#ধুসর_আকাশ
#২য়_পর্ব
#স্নিগ্ধতা_প্রিয়তা
–“আপনি কি সত্যিই আমাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছেন?”
সাফিকার মুখ থেকে কথাটা শুনে তমাল কি বলবে বুঝে উঠতে পারছে না৷ আজ প্রথম সাফিকার এমন ব্যাবহার দেখে এমনিতেই বিস্মিত হয়ে গেছে ও, তার উপর আবার ওকে জিজ্ঞেস করছে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে কিনা! মেয়েটি আসলে কি চাইছে! বুঝতে পারছে না তমাল। সাফিকা সবার সামনে ওকে এমনভাবে কথাটা জিজ্ঞেস করছে যেন ও নিজেও এটাই চাচ্ছিলো!
তমালকে চুপ থাকতে দেখে সাফিকা আবার বলল,
–“দেখুন আমি আপনাকে জোর করছি না। আপনি যদি সত্যিই আমাকে বিয়ে করতে চান, আমার কোনো আপত্তি নেই। আমি আপনাকে বিয়ে করতে রাজি আছি। আপনি আরেকটু ভেবেচিন্তে তারপর সিদ্ধান্ত নিন। শুধুমাত্র সবার জোরাজুরিতে আপনি আপনার জীবনের এতবড় কোনো সিদ্ধান্ত নিন এটা আমি চাইনা! আমি আবারও জানতে চাইছি, আপনি কি সত্যিই আমাকে বিয়ে করতে চান?”
তমাল রাগে ফুসতে-ফুসতে বলল,
–“তুমিতো রাজি হবেই! আমারতো মনে হয় যে, এসব কিছুর পেছনে তোমারই হাত আছে!… এক মিনিট! সত্যিতো এসব তোমার প্ল্যান নয়? না মানে আমাকে বিয়ে করার জন্য তুমিই এসব করো নিতো? আমারতো এখন তোমাকেই সন্দেহ হচ্ছে! আমার পুরো পরিবারকে বশ করে নিয়ে আমাকেই তাদের কাছে খারাপ বানাচ্ছো! ”
–“আপনার বুদ্ধির তারিফ করতে হয় মিস্টার তমাল! আমাকে কি মনে হয় আপনার? আমি কি এতটাই বোকা যে, খাল কেটে কুমির আনবো! আর আপনাকে বিয়ে করার যদি আমার এতই শখ থাকতো তাহলে কি আমার নিজের বিয়ে ভেঙে এত নাটক করতাম! নিজের আর পরিবারের মান-মর্যাদা খুইয়ে এই কাজটা করতে হতো না! বড় আব্বুকে বললেই কাজটা হয়ে যেতো। আপনার কি মনে হয় বলুনতো? বড় আব্বুকে বললে তিনি কি আমার কথা ফেলতে পারতেন?”
–“এমনওতো হতে পারে যে, তুমি….”
এটুকু বলতে না বলতেই পাশ থেকে ওর বাবা ওকে ধমক দিয়ে উঠলেন। তারপর বললেন,
–“তমাল, তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে নাকি! কি সব আবোলতাবোল বলছিস! তুই বলেছিলি যে, সাফিকা রাজি হলে তুই ওকে বিয়ে করবি! এইবারতো ওর মতামত শুনলি! আমি আর সময় নষ্ট করতে চাইনা।”
এমন সময় তুষার এসে বলল,
–“বাবা, কিছু মনে না করলে একটা কথা বলতাম। না মানে, ভাইয়া সাফিকাকে পছন্দ করেনা, তুমি না হয় জোর করে ওদের বিয়ে দিলে, কিন্তু তারপর? তারপর কি হবে তুমি কি একবারও সেটা ভেবে দেখেছো? ওরা কখনো সুখী হবেনা! তাহলে জোর করে এই বিয়ে দেওয়ার কি মানে হয়? আমি বলছিলাম যে, ভাইয়াকে কেন জোর করতে হবে, আমিতো আছি! যদি তোমাদের কারোর কোনো অমত না থাকে তো! আর সবচেয়ে বড় কথা সাফিকা রাজি হলে!”
মাথা নিচু করে কথাগুলো বলা শেষ করেই তুষার সবার মুখের দিকে তাকায়। তমাল যেন আলোর দিশা খুঁজে পায়! কিন্তু ওর বাবার হুংকারে সম্বিত ফিরে পায় দুইভাই,
–“তোমরা কি ভুলে যাচ্ছো যে, তোমাদের বাবা এখনো বেঁচে আছে! আর সে তোমাদের সামনেই আছে! তুষার! তুই এরমাঝে নাক গলাবি না।…..আর তমাল! ছোট ভাইকে দেখে শিখতে হবে তোর! ওর যেটুকু আত্মসম্মানবোধ আছে তোর সেটুকুও নেই। আমার সিদ্ধান্ত-ই শেষ সিদ্ধান্ত! বেশি কথা না বলে বিয়ের জন্য তৈরি হয়ে যা!”
তারপর তমাল ওর অনিচ্ছাসত্বেও সাফিকাকে বিয়ে করে নিলো। নিজের বাবা আর সাফিকাকে ওর চরম শত্রু মনে হচ্ছিলো!
আস্তে-আস্তে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেলো। আত্মীয়রা সবাই এক-এক করে চলে যেতে লাগলো। সাফিকার পরিবার আর ওর একমাত্র ফুপুর পরিবার রয়ে গেলো। বাকি সবাই চলে গেলো।
রাত ১০টার বেশি বেজে গেছে। সাফিকা ওর বোন সানিয়া আর তরীর সাথে তমালের রুমে বসে অপেক্ষা করছে। সাফিকা এরমধ্যে বিয়ের শাড়ী পরিবর্তন করে একটা থ্রি-পিছ পড়ে নিয়েছে৷ সানিয়া আর তরী ভয়ে আছে যে, তমাল যে আজ সাফিকাকে আরো কি কি কথা শুনাবে কে জানে! ওর যে রাগ! তরীতো তমালকে ভীষণ ভয় পায়! ওর সামনে জোরে কথা পর্যন্ত বলে না। অথচ তুষারের সাথে কত ফ্রি! সানিয়া আর সাফিকার সাথেও তুষার অনেক ফ্রিলি কথা বলে। এই কারণে সবাই তুষার ভাইয়া বলতে পাগল! আর তমালের ধারে-কাছেও কেউ যায়না ভয়ে। অথচ সেই তমালের জন্যই সাফিকাকে আজ অপেক্ষা করতে হচ্ছে!
সাফিকা তরী আর সানিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলল,
–“তোরা চলে যাতো এখন। অনেক রাত হয়ে গেছে গিয়ে শুয়ে পড়। আমিও শুয়ে পড়ি। উনি যখন আসে আসুক। তোদেরকে এতরাত পর্যন্ত কে অপেক্ষা করতে বলেছে বল! আর আমারও ঘুম পাচ্ছে!”
সানিয়া ওকে উদ্দেশ্য করে বলল,
–“এতকিছুর পরেও তোর ঘুম পাচ্ছে আপু? তমাল ভাইয়া তোর সাথে কেমন ব্যবহার করবে তা ভেবে তোর ভয় লাগছে না? আমারতো ভয়ে আত্মা শুকিয়ে যাচ্ছে! তোকে একা ফেলে যেতেই মন চাচ্ছে না!…. আচ্ছা আপু, তুষার ভাইয়াকে বড় আব্বু মানা কেন করলো? তুষার ভাইয়ার সাথে তোর বিয়ে হলে কত ভালো হতো বল!”
সানিয়া কথাটা বলতে না বলতেই তমাল রুমে ঢুকতে-ঢুকতে বলল,
–“তোমার বড় আব্বুর আমার মাথা খারাপ না করলে যে চলছিলো না! সেতো আমার জীবনটা তছনছ করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে৷ আর সাথে তোমার আপুও! তোমরাও লেগে যাও আমার পেছনে! দেখো আর কি কি নষ্ট করার আছে আমার জীবনে!”
সানিয়াতো ভয়ে চুপসে গেলো। চুপচাপ ঘর থেকে বের হয়ে গেলো। তরী যাওয়ার আগে কিছুটা সাহস নিয়ে তমালকে বলল,
–“ভাইয়া প্লিজ সাফিকা আপুকে বকাবকি করো না! এখানে আপুরতো কোনো দোষ নেই! আমি জানিনা বাবা এমন সিদ্ধান্ত কেন নিলেন! যাইহোক না কেন সাফিকা আপুকে কষ্ট দিবে না একদম!তাহলে কিন্তু ভালো হবে না! ”
কথাগুলো বলেই তরী ওখান থেকে চলে গেলো। তমাল কি বলবে না বলবে বুঝতে পারছিলো না। ও কিছু বলার আগেই তরী আর সানিয়া রুম থেকে বের হয়ে গেলো।
তমাল বিছানার দিকে তাকাতেই দেখতে পেলো যে, সাফিকা সুন্দর করে ওর বিছানাটা দখল করে শুয়ে আছে। চোখ বন্ধ করে থাকলেও তমাল জানে যে সাফিকা এখনো ঘুমায়নি। তাই ওকে উদ্দেশ্য করে ব্যাঙ্গাত্মক সুরে বলল,
–“তোমাকে আমি সহজ-সরল একটা মেয়ে ভাবতাম! কিন্তু বিশ্বাস করো, তোমার মতো বেহায়া মেয়ে আমি মনে হয় জীবনে দু’টি দেখিনি! আমার লাইফটা নষ্ট করে দিয়ে আমারি বিছানা দখল করে শুয়ে আছে। এই মেয়ে! এই! তোমার লাজ-লজ্জা বলতে কিছু নেই? এতো বেহায়া কেন তুমি? ”
সাফিকা চোখটা খুলে তমালের দিকে তাকিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই বলল,
–“দরজাটা লাগিয়ে দিয়েছেন কি? না হলে দেখা যাবে কে কখন রুমে ঢুকে পড়েছে। এখনতো এটা আর আপনার একার রুম নয়! এটা আজ থেকে আমারো রুম। বিয়ে করেছি আপনাকে, আপনার রুমটাতো আজ থেকে আমারো৷ সো, নিজের রুমে ঘুমাবো নাতো কি এখন অন্যকোথাও গিয়ে ঘুমাবো নাকি! লাইটটা অফ করে দিয়ে শুয়ে পড়ুন। লাইট জ্বালানো থাকলে আমার ঘুম আসতে চায়না।”
তমাল নিজের রাগটাকে আর কন্ট্রোল করতে পারছে না। সাফিকার দিকে এগিয়ে গিয়ে সাফিকার হাত ধরে টানতে লাগলো আর বলতে লাগলো,
–“এক্ষুণি আমার রুম থেকে বের হয়ে যাবে! তোমার যেখানে খুশি থাকো গিয়ে৷ আমার রুমে তোমার কোনো জায়গা নেই। তোমার মতো একটা নির্লজ্জ মেয়ের সাথে আমি থাকতে পারবো না৷ এক বিছানায়তো দূরে থাক! তোমার সাথে আমি একরুমেও থাকতে পারবো না!”
সাফিকা এক ঝটকায় নিজের হাতটা ছাড়িয়ে নিয়ে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়লো। আর আস্তে-আস্তে বললো,
–“আমার সাথে থাকতে না চান আপনি যেখানে খুশি গিয়ে থাকতে পারেন। আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু আমি কোথাও যেতে পারবো না। নিজের স্বামীর পাশে থাকবো এতে বেহায়াপনার কিছুতো দেখছি না আমি!”
তমাল নিজেও সাফিকার পাশে শুয়ে পড়ল। আর বলতে লাগলো,
–“কতবড় সাহস তোমার! আমার রুম থেকে আমাকেই তাড়াচ্ছো! বিয়ে হয়েছে কি মনে হচ্ছে কোনো অদৃশ্য পাওয়ার পেয়ে গেছো! আগেতো পুরো মেনি বিড়াল হয়ে থাকতে! আমারতো এখন মনে হচ্ছে যে, এসবের পিছনে তোমারি হাত আছে! তুমি আমাকে ভালবাসো? তাইনা? স্বীকার কেন করছো না! বিয়েতো করেই নিয়েছো! এইবার অন্তত নিজের ভুলগুলো স্বীকার করো! ”
কথাগুলো বলেই তমাল সাফিকাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিলো। তারপর সাফিকার চিবুকটা হাত দিয়ে ধরে বলতে লাগলো,
–“এত তেজ কোথায় ছিলো বলোতো? তোমার এই তেজ ভাঙাতে না আমার বেশি সময় লাগবে না। তোমার আসল রূপ আমি সবার সামনে এনেই ছাড়ব! জাস্ট ওয়েট এন্ড সি!”
কথাগুলো বলেই তমাল সাফিকার চিবুক ছেড়ে দিয়ে পাশ ফিরে শুয়ে পড়লো।
সাফিকা এতক্ষণ তমালের কথা শুনছিলো৷ এইবার সাফিকা কান্না শুরু করে দিলো। আজ সারাদিন এতকিছু হয়ে গেছে তবুও সাফিকা একফোঁটা কান্নাও করেনি! কিন্তু এখন ওর কান্নাগুলো যেন আর বাঁধা মানছে না৷ দুচোখ ছাপিয়ে আসছে! কান্না করতে-করতে সাফিকা বলতে লাগলো,
–“কেন সবাই আমাকেই দোষ দিচ্ছে বলুনতো? আপনি বরপক্ষকে ফোন করেছিলেন! আপনি বলেছেন যে, আমি নাকি প্রেগন্যান্ট! একথা শুনে কেউ আপনাকে কিছু বলেছে? একবারও আপনার দোষ দিয়েছে? কিন্তু আমাকে বলেছে! সবাই বলেছে যে, আমি একটা দুশ্চরিত্রা মেয়ে! যে কিনা চাচার বাড়িতে দুইদিনের জন্য এসেই নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি! এমনকি আরো কি কি বাজে কথা বলেছে যা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না! কিন্তু আপনাকে কেউ বলেছে দুশ্চরিত্র! কেউ বলেছে যে, ছেলেটা নিজেকে সামলাতে পারেনি! বলেনি, কারণ আপনি ছেলে! ছেলেরা নাকি এমনি হয়! কিন্তু মেয়েদের নাকি মানিয়ে চলতে হয়! আমার শুধু বিয়েটা ভাঙেনি! আমার সম্মান! আমার বাবা-মায়ের সম্মান সবকিছু আপনি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন!তারপরেও আমি আপনাকে বিয়ে করেছি শুধুমাত্র আমার বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে! আমার বাবা-মা নিজের মান-সম্মান বাঁচাতে আমাকে এখানে নিয়ে এসেছিলো। কিন্তু কি লাভ হলো বলুন! সেই মান-সম্মানতো ধুলোর সাথেই মিশে গেলো! আমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য এখানে কেন আনা হয়েছিলো আপনি কি জানেন?”
তমাল এতক্ষণ সাফিকার কান্না করা দেখছিলো আর মনোযোগ দিয়ে ওর কথাগুলো শুনছিলো। মেয়েটা নিজের সব দুঃখ-কষ্ট চেঁপে রেখে তমালকে বিয়ে করেছে। অথচ তমাল সেই তখন থেকে ওকেই দোষ দিয়ে যাচ্ছে! কিন্তু তমাল ফোন করেনি! সাফিকাও যদি কাউকে দিয়ে ফোন না করিয়ে থাকে তাহলে ফোনটা কে করল বরপক্ষকে! তমাল কিছুতেই এটা মিলাতে পারছে না।
তমালকে চুপ থাকতে দেখে সাফিকা আবার বলতে লাগলো,
–“কি হলো এখন। এমন ভাঙা রেডিওর মতো থেমে গেলেন কেন? উত্তর দিন? আপনি জানেন না তাইনা! এই বাসার প্রত্যেকটা মানুষ হয়ত জানে আমাকে এখানে কেন আনা হয়েছে। কিন্তু আপনি এখনো জানেন না! আপনি এত আজিব মানুষ কেন বলুনতো! কেউ আপনাকে জানায়নি নাকি আপনি নিজেই শোনার প্রয়োজনবোধ করেন নি? এখনো কি জানতে চান না?”
তমাল বুঝতে পারছে না যে ওর কি বলা উচিৎ! এমন পরিস্থিতিতে ও এর আগে কখনো পড়ে নি! আকাশ পরিমাণ রাগ নিয়ে রুমে ঢুকেছিল। অথচ এখন মনে হচ্ছে সাফিকার কথাগুলো শুনে ওর সব রাগ গলে পানি হতে শুরু করেছে।এমনতো হওয়ার কথা ছিলো না। সাফিকা এতবার ওকে প্রশ্ন করে যাচ্ছে অথচ ও চুপ করে শুধু শুনেই যাচ্ছে। কথা বলতে যেন ভুলে গেছে ও।
–“না শুনে কি উপায় আছে! আমি চাইলেও তুমি শুনাবে আর না চাইলেও তুমি শুনাবে। তার থেকে বলেই ফেলো তোমার কাহিনী! বাবা সেদিন বলছিল কি যেন! আমি অতোটা মনোযোগ দিয়ে শুনিনি। সবাই কথা বলছিলো, তোমার কোনো কথা শোনার কোনো আগ্রহ আমার ছিলো না, তাই শোনা হয়নি। আজতো না শুনলে তুমি আমাকে ঘুমাতে দেবে বলে মনে হয়না।”
সাফিকা কান্না করতে-করতে তমালের শার্টের সাথে নাক-মুখ মুছতে থাকে। তমাল সরে যেতে চাইলেও পারেনা। সাফিকা টেনে ধরে ওর নাকের পানি, চোখের পানিগুলো তমালের শার্টে মুছতে থাকে! তমাল নাক সিটকায় তবে সরতে পারে না। সাফিকা যে ওর শার্টটাকে টিস্যু বানিয়ে ফেলেছে তা বুঝতে বাকি রইলো না! সাফিকার ক্ষণে-ক্ষণে রঙ পাল্টাতে দেখে তমাল নিজেও হতবাক হয়ে গেছে৷ মেয়েদের কান্নাকে হয়তো এই কারণেই মায়াকান্না বলে! তমালের মতো মানুষও ওর ন্যাকা কান্নার কাছে হেরে গেছে!
চলবে….
(ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আর কেমন হচ্ছে জানাতে ভুলবেন না।ধন্যবাদ)