#ভালোবাসার_মৌসুম
#Aroshi_Jahan_Isha
পর্ব:১৫
সময় হচ্ছে নদীর স্রোতের মতো বহমান, কারো জন্য দিন ক্ষন থেমে থাকে না।প্রকৃতির নিয়মে চলতে থাকে।এই তানিশার মৃত্যুর আজ তিন মাস পেরিয়ে গেছে।মাইরার HSC পরিক্ষা শেষ হয়েছে।
এই তিনমাসে মাইরার আর তন্ময়ের সাথে দেখা হয় নি। ছোট্ট একটা বাসা নিয়েছে,যদিও মাইরার সাথে আরও একটা মেয়ে থাকে,নাম তার মাইশা মেয়েটা অনার্স ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। বেশ ভালো মাইরার সাথে সবসময় আগ বাড়িয়ে কথা বলে।
মেয়েটার পরিবার নেই,ছোট্ট বেলা থেকে এতিম খানায় বড় হয়েছে।তাই হয়তো মাইরার কষ্ট টা অনুভব করতে পারে।
মাইরা আসো না আজ আমরা একসাথে ডিনারে যাই,নীলিমা কে বলে দিচ্ছি ও আসবে!
মাইশা আপু তুমি যাও আমার ভালো লাগছে না!
“মাইশা মাইরার গালে হাত রেখে আদুরে কন্ঠে বললো,
আমাকে তোমার বড় বোন মনে হয় না মাইরা,এই তো তোমার আর আমার নামের কতো মিল,আমি মাইশা আর আমার মেলায় হারিয়ে যাওয়া বোন মাইরা বলেই দাঁত বের করে হাসলো।
” মাইরা ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলো মাইশার পানে মেয়েটা বেশ মিশুক যখন তখন হাসতে থাকে।কখনো তার সামনে মন খারাপ করে থাকা যায় না।কি দারুণ তার প্রতিভা সবাইকে হাসাতে জানে।
_কি হলো কি ভাবছো মাইরা?
ক-কই কিছু না তো আপু,আমি রেডি হয়ে আসছি তুমি নীলিমাকে বলে দেও চলে আসতে।
হুম জলদি যাও,
নীলিমা ছাঁদে দাঁড়িয়ে আহিরের চিন্তায় মগ্ন ছিলো,আজকাল তেমন দেখা হয় না।সেই সপ্তাহ খানেক আগে দেখা হয়েছিলো মানুষটার সাথে আর দেখা হয় নি।আর আহ্লাদী মেয়েটা কি আদুরে, দেখলেই চুম্মা দিয়ে খেয়ে ফেলতে মন চায়,
ইশ আহির স্যারের DNA এতো সুন্দর, ভাবতেই লজ্জা লাগলো নীলিমার।
এমন সময় নূরানি দৌড়ে ছাঁদে এলো,নীলিমার পানে ফোন বাড়িয়ে দিয়ে বললো,এই নেও মাইরা আপুর রুমমেট মাইশা আপু কল দিয়েছে।
নীলিমা ফোন কানে দিয়ে সালাম দিলো, অতঃপর ভালো মন্দ জিজ্ঞেস করলো,
তুমি কিন্তু চলে এতো নীলিমা নূরানি কে সাথে এনো কেমন!
__আচ্ছা আপু আমি এক্ষুণি রেডি হয়ে আসছি।
____
ব্যস্ত ঢাকা শহরের কোলাহল পেড়িয়ে খানিকটা দূরে একটা ছোটখাটো কফিশপ,
কফিশপে কর্ণারে থাকা টেবিল টা বুক করে বসে আছে জাহিদ,মুখে তার বিরক্ত বার বার হাতে থাকা ঘড়ির কাঁটায় সময় দেখছে গুণে গুণে ২ ঘন্টা ধরে বসে আছে।অথচ নাতাশার দেখা নেই আর না তো তন্ময়। দুজনেই কোথায় আছে কে জানে।
সরি সরি জাহিদ, তোমায় এতোক্ষণ অপেক্ষা করানোর জন্য। তন্ময় কই ও আসে নি?কথা শেষ করতে করতে চেয়ার টেনে বসলো নাতাশা।
জাহিদ রেগে কটমট করতে করতে বললো,এই নাতাশা তুমি আর ভাই কি পেয়েছো হু আমাকে দুই ঘন্টা যাবত বসিয়ে রেখোছো!
__বললাম তো বাবা সরি,তন্ময় কই?
ভাই আসছে বললো তো”
নাতাশা ব্যাগ থেকে ফোন বের করে কল লাগালো তন্ময়ের ফোনে, তবে ততোক্ষণে তন্ময় তাদের সামনে এসে বসলো,
_জাহিদ তন্ময়ের পিঠে দুটি ঘুসি দিয়ে বরলো,কোথায় ছিলি ভাই আমার?
“অফিসে মিটিং ছিলো,এটেন্ড করতে হয়েছে।
ও আচ্ছা। এসেছিস এতেই শান্তি,এবা,,,,,,
কথা শেষ করার আগেই গায়ে গরম কিছু পড়তেই জাহিদ চিৎকার দিয়ে ওঠলো,
ওরে আমার মা পুড়ে গেলাম তো!হায় আল্লাহ আমার একমাত্র বউ এর সম্পদে কে গরম পানি ঢেলে দিলো,বাবা গো পুরে গেলো!
মাইশা হকচকিয়ে গেলো, পরিস্থিতি বুঝত পেরে জিভে কামড় দিলো,দৌড়ে জাহিদের বুকে লেগে থাকা গরম কফি টিস্যু দিয়ে মুছতে মুছতে বললো,
I’m sorry, আমি একদম দেখতে পাই নি!উফ খুব লেগেছে তাই না।দেখি দেখি কোথায় পুরেছে!কতোটা পুড়েছে!আচ্ছা খুব জ্বলছে তাই না,হ্যাঁ আমি জানি খুব জ্বলছে।দাড়ান ঠান্ডা পানি দেই,মাইশা টেবিল থেকে পানি নিয়ে জিহাদের বুকে ঢেলে দিলো,
জিহাদ তীক্ষ্ণ কন্ঠে কিছু বলতে যাবে তার আগেই দৃষ্টি গেলো বকবক করতে থাকা মাইশার পানে,ফর্সা দেখতে সিল্কি কাঁধ সমান চুল গুলো ঝুঁটি করা।পড়নে নীল লং স্কার্ট আর সাদা কুর্তি।কপালে দুই একটা ক্ষুদ্র ব্রণ,ঠোঁটের নিচে কুচকুচে কালো একটা ছোট্ট তিল।আর হ্যাঁ মাঝ কপালে বাঁকা কাটা দাগ।মেয়েটা শুধু বকবক করছে জিহাদে দারুণ লাগলো চঞ্চল মেয়েটাকে।
নাতাশা আর তন্ময় দ্রুত জিহাদের সামনে এলো,
কি রে তুই ঠিক আছিস?
_জিহাদ তন্ময়ের পানে চেয়ে বললো,no bro আমি একদম ঠিক নেই,
তন্ময় ভাইয়ের পানে চেয়ে ভ্রু কুঁচকে রইলো।
মাইশা ফের বললো,দেখি কোথায় লেগেছে,ইশ পুরে গেছে বোধহয়!
জিহাদ শান্ত কন্ঠে বললো, হ্যাঁ পুড়ে গেছে খুব জ্বলছে! বিষন জালা করছে,
” মাইশা চিন্তিত হয়ে শুধালো ”
কোথায় জ্বলছে?
জিহাদ চোখ বন্ধ করে মৃদু হেসে বুকের বা পাশে হাত দিয়ে বললো,
এখানে মেয়ে,তুমি সারিয়ে দিতে পারবে!
মাইশা ভ্রু কুঁচকে বললো, আমি কি করে সারিয়ে দিবো।আপনি বরং ডাক্তার দেখান,আমার জন্য আমার বোন দাঁড়িয়ে আছি,আমি যাচ্ছি।
“যেতে গিয়েও থেমে গেলো মাইশা ব্যাগ থেকে দুটো দুটো হাজার টাকার নোট বের করে জিহাদের হাতে ধরিয়ে বললো,ডাক্তার দেখিয়ে নিবেন!বলেই দৌড়ে চলে গেলো।
জিহাদ হাক ছেড়ে ডাকলো তবে মেয়েটা বোধহয় শুনলো না, জিহাদ এবার বেশ বড় করে বললো,
__নাম কি তোমার মেয়ে?
মাইশা দাড়ালো পিছু ফিরে চাইলো শান্ত কন্ঠে বললো,
___আমি মাইশা,এখন বায় আমাকে যেতে হবে।
জিহাদ আবারও ডাকলো,তবে মেয়েটা আর দাঁড়ালো না দৌড়ে চলে গেলো,জিহাদ ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইলো।
জিহাদ তুমি মেয়েটাকে কিছু বললে না।
” জিহাদ নাতাশার পানে চেয়ে মৃদু হেঁসে বললো, pretty girl কি করে কিছু বলি বলোতো?
নাতাশা বোধহয় বিরক্ত হলো,তন্ময়ের পানে চেয়ে বললো, তন্ময় চলো এবার যেতে হবে।
তন্ময় হ্যাঁ জানালো,
জাহিদ মিটমিট করে একা একা হাসছে।তন্ময় জাহিদের পেটে গুঁতো মেরে বললো,ভাই চল এখন!
জাহিদ হাসতে হাসতে গান ধরলো,
❝দুধে আলতা গায়ের বরণ
রুপ যে কাঞ্চাসোনা❞
আচল দিয়া ঢাইকা রাখো
চোখ যেনো পড়ে না,
(বাকিটা নিজ দায়িত্বে শুনে নিবেন)
________
মাইশা আপু ছেলেটা তোমাকে কিছু বলে নি?
মাইশা হাসতে হাসতে মাইরার কাঁধে হাত রেখে বললো,
জানো মাইরা আমি ভেবেছিলাম ছেলেটা আমাকে বকবে,কিছু তীক্ষ্ণ কথা শুনিয়ে দিবে।তবে ছেলেটা কিছুই বললো না।কি আজব তাই না?
নীলিমা ঠোঁট টিপে হাসলো, অতঃপর মাইশার পানে চেয়ে বললো,আপুই ডাল মে কুচ কালা হে!
মাইশা কপাল কুঁচকে বললো” মানে!
__মানে ওনি তোমার প্রেমে পড়েছে!
মাইশা চোখ বড়ো বড়ো করে নীলিমার পানে চেয়ে বললো,কিহহহহ!
হ্যাঁ আপু তাই তো মনে হচ্ছে।
মাইশা খানিকটা লজ্জা পেলো,ধমক দিলো নীলিমাকে,
পাজি মেয়ে চুপ করো,আমি না তোমার বড় আপু!
নীলিমা চুপ করে মাইরার পানে চাইলো, মেয়েটা চুপচাপ শুনছে,মুখে হাসি নেই।কোনো আনন্দ নেই।গত তিন মাস ধরে মেয়েটা এমন-ই হাসে না আগের মতো,
নীলিমা সামনে আইসক্রিম ওয়ালা কে দেখে বললো,মাইশা আপু চলো আইসক্রিম খাই!
মাইশা ঠোঁট ভেজালো জ্বিব দিয়ে,হুম চলো খাই,এই মাইরা তোমার জন্য কি আইসক্রিম নিবো।
মাইরা মলিন মুখে বললো,তোমরা যা খাও তাই এনো।
নীলিমা দৌড়ে আইসক্রিম ওয়ালার কাছে গেলো,
মাইরা আর মাইশা দাঁড়িয়ে আছে,মাইশার দৃষ্টি তখন আইসক্রিমের দিকে।
মাইরা রাতের শহর দেখছিলো,হুট করে মাইশা’কে ধাক্কা দিলো,আর চিৎকার দিয়ে বললো,
মাইশা আপু সরোও,,,,,,,,,
মাইশা পিচ ঢালা রাস্তায় গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়লো,নীলিমা ভরকে গেলো,পিছু ফিরে চাইলো,
মাইরা আবারও চিৎকার দিলো,
আহহহহহহ,হায় আল্লাহ, পুড়ে যাচ্ছে, আল্লাহ ঝলসে যাচ্ছে, আহহহহ বাঁচাউ কেউ পুরে যাচ্ছে! দু’হাতে চিবুক আর গলা ধরে আছে।
নীলিমার হাতের আইসক্রিম পিচ ঢালা রাস্তায় গিয়ে পড়লো,মাইশা দৌড়ে মাইরা”র কাছে এলো,মেয়েটা রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছে। আর আর্তনাত করছে।নীলিমা চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে মাইরা”র পাশে বসলো তবে ছোঁয়ার সাহস পেলো না।
আহহহহ খোদা পুরে যাচ্ছি,আল্লাহ বাঁচাউ আল্লাহ,মা কোথায় তুমি তোমার মেয়ে ঝলসে যাচ্ছে মাআআআআ়,,মেয়েটা পিচ ঢালা রাস্তায় গড়াগড়ি খাচ্ছে।
মাইশার আর বুঝতে বাকি রইলো না,এসিড ছোড়া হয়েছে, হু হু করে কেঁদে ওঠলো, মাইরা”র মাথা কোলে তুলে নিলো,
নীলিমা জলদি পানি নিয়ে এসো,
নীলিমা দৌড়ে আশেপাশে গেলো,না জায়গাটা নির্জন হওয়ায় কোনো দোকান পাট নেই আশেপাশে কোনো মানুষ নেই নিজেকে বড্ড অসহায় মনে হলো,ফুপিয়ে কেঁদে ওঠলো, চোখের সামনে ভেসে ওঠলো, মাইরার আর্তনাত,আর ঝলসে যাওয়া চিবুকের নিচ আর গলা আর বুকের বা পাশ হাতের বাহু।নিজেকে সামলে নিলো দৌড়ে কফিশপের দিকে গেলো।
তন্ময়, নাতাশা আর জিহাদ মাএ কফিশপ থেকে বের হচ্ছিলো,
তন্ময়ের চোখ নীলিমা পানে যেতেই খানিকটা অবাক হলো,মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে দৌড়ে আসছে,কিন্তু কেনো?জিহাদ আর নাতাশাও সেদিকে তাকালো,
নীলিমা হুট করে থেমে গেলো, তন্ময় কে দেখে চিনতে পারলো,সব অভিমান ভুলে কাঁদতে কাঁদতে তার সামনে এসে দাড়ালো, হুট করে তন্ময়ের পা ধরে বললো,
“ভাইয়া প্লিজ বাঁচান ওকে, ও মরে যাচ্ছে ওর খুব কষ্ট হচ্ছে, সবকিছু পুরে যাচ্ছে, ও খুব কষ্ট পাচ্ছে!
তন্ময় হকচকিয়ে গেলো, নীলিমা কে দাড় করিয়ে শান্ত কন্ঠে বললো,
রিলাক্স নিলিমা,শান্ত হয়ে বলো কি হয়েছে?
ভাইয়া মা-মাইরা কে কে জ-জেনো কথা শেষ করতে পারলো না মেয়েটা হেঁচকি তুলে কাঁদছে, শরীর টাও কাপছে, নাতাশা ধরলো মেয়েটাকে,
তন্ময়ে চিন্তা যেনো দ্বিগুণ হলো,মাইরা,মা’ইরার কি হয়েছে”
“কি হয়েছে মাইরা’র?তন্ময় স্বর খানিকটা কাঁপলো বোধহয়, নীলিমা নিজেকে সামলে নিয়ে বললো,
কারা যেনো এ-এসিড ছুড়েছে, ও খুব কষ্ট পাচ্ছে ভাইয়া খুব ছটফট করছে।খুব কাঁদছে!
তন্ময় দু পা পিছিয়ে গেলো, নীলিমা পানে চেয়ে বললো, কোথায় ও?
নীলিমা হাতের ইশারায় দেখালো,তন্ময় দৌড়ে ছুটলো সেদিকে,
নীলিমা জিহাদের পানে চেয়ে বললো, ভাইয়া পানি নিয়ে আসুন।
জিহাদ কফিশপের ভেতরে ছুটলো,
নীলিমা আর নাতাশা তন্ময়ের পিছু নিলো।
আপু বাঁচাও আমাকে, আহহহ খুব ব্যথা লাগছে, আপু আমাকে বাঁচাও!
মাইশা কাঁদতে কাঁদতে চেয়ে রইলো মাইরা” র পানে, কেমন ঝটফট করছে।
মাইরা ফের আর্তনাত করলো,ইয়া আল্লাহ আমাকে মেরে ফেলুন ,নাহয় সব যন্ত্রণা মুছে দিন! আমার যে আর সয্য হচ্ছে না খোদা।পুড়ে যাচ্ছি আমি আল্লাহ বাঁচান আমাকে!
তন্ময় দৌড়ে মাইরার সামনে এসে বসলো,বুকটা কেঁপে ওঠলো। ছোট্ট শরীরটা গুটিয়ে নিয়েছে মেয়েটা,গায়ে থাকা পিচ কালারে জামাটা কালসিটে আবরণ হয়েছে।।হৃদয়ে ব্যাথা অনুভব করলো,মাইরার আর্তনাতে চোখ বেয়ে অশ্রু গড়ালো,
জিহাদ নাতাশা নীলিমা ও এলো,মাইশা দ্রুত সব পানি ঢেলে দিলো মাইরার পুড়া জায়গায়।
তন্ময় জিহাদ কে ধমকে বললো,
জিহাদ ফাস্ট গাড়ি নিয়ে আয়,দ্রুত!
জিহাদ দৌড়ে গাড়ির দিকে গেলো,মিনিট দুই পরে গাড়ি নিয়ে এলো,মাইরাকে কোলে নিয়ে তন্ময় গাড়ির ব্যেক সিটে বসলো,তার সাথে মাইশা আর নীলিমা।জিহাদ গাড়ি ড্রাইভ করছে আর তার পাশে নাতাশা।
মাইরা আধো আধো তন্ময় কে দেখলো,দুইহাতে তন্ময়ের শার্ট খামচে ধরলো, কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললো,
আমার খুব কষ্ট হচ্ছে তন্ময়! আপনি প্লিজ সারিয়ে দিন,নয়তো আমার গলা দিপে মেরে ফেলুন।
তন্ময় মাইরার ঠোঁট চেপে ধরলো, তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললো,
Just stop it,একদম চুপ কথা বলবে না,কিচ্ছু হবে না তোমার বুঝলে, কিচ্ছু হতে দেবো না আমি!
মাইরা বোধহয় নিজের বৃক্ষ পেলো,তন্ময়ের বুকে হামলে পড়লো,হেঁচকি তুলতে তুলতে বললো,
আমার ভিষন কষ্ট হচ্ছে তন্ময়, খুব জ্বালা করছে,আমার সবকিছু পুড়ে যাচ্ছে আ,,,,,,
আর কিছু বলতে পারলো না মেয়েটা,চোখ বন্ধ করে নিলো,
মাইশা আর নীলিমা কাঁদতে লাগলো, তন্ময় মাইরার মাথায় আলতো চুমু একে ফিসফিস করে বললো,
চোখ খুলো বোকা ফুল, দেখো আমি আছি তোমার পাশে,প্লিজ চোখ খুলো,,,,,,
চলবে,,,,

