অপ্রত্যাশিত সম্পর্ক পর্ব :- ০৬

0
514

গল্প :- অপ্রত্যাশিত সম্পর্ক
পর্ব :- ০৬
লেখা :- Kabbo Ahammad
.
.
.
-: উফ্……..
মিরার এই ভালো মানুষির নাটকগুলো আমার কাছে জাস্ট অসহ্য লাগছে। আমি তখন বললাম।

–খালামনি আমি খাবো না। আমি খেয়ে এসেছি। তোমরা খেয়ে নাও। আমি ঘরে গেলাম।

কিন্তু মিরা…….

খালামনি মিরাকে নিয়ে কিছু একটা বলতে চাইছিলেন। কিন্তু আমি না শুনেই রুমে চলে এলাম এরপর আর ওয়াসরুমে গেলাম না। সোজা বিছানাতে শুয়ে পড়লাম। খুব ক্লান্ত লাগছে। আমার চোখটা যেই লেগে এসেছে তখনি কেউ এসে ডাকতে লাগলো।

কি যন্ত্রণা?! তাকিয়ে দেখি মিরা দাঁড়িয়ে আছে তাই বললাম।

–কি হয়েছে..?(আমি)

—তুমি রাতের খাবার খাবে না..?(মিরা)

–নাহ্..

—কেন খাবে না..?

–আমি খেয়েই এসেছি।

—কি! কোথা থেকে খেয়ে এলে?

আমি তখন বিরক্তি নিয়ে বললাম।

–দেখো মিরা..!
তোমাকে আমি এতো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবো না। আমার খুব ঘুম পেয়েছে। এখন আমি ঘুমাবো।

তারপর মিরার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে চোখ বন্ধ করলাম। কিন্তু কিছুক্ষন পর আবারও মিরা ডাকাডাকি শুরু করে দিছে। আমি তখন উঠে বসে পড়লাম। আর জিজ্ঞাস করলাম।

–কি হলো?? শান্তিমতো একটু ঘুমাতে পারবোও না নাকি। এভাবে বারবার ডাকছো কেন..?

—আমিও তো ঘুমাবো।(মিরা)

–তা তোমাকে না করেছে কে ঘুমিয়ে পড়ো!

—আশ্চর্য!
কোথায় ঘুমাবো আমি। তুমিতো বিছানাতে শুয়ে আছো।

–দেখো আমি আর সোফা কিংবা মাটিতে শুতে পারবো না। তোমার যদি আমার সাথে শুতে সমস্যা হয়।
তাহলে তোমার যেখানে ইচ্ছে সেখানে গিয়ে ঘুমাও। যাও। আর আরেকটা কথা! পুনরায় আবার যদি আমার ঘুম ভাঙ্গানোর চেষ্টা করো। তাহলে আমি কি করবো সেটা তুমি ধারণাও করতে পারবে না?।

এরপর আবারও আমি শুয়ে পড়লাম। মিরা কি করছে জানিনা। তবে এটা বেশ বুঝতে পারছি মিরা খুবই অবাক হয়েছে।

রাতটা আমি খুব আরামে ঘুমিয়ে পার করে দিলাম।
সকালে ঘুম ভাঙ্গেতে। একটা আরমোড়া দিয়ে বসে পরলাম। ফোনটাতে হাত দিয়ে দেখি ৭টা ছুঁইছুঁই।
যাক তাড়াতাড়িই ঘুমটা ভাঙ্গলো। তখন খেয়াল করে দেখলাম মিরা ঘরে কোথাও নেই। গেলো কোথায়..?
সচরাচর মিরা এতো তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে না। তখন মনে প্রশ্ন এলো যে.!! মিরা কাল রাতে কোথায় ঘুমিয়েছে…??

দূর যেখানেই ঘুমাক তাতে আমার কি..! আমি ওয়াসরুম থেকে ফ্রেস হয়ে বের হতেই দেখি। খালমনি রুমে দাঁড়িয়ে আছেন। তাই খালামণিকে জিজ্ঞাস করলাম।

–খালামনি তুৃমি এতো সকালে এখানে?

—হুমম।
জলদি তৈরি হয়ে নিচে নাস্তা করতে চলে আয়। তোর সাথে কিছু কথা আছে আমার। (খালমনি)

–হ্যাঁ আসছি..

তারপর আমি রেডি হয়ে নিচে গিয়ে দেখি মিরা আর খালামনি খাবার টেবিলে বসে আছে। আমি গিয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়ি। আমার দিকে খাবার এগিয়ে দেওয়া হলো। আমিও খেতে শুরু করে দিলাম।
আর তখনি খালামনি আমাকে বললেন।

—নীলয় তুই রাত্রে মিরাকে ঘর থেকে বের করে দিসিলি কেন…?

কিহ আমিতো অবাক।

–কিহ্…! আমি কখন ওকে বের করলাম..? কি বলছো এইসব…?

—তাই নাকি…? তাহলে তুই কি জানিস গতকাল মিরা কোথায় ঘুমিছে..?

আমি খালামনির দিকে হা করে তাকিয়ে আছি। আমি জানলে তো বলবো। তারপর খালামনি বললো।

—দেখ নীলয় তোদের কি হয়েছে আমি বুঝতে পারি না। দুইদিন হয়নি বিয়ে হয়েছে, আর এখনি এতো ঝগড়াঝাঁটি…!! আরে রাগ অভিমানতো হতেই পারে তাই বলে ঘর থেকে বের করে দিবি।

–খালামনি তুমি এক কথা এভাবে বার বার বলছো কেন…? আমিতো বললাম আমি মিরাকে ঘর থেকে বের করিনি। বরং ওই হয়তো নিজে থেকে বেরিয়ে গেছিলো। তাতে আমার কি দোষ। তুমি নাহয় মিরাকেই জিজ্ঞেস করো কেন বেরিয়ে গিয়েছিলো?

তখন খালমনি বললো।

—মিরার কাছ থেকে যা শুনার তা আমি রাতেই শুনে নিয়েছি।

–আচ্ছা তারমানে মিরাই তোমাকে বলেছে যে আমি তাকে ঘর থেকে বের করে দিছি।

এরপর আমি মিরার উদ্দেশ্যে বললাম।

–আচ্ছা মিরা আমি তোমাকে কখন বের করে দিয়েছি?

তখন খালামনি বললো।

—এই তুই একদম বৌমাকে বকবি না। এখন খাবারটা খা…!

কি আর করবো পেটের চাহিদার কারণে খাবারটা খেয়ে নিলাম। অন্য সময় হলে রেখে উঠে যেতাম।
খাওয়া শেষ করে আমি উঠে গিয়ে দরজার দিকে এগুলাম। তখন খালমনি পেছন থেকে ডাক দিয়ে বললেন।

—এই নীলয় তুই এইসময় কোথায় যাচ্ছিস?

–খালামনি আমার আসলে একটা কাজ আছে। তাই এখনি যেতে হবে।

—যেখানে ইচ্ছে যা। কিন্তু মিরাকে সঙ্গে নিয়ে যা। এই মিরা তুমি যাও গিয়ে তৈরি হয়ে এসো।

–কিন্তু…!! খালামনি মিরার এখানে কি কাজ। এটা আমার ব্যক্তিগত একটা কাজ। তাই মিরাকে নিতে পারবো না।

—মিরাকে না নিয়ে গেলে তুইও কোথাও যেতে পারবি না। আর নিজের বউয়ের কাছে আবার ব্যক্তিগত জিনিস কিরে…? আর যাওয়ার সময় গাড়িটা গ্যারাজ থেকে নিয়ে যাস।

কি আর করা খালামনির সাথে পেরে উঠবো না। তাই মিরাকে নিয়েই বের হলাম। কিছুক্ষণ পর মিরা বলে উঠলো।

—কোথায় যাচ্ছি আমরা?

–সেটা জেনে তুমি কি করবে? যাচ্ছো তো! গেলেই দেখতে পারবা।

(আসলে আমি যাচ্ছি এখানকারই একটা শপিংমলে। সকালে রাসেল ফোন করেছিলো। সে নাকি ডলির জন্য কিছু স্পেশাল গিফ্ট অর্ডার করেছিলো। সেগুলো আনতে যাবে। তাই আমাকেও নাকি যেতে হবে। আর আমারও ডলির বিয়েতে দেওয়ার জন্য কিছু একটা কিনতে হবে।)

শপিংমলের সামনে পৌছাতেই দেখি রাসেল আমার জন্য ওয়েট করছে। আমি গাড়ি থেকে নামতেই রাসেল এগিয়ে এসে বললো।

—কি রে এতোক্ষন লাগে আসতে?

তারপর মিরা গাড়ি থেকে নেমেই বলতে লাগলো।

—আরে রাসেল! কেমন আছো তুমি? (মিরা কিছুটা অবাক হয়েছে)

—হুম ভালো ভাবি। আপনি কেমন আছেন??(রাসেল)

—আমিও ভালোই।(মিরা)

তারপর আমরা গেলাম একটা গহনার দোকানে। যেখানে রাসেল গহনার জন্য অর্ডার করেছিলো। আর বলা বাহুল্য ঐ গহনার দোকানের মালিকও একজন বাংলাদেশী। কিছুক্ষন কথা বলে জানতে পারলাম তিনি রাসেলদের খুবই চেনাশুনা একজন মানুষ। কিন্তু সমস্যা হলো যে, অর্ডার করা গহনাগুলো নাকি এখনো পুরপুরি রেডী হয়নি। কিছুটা টাচআপ বাকি আছে। আরো ঘন্টা তিনেক লাগবে। কথাটা শুনেই রাসেল কিছুটা নিরাশ হয়ে গেলো। হবারই কথা। কালকে ওর বোনের বিয়ে। কত কাজ হয়তো আছে ওর। তখন আমি বললাম।

–রাসেল তুই বাড়িতেই চলে যা। আমি এখানেই আছি। ওগুলো রেডী হলে বাড়ি পৌছে দিবো।?

—বাঁচালি দোস্ত। সত্যিই আমার বাড়িতে অনেক কাজ পরে আছে। আর তুই সোজা রিসোর্টে চলে আসবি। বাড়িতে ফিরতে হবে না। তোর ও তো অনেক কাজ করতে হবে। এতোটা দুরে দুরে থাকলে চলবে না। ডলি শুধু আমার একার বোন না।

তখন আমি হেসে বললাম।

–ঠিক আছে তুই যা।

তারপর রাসেল চলে গেলো। তখন আমিও ডলির জন্য গিফ্ট কিনার জন্য দোকান থেকে বের হলাম। মিরাও আমার পিছুপিছু আসলো। আর বললো।

—এখন কোথায় যাচ্ছো?

–ডলির বিয়েতে কিছু দিতে হবে। সেটাই কিনতে যাচ্ছি।

—ও তাই। তো কি কিনবে?

–জানিনা। দেখি.. কি কেনা যায়।

কিন্তু কিছুক্ষণ ঘুরাঘুরির পর বোঝলাম। আমার দ্বারা এটা সম্ভব না। কি কিনবো সেটাই ঠিক করতে পারছি না। তখন মিরা বললো।

—নীলয় তুমি যদি কিছু মনে না করো তাহলে আমি একটা সাজেশন দিতে পারি।

–ঠিক আছে। বলো কি কেনা যায়।

—ডলির জন্য একটা নেকলেস নিতে পারো।

তারপর মিরা আর আমার কোন কথা শুনার প্রয়োজনবোধ ও না করেই একটা গহনার দোকানে ডুকে একটা নেকলেস পছন্দ করলো। হুমম বলতে হবে মিরার পছন্দ ভালোই। তাই ঐটাই কিনে নিলাম। তখন দেখি মিরা হাতে একজোড়া কানের দুল নিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছে। তখন আমি বললাম।

–একটা তো নিলাম আবার আরেকটা দিয়ে কি করবো। চলো। দেখি গিয়ে বাকি গুলা তৈরি হলো কিনা?

মিরা সাথে সাথে দুলজেড়া রেখে দেয়। আসলে আমার মাথায় এই কথাটা একবারের জন্যও আসেনি যে ঐটা হয়তো মিরা নিজের জন্য নিতে চেয়েছিলো। কিন্তু আমাকে বলতে পারছিলো না।

তারপর আমরা ঐ দোকান থেকে বেরিয়ে এলাম। গহনার দোকানটাতে এসে জিজ্ঞেস করতেই বললো, সব হয়ে গেছে। আর সাথে সাথেই একটা ব্যাগে ভরে দিয়ে দিলো। আমারা এখন ফিরার পথ ধরবো।
কিন্তু ঐ দোকানটা পেরিয়ে আরেকটা দোকানের সামনে এসেই মিরা দাঁড়িয়ে গেলো। ওর চোখে বিষ্ময়। এক দৃষ্টিতে কিছু একটার দিকে তাকিয়ে আছে। তখন আমিও মিরার চোখ অনুসরণ করে যেটা দেখলাম। আমি আমার চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না। এই দেশে শাড়ীর দোকান!! মিরা আমার দিকে তাকিয়ে বললো।

—নীলয় দেখেছো..?

–হুমম।

—চলো না। একটু দেখে আসি।

আমারও কেমন যেন একটা আগ্রহ কাজ করছিলো। তাই আমি মিরাকে নিয়ে দোকানটাতে ডুকলাম। হুমম যেটা অনুমান করেছিলাম সেটাই। এই দোকানের মালিকও একজন বাঙ্গালী। এই শহরটাতে মনে হয় বাঙ্গালীর সংখা একটু বেশিই। তখন মিরা আমাকে একটা শাড়ী দেখিয়ে বললো।

—ওই শাড়ীটা খুব সুন্দর না!

–হুমম।

বালিকার বুদ্ধি আছে বলতে হবে। কি কৌশলে আমার কাছে শাড়ি কিনে দেওয়ার কথাটা বলে ফেললো। আমার কাছে না চেয়েই। তখন দেখি দোকানদর এলরেডি শাড়ীটা প্যাক করে ফেলেছে। এখানে আর আমার কোনো কিছু বলার নেই দাম চুকিয়ে গাড়িতে এসে বসলাম। কিন্তু যখন গাড়িতে আসলাম তারপর কি একটা মনে করে মিরাকে গাড়িতে বসিয়ে রেখেই। আবার শপিংমলে ডুকালাম। কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে এসে গাড়ি স্টার্ট দিলাম। মিরা উৎসুক হয়ে জিজ্ঞেস করলো

—কেথায় গিয়েছিলে।

–তুমি জেনে কি করবে?

মুহুর্তে মিরার মুখটা কালো হয়ে গেলো। আর বললো।

—নীলয় তুমি আজকাল আমার সাথে এমন করে কথা বলো কেন..?

–কেমন করে বলি?

—তুমি আগে আমার সাথে কত হেসে কথা বলতে। আমি কথা না বললেও তুমি জোর করেই কথা বলতে। আর এখন তো আমার মনে হয় তুমি আমার কথা সহ্যই করতে পারো না। এমন করছো কেন তুমি…?

তখন আমি সামনের দিকে তাকিয়েই বললাম।

–জানিনা!

—আচ্ছা নীলয় তুমি কি ঐ দিনের ব্যপারটা নিয়ে আমার সাথে এমন করছো..?

তখন আমি মুখে বিরক্তির ভাব এনে মিরাকে বললাম।

–এতো কথা বলছো কেন তুমি.? দেখছো না আমি ড্রাইভ করছি।

তারপর মিরা চুপ মেরে যায়। সারা রাস্তায় আর একটাও কথা বললো না। এখন আমরা যেখানে বিয়ে হওয়ার কথা আমরা সেই রিসোর্টে পৌছে গেলাম। ভেতরে ডুকে রাসেলের কাছে তার জিনিসগুলো দিয়ে দিলাম। হয়তো রাতে ডলির গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান শুরু হবে। তখন ভাবী এসে মিরাকে তার সাথে নিয়ে গেলো। আর এদিকে আমিও রাসেলের সাথে আমার কাজে মন দিলাম। আসলে মানুষজন তেমন বেশি না। যেহেতু দেশের বাইরে বিয়েটা হচ্ছে আর আত্মীয়-স্বজন থাকে সব বাংলাদেশে।

তারপর আমাদের কাজের মাঝে কিছুটা বিরতি নিয়ে রাসেল আর আমি নিচে সোফায় বসে কথা বলছিলাম। তখন সিড়ি থেকে মিলিত হাসির আওয়াজ পেলাম। তাকিয়ে দেখি সবাই ডলিকে নিয়ে নিচে আসছে। সব মেয়ে দেখি হলুদ শাড়ি পড়েছে আর সবাই সাজুগুজু করছে। তখনি আমার চোখ গেলো মিরার দিকে। হলুদ শাড়িতে কি অপূর্ব লাগছে। আমি মিরার দিকে হা করে তাকিয়ে আছি তখন রাসেল আমাকে ধাক্কা দিয়ে বললো।

—কি হলো। (রাসেল)

–কৈ নাতো কিছু না।(আমি)

—মামা বুঝি বুঝি!

এরপর ডলিকে নিয়ে সবাই মেতে উঠে। ডলিকে হলুদ লাগানোর পর্ব শেষে সবাই একে অপরকে হলুদ লাগাতে ব্যস্ত হয়ে গেলো। আমি একটু দূরেই ছিলাম। এইসব হলুদ-টলুদ লাগানোর কোনে শখ আমার নেই। কিছুক্ষন পর দেখি রাসেল এদিকে আসছে। হলুদে পুরো মাখামাখি অবস্থা। কিন্তু সে এখানে আসার আগেই তার ডাক পড়লো। আর আমি ওখানেই বসে রইলাম। আসলে আজকাল একা একা থাকতে কেমন যেন ভালো লাগে। তখনি হঠাৎ করে মিরার উদয় হলো। আর বললো।

—কি হলো তুৃমি এভাবে একা একা কি করছো।

–কিছুনা।

—আচ্ছা। আমাকে কেমন লাগছে?☺

মিরার এমন প্রশ্নে কিছুটা অবাক লাগলো। তাই বললাম।

–মানে.

তখন মিরা নিচু স্বরে বললো।

—কিছুনা।

–আচ্ছা তাহলে তৈরি হয়ে নাও। আমরা বাড়ি ফিরবো।

তখন ভাবি এসে বললো।

—এখন কোথাও যাওয়া হচ্ছে না। এখন সবাইর হাতে মেহেদী দেওয়া হবে?।(ভাবী)

–আসলে ভাবী বাড়িতে না ফিরলে আবার খালামনি চিন্তা করবে। তাছাড়া কালকে তো আবার এখানেই আসছি।(আমি)

—ঠিক আছে। তাহলে তুমি চলে যাও। মিরা এখানেই থাকুক।

তখন আমি কিছুক্ষন ভেবে বললাম।

–ঠিক আছে। ও তাহলে থাকুক।

আমি কাথাটা বলে ফিরতেই মিরা বলে উঠলো।

—না আমিও যাবো। তুমি একটু দাড়াও আমি এক্ষুনি আসছি।

তখন মিরার তাড়াহুড়ো দেখে ভাবি বললেন।

—আচ্ছা ঠিক আছে। কালকে কিন্তু তাড়াতাড়ি চলে আসবে।

—হুমম ভাবী।

এরপর মিরাকে নিয়ে বাড়ি ফিরে এলাম। রাতের খাবার শেষ করে রুমে গিয়ে দেখি, মিরা আগে থেকেই বিছানা দখল করে আছে।
.
.
চলবে………………………♥
.
(ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টতে দেখার অনুরোধ রইলো)