও থাকতে পারে। কিন্তু সে আর কখনই আদ্রের কাছে ভালোবাসার দাবি নিয়ে যাবে না। কারণ, তার মিষ্টিপুই তো আদ্র কে ভালোবাসে। তাহলে সে কেমনে তার প্রিয় মিষ্টিপুর ভালোবাসাকে কেড়ে নিবে? আগে নিজের স্বার্থের কথা ভাবলেও সে এখন এটাই বুঝেছে কেউকে জোর করে পাওয়া যায় না। তবে সে বেশ খুশি তার মিষ্টিপুকে পেয়ে। তার ভালোবাসা নাহয় তার মিষ্টিপুর হয়ে বেঁচে থাকুক। এটাই তো চাই যারা প্রকৃত ভালোবাসে। নিতু দৌঁড়ে গিয়ে আদ্রের সামনে দাঁড়ালো।

হঠাৎ কেউকে দৌঁড়ে সামনে আসতে দেখে দুকদম পিছিয়ে গেলো আদ্র। কিন্তু পরক্ষণে নিতুকে দেখে অবাক হলো। অবাক হলেও মলিন মুচকি হাসি দিলো। যেটা নেই এখন আগের মতোন সেই সতেজতা। কেমন যেন নিষ্প্রাণ! হয়তো মিহিয়ার নিখোঁজ এ এমন হয়ে গিয়েছিলো সে। মিহিয়ার প্রতি তার চোখে গভীর ভালোবাসা লক্ষ্য করলো।নিতু। কতটা ভালোবাসলো মানুষ তার প্রিয়সির জন্য এমন হতে পারে সেটা আদ্রকে না দেখলে হয়তো বুঝতো না সে। চোখ বেয়ে দু ফোটা জল গড়িয়ে পড়ল তার মিহির প্রতি আদ্রের এমন ভালোবাসা দেখে। সে সামান্য এগিয়ে এলো আদ্রের সামনে। মাথানিচু করে আদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে বলতে শুরু করলো,

-আমাকে মাফ করবেন আদ্র ভাইয়া। আপনার প্রিয় মানুষের রক্ষা করা আমার দ্বারা হলো না। খুব চেষ্টা করেও পারলাম না।

-উপরওয়ালা যায় করেন ভালোর জন্যই করেন। মাফের কথা কেন বলছো? আজ তুমি ছিলে বলে হয়তো ওই নরপিশাচ গুলো মিহিয়ার সাথে খারাপ কিছু করতে পারে নি। তোমার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ যে তুমিই ছিলে বলে সে বেঁচে আছে।

-এমন কথা বলবেন না ভাইয়া। আপনার জন্যই আজ মিষ্টিপু বেঁচে ফিরলেন। যায়হোক, আমার মিষ্টিপুকে কখনও কষ্ট দিবেন না। এটা আমার প্রমিস।

-হুম। আমার মনের রাণীকে কি আমি কষ্ট দিবো সেটা কি কখনও হয়! তারে আমি কষ্ট দিবো কেমনে? আমি যে তার নেশায় মত্ত।

-ধন্যবাদ। ও হে, আরেকটা কথা। আব্বু কিন্তু আমাদের হেল্প করেছিলেন তাদের বেআইনি কাজগুলোকে হাতেনাতে ধরতে।

-মানে!

-মানে হলো আব্বুর কোনো দোষ ছিলো না সেদিন। শুধুমাত্রই আপনাদের বাঁচানোর কারণেই সকলের কাছে আজ দোষি হয়ে থাকতে হচ্ছে তাকে। কিন্তু তিনি পুরোটাই নির্দোষ ছিলেন। এন্ড আই বিলিভ দিস।

-আমাদের মানে বুঝলাম না!

-সেটা নাহয় সেদিনই বুঝবেন যেদিন আব্বু সবটা বলবে। আইমিন, মিষ্টিপুর সুস্হতার দিন।

-ওকে, অপেক্ষায় রইলাম। তুমি ভিতরে যাও আর মিহিয়ার দিকে খেয়াল রাখো।

-হুম, আপনি কই যাচ্ছেন?

-আমি আসছি।… বলে সামনের দিকে এগিয়ে গেলো আদ্র।
.

নিতু হাসপাতালে ঢুকা মাত্রই দেখলো সকলে আবার হয়ে গেলেও মিহিয়ার মা মানে শাহেলা ইয়াসমিন হায়দার জামানের সাথে কথা বলছেন না। কিন্তু মিহিয়ার বাবা দিব্যি হাসিমুখে কথা বলছে হায়দার জামানের সাথে। তারপরেও হায়দার জামান অপরাধীর মতোন দাঁড়িয়ে আছে। রুশা ওর মায়ের কাছেই মানে শাহেলা ইয়াসমিনকে জড়িয়ে ধরে আছে। অনেকদিন পর মায়ের আদর পাচ্ছে ও। রোকেয়া বেগম কখনও এমন করে আদর করতো ওকে। তাই সেও পরম মমতাময়ী মায়ের শরীরের সাথে লেপ্টে আছে। নিতু একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে মনে মনে বলল,

-ফুফি তুমি এখনও আব্বুর প্রতি রেগে আছো? কিন্তু সত্যিটা জানার পর তোমার রিয়েকশন হবে।দেখার মতোন। অপেক্ষা করো সত্যিটা জানার। আর নিজেই এখন চমকে যাচ্ছো একটার পর একটা সারপ্রাইজে। প্রথমে মিষ্টিপু, এরপর রুশা আর কয়েকদিন পর সবচেয়ে সত্য সংবাদটি। ওয়েট ফর দিস! … মুচকি হাসি দিয়ে সে তাদের দিকে চলে গেলো।

🌸

ঠিক ২৫ ঘন্টা পর জ্ঞান ফিরেছে মিহিয়ার। সকলের মাঝে খুশির ঝলক খেলে গেলো। পিটপিট করে চোখ খুলতেই তার মাকে দেখতে পেলো সে। অবশ্য চিনতে অসুবিধা হলো না তার। কারণ, মাহিন আগেই ওকে ওর মা-বাবার ছবি দিয়েছিলো মোবাইলে। তারপর থেকেই প্রতিদিন একবার হলেও তাদের ছবি দেখে ঘুমাতে যেতো সে। দীর্ঘকাল পর তার মাকে সামনে দেখে সামলাতে পারলো সে। গভীরভাবে জড়িয়ে ধরলো তাকে। শাহেলা ইয়াসমিনও জড়িয়ে নিলেন নিজেদের ভালোবাসার প্রথম চিহ্নকে। মিহিয়া জড়ানো কণ্ঠে বলে উঠল,

-ম্ মামনি ক্ কখন এ্ এলে? আ্ আমাকে ক্ কি এ্ একবারো তোমার মনে পড়লো না?

-আমার মেয়েটির কথায় আমার মনে পরবে না এটা কেমন কথা? কাঁদবি না একদম এই বল দিলাম। আর আদ্রকে দেখছি না যে? ও কোথায়?

-ওনি ডক্টরকে ডাকতে গেলো। তুমি আপাতত আপুনিকে ছেড়ে এদিকটাই এসো।.. সকলের মাঝখান থেকে উত্তর দিলো রুশা।

মিহিয়া অবাক হলো রুশাকে এখানে দেখে। সবচেয়ে বেশি অবাক হলো রোকেয়া বেগমকে এখানে তার দিকে অপরাধীর ন্যায় তাকাতে দেখে। সে ভাবছে তারা মা-মেয়ে এখানে কেন? তারা দুজনেই তো মিহিকে একদম দেখতে পারতো না ছোট্টবেলা থেকে তাহলে কেমনে কি? এরি মাঝেই উপস্থিত হলো আদ্র আর ডক্টর। ডক্টর গিয়ে মিহিয়াকে চেকআপ জানালেন,

-আপাতত, ওনি সুস্থ আছেন মিস্টার আদ্র। আমার মনে হয় আপনারাই ওনার প্রয়োজনীয় দেখাশোনা করতে পারবেন। এক্সট্রা নার্সের কোনো প্রয়োজন হবে বলে মনে হয় না। তবুও আপনাদের সিদ্ধান্তই আমরা মেনে নেবো।রুগীর এক্সট্রা কেয়ার লাগবে বলে!

-ইটস নো নিড ডক্টর। আমরা আছি তো। আমরাই ওর প্রপার যত্ন নিবো।

-ওকে। তাহলে ওনাকে আজ পুরোদিন অবজারভেশনে রেখেই কাল ডিসচার্জ করা হবে।

-ওকে।

ডক্টর যাওয়ার পরপরই রোকেয়া বেগম এসে মিহিয়ার কাছে মাফ চেয়ে নিতে চাইলে সে তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে,

-আন্টি, মানুষ মাত্রই ভুল। আপনি ভুল করেছেন, সেটা শুধরেও নিয়েছেন। তাহলে আমি কেন আপনাকে ক্ষমা করতে পারবো না? ছেলেমেয়েদের কাছে মা-বাবাদের ক্ষমা চাইতে নেই। আপনিও আমার মা। তাই আপনার প্রতি আমার কোনে অভিযোগ নেই।

মিহিয়ার কথায় আর কিছু বলতে পারলেন না রোকেয়া বেগম। মেয়েটা সত্যিই বড্ড ভালো। যেটা বাস্তবে হতে নেই। এই বড্ত ভালোমানুষগুলোই পৃথিবীতে শুধু ঠকতে শিখেছে। রোকেয়া বেগম সবটাই বললেন মিহিয়াকে, কেমনে আজ তিনি নিঃশেষ হলেন একমাত্র মাহমুদ আলমের কারণে, যে তাকে সম্পত্তির লোভ দেখিয়ে বিয়ে করে তার পরিবারের সকল সদস্যকে খুন করে হত্যা করিয়েছিল। তারপরে তার পারিবারিক সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়ে ছিলো। আজ মাহমুদ আলমের কারণেই তিনি এতিম হয়ে গিয়েছিলেন। খুন করেছিলো মাহমুদ আলম রোকেয়া বেগমের পরিবারকে। এটাও বললেন যে, রুশা তারই আপন বোন এবং মাহিনের যমযবোন সে। যাকে মাহমুদ আলম চুরি করেছিলেন জন্মের সময়।

সেদিন একে একে প্রত্যেকটা সদস্যই মিহিয়ার সাথে দেখা করে গেছে। আদ্র অবশ্য তার মাকেসহ সকলকে তাদের বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছিলো। এও বলেছিলো বাড়ীটা যেন সুন্দর করে সাজানো হয়। কারণ, পরশোদিনই তার প্রিয়সির জন্মদিন। সেটা যেন তার বাড়ীতেই করা হয়। শাহানা ইয়াসমিন ছেলের কথায় সায় দিলেন। অতঃপর সকলে নিয়ে চলে এলে ‘সালসাবিল মন্জিল’ এ। হাসপাতালে শুধু আদ্র, মাহিন আর রুশা থেকে গিয়েছিলো। নিতু থাকতে চাইলেও রুশা তাকে জোর করে পাঠিয়ে দিয়েছে। কারণ, সেও দুর্বল। তারও রেস্ট নেয়া অত্যন্ত জরুরি।

একদিন অবজারভেশনে রেখে ডক্টররা আদ্রকে ইনফর্ম করলো যে মিহিয়া মোটামুটি ৯০ শতাংশ সুস্থ। তাকে বাড়ীতে নিয়ে যেতে কোনো প্রবলেম হবে না। আসলে সেদিন গুলিটা মিহিয়ার কাধে লেগেছিলো। তাই কোনো প্রবলেম হয় নি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছিলো। তারপরে সবকিছু কমপ্লিট করে তারা তিনজনে মিলে মিহিয়াকে গাড়ীতে তুলে রওনা দিলো ‘সালসাবিল মন্জিল’ এর উদ্দেশ্যে।

🌸

-মিহুপাখি!

আদ্রের কথায় ধ্যান ভাঙলো মিহির। সে এতক্ষণ মনেমনে ভাবছে হাসপাতালের সমস্ত ঘটনাগুলো। হা, মিহিয়া এখন বেশ সুস্থ তবে কাধে হালকা ব্যথা আছে।

-কি ভাবছো?

-এইতো আমার জীবনে ঘটে যাওয়া সমস্ত মুহুর্তগুলোর কথাই ভাবছি। কেমনে কি হলো সেটা।

-উহু, আর এসব ভাবতে হবে না। এখন থেকে আমার সন্তানদের নাম কি রাখা যায় সেটা নিয়েই ভাববে কেমন? মিষ্টি মিহুপাখি!

-যাহ, খালি এসব কথা আপনার! আর কথা নেই কি আপনার মুখে?এসব কথা বলেই আমাকে বারবার লজ্জায় ফেলতে আপনার ভালো লাগে তাই না! … বলে লজ্জায় আদ্রের বুকে মুখ লুকালো সে।

-হুম, ভালো লাগে যে আমার তোমার এই লজ্জামাখা মুখখানি দেখতে। তাই তো তোমায় এতো লজ্জা দিই গো। খুবই ভালো লাগে গো আমার শ্যামাপাখি! ভালোবাসি তোমায়!… বলে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো মিহিয়াকে। এতটা শক্ত করে ধরল যে, যেন সে কোথাও পালিয়ে যেতে না পারে।

-আমিও ভালোবাসি আপনাকে যেটা বলা যায় না শুধুই অনুভব করা যায়। কারণ, আপনিই আমার নেশা।

-তাই! আমিও যে, “তোর নেশায় মত্ত” শ্যামাপাখি!

#চলবে… ইনশা’আল্লাহ্

[গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক বাস্তবের সাথে কেউ মেলাবেন না। ভুলত্রুটি মার্জনীয়। হ্যাপি রিডিং 😍]