দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা পর্ব-০১

0
1448

গল্প : দুষ্ট ছাত্রীর রোমান্টিক প্যারা
পর্ব : ১
লেখক : দুষ্ট ছেলে

কলেজ থেকে বাসায় ফিরছিলো নিরব তার বন্ধুদের সাথে কথা বলতে বলতে রাস্তার এক পাশ দিয়ে হাটছিলো তখনি হঠাত একটি মেয়ে নিরব বলে ডাকলো রাস্তার ওপাশ থেকে। তখন নিরব তাকিয়ে দেখলো মেয়েটি হচ্ছে তাদের পাশের বাসার রফিক চাচার মেয়ে নাম তানিয়া।
।।
নিরব এর চেয়ে বয়সে অনেক ছোট৷। তানিয়া এইবার ক্লাস নবম শ্রেণিতে পড়ে খুব দুষ্ট মেয়ে তখন নিরব তানিয়ার দিকে আর না তাকিয়ে চলে আসছিলো। তখন আবারো ডাকলো তখন নিরব এর বন্ধু সাব্বির বললো।

সাব্বিরঃ দুস্ত তুই গিয়ে শুনে আয় কিসের জন্য ডাকছে হয়তো কোনো বিপদে পড়েছে। আমরা চলে যাই তুই তো তর বাসার সামনে এসে গিয়েছিস তাহলে আমরা চলে যাই।

নিরবঃ আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে তরা যাহ আমি শুনে আসি।

তারপর নিরর এর বন্ধুরা চলে গেলো নিরব তখন তানিয়ার কাছে গেলো যাওয়ার পর তানিয়া বলে উঠলো ।

তানিয়াঃ ওই এত ডাকছি শুনতে পান না হুম ।

নিরবঃ তুমি তো খুব বেয়াদব মেয়ে ভদ্রতা বলতে কিছু নেই তোমার মাঝে আমি তোমার বয়সে অনেক বড় তুমি নাম দরে ডাকছো কেন।

তানিয়াঃ সরি আমি তো আপনাকে নাম দরে না ডাকলে শুনতেন না তাই ডাকতে হলো।

নিরবঃ হুম এখন বলো কিসের জন্য ডাকছো সময় কম ।

তানিয়াঃ হুম বলছি শুনেন আমি কিন্তু খুব ভালো মেয়ে।

নিরবঃ হুম তারপর।

তানিয়াঃ দেখতে খুবি সুন্দর আর শান্ত শিষ্ট।

নিরবঃ হুম তারপর।

তানিয়াঃ আমার পিছনে প্রতিদিন দশ পনেরো জন ছেলে গুড়ে প্রেম করতে কিন্তু আমি তাদের পাত্তা দেই না।

নিরবঃ তা এই গুলো আমায় বলছো কেন।

তানিয়াঃ বলছি তার নিশ্চয়ই তো কারণ আছে কোনো ।

নিরবঃ হুম কি জন্য বলছো এখন বলো।

তানিয়াঃ আপনাকে আমি যেদিন ছাদে দেখেছি খালি গায়ে সেদিন আমার বুকটা কেমন যানি বি টিবির মতো ঝিরিঝিরি শব্দ করতে লাগলো। আর সেদিন রাতে যখন ঘুমিয়েছি তখন স্বপ্নে Full HD ক্লিয়ার হয়ে আসছেন । তারপর থেকে শুধু আপনাকে দেখি। অবশেষে এই দাঁড়িয়েছে যে আমি আপনাকে ভালবাসি।

নিরব তো তানিয়ার কথা শুনে অবাক হয়ে গেছে বিশ্বাস করতে পারছে না তখন নিরব তানিয়া কে বলে।

নিরবঃ তোমার কানের এক ইনসি নিচে ঠাসস করে দুটি চর দিলে এই বি টিবির ঝিরিঝিরি ভালবাসা যাবে ওই তোমার বয়স কত হুম । আর আমার বয়স কত দেখছো । পিচ্চি মেয়ে বলে কি এখনো ঠিক করে হাটতে শিখেনি আর আসছে ভালবাসতে। যাও বাসায় যাও ভালবাসার ভুত মাথা থেকে ফেলে গিয়ে মন দিয়ে পড়াশোনা করো।

তানিয়াঃ দেখুন আমি কিন্তু ছোট্ট না অনেক বড় হয়েছি। আর কে বললো আমি হাটতে পারি না আমি বাতাসের গতিতে দৌড়াতে পারি । এখন এই উল্টো পাল্টা কথা রেখে আমার ভালবাসা মেনে নিন নয়তো আপনার আম্মুর কাছে গিয়ে বলবো আপনি সিগারেট খান।

নিরবঃ হা 😃 হা 😃 হা 😃 ব্লক মেইল করার চেষ্টা করছো কিন্তু কাজ হবে না আম্মু এটা কখনো বিশ্বাস করবে না।

তানিয়াঃ দেখুন আমি ভালো করে বলছি আমায় ভালবাসেন নয়তো সত্যি আমি আপনাকে কিন্তু।

তখন নিরব একটু রেগে বললো।

নিরবঃ আমাকে কি হুম কি করবি যাহ তো পিচ্চি মেয়ে। শুধু শুধু সময় নষ্ট করছিস।

তখন তানিয়া দৌড়ে এসে নিরবের কলারে দরে বললো।

তানিয়াঃ আমি পিচ্চি তাই না তর কোন দিক দিয়ে মনে হয় আমি পিচ্চি দেখা ।

তখন নিরব মনে মনে বলে।

নিরবঃ যাহ বাবাহ পিচ্চি কে পিচ্চি বলবো না তো কি বলবো এখন কি করে বুজাবো ।

তখন তানিয়া আবার বললো।

তানিয়াঃ ভালো করে আমার পা থেকে মাথা পযন্ত তাকিয়ে দেখ আমি পিচ্চি কি না ।

নিরবঃ হুম তুমি তো পিচ্চি এটা আবার বলার কি আছে। আর আমায় তুই করে বলছো কেন।

তানিয়াঃ তুই কি বললি আমি পিচ্চি তকে তো আজ আমি।

এই বলে তানিয়া নিরব কে ঘুশি মারতে লাগলো কিছুখন পর থেমে বললো।

তানিয়াঃ আজ ছেড়ে দিলাম কাল আমায় প্রপোজ করবি মনে থাকে যেন।

নিরব কিছু না বলে চুপ করে দাড়িয়ে রইলো আর মনে মনে বললো।

নিরবঃ কি সাংঘাতিক মেয়ে ভাইরে ঘুসি দিয়ে হাড্ডি গুড্ডি মনে হয় নড়িয়ে ফেলছে।

তখন তানিয়া আবার বললো এবার শান্ত গলায় বললো ।

তানিয়াঃ আজ বিকেলে কিন্তু আমায় পড়াতে আসবেন। মনে থাকে যেন।

নিরব মনে মনে বলে।

নিরবঃ জীবন থাকতে না যাবো না।

তারপর নিরব সেখান থেকে চলে আসলো।
বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেয়ে রুমে গিয়ে রেস্ট নিতে লাগলো। বিকেলে নিরব ছাদে বসে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছিলো হঠাত তার আম্মু ছাদে আসলো আর এসে হেডফোনটা টান দিয়ে নিয়ে গেলো। ফোন থেকে খুলে চলে গেলো হেডফোন তার আম্মুর হাতে ।

তখন তার আম্মু রাগি গলায় বলে।

নিরব এর আম্মু : কিরে শয়তান পোলা তুই ছাদে বসে আছিস কেন।।

নিরব অবাক হয়ে তার আম্মু কে বলে

নিরব : যাহহ বাবা তাহলে কোথায় গিয়ে বসে থাকবো।।

নিরব এর আম্মু : তকে গতকাল রাতে কি বললাম আমি।

নিরব : কি বলেছিলে মনে নেই আবার বলো।

নিরব এর আম্মু : তকে না গতকাল রাতে বললাম তর রফিক চাচার মেয়েকে গিয়ে পড়াতে।।

নিরব : ওই মেয়ে কে আমি গিয়ে পড়াবো না পারলে তুমি গিয়ে পড়াতে পারো ।

নিরব এর আম্মু : কেন পড়াতে পারবি না।

তখন নিরব মনে মনে বলে।

নিরব : কি করে বলি এখন ওই মেয়ে যে শয়তানের নানি যদি এটা বলি তাহলে ঝাড়ু দিয়ে মারবে।।

তখন নিরব কিছু বলছে না বলে তখন তার আম্মু আবার বললো ।।

নিরব এর আম্মু : কিরে বল কেন পড়াতে পারবি না।

নিরব : এমনি আম্মু আমি মেয়ে মানুষ কে পড়াই না তার উপর আবার একা একটি মেয়ে।।

নিরব এর আম্মু : তাই বলে কি হয়েছে শুন আমি এত কথা শুনতে চাই না এখনি যাবি তানিয়া কে পড়াতে যদি না যাস তাহলে তর খাবার খাওয়া বন্ধ।।

নিরব : এটা কোনো কথা বললা আম্মু তুমি।

নিরব এর আম্মু : হুম এটাই কথা যাবি কি না বল।

নিরব : আচ্ছা ঠিক আছে যাচ্ছি।।

তারপর নিরব বাদ্য হয়ে ছাদ থেকে চলে আসলো মায়াকে পড়াতে যাবে । নিরব তার রুমে এসে একটু রেডি হয়ে চলে আসলো বাসার বাহিরে।

বানান গুলো ভুল হলে ক্ষমা করে দিবেন।

চলবে,,,,,