ভালোবাসি বুঝে নাও পর্ব-২০+২১

0
6156

#ভালোবাসি_বুঝে_নাও🍁🍁
#পর্ব_২০
#সুমাইয়া_সুলতানা _সুমী(writer)
.
তারপর আমিও ওয়াশরুম থেকে চেঞ্জ করে বাইরে আমার রুমে এসে দেখি, ওনিও ভিজা জামা বদলে শুকনো একটা জামা পড়ে আমার বিছানার উপর বসে আছে।

কিরে ওখানে সংয়ের মতো দাড়িয়ে না থেকে এখানে আয়(মেহরাব)

আমিও গুটি গুটি পায়ে ওনার সামনে গিয়ে দাড়ালাম।

আপনি জামা পেলেন কোথায়?? এবাড়িতে তো আপনার কোনো জামা নেই তাহলে??

আমি এখানে আসার আগে আনছিলাম।

আমরা কথা বলছিলাম তখনি ওনার বান্ধবী আমাদের রুমের দরজার সামনে দাড়িয়ে বলল।

ভিতরে আসতে পারি??(তিসা)

কিরে তুই আবার কারো রুমে ডুকতে গেলে পারমিশন নিতে শিখলি কবে থেকে।

এখন থেকেই,, আর যায় হোক তোর রুমে আসতে গেলে পারমিশন তো নিতেই হবে বস,, বাবা শুধু তোর সাথে একটু হেসে কথা বলেছি তাতেই এনার(মাহিকে উদ্দেশ্য করে) এই অবস্থা,, না জানি তোর পাশে বসে কথা বললে কি হতো(ভিতরে এসে সোফায় বসতে বসতে বলল তিসা)

ওই আপুর কথায় আমার তো লজ্জায় মনে হচ্ছে মাটি ফাঁক করে ভিতরে ঢুকে যাই। ইস কি লজ্জা, সত্যি মাহি তুই আসোলেই অনেক বোকা, কোনো কিছু না দেখে পুরোটা না শুনে কেনো আবুলের মতো চলে আসলি?? এখন ঠেলা সামলা(মনে মনে নিজেই নিজেকে বলল মাহি)

সত্যি তো আমি তো এটা ভেবে দেখেনি,, তা মাহি তুই আমাদের বাড়ি থেকে ওভাবে কাওকে কিছু না বলে চলে আসলি কেনো?? আর এখানে এসেই বা এভাবে দেবদাসীর মতো বৃষ্টি তে ভিজতেছিলি কেনো হমম??(মজা করে বলল মেহরাব)

আল্লাহ এখন আমি কি বলবো,,, ওনি ইচ্ছা করে এমন করছে,, আমাকে লজ্জাই ফেলার জন্য,, বদ ছেলে একটা (মনে মনে কথাগুলো বলে চুপটি করে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকলাম)

আহ মেহবার কি করছিস কি,, মেয়েটার পিছে লাগছিস কেনো,,,, তা মাহি এদিকে আসো আমার কাছে আসো, তুমি আমার থেকে বয়সে অনেকটাই ছোট তাই তুমি করেই বললাম, (তিসা)

আমিও আসতে আসতে তিসা আপুর পাশে গিয়ে দাড়ালাম,,

তুমি নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছো যে আমি তোমাকে চিনলাম কি করে,, আসোলে কি বলো তো, মেহরাব এর মুখে তোমার এতো কথা শুনেছি যে আমার তোমাকে পুরোটাই মুখস্ত হয়ে গেছে। আর এই পাগলটা তো সারা রাস্তা শুধু তোমার কথা বলতে বলতেই এসেছে (তিসা)

তিসা আপুর কথা শুনে আমি ওনার দিকে তাকালাম,, ওনি হাত দিয়ে মাথা চুলকে তিসা আপুর মাথায় একটা টুকা দিয়ে বলল।

দিলি তো আমার মান সম্মান টা আকাশে উড়িয়ে??।

দিবোই তো তুই আমাকে বলতে পারিস আর আমি ওকে বললেই দোষ?? কি বলোতো মাহি আমি মেহরাব আর মেঘ একি কলেজে পরতাম তারপর কলেজ শেষে আমার বিয়ে হয়ে যায় আর ওরা দুজন ভার্সিটিতে ভর্তি হয়ে যায়,,
,(গল্পের লেখিকা,,,সুমাইয়া_সুলতানা_সুমী)

আর আমার যার সাথে বিয়ে হয় সে একজন ডাক্তার তাই তার সখ ছিলো যে তার বউও ডাক্তার হবে তাই আমাকে মেডিকেলে ভর্তি করিয়ে দেয়,, আর এখন আমি একজন ডাক্তার,, আমি একটা কাজে চট্টগ্রাম গিছিলাম ফিরার পথেই মেহরাব এর সাথে দেখা অনেক দিনপর দেখা হলো তো তাই অনেক কথাও হলো,, তারপর মেহরাব বললো যে আন্টির শরীলটা নাকি খারাপ তাই আমাকে বলল দেখে যেতে এইজন্যই আমি এসেছি,,, আর তোমার আমাকে নিয়ে ভয় পেতে হবে না, আমি তোমার মেহরাব কে নিয়ে পালাবো না, কেননা আমার বর আছে আর সাথে একটা ১ বছরের বাচ্চাও আছে (এই বলে তিসা হাসতে লাগল)

ইস লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেলো ওনি আসছেন মামিকে দেখতে আর আমি কিনা ওনাকে নিয়ে কত কিছু ভেবে ফেললাম (মনে মনে বললাম)

হয়েছে তোর আর এতো কিছু বলতে হবে না, (মেহরাব)

হম বলবোই তো,,, আচ্ছা থাক তাহলে আমি এখন যাই বৃষ্টি টাও অনেকটা কমে গেছে,,, (তিসা)

এখনি চলে যাবি?? আচ্ছা চল আমি তোকে পৌঁছে দিয়ে আসি।

না থাক,, তোর যে বউ সামান্য একটু তোর সাথে কথা বলেছি তাতেই এরকম,, এখন তুই পৌঁছে দিতে গেলে না জানি আবার কি করে।

আপুটার কথায় অনেক লজ্জা পেলাম ,, তাও বললাম,, না না, তা কি করে হয় (মেহরাব কে উদ্দেশ্য করে) আপুকে পৌঁছে দিয়ে আসেন(মাহি)

না গো থাক লাগবে না আমি একাই যেতে পারবো,, আর এখান থেকে আমার বাসাও বেশি দূরে না আমি ঠিক চলে যেতে পারবো (তারপর ওই আপুটা আমাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলেন)

আচ্ছা একটা কথা জিগাস করবো???(মাহি)

হুম বল (মেহরাব বিছানায় শুতে শুতে বলল)

ওই আপু আমাকে আপনার বউ বললো কেনো???

যা সত্যি তাই বলেছে???

মানে???

তোর মোটা মাথায় এসব ঢুকবে না।

প্লিজ বলুন,,, আর আপনি বাসায় বললেন কেনো যে আপনি বিয়ে করেছেন,,, বলুন না বলুন।

ওনি শুয়া থেকে উঠে বিছানার উপর পা ঝুলিয়ে বসলেন তারপর আমার হাত ধরে টেনে নিজের কোলের উপরে বসায়ে বললেন

।আমি তো লজ্জায় এটুকুনি হয়ে আছি কিছু বলতেও পারছিনা, চুপ করে মাথা নিচু করে ওনার কোলের উপরে বসে রইলাম।

প্রথমত,, তিসা বললো যে তুই আমার বউ সেটা সত্যি, কেননা একমাএ আপনি ছাড়া বাকি সবাই জানে আপনার এইচএসসি পরীক্ষার পর আপনার সাথে আমার বিয়ে,, আর দ্বিতীয়ত,, তখন আমরা কথা বলছিলাম আর কথায় কথায় তিসা মজা করে বলছিলো যে ও আমাকে বিয়ে করবে,, আর আমি বললাম যে এখন আর বলে কোনো লাভ নেই কেননা আমি বিয়ে করে ফেলেছি,, আর আপনি শুধু শেষের টুকুই শুনলেন।

কিহ তারমানে ওনার সাথে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে আছে। আল্লাহ একথা সবাই জানে শুধু আমি ছাড়া,,, আচ্ছা আপনি আমায় বিয়ে করবেন কেনো??

মানুষ বিয়ে কেনো করে?? জানিস না??

হুম জানি তো,, কেউ ভালোবেসে বিয়ে করে আবার কেউ বাবা মায়ের কথায়,, তো আপনি কোনটা??

বুঝে নে,, আমার না বলা সব কথা তোকে বুঝতে হবে,, আর আমি যে তোকে ভালোবাসি সেটাও তোকে বুঝে নিতে হবে #ভালোবাসি_বুঝে_নাও।(মনে মনে বলল মেহরাব)

কি হলো বলুন আপনি কোনটা করছেন??

উমমম সেটা তোকে বলা বলা যাবে না,, ওটা তো তোকে বুঝে নিতে হবে।

আচ্ছা আপনার বলা লাগবে না, আপনি শুধু এটা বলেন যে,আমাদের বিয়ে কবে ঠিক হলো আর কে ঠিক করলো??

তুই হওয়ার পর থেকেই বিয়ে ঠিক হয়ে আছে,, তুই হওয়ার পরে নাকি আমি তোকে সব সময় কোলে নিয়ে রাখতাম আর ফুপি কে বলতাম যে ফুপি বড় হয়ে কিন্তু আমি তোমার মেয়েকেই বিয়ে করবো,,, সেটা না বুঝে বলতাম কিন্তু বড় হয়ে বুঝার পরেও ফুপিকে এই কথায় বলি।

হুম সবি ঠিক আছে কিন্তু আপনার সাথে তো আমার বিয়ে হবে না।

কেনো???

কেননা বিয়ের আগে আপনাকে একটা কাজ করতে হবে নয়ত বিয়ে হবে না।

আচ্ছা কি কাজ বল??

আচ্ছা শোনেন তাহলে,,, আপনাকে,,,

চলবে,,,৷

#ভালোবাসি_বুঝে_নাও🍁🍁
#পর্ব_২১
#সুমাইয়া_সুলতানা _সুমী(writer)
.
আচ্ছা শোনেন তাহলে,,, আপনাকে মীরার সাথে প্রেম করতে হবে,, আর আমাকে নেহাল এর সাথে (মাহি)

হোয়াট?? (চিৎকার করে বললো মেহরাব)

আরে চ্যাতেন কা পেটে কি কৃমি আছে?? আগে আমার পুরো কথাটা তো শোনেন (মাহি)

আচ্ছা বল কি বলবি,,, তবে যাই বলিস না কেনো, কাজের কথা বলবি কোনো অকাজ এর কথা বলবি না,,

আচ্ছা ঠিক আছে,,, শোনেন তাহলে আমার যতদূর মনে হয়,, মীরা আপনার পিছে পড়ে আছে আর নেহাল আমার পিছে,, তো আমি চাই ওদের দুজন এর মধ্যে যদি ভালোবাসা হয়ে যার তারপর ওদের দুজন কে ধরে বিয়ে দিয়ে দেবো তাহলে আমাদের আগে বা পিছে কোনো ভিলেন থাকবে না,, কি বলেন।

কি ব্যাপার বলতো দিন দিন তোর বুদ্ধি কেমন খুলে যাচ্ছে,, হম যাবেই তো জ্ঞানী লোকের সাথে থাকলে যা হয় (ভাব নিয়ে বলল মেহরাব)

হুম,,?? কে জ্ঞানী লোক আপনি??? হা,, আপনার মাথায় তো বুদ্ধির ব ও নেই বরং আমার সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর থেকেই আপনার বুদ্ধি একটু একটু করে খুলছে বুঝলেন??( অনেকটা ভাব নিয়ে কথাটা বলল মাহি)

তাই না দাড়া দেখাচ্ছি মজা (এই বলে মেহরাব মাহিকে কাতুকুতু দিতে লাগল)

ওরে থামেন থামেন আচ্ছা ঠিক আছে আমি মেনে নিচ্ছি যে আপনার মাথায় ও জ্ঞান আছে,, এখন তো ছাড়েন আমায় (হাসতে হাসতে বলল মাহি)

আচ্ছা যা ছেড়ে দিলাম তোকে,,, তাহলে এখন আমরা কি করবো??

কি আর করবো আমি নেহাল এর সাথে প্রেম করবো।

কি বললি??(মাহির গলা চেপে ধরে)

আরে আমি তো এমনি বললাম,, ছাড়েন মেরে ফেলবেন নাকি??

হুম এমন ভুলভাল কথা বললে মেরেই ফেলবো।

আচ্ছা আর বলবো না, এখন শোনেন তাহলে,, প্রথমত,, এই পুরো কাহিনীটা মেঘ ভাইয়া আর মেঘলা আপুকে বলতে হবে,, তাহলে ওনারাও আমাদের সাহায্য করবে,, (মাহি)

আচ্ছা ঠিক আছে,, আমি বাসায় গিয়ে ওদের ফোন করে আসতে বলছি,,।

আর শোনেন, মীরা আপুকেও আসতে বলবেন কিন্তু??(মাহি)

কেনো??

আরে ওনি না আসলে খেলা জমবে কি করে।

আচ্ছা ঠিক আছে বলবো।

এই আপনি তো আমার প্রশ্নের উত্তর টা দিলেন না।

দিয়ে দেবো সময় হোক তুই তো আমাকে সময় দিয়েছিস আমার যখন ইচ্ছে আমি তখন দেবো।

হুম দেখেন আবার উওর টা দিতে দিতে বুড়া না হয়ে যান।

,,,,তিনদিন পর,,,,

হ্যালো হ্যাঁ মীরা শুনছিস আমি বলছি (মেহরাব)

হ্যাঁ মেহরাব বলো (খুশি হয়ে)

শোননা বলছি কি যে তোর তো ওখান থেকে ভার্সীটি দূরে হয়ে যাই তাই বলছিলাম কি তুই যদি আমাদের বাড়ি থেকে যাস তাহলে কাছে হবে,, আবার আমিও মাঝে মাঝে তোকে দিয়ে আসতে পারবো। (নরম সুরে বলল মেহরাব)

কি বলছো গো?? আমি এখুনি আসছি (এই বলে মীরা ফোন টা কেটে নাচতে নাচতে ব্যাগ প্যাক করতে চলে গেলো)

মেহরাব ফোনটা কেটে পিছনে তাকিয়ে দেখে মাহি ওর দিকে কটমট চোখে তাকিয়ে আছে,,, মেহরাব বড় সর একটা শুকনা ঢোক গিলে বলল।

কি হয়েছে ওমন করে তাকিয়ে আছিস কেনো??(একটা কেবলা মার্কা হাসি দিয়ে বলল)

কই কখনো তো আমার সাথে ওমন মিষ্টি সুরে কথা বলেন না তাহলে ওর সাথে বললেন কেনো??(রেগে বলল মাহি)

আহা রাগ করছিস কেনো,, তুই না বললি ওকে এখানে আনতে তাহলে যদি ওর সাথে ওমন করে কথা না বলতাম তাহলে কি ও আসতো এখানে???

হুম,, আপনি তাও ওর সাথে ওমন করে কথা বলবেন না।

তাই বুঝি কিন্তু কেনো কেনো??(মজা করে বললো মেহরাব)

জানি না।

ওরা কথা বলছিলো তখনি মেঘ আর মেঘলা দরজা দিয়ে ঢুকতে ঢুকতে বলল।

আমরা এসে গেছি, (মেঘ+ মেঘলা)

ওহ আপু (এই বলে মাহি দৌড়ে গিয়ে মেঘলাকে জরিয়ে ধরলো তারপর দুজনে খুশিতে আআআআ করে লাফাতে লাগলো,, আর ওদিকে মেহরাব আর মেঘ ওদের কে হা করে দেখতে লাগল,,, মাহি আর মেঘলা দুজনকে ছাড়ার পর ওরা দুজন মেঘ আর মেহরাব এর দিকে তাকিয়ে দাখে যে ওরা ওদের দিকেই তাকিয়ে আছে)

কি হলো ওভাবে তাকিয়ে আছো কেনো??(মেঘলা+মাহি)

মেঘলা আর মাহির কথা শুনে মেহরাব আর মেঘ ও ওদের দেখিয়ে ওমন করে দুজন দুজকে জরিয়ে ধরলো,, একটু আগে মেঘলা আর মাহি যেমনটা করলো ওরাও তেমনটা করলো)

ড্রামাবাজ একটা (মেঘলা+মাহি)

,,,,,রাতে,,,,

হুম তাহলে এই বেপার বুঝলাম (মেঘলা)

কিন্তু মাহি তুমি যেমনটা বলছো তেমনটা কিন্তু নাও হতে পারে কেননা আমি নেহাল কে চিনি,, ছোট ভাই আমার, ও কিন্তু ভিষণ জেদী ওকে দিয়ে এসব করানো অনেক কঠিন হবে,, ও একবার যা চাবে সেটা নিয়েই ছাড়বে (মেঘ)

কিন্তু ভাইয়া একবার চেষ্টা করতে দোষ কোথায়?? আমরা সবাই মিলে একবার চেষ্টা করে দেখিই না কি হয় (মাহি)

ওকে তোমরা যখন বলছো তখন আমি তোমাদের সাহায্য করবো (মেঘ)

ইয়ে,,, কি মজা,, তাহলে দে তালি (হাত বারিয়ে)

ওকে দে তালি (মাহির হাতে তালি দিয়ে বলল মেঘ)

হয়েছে?? আপনাদের মিটিং?? আর মাহি ফুপিকে বলে তোকে আজকে রাতে এখানে থাকার জন্য বলেছি বলে কি তুই লেখা পড়া সব বাদ দিয়ে বসে থাকবি?? যা পড়তে বস,, আর তোর না কদিন পর ইয়ার চেঞ্জ পরিক্ষা?

হাহাহা আমি পরবো কেমনে আমি তো আমার বইই নিয়ে আসিনী(মাহি)

হিহিহি আমি জানতাম আপনি এ কথায় বলবেন,, যা সোহানের বই নিয়ে পড়,, পড়া চুন্নি একটা।

হুম যাচ্ছি। এই বলে মাহি চলে যাচ্ছিলো তখনি আবার মেঘলার কানে কানে বলল।

জানোতো আপু তোমার ভাই একটা আস্ত গাম্বাট মার্কা লোক (মেঘলা কানে ফিসফিস করে বলে মাহি দৌড়ে চলে গেলো)

এই কি বললোরে ও তোর কানে?? (মেহরাব)

ক,,,কই কিছু না তো??(মেঘলা)

হুম দুটোই এক,, বলবি কেনো??(এই বলে মেহরাবও চলে গেলো)

,,,সকালে,,,

সকাল হতে না হতেই মীরা ইয়া বড় একটা ব্যাগ নিয়ে হাজির।মাহি সোফায় বসে ছিলো, মীরা কে দেখে মনে মনে বলল।

এই তো চলে এসেছে,, নেকারানী..

চলবে,,,,?