মনের গহিনে পর্ব-০৬

0
486

#মনের_গহিনে (৬)
Sarika Islam(mim)

সাত সকালে উঠে সুহানা বেগম ইয়াদের রুমের দরজা ভিষণ রুপে পেটাচ্ছে।মনে হচ্ছে যেন কোন জন্মের রাগ উঠেচ্ছে সে দরজার উপরে।

ইয়াদ ফারাহ দুইজনেই একসাথে উঠে গেল।ফারাহ সোফায় শোয়ারত ইয়াদের দিকে তাকালো ইয়াদ ফারাহর দিকে।ইয়াদ টেবিলে রাখা চশমা পরে চট যলদি উঠে দরজা খুলতে গেল।আর একটু দেরি হলে যেন এখনি দরজা ভে*ঙে পড়বে।
ইয়াদ দরজা খুলে আম্মাকে দেখে চশমা নামিয়ে চোখ মলে বলল,
-এত্ত সকালে?

সুহানা বেগম ইয়াদকে তোয়াক্কা না করে ভিতরে গড়গড় করে ঢুকে গেল।ফারাহকে এলোমেলো ভাবে বসে থাকতে দেখে বলল,
-এখনো উঠো নি?তোমাকে প্রতিদিন আমিই কেন ডেকে উঠাবো?

সুহানা আন্টির বলা কথায় কি বলব ভেবে পাচ্ছি না।সোফার উপরে টাঙ্গানো দেয়াল ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখি সবেমাত্র সাতটা বাজতে চলল।এতেই কি খুব বেশি দেরি করে ফেলেছি আমি?সুহানা আন্টির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বললাম,
-সবে তো সাতটা বাজে!
-আমার সাথে তর্ক করছে মেয়েটা দেখ ইয়াদ।

ইয়াদের দিকে ঘুরে বলল।আমি অবাক হয়ে গেলাম কখন তার সাথে তর্কে জড়ালাম?আমি মাথা নিচু করে অনুনয়ী হয়ে বললাম,
-আমি কোন তর্ক করছি না আন্টি।আর যদি ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা করবেন।

সুহানা বেগম মুখ ছিটকে নিল।ইয়াদের দিকে তাকিয়ে বলল,
-নিচে এসে নাস্তা বানাতে হবে যলদি চলে এসো।

বলে চলে গেলেন।আমি ধপ করে বিছানায় বসে পরলাম।এ কেমন শ্বাশুড়ি জুটলো কপালে?নাহ আমিই নিজ ইচ্ছায় জুটিয়েছি এমনটা তো হবেই।ইয়াদ আমার কাছে এসে দাড়ালো কিছু বলতে যাবে তার আগে আমি উঠে দাড়ালাম।
-হুম জানি সময় মতো যেতে হবে আমি যাবো।

বলেই ওয়াশ্রুমে চলে গেল ফারাহ।ইয়াদ কিছু বুঝে উঠার আগেই ফারাহ তার সামনে থেকে গায়েব হয়ে গেল।ইয়াদের কার বলা কথায় যে ফারাহ এতটা আঘাতপ্রাপ্ত হবে তা জানলে ইয়াদ কখনো এরকম কথা মুখ দিয়ে বেরুই করতো না।ইয়াদের করা ভুলে সে খুবিই দুঃখিত।

কিছুক্ষন পর ফ্রেশ ট্রেশ হয়ে বের হলাম।রুমে ঢুকে আমি পুরোই অবাক আমি কি অন্য কারো রুমে আছি?নাকি নিজেদের রুমেই?পুরো রুম খুবিই সুন্দরভাবে গোছানো।কিছুক্ষন আগেই তো এলোমেলো ছিল পুরো রুম মিনিটের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে গেল?বিছানার চাদর একদম টানটান করে বেছানো একটা যায়গা দিয়ে কুচকানো নয় ফ্লরটাও সাফসুতরা লাগছে।ইয়াদ সোফার কুশন ঠিক করছে আমাকে দেখে এক চিলতে হাসি একে বলল,
-সব ঠিক ঘরের এখন তুমি বিন্দাস নিচে যেতে পারো।

আমার মনটা অটোমেটিক খুশি হয়ে গেল।বাহ কি চমৎকার একজন পুরুষ উনি কত্ত সুন্দর ভাবে স্ত্রীর সহয়তা করেছে।আমিও পুনরায় একখানা হাসি দিয়ে চলে যেতে নিলে ইয়াদ আটকে দেয়।
-ফারাহ,,কাল বলা কথার জন্য সরি।আসলে আমি সেইভাবে বলতে চাইনি।

আমি ঘুরে ইয়াদের দিকে তাকিয়ে ঠোঁটের কোনে হাসির রেখা ফুটিয়ে বললাম,
-আমি যা করেছি তার কাছে সেই কথাটা সামান্য মাত্র।আর হ্যা রাত গাই বাত গাই।

বলে সব হাত বের করে একটা হাসি দিলাম।আমার কথা শুনে ইয়াদও যেন এইবার খুশি হলো সেও একটা হাসি দিল।উফফফ আবার সেই টোল পরা হাসি আমি বরাবরের মতো পুরোই ফিদা হয়ে যাই।
মনের আনন্দে সিড়ি বেয়ে নামছি আজ কেন যেন সকাল সকাল বেশ খুশিই লাগছে ইয়াদের টোল গালের হাসি দেখে প্লাস তার করা প্রত্যেকটা পদক্ষেপে আমাকে সহয়তা করার কারনে।নিচে নামতেই আমার শ্বাশুড়ি আম্মার রাগান্বিত মুখশ্রী দেখে মুহুর্তেই আমার হাসি মিলিয়ে গেল।আমাকে দেখে আন্টি আমার কাছে এসে দাড়ালো।আমি চুপচাপ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছি তার বলা কথা শুনার জন্য।সে গম্ভীর গলায় বলল,
-আজ হালুয়া আর রুটি খাবো
-আচ্ছা।

আমি রান্নাঘরে যেতে নিলে আবার পেছন থেকে আন্টির ডাক পরলো,
-বাকিজন অন্য কিছুও খেতে পারে।

আমি ঘুরে তাকালাম বাকিজন অন্য কিছুও খাবে?
-কি খাবে?
-আমি কি জানি!

বলে সে আয়েশ করে সোফায় বসলো।আমি হাবলার মতো রান্নাঘরে গেলাম।রুটি হালুয়া বানিয়ে হাপিয়ে উঠেছি কখনো রান্না করা হয়ে উঠেনি এই প্রথম চেষ্টা করছি আল্লাহ জানে কি পরিনাম হয়।
তখন বাজে আটটা প্রায় একঘন্টা লেগেছে আমার রান্নায়।টেবিলে আন্টির জন্য হালুয়া আর রুটি রেখে তাকে ডাক দিলাম।সে সোফায় বসে বসে কার সাথে যেন কথা বলছিল আমার ডাকে উঠে এসে বসলো।এতক্ষনে সোনিয়াও উঠে চেয়ারে বসেছে খেতে।হালুয়া দেখে মুখ ছিটকে নিল।
-আম্মু হালুয়া বানিয়েছ কেন?আমি এইটা খাই না জানো না?

আংকেল পুরো অফিসের জন্য রেডি হয়ে এসে বসলো উনিও হালুয়া দেখে কেমন যেন মুখ বানালো।
-হালুয়া হয়েছে আজ সকালে?
-হুম ফারাহ বানিয়েছে।

এতক্ষনে ইয়াদও এসে বসেছে চেয়ারে।আমি বানিয়েছি শুনে সবাই এখন আমার বানানো হালুয়া টেস্ট করবে কেমন হয়েছে।আমার হাত পা কাপাকাপি শুরু করে দিয়েছে শ্বশুর বাড়িতে এই প্রথম রান্না আমার যদি সুনাম না হয় তাহলে শেষ আমি।
প্রথমে শ্বশুর মশাই মুখে দিল হাসি নিয়ে মুখে দিতেই কেমন যেন মুখ বানালো পরক্ষনেই হেসে উঠলো।
-হুম মজা হয়েছে।

এক এক করে সবাই টেস্ট করলো।সবাই মজাই বলল কিন্তু আমার শ্বাশুড়ি আম্মার যেন সহ্য হলো না প্লেট কিছুটা দূরে ছি*টকে সরিয়ে মুখ ঘুরিয়ে বলল,
-এইটা কেমন হালুয়া হলো?লবন দিয়েছ এত্ত?

আমি যা ভয় পাচ্ছিলাম তাই হলো আমি লবন চিনি স্বাদ পরিমান দিতেই পারিনা।এর জন্যই গন্ডগোলটা বেধেছে।আমি কাপাকাপা গলায় বললাম,
-আমি তো চিনিও দিয়েছি।
-লবনের স্বাদে যেন চিনি পুরো ডুবেই গিয়েছে।

ইয়াদ এক টুকরো মুখে পুড়ে সুহানা বেগমের উদ্দেশ্যে বলল,
-এতটাও খারাপ হয়নি যত তুমি বলছ।

সোনিয়াও ইয়াদের সাথে একিই সম্মতি জানালো।সুহানা আন্টি খাবার টেবিল থেকে উঠে গেল। আমার চোখ দিয়ে এক ফোটা জল গড়িয়ে পরলো।সত্যিই আমি এতটাই অপছন্দের তার কাছে?আমার সব কাজিই তার কাছে অপছন্দের হয়ে যায়।মনটা ভিষণ রকমের খারাপ হয়ে গেল।

ইয়াদ ফারাহর গম্ভির মুখশ্রী দেখে মোটেও ভালোলাগলো না।প্রশংগ পালটে বলল,
-আজ যাবে না পার্লারে?

সোনিয়া জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে বলল,
-কেন?
-নাক ফুরাবে ফারাহ।

সোনিয়া এক্সসাইটেড হয়ে বলল,
-ওয়াও সত্যি?আমিও যাবো তোমাদের সাথে।
-ঠিক আছে।

রাসেল শেখ অফিসের জন্য রওনা হলো ফারাহ উপরে গেল রেডি হতে।ইয়াদ আম্মার কাছে গেল।
-আসবো?

দরজা নক করে বলল।সুহানা বেগম বিছানায় পা এলিয়ে কমিক পরছিলেন ছেলের আওয়াজ শুনে ভিতরে আসতে বলল।ইয়াদ মায়ের কাছে বসলো।
-কিছু তো খাওয়া হলো না বাহিরের থেকে কিছু এনে দিব?

সুহানা বেগম নরম কন্ঠেই ছেলের সাথে কথা বললেন,
-নাহ খিদে মিটে গেছে।

ইয়াদ সুহানা বেগমের হাত নিজের হাতের মুঠোয় আবদ্ধ করে বলল,
-কেন এমন করো মেয়েটার সাথে?
-আমি কোথায় কেমন করছি?এইসব ওর করা ভুলের শাস্তি স্বরুপ।
-ঠিক আছে ভুল হয়েছে কিন্তু মানিয়ে নেওয়া কি যায় না?
-তুই মেনে নিয়েছিস?

ইয়াদের দিকে তাকিয়ে বলল সুহানা বেগম।ইয়াদের চোখ নামিয়ে বলল,
-চেষ্টা তো করাই যায়।

সুহানা বেগম ছেলের মুখ থেকে এইরুপ উত্তর মোটেও আশা করেননি।হাত ছেড়ে বলল,
-আমি পারবো না।

ইয়াদ সুহানা বেগমের সাথে আর কথা বাড়ালো।আম্মা যখন রেগে আছে আর কথা বাড়িয়ে লাভ নেই।উঠে যেতে নিলে আবার ঘুরে বলল,
-ওকে এখন পার্লারে নিয়ে যাবো?
-যাহ।

ইয়াদ হাত ঘড়ির দিকে বারংবার তাকাচ্ছে আর সিড়ির দিকে ফারাহ এখনো নামছে না।সেই কখন গেল রেডি হতে আজিই কি সব রেডি হয়ে ফেলবে নাকি?ইয়াদ কিছুটা বিরক্তিও হচ্ছে অফিসের জন্য দেরি হয়ে যাচ্ছে এখনি বুঝি বাবা ফোন করে ঝাড়ি দিবে অফিসে আসার জন্য।
কিছুক্ষন পর ফারাহ সিড়ি বেয়ে নামলো লাল রঙের একটা থ্রিপিস পরে চুলগুলো ঝুটি করে সামনের কাটা চুলগুলো বের হয়ে আছে।ফারাহ নিচে এসে ইয়াদের কাছে দাড়ালো।ইয়াদ এতক্ষনের বিরক্তি মুখ মিনিটের মধ্যেই ঠিক হয়ে গেল ফারাহকে দেখে।সোনিয়া আসলেই তারা বেরিয়ে পরলো পার্লারের উদ্দেশ্য।কিছুক্ষন পর একটা নামি-দামি পার্লারের সামনে এসে থামলো।সোনয়া প্রায়ই রিভিউ দেখে এই পার্লারের তাই আজ নিয়ে আসলো তাদের।

আমার বুক ঢিপঢিপ করছে কেন যেন মন সায় দিচ্ছে না এইসবে।কোন দরকারী যেন ছিল না এইসবের।অযথা সব আজেইরা কাজ কাম।দুরুদুরু মনে ভিতরে ঢুকলাম।জেন্স এলাউ নেই লেডিস পার্লারে তাই ইয়াদ বাহিরেই রয়ে গেল।আমি আর সোনিয়া ভিতরে গেলাম।সোনিয়া কথা বার্তা বলে আমাকে এক চেয়ারে বসালো।আমার বুক খুবিই ফাস্ট দৌড়াচ্ছে মনে হচ্ছে আমার দম হয়ে যাবে এক্ষুনি আমি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করবো।পার্লার মহিলাটি একটা পিস্তল টাইপ বের করলো এইটা দিয়েই নাকি ফুরানো হয়।আমার আত্না পাখি ফুরুত করে যেন উড়ে গেল আমি শেষ আজ।পার্লার মহিলা সব রেডি করছে আমি ভয়ার্থ চেহারায় সোনিয়ার দিকে তাকালাম।সোনিয়া আমাকে শান্তনা স্বরুপ বলল,
-কিচ্ছু হবে না ভাবী ইজিলি হয়ে যাবে।

জানি সোনিয়া আমাকে ঠান্ডা করার জন্য এমনটা বলছে।কিন্তু কষ্ট তো একমাত্র সহ্য করবো আমিই আর কে করবে।যেই মহিলাটা সামনে আনলো আমি জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলাম।তার হাত দূরে ফেলে দেই আবার দ্বারা একদমিই হচ্ছে না।অবশেষে সোনিয়া মহিলাটির থেকে পার্মিশন নিয়ে ইয়াদকে ভিতরে ঢুকালো।ইয়াদ অবাক হয়ে চেয়ারে বসে থাকা ফারাহর দিকে তাকালো।
-এখনো হয়নি?আমি তো ভেবেছিলাম শেষ?

সোনিয়া ঠাট্টা মেরে বলল,
-ভাবী যেই ভীতু এখন পর্যন্ত টার্চই করতে দিচ্ছে না।

আমি ইয়াদের দিকে নাক মুখ কুচকে তাকালাম।ভেবেছিলাম সে আমার মুখ দেখে বলবে থাক আজকে বাদ দেই কিন্তু না সে উলটো মহিলার উদ্দেশ্য বলল,
-আপনি যলদি করুন আমি ধরছি।

বলে আমার হাত ধরলো আমি ইয়াদের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি।তার কি এইটা বলা খুব জরুরি ছিল?আজ না করলেই হতো!!মহিলাটি খট করে বসিয়ে দিল আমার নরম তুলতুলে নাক টার মধ্যে।ইয়াদের ধরে থাকা হাতটার মধ্যে সজোরে আমার মাঝারি সাইজের নখ বসিয়ে দিলাম।চোখ খিচে বন্ধ করে রেখেছি।মহিলাটি কিছুটা দূরে গিয়ে হেসে হেসে বলল,
-আপনার স্ত্রীকেই প্রথম দেখলাম বাচ্চাদের মতো ভয় পায়।

আমি তখনো চোখ খুলতেই পারছি না।ইয়াদের হাত শক্ত করে খামচে ধরেই আছি।সোনিয়ার হাল্কা ধাক্কায় চোখ মেলে তাকালাম।বরাবর আয়নার দিকে তাকিয়ে আমার নাকে একটা নোসপিন দেখে ভালোলাগলো।নিজেকে সুন্দর লাগায় এতক্ষনের ভয় ভীতি সব ভুলে গেলাম।ইয়াদ হাল্কা কেশে বলল,
-আমার হাতটা ধরেই রাখবে আজ?

আমি দ্রুত হাতের দিকে তাকিয়ে ছেড়ে দিলাম।ইয়াদ হাত ছাড়া পেয়ে যেন প্রচুর সুখি।হাতটাকে ঝারা দিল কয়েকবার হয়ত খুব বেশি জোরেই ধরেছিলাম।নিজের কাছেই খারাপ লাগলো জিনিসটা।ইয়াদ টাকা শোধ করে আমরা তিনজন বের হলাম।আমার নাক এখনো কেমন হাল্কা হাল্কা জ্বলছে।সাইড থেকে সোনিয়া হেসেই যাচ্ছে।
-ভাবী কি কান্ডটাই না করলো।পুরোই বাচ্চাদের মতো করলে।

আমি মাসুম মুখ করে তাকিয়ে রইলাম।ইয়াদ গাড়িতে বসে এক হাত দিয়ে ড্রাইভ করছে আরেক হাতে ফু দিচ্ছে যেই হাত এতক্ষন আমি ধরে ছিলাম।জিনিসটা লক্ষ্য করতেই আমি দেখতে চাইলাম কি হয়েছে।ইয়াদ তার হাত আমার দিকে এগিয়ে দিল।আমি হাত ধরে ফেলফেল করে তাকিয়ে রইলাম।সত্যি আমি করেছি?পুরো নখ বসিয়ে দিয়েছি হাতে কিছুকিছু অংশ কেটেও গেছে রক্ত বের হচ্ছে।আমার অনেক গিলটি ফিল হচ্ছিল।ইয়াদের হাত দেখে প্রায় কাদার প্রলাপ।ইয়াদ হাত সরিয়ে বলল,
-তেমন কিছু না।
-আম সরি।

ছলছল চোখে ইয়াদের দিকে তাকিয়ে বললাম।ইয়াদ এক পলক আমার দিকে তাকিয়ে আবার সামনে তাকিয়ে বলল,
-আরে তেমন কিছুই হয়নি মলম লাগালে ঠিক হয়ে যাবে।

আমি অসহায় মুখশ্রী নিয়ে ইয়াদের দিকে তাকিয়ে রইলাম।

চলবে,
(ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।)