#Mental_Lover
পর্ব:২০
#লেখিকা_ফারহানা_নিঝুম
_________________________________
আরিয়ান: ইশিতা,, তুমি কোথায় ছিলে এত দিন,,জানো আমি তোমাকে কত জায়গায় খুঁজে বেরিয়েছি।
ইশিতা:এক সেকেন্ড,, আমার মনে হয় আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে, আপনি যাকে ভাবছেন আমি সে নই।
আরিয়ান: কি পাগলের মত বলছ,, তুমি আমাকে চিনতে পারছ না, আমি আরিয়ান,,,।
নিরব আরিয়ানের কেবিনে আসে।এসে আরিয়ানের মত ইশিতা কে দেখে চমকে যায়।
নিরব: ইশিতা,, তুমি।
ইশিতা:এক সেকেন্ড,, আমি ইশিতা, কিন্তু আপনারা যাকে ভাবছেন সে না।
আরিয়ান:দেখ, ইশিতা এসব মজা একদম ভালো লাগছে না।,,,,,,
নিরব: আরিয়ান,,,,,।
আরিয়ান:দেখ,ও কি বলছে এসব।
ইশিতা:আরে,,, আমি তো এখানে ইন্টারভিউ দিতে এসেছিলাম কিন্তু এখন তো মনে হচ্ছে,,,,যাই হোক আমি চললাম।
বলেই ইশিতা চলে যায়।
আরিয়ান:নিরব ও চলে যাচ্ছে।
নিরব: তুই দাঁড়া,,।
আরিয়ান:আরে কি করছিস ছাড় আমাকে,,ও চলে গেল,,।
নিরব:হতেও পারে ওই মেয়ে ইশিতা নয়।
আরিয়ান: মানে,,,।
নিরব:দেখ হতে ও দেখতে ইশিতার মত, কিন্তু আসলে ইশিতা নয়।
আরিয়ান: কি আ*জে*বা*জে কথা বলছিস। একজন মানুষ কি করে একদম আরেক জন এর মত দেখতে হয়।
নিরব: আচ্ছা ঠিক আছে,,মেনে নিলাম ও ইশিতা, কিন্তু তোকে চিনতে পারল না কেন।
আরিয়ান: জানি না,, তুই এক কাজ কর ওর সম্পর্কে সব ডিটেল বের কর । ইশিতা এমন করছে কেন কারণ কি,, আমাকে জানতেই হবে।
নিরব: ঠিক আছে, আমি ওর সব ডিটেল বের করে তোকে দিচ্ছি,, আপাতত তুই একটু শান্ত থাক,দেখ এত দিন যখন অপেক্ষা করতে পারলি আরো কিছু দিন কর ।
আরিয়ান: হুম,,,।
নিরব চলে যায়, আরিয়ান তাকিয়ে দেখে মেয়েটি নিজের ফাইল ফেলে গেছে। আরিয়ান ফাইল হাতে নিল,,আর কিছু একটা ভাবল।
____________________________________
ইশিতা:দেত, ভালো লাগে না চাকরি টা তো পেলামই না, তার উপর আরেকটা ঝা*মে*লা।আজব তো, আমি ইশিতা ঠিক আছে কিন্তু ওনারা কি আমাকে নিয়ে এত টা*না*টা*নি, ব্যাপার টা বুঝতে পারলাম না।যাই হোক এখন বাড়ি যাই না হলে মনি চিন্তা করবে, কি*ন্তু গিয়ে কি বলব।মনি এসব শুনলে আবার চি*ন্তা করবে,তার পর বলবে তোকে কাজ করতে হবে না, না না,,আগে গিয়ে দেখি কি হয়।
ইশিতা একটা অটো রিকশা দাঁড় করিয়ে, উঠে চলে যায়। এদিকে নিরব ইশিতার কোথায় থাকে,কে কে আছে,ইত্যাদি সব কিছুর খবর বের করে আরিয়ানের কাছে পাঠায়।
নিরব:এই হলো ইশিতার সম্পর্কে সব কিছুর তথ্য।
আচ্ছা শুন তুই দেখ, এগুলো আমি নিশার সাথে কথা বলে আসি ।
আরিয়ান: ঠিক আছে।
নিরব চলে গেল, আরিয়ান ইশিতা সম্পর্কে সব কিছু পড়তে শুরু করে।
আরিয়ান: ইশিতা, নাম, ঠিক আছে, কিন্তু ফ্যামেলি,, ইশিতার আপন বলতে তো শুধু ওর বোন আর বাবা,আর এখন তো ওর বাবা বেঁ*চে নেই।আর নেহা হোস্টেলে থাকে,। তাহলে এখান এই মহিনি, বেগম, উনি আবার ইশিতার কে হয়?
কিছুই বুঝতে পারছি না,,, কিন্তু আমি একদম সিউর,যে এটাই ইশিতা,অন্য কেউ নয়, কিন্তু হঠাৎ ও এমন করছে কেন, আমাকে চিনতে অ*স্বী*কা*র করছে, কিন্তু কেন।
___________________________
নিশা: কি বলছ তুমি এসব,, ভাবীর মত দেখতে,,।
নিরব: হুম,, তুমি না দেখলে, বিশ্বাস করবে না,। সত্যি যদি ও ইশিতা হয়, তাহলে আরিয়ান আবার আগের মত হবে,না হলে আরিয়ানের যা অবস্থা তাতে,, কি যে হবে।
নিশা কান্না করে দেয়।
নিরব:আরে তুমি কাঁদছ কেন।
নিরব নিশা কে জড়িয়ে ধরে। নিশা নিরবের বুকে মাথা গুঁজে,,।
নিশা: আমার কিছু ভালো লাগছে না,, কি হচ্ছে এসব,, এদিকে ভাইয়ার কি অবস্থা,,।
নিরব: চিন্তা কর না সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।
___________________________________
ইশিতার বাড়ি বেল বেজে উঠল।কারো কোনো সাড়া শব্দ নেই, কিছুক্ষণ পর ইশিতা শব্দ শুনে, দরজা খুলতে আসল।
ইশিতা:আরে,,কখন থেকে বেল বেজিয়ে যাচ্ছে,,,।
ইশিতা দরজা খুলে দেখে নিরব।
ইশিতা: আপনি এখানে,,,,,।
নিরব: ভেতরে আসতে পারি।
ইশিতা: হ্যা, কেনো না, আসুন ভেতরে ।তা হঠাৎ এখানে আসার কারণ, আচ্ছা আমি আগেই বলে দিচ্ছি আপনাকে যাকে ভাবছেন আমি সে না।
নিরব: না আমরা আসলে অন্য একটা কারণে এসেছি।
ইশিতা: কি কারণে।
নিরব:এই যে আপনার জয়েনিং লেটার,নিন ধরুন।
ইশিতা খুলে দেখে অবাক হয়ে যায়।
ইশিতা: আরে আমি ইন্টারভিউ দিলাম না আর চাকরি হয়ে গেল,কি করে।। দেখুন আপনারা কীভাবে এটা,,,।
নিরব:আসলে কাল একটা ভুলবোঝাবুঝি হয়েছিল,তাই, এখন আমাদের একজন পিএ খুব প্রয়োজন,তাই আপনাকে এই চাকরিটা দেওয়া হয়েছে।
ইশিতা: কিন্তু আমি তো, ইন্টারভিউ,,,,।
নিরব :কাল থেকে আপনার জয়েনিং,,ডেট,,। তাহলে আজ আসি।
বলে নিরব চলে গেল। ইশিতা একটু অবাক হলো, এভাবে কেউ চাকরি দেয় এটা ভেবে খুশি হবে না কান্না করবে বুঝতে পারল না।
মহিনি: কি রে,, এখন তো তোর চাকরি হয়েছে।
ইশিতা: হ্যা মনি, আমি খুব খুশি,, এখন থেকে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে একদম আগের মতো।
মহিনি: হুম,,,।
____________________________________
আরিয়ান:দিয়েছিস,,।
নিরব: হ্যা,,,।
আরিয়ান: এখন থেকে ও আমার আশেপাশে থাকবে,,তাতে আমার জানতে সুবিধা হবে, কেনো ইশিতা এরকম করছে।
নিরব: ঠিক বলেছিস,,,যদি ও ইশিতা হয় তাহলে কোনো না কোনো ভাবে বুঝতে পারবি।
আরিয়ান: হুম,,, আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি তোমাকে ছাড়তে পারব না।
আরিয়ান ইশিতার পরিচয় বের করার চেষ্টা করছে,আর এদিকে ইশিতা নতুন চাকরি পেয়ে খুব খুশি,,, ইশিতা কাল থেকে জয়েন করবে তাই এখন থেকেই সব প্রস্তুতি শুরু করছে।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
,,,,,,,,,,,,,,,,,
চলবে…………….।
#Mental_Lover
পর্ব:২১
#লেকিকা_ফারহানা_নিঝুম
_____________________________
ইশিতা সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে,, অফিসে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে যায়।আজ প্রথম দিন তাই লেট করতে চায় না। মহিনি ইশিতার জন্য খাবার তৈরি করে টেবিলের উপর রেখে দিল। ইশিতা তাড়াতাড়ি খেয়ে বের হয়ে যায়।
আরিয়ান আজকে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে তৈরি হয়ে গেল, আরিয়ান কিছু না খেয়েই,, অফিসের জন্য বের হয়ে যায়,নিশা আরিয়ান কে পিছন থেকে ডাকে, কিন্তু আরিয়ান কোনো উত্তর না দিয়ে ঝটপট চলে গেল।
নিশা:যা,, চলে গেল তাও আবার না খেয়ে।
ইকবাল হোসেন: চিন্তা করিস না,ও ঠিক খেয়ে নিবে, এখন তুই খেতে বস।
নিরব:ওর এত তাড়াতাড়ি যাওয়ার কারণ বুঝতে পারলে না।
নিশা: না,,।
ইকবাল হোসেন: আমার মনে হয়,কারণ টা আমি যদি ভু*ল না করি তাহলে ইশিতা,তাই তো।
নিরব: একদম।
নিশা:ও হ্যা, আজকে তো ভাবী অফিসে জয়েন করবে, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম।
নিরব: হুম,।
_______________________________
ইশিতা অফিসে পৌঁছে যায়,,।
ইশিতা: জানি না কি হবে,,কাল যা হয়েছে, আজকে যদি ঠিক তাই হয় তাহলে আমি এই চাকরি করব না।
রাফিক: ইশিতা, স্যার বলেছেন তুমি আসলে ওনার কেবিনে যেতে।
ইশিতা: ঠিক আছে।যাই,দেখি কি হয়।
ইশিতা আরিয়ানের কেবিনে গেল।
ইশিতা:May I coming sir.
আরিয়ান: Yes coming.নিরব নিশ্চয়ই সব কাজ বুঝিয়ে দিয়েছে তোমাকে।
ইশিতা: না তো উনি তো শুধু জয়েনিং লেটার দিয়ে চলে এসেছে।
আরিয়ান:আজ থেকে তুমি আমার পিএ, আমার সব কাজ তুমি করবে।
ইশিতা: হুম,।
আরিয়ান:যখন প্রয়োজন তোমাকে হাজির থাকতে হবে,লেট করা কিন্তু আমি একদম পছন্দ করি না।
ইশিতা:এত ক*ঠি*ন নিয়ম।( মনে মনে )। ওকে স্যার।
আরিয়ান: তাহলে দাঁড়িয়ে আছ কেন,,,কাজ শুরু কর।
ইশিতা: কি করব স্যার।
ওই টেবিলের ফাইল গুলো সব কমপ্লিট কর।
ইশিতা তাকিয়ে দেখে অনেক ফাইল টেবিলের উপর রাখা।
ইশিতা: এত গুলো ফাইল,,,,।
আরিয়ান: হ্যা,, আর এগুলো আজকেই শেষ করতে হবে।
ইশিতা: ওকে স্যার।
ইশিতা নিজের কাজ শুরু করে, সকাল থেকে একবারও রেস্ট না নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, আরিয়ান সকাল থেকে শুধু ইশিতা কে দেখে যাচ্ছে, ইশিতা আরিয়ানের দিকে তাকালে আরিয়ান চোখ ফিরিয়ে নেয়,, এভাবে আজকে সারাদিন কেটে যায়। বিকেলে ইশিতা নিজের সব কাজ শেষ করে আরিয়ান কে বলে। এভাবে কয়েক দিন কে*টে যায়, আরিয়ান ইশিতাকে দেখার জন্য রোজ সকালে খুব তাড়াতাড়ি অফিসে চলে আসে,আর ইশিতা কে কাজ দেয় করতে, ইশিতার জন্য নিজের কেবিনে একটা আলাদা জায়গা করে দেয় বসার, ইশিতা সেখানে বসে কাজ করে আর আরিয়ান ইশিতাকে সারাদিন এটা ওটা করতে বলে নিজের আশেপাশে রাখে।
ইশিতা: স্যার,সব কাজ কমপ্লিট, আমি চলে যাব।
আরিয়ান:এত তারা কিসের, দাঁড়াও।
ইশিতা: ওকে স্যার। সন্ধ্যা তো, হয়ে গেল,কখন বাসায় যাবো, ধু*র ভালো লাগে না। (বি*ড়*বি*ড় করে)।
আরিয়ান: তোমাকে ছাড়তে ভালো লাগে না। (মনে মনে)। আচ্ছা শুনো,।
ইশিতা:জ্বী স্যার।
আরিয়ান,কাল আমি চি*টা*গং যাচ্ছি,,তো তোমাকেও আসতে হবে।
ইশিতা: কি,, চি*টা*গাং,আমি যাব। না আমি যাব না।
আরিয়ান:ও হ্যালো তোমার মতামত নেওয়া হচ্ছে না, তোমাকে বলা হচ্ছে, একটা জ*রু*রী মি*টিং আছে,তাই যেতে হবে,আর শুনো আমরা ওখানে ঘুরতে যাচ্ছি না,কাজে যাচ্ছি, বুঝতে পারলে।, মাথায় ঢু*ক*ল।
ইশিতা: আমি কখন বললাম, ঘুরতে যাব, সবসময় বা*জে কথা বলে। (বি*ড়*বি*ড় করে )।
আরিয়ান: কি বি*ড়*বি*ড় করছ,।
ইশিতা:কই না তো,।
আরিয়ান: হুম,যাই হোক কাল ৮ সময় আমাদের ফ্লাইট,ওকে।মনে থাকে যেন।
ইশিতা: কিন্তু স্যার,, ফ্লাইটে যাব কেন,ট্রেনে বা বাসে যেতে পারি।
আরিয়ান: Are you crazy. আরিয়ান চৌধুরী যাবে,বাসে বা ট্রেনে। তোমার মাথা কি পুরো খা*রা*প হয়ে গেছে।নাকি আগে খা*রা*প ছিল কিন্তু আমি ধরতে পারিনি।
ইশিতা:আগে খারাপ ছিল মানে,,,?
আরিয়ান: কিছু না।যা বললাম, দেরি যেন না হয়, সময় মত চলে এস।
ইশিতা: হুম।
ইশিতা অফিস থেকে বের হয়ে গেল।
আরিয়ান: ইশিতার ফ্লাইটে যেতে ভ*য় হয়,এটা আমি জানি, এখন তুমি যদি ইশিতা হও, তাহলে তো ভয় পাবেই, তোমার আসল পরিচয় বের করতে কত কিছু করতে হচ্ছে,,, কোনো ব্যাপার না,পরে সব হিসাব তোমাকে দিতে হবে। (মুচকি হেসে)।
।
।
।
।
।
।
।
মহিনি:এত দূর তুই একা একা যাবি, না না,যেতে হবে না কোথাও।
ইশিতা:আরে মনি,, তুমি চি*ন্তা করো না, আমি একা যাচ্ছি কোথায়, আরিয়ান স্যার তো আমার সাথে আছে।আর তুমি তো জানো, আর ওখানে তো কাজে যাচ্ছি তাই না।
মহিনি: কিন্তু ইশিতা,,তুই আরিয়ান কে,,,,,।
ইশিতা: আরে ছাড় না কোনো স*ম*স্যা নেই,। কিন্তু তোমাকে আর রিয়া কে মিস করব। (মহিনি কে জরিয়ে ধরে)।
মহিনি: হুম।
________________________________
ইকবাল হোসেন: তুই নাকি, চি*টা*গাং যাচ্ছিস,নিরব বলল।
আরিয়ান: হ্যা, একটা জরুরী মি*টিং আছে,তাই আর কি।
ইকবাল হোসেন: ইশিতা ও তোর সাথে যাচ্ছে।
আরিয়ান: হ্যা,মামা, ইশিতা কে এখানে একা রেখে যেতে চাই না,তাই ওকে নিয়ে যাচ্ছি,।
ইকবাল হোসেন: কবে যাবি,আর ফিরবিই বা কবে।
আরিয়ান: কাল সকালে যাব, তুমি চিন্তা করো না, কয়েক দিন এর মধ্যেই ফিরে আসব।
ইকবাল হোসেন: ঠিক আছে।
_______________________________
আরিয়ান আর ইশিতা, চিটাগাং যাওয়ার জন্য রওনা দেয়, ফ্লাইটে, আরিয়ান নিজের পাশের সিটে ইশিতার জন্য অপেক্ষা করে, ইশিতা আরিয়ানের সাথে বসতে একটু ইতস্তত বোধ করছিল।
আরিয়ান: কি হলো বস।
ইশিতা: এখানে?
আরিয়ান: তাহলে কোথায় বসবে,।
ইশিতা কিছু না বলে বসে পড়ল। ফ্লাইট ছেড়ে দেয়, তখন ইশিতা ভ*য়ে আরিয়ানের হাত শ*ক্ত করে জ*ড়ি*য়ে ধ*রে। আরিয়ান ইশিতার এই আচরণে একদম চু*প হয়ে গেল। আরিয়ান দেখে ইশিতা এতটা ভয়ে আছে, পারলে আরিয়ান কে।
আরিয়ান: আমি জানতাম, তুমিই ইশিতা, এখন তো আর ছাড়ার প্রশ্নই আসে না।
আরিয়ান নিজের এক হাত দিয়ে ইশিতা কে জ*ড়ি*য়ে ধরে।তাতে যেনো ইশিতার সব ভ*য় দূর হয়ে যায়। ইশিতা চোখ ব*ন্ধ করে আরিয়ান কে ধরে বসে আছে ।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
ভুলত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
চলবে………………।