#Black_Rose?
#Season_03
#The_Dark_king_of_my_kingdom♚
#Part_07( wedding Special) ?
#Lamiya_Rahaman_Meghla
–মেঘ I love you. I love you transgresses the limits of everything. I’m willing to die a thousand times for you.
I really can’t live without you
Will you marry me?
আমান মেঘকে propose করেছে আজ পুরো ভার্সিটির সামনে হাটু গেঁড়ে হাতে একটা কালো গোলাপ নিয়ে।
মেঘের সত্যি এতো গুলা খুশিতে চোখে পানি চলে এসেছে।
এর মাঝে কেটে গেছে ২ মাস এই ২ মাসে মেঘ আর আমানের ভালোবাসা টা গভীর থেকে গভীর হতে থেকেছে। আজ মেঘ নিজেকে পৃথিবীর বুকে সব থেকে শুখি মানুষ মনে হচ্ছে৷
–হ্যা আমি বিয়ে করতে চাই আপনাকে আমিও ভালোবাসি আপনাকে সকল কিছুর উর্ধে।
মেঘ কথাগুলো বলেই আমানকে জড়িয়ে ধরে।
আমান আজ সত্যি তার মেঘকে পেয়ে গেছে।
এদিকে ভার্সিটির সবার সামনে তাদের বিয়ের কথা প্রকাশ হলো।
চাঁদনি খান ও মেঘকে নিজের পুত্র বধুর রুপে পেয়ে অনেক খুশি৷
আমান আর মেঘের বিয়ে ঠিক করা হয় ৫ দিন পর।
এই ৫ দিনে নানা অনুষ্ঠান চলবে,
মেহেন্দি, হলুদ,সঙ্গতি ইত্যাদি।
–দোস্ত আমি অনেক খুশি ফাইনালি আমান আর মেঘের বিয়ে উফ ভেবেই ভালো লাগছে।
–ধন্যবাদ দোস্ত। তোকে কিন্তু আজই আসতে হবে মনে আছে তো
–আরে আছে আছে আমি আসছি আজই আমার তো কাপড় গোছানো শেষ রওনা হচ্ছি এখন৷
–ওকে বাই বেব আলাবু।
–আলাবু তু৷
সময়ের সাথে সাথে মেঘ আর কেয়ার বন্ধুত্ব ও অনেক গভীর রুপ ধারন করেছে।
–আসসালামু আলাইকুম ভাবি৷
–ওলাইকুমাসলাম ঠিক,
–ঠিক চিনেন নি তো।
–হুম।
–ভাবি আমি আদহাম আমান ভাই এর এক মাত্র খালাতো ভাই।
–ওহ তোমাকে আগে
–আসলে ভাবি আমি বাইরে ছিলাম লন্ডন এখানে আমান ভাই এর বাবাও এক মাত্র সন্তান আর ছোট মা মানে আপনার শ্বাশুড়ি মা উনারা হলেন ২ বোন আমার মা বড়ো আর ছোট মা ছোট৷ আমি আর আমান ভাই এই পরিবারের ২ টা মাত্র ছেলে আমাদের রাজত্ব চলে আর কি। আমরা সবাই লন্ডন থাকি আমান ভাই এর বিয়ের কথায় এসেছি তাই এর আগে দেখেন নি৷
–ও আচ্ছা খালামনি কই৷
–এইতো আমি মা৷
–আসসালামু আলাইকুম খালামনি।
–ওলাইকুমাসলাম মাসআল্লাহ চাঁদনি হিরের টুকরা আামদের বৌমা৷
–হুম দেখতে হবে না পছন্দ কার(আমান)
–নেও হইছে আমার মেঘ মা এমনি সুন্দর। (চাঁদনি খান)
–?।
–আচ্ছা অনেক জার্নি করে আসছিস রেস্ট নে সকালে আবার সঙ্গিত এর অনুষ্ঠানে আছে।
–হ্যা তা ঠিক৷
সবাই সবার রুমে চলে এলো
★
রুমে এসে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাতের চুড়ি গুলা খুলছি আর গুন গুন গান গাইছি। এমন সময় হটাৎ কেউ এসে আমাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে৷ তার পার্ফিউমের স্মেল জানান দিচ্ছে সে কে তাই আমি কিছু না বলেই চুপচাপ চুড়ি খুলছি৷
–সুইটহার্ট এতো জলদি আমার স্পর্শ চিনে ফেলেছো।
–হুম৷
আমান এবার মেঘের চুলে নাক ডোবায়৷
–বিয়ের পর কষ্ট হবে না বলো।
–অসভ্য ছেলে এখন জান এখান থেকে কেউ আসলে সমস্যা৷
–উহু তোমার চুলে অসাধারণ একটা ঘ্রাণ আছে মেঘ।
–মেঘ মা
–এই মা আসছে জান আপনি৷
–উহু৷
–আমান মা আসছে
–কি মা আসছে
–জান জলদি
আমান দরজার দিকে যেতে
–আরে মা দরজা দিয়ে আসছে আপনি ওদিক দিয়ে জান৷
–ওকে
আমান যেতে যেতে মেঘকে কিস করে যায়৷
–অসভ্য একটা
–কি বলিস মা৷ । –
–কিছু না মা কিছু লাগবে তোমার।
–না তেমন কিছু না এই দেখ কেয়া এসেছে। –আরে কেয়া।
আমি কেয়ার সাথে হাগ করলাম।
–হুম আমি ভাবছি তোরা আলাদা থাকবি কেন একি রুমে থাক৷
–হ্যা মা তাইলে তো ভালোই হয়৷
–আচ্ছা অনেক রাত হলো কেয়ার খাবার পাঠিয়ে দিচ্ছি খেয়ে ঘুমিয়ে পরো৷
–ওকে আন্টি ধন্যবাদ।
চাঁদনি খান চলে গেলেন।
–মেঘ আমি সত্যি অনেক খুশি৷
–আর তোকে এখানে দেখে আমি আরো খুশি??।
।
।
ওদিকে আাকাশের বাড়িতে,
–আকাশ অনেক হইছে তোমার অনেক শুনছি এবার আমি যা বলবো তাই হবে।
–মা রোজ মেঘের ছোট বোন আমি ওকে কি করে বিয়ে করবো৷
–আমি জানি না কি করে কি করবা কিন্তু বিয়ে তুমি করবা ব্যাস৷ আগামি ৫ দিনের মধ্যে তোমার বিয়ে রোজের সাথে মাইন্ড ইট।
কথাটা বলেই অনিলা বেগল ছেলের রুম ত্যাগ করলেন।
–অনিলা তুমি আাকাশের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছো। (আকাশের বাবা তুশার খান)
–তুমি লায় দিবা না ছেলেকে ওর সব সত্যি যেনে ওকে বিয়ে করার মতে এক মাত্র রোজই আছে আমি চাই আমার ছেলে শুখি হোক আর সেটা শুধুমাত্র রোজের হাত ধরেই হবে৷
–মেঘের মা বাবার সাথে কথা হইছে।
–হ্যা হইছে ওনারা বিয়ের ব্যাবস্থাতে আছে৷
মেঘের বাবাও চায় না ছেলেটা সারা জীবন একটা স্মৃতি আঁকড়ে বাঁচুক।
–হুম। তবে ছেলেটাকে ঠিক করতে গিয়ে তুমি রোজ মার জীবনটাকে না নষ্ট করে দেও৷
–বিয়ের পর সব ঠিক হয়ে যাবে তুমি দেখ৷
–তাই যেন হয়।
।
–আআআআআআ মা কেন বুঝতে পারছে না আমি মেঘকে ভালোবাসি রোজকে না৷ রোজকে আমার সাথে বিয়ে দিলে সারা জীবন ওকে কষ্ট ছাড়া আমি কিছুই দিবো না কথা দিলাম।
(রেগে চিল্লিয়ে আাকাশ বললো)
।
।
রোজদের বাসায়,
–আকাশ ভাই অবশেষে আমার ভালোবাসার মানুষ টাকে আমি পাবো কিন্তু উনিকি আমাকে মেনে নিবে?
–না না এক বার বিয়ে হলে আমি ওনাকে ঠিক গুছিয়ে নিবো৷ আই মিস উ আপুনি।
রোজ মেঘের ছবি আঁকড়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে যায়।
।
।
সকালে,
খান বাড়িতে,
পুরো বাড়ি সজানো হইছে আত্মীয় স্বজনে মো মো করছে বাড়িটা৷
কেয়া মেঘকে তৈরি করাতে ব্যাস্ত একটু পরি অনুষ্ঠান শুরু হবে।
কেয়া খুবই সুন্দর সাজাতে পারে তাই আলাদা করে কোন লোক ডাকা হয় নি।
হালকা গোলাপি রঙের একটা ফুলা লেহেঙ্গা পরানো হইছে মেঘকে সাথে গয়না৷
আর মেঘ এমনি সুন্দর সাজানোতে তাকে আরো বেশি সুন্দর লাগছে পুরোই গোলাপি পরি৷
কেয়া একটা মিষ্টি কালারের হালকা কাজের লেহেঙ্গা পরে সেও সুন্দর করে সেজে নেয়।
–কিরে তোদের হলো৷ (চাঁদনি খান)
–হ্যা আন্টি সব রেডি(কেয়া)
–মাসআল্লাহ তোদের দুজন কে পরির মতো লাগছে।
–ধন্যবাদ আন্টি৷
–চল নিচে আয়৷
–হুম আসছি।
কেয়া মেঘকে নিয়ে নিচে আসছে। আমান আর আদহামন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলো ওদের দুজন কে নামতে দেখে হা করে তাকিয়ে আছে৷ ওরা৷
আমানের তো মন চাইছে এক্ষুণি ছুটে গিয়ে মেঘের গালে চুমু বসিয়ে দিতে কিন্তু পরিস্থিতি তো আর তা মানবে না৷
আদহাম কেয়াকে দেখে চোখই সরাতে পারছে না৷ ওর কাছে মনে হচ্ছে পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর এই মুহুর্তে কেয়া৷
–ভাই বিউটিফুল। (আদহাম কেয়ার দিকে তাকিয়ে)
–হু। (মেঘের দিকে তাকিয়ে)
–ভাই মেয়েটা কে?
–আমার বৌ আর কে৷
–আরে ভাই ভাবির পাশের মেয়েটা৷
–ওহ কেয়া মেঘের বেস্টু।
–ওহ (তাইলে তো সব ক্লিয়ার আমার মনে মনে)
চলবে,
(ভুল ত্রুটি হতে পারে বানান এর তার জন্য অগ্রিম ক্ষমা প্রার্থি।)