টর্চার Part-05

0
2809

#টর্চার
#Apis_Indica
#Part_5.
.
.
– কেমন আছো? (আয়মান)
-প্লিজ মাকে যেতে দিন,, বলে তার পায়ে ধরলাম, আপনার পায়ে ধড়ছি প্লিজ যেতে দিন কাঁদতে কাঁদতে বললাম।।(আমায়রা)
-তিনি আমার দু বাহু চেপে ধড়ে তুললেন, আর দাড় করিয়ে সজরে ধাক্কা দিয়ে দুরে শরীয়ে দিলেন,,
– ইশ এখন আবার গোসল করতে হবে।।
দিলতে সব নুংরা করে।।
যাওতো আগে ফ্রেস হও দেন তোমার সাথে কথা বলবো।
আর তোমার এখনো অনেক শাস্তি বাকি আছে।।
-নাসরিন, (আয়মান)
– জ্বি ছোট সাহেব।।(নাসরিন কাজের বুয়া)
-তোর ছোট মেম কে আমার রুমে নিয়ে যা আর রেডি করিয়ে দে।।
আমি নিচে ওয়েট করছি আমায়রার দিকে ইশারা করে,,
তাড়াতাড়ি নিচে আসো আমু তোমার জন্য চোখ টিপ দিয়ে, সারপ্রাইজ আছে।।
বলে চলে গেল,,

কিছুক্ষণ পর রেডি হয়ে নিচে গেলাম নাসরিনের সাথে মেয়েটির বেশি বয়স না
এই ১৩/১৪ হবে।।
মেয়েটি খুব চুপচাপ,, দরকার ছাড়া কোনো কথা বলে না।।

নিচে গিয়ে দেখি আয়মান সোফায় পায়ের উপর বসে ফোন টিপছে,,
আমায়রার মনে হচ্ছে আয়মানকে সোফা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে।।

আয়মান আমুকে দেখে বাকা হাসি দিয়ে ফোনটা পকেটে রেখি দিল,,
– রেডিতো আমু জান,,(আয়মান)
-ভেঙচি দিল,(আমায়রা)
-নাসরিন,, বলতেই চলে গেল,, আর একটি বালতি আর ঝাড়ু, ঘড় মুছার নেকরা নিয়ে আসলো।।
-শুরু করো বলে এসব এগিয়ে দিল,(আয়মান)
-আমি এসব পারবো না।।
আমি আপনার কথা শুনতে বাধ্য নই।।
-দেখ আমাকে রাগিও না তোমার জন্য ভালো হবে না।।দাঁতে দাঁত চেপে(আয়মান)
– হু আমি আপনকে আঙ্গুল দেখিয়ে এতোটুকুও ভয় পাইনা বুঝলেন বলে আবার ভেঙচি কাটলো।।(আমায়রা)
-আয়মান একটা শয়তানি হাসি দিয়ে
ওকে,
-নাসরিন,, (আয়মান)
-নাসরিন একটি যার নিয়ে আসলো,,
যা পুরোটাই কাচের।। আর পুরোটাই শপিং বেগ দিয়ে ঢাকা।।
-একটু ভয় লাগতে লাগলো তাও সাহস করে জিগাসা করলাম(আমায়রা)
-এটাইতো তোমার সারপ্রাইজ আমু জানু বলে বাকা হাসলো। (আয়মান)
-আয়মান জারটি নিচে রাখলো আর তার ভিতরে এত গুলো তাও ইয়া মোটা মোটা মাকড়শা ছিল। আমি তা দেখে শুধু ঢুক গিলতেসি, কারন ছোট থেকে আমি মাকড়শা ভয় পাই,,
যে ঘড়ে মাকড়শা থাকতো সে ঘরের ধারে কাশে জাইতাম না।। এমন বাথরুমে থাকলে সেই বাথরুমেও যেতাম না।।
এক বার নুহা আমাকে মাকড়শা নিয়ে ভয় দেখায় তখন আমার ১০২ ডিগ্রি জড় উঠে যায়।।
এটাকে আমি জমের মত ভয় পাই।।
আর এই লম্বু খাসিডা আমার এই ডা নিয়া ভয় দেখাইতেসে ছাড়মুনা তোরে লম্বু খাসি ???
-এখন কি আমার কথা মানবে না নাকি তোমাকে আর জার টিকে হাতে নিয়ে আমার সামনে এসে এটিকে এক সাথে সেই কাচের ঘরে রেখে আসি।।বলে চোখ মারলো।।(আয়মান)
-আয়মান এর কথা শুনে তার দিকে করুন দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললাম যাচ্ছি।।বলে ঝাড়ু হাতে নিয়ে ঝাড়ু দিতে লাগলাম।।
আর তার সাথে বের হওয়ার রাস্তাও খুজতে লাগলাম।।
সব গুলো ঘর ঝাড় দিয়ে মুছলাম এখন কমর বেথা করছে।।
বসার ঘরটা ঝার দিয়ে যেই না সোফায় বসবো।।
তখনি আয়মান সিড়ি দিয়ে নিচে নামতে নামতে বলতে থাকে এই বসছো কেন হুম যাও কাজ শেষ করো।।
-করেছিতো সব এখন আর পারছি না তাই একটু বসতে চেয়েছিলাম। নিচের দিকে তাকিয়ে বলল(আমায়রা)
– কই এই দেখ কত ময়লা।। (আয়মান)
-কই বলে যেই নিচে তাকেয় আমু সাথে সাথে আয়মান একটা ফুলদানি ফ্লোরে ছুড়ে মারে।।
আমি অবাক হয়ে চেয়ে আছি তার দিকে।।(আমায়রাঁ)

-কি হলো যাও ঝট পট কাজ করো চোখ রাঙ্গিয়ে (আয়মান)
-হাতে ঝারুটা জোরে ফেলে বলতে লাগলাম কি সমস্যা অাপনার হে দেখান তো বড় লোক বাপের বেটা।।
কিন্তু এখানে এসে তো ছোট লোক মনে হচ্ছে।
একটা কাজের মেয়ে রাখার যুক্তা নেই আসছে বড় লোকি দেখাতে,, আপনি আসেলই একটা লম্বু খাসি,,
আপনি আমার উপর কিশের এতো অধিকার দেখান শুনি কিসের।।

আপনি এমন না জানি আপনার মা বাবা কেমন? হু (আমায়রা)
-আমায়রার কথা শুনে মাথা গরম হয়ে গেছে আমার।।তাই ওকে টানতে টানতে কাচের রুমে নিয়ে যাই এবং সেখানে গিয়ে ওকে বলি,
-আমার কথার খেলাফ হওয়ার খুব সক তোর,, আর তখন কি বললি আমার বাবা মা খারাপ তোর এত বড় সাহস আমায়রার চুলের মুঠি ধরে বললাম।।(আয়মান)
-আয়মান এর কথা শুনে আমি অবাক হঠাৎ সে আমাকে কাচের রুমে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়।।
আর ওই মাকড়শার জার টি রুমের ভিতর খুব জোরে আছাড় দেয়।। যার ফলে সব গুলো মাকড়শা বের হয়ে আশে।।
আর আয়মান দড়জা লাগিয়ে দিয়ে চলে যায়।।
আর চিৎকার করে কাঁদতে থাকি আর দরজা ধাক্কাতে থাকি।।।।
কেউ খুলে এরি মধ্য কয়েকটি মাকড়শা আমার দিকে আসছে আমি তো ভয়ে যায় যায় অবস্থা।।
-আ,,,,আ,,,,,হহহহহহহহহহ,(আমায়রা)

??⚫(past)
.
রাত বাজে ১২.১৭ আমায়রা আর নুহার চোখে ঘুম নেই কি করবে বুঝতেসে না তারা।।
দুজন খাটের ২ প্রান্তে শুয়ে আছে।।
– আইডিয়া জোড়ে চিৎকার করে (আমায়রা)
-কি হলো বলে ধড়ফড়িয়া উঠলো নুহা কি হচ্ছে এভাবে চিৎকার করলি কেন।। এখনিতো হার্ট ফেল করতাম।।এখনো জামাই বাচ্চা কাচ্চা কিছু দেখলামি না(নুহা)
– কাধে বাড়ি দিয়ে নুহাকে কি যে বলিস,, আচ্ছা শোন একটা বুদ্ধি আসছে বলে নুহার দিকে তাকিয়ে শয়তানি হাসি দিলাম।।(আমায়রা)
-নুহা বুঝতে পেরে নো নো নো নো নো(নুহা)
-ইয়েশ ইয়েশ বেবি বলে ধাক্কিয়ে রেডি হতে বললাম।।।(আমায়রা)
-নুহা আর আমায়রা দুজনে জিন্স,তার সাথে হোয়াইট গেন্জি তার উপর লেদারের জেকেট পরেছে।।নুহার টা লাল আর আমায়রারটা কালো।। দুজনের মাথায় দুটো হেলমেট পড়লো।।তাড়া এমন ভাবে গেট আপ করেছে যে দেখবে সে চিন্তে পারবে না মেয়ে না ছেলে।।।


তারা দুজনে একটি বাইক নিয়ে বেড় হয়ে গেল।।
আমায়রা বাইক চালাছে রাত তখন ১২.৫০ মেন রোড গুলো প্রায় খালি বললেই চলে।।
আমায়রা যতো বার ঢাকা এসেছে প্রতি বার এমন পাগলামো করতো।। যা নুহাও খুব মজা পেত।।।

কিছুক্ষণ পর তারা ফ্লাইওভার এ উঠে হাই স্প্রিড এ বাইক চালাছে।।
হঠাৎ পিছন থেকে ৪/৫ টা বাইক এসে যায়।।
এবং এর মধ্যই একটি ছেলে যে আমায়রার সাথে সমান সমান চলছে সে হঠাৎ তার হাতের বুড়ো আঙুল দেখালো।।
আমায়রা তার দিকে তাকিয়ে আছে ছেলেটি হাতটির বুড়ো আঙ্গুল নিচে দেখিয়ে তার আগে চলে গেল।।
তা দেখে আমায়রার রাগ উঠে যায় সে তার মধ্যে রেস করা চিন্তা করে ফেলে।।
এবং এক পর্যায় তাদের রেস চলতে থাকে।।
একবার আমায়রার বাইক তো একবার ওই ছেলের বাইক।।।


হঠাৎ ছেলেটি তার বাইকের স্প্রিড কমিয়ে দেয়।।।
আর আমায়রা পিছনে গুড়ে দেখতে থাকে তখনি সামনে থেকে ঠাসসসসস।।।

একটি গাড়ির সাথে টক্কর লেগে যায়।।।
আর আমায়রা তাড়াতাড়ি ব্রেক করে।। কিন্তু ততখনে গাড়ির বামপাড়ে লেগে বামপাড় বেকে যায়।।।

আমায়রা আর নুহা ভয়ে শেষ।।
তখনি গাড়ি থেকে একটি সুদর্শন পুরুষ নেমে আসে।।।
আর পিছন থেকে ওই ছেলে আর তার দলেরা চলে আসে।।
আর ওই ছেলেটা বলতে থাকে ভাই তুমি ঠিক আছো।।

-হুম ঠিক আছি।বাট আমার কারটা অনেকটা ক্রেশ হয়েগেছে।।আর এই যে তোমরা দেখে বাইক চালাতে পাড়োনা এখন তুমি জানো তুমি আমার বাচ্চাকে হার্ট করছো।।।(আয়মান)
-আমায়রা এতো আহসান সাহেবের ছেলে।
ওনার বাবা এখানের মন্ত্রী আর কুব বড় শিল্প পতি।।
বাট ছেলেটা ভালো না।।আমরা এখান থেকে ভালোয়র ভালোয় যেতে পাড়লেই হইসে।(নুহা)
-নুহার কথা শুনে আমার আত্মা কাপতেসে।।
এই লম্বু খাসি কে দেখে তো আমি ফার্স্ট ক্রাশ খাইলাম এখন দেখি এতো এক নং খবিশ।।
তাই মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছি।।(আমায়রা)
-কি বেপার বলছো না কেন কিছু..(আয়মান)
-সরি ভাইয়া বলে মাথা নিচু করে ফেলাম।(আমায়রা)
-ভাই এতো দেখছি মেয়ে এতো আমার সাথে রেস করেছে কিছুক্ষণ আগে বাহ তুমি ভাল বাইক করতে পারো।।(এহসান)
-কন্ঠটাতো ওই মেয়েটার মতো।। আয়মান আস্তে আস্তে আমায়রার কাছে যাচ্ছে আর আমায়রারতার হাত কচলাইসে।।
হঠাৎ আয়মান আমায়রার হেলমেট খুলে ফেললো।।
আর বলল,,
-তুমি,,,(আয়মান)
-আয়মানের হেলমেট সরানোর সময় আমায় চোখ মুখ কুচকে রেখেছিল।।
আয়মান হেলমেট যখন পুরপুড়ি সরিয়ে ফেল তখন আমায়রা সিল্কি চুল সব এলো মেল ভাবে খুলে যায়।।
-আয়মান আমায়রাকে দেখে এক প্রশান্তির হাসি দেয়।।
-ভাবি নাই তোমাকে এভাবে পেয়ে যাবো,, বলে আমায়রার মুখের উপর পরে থাকা চুল গুলো সরিয়ে কপালে কিস করে দেয়।। আর সাথে সাথে জগিয়ে ধরে।।
আমায়রা আয়মান এর এমন কাজ দেকে থ হয়ে যায়।।
আমায়রা বড়বড় চোখ বড় করে তাকিয়ে আছে।।
সব যেন তার মাথার উপর দিয়ে যাইতেসে।।।


চলবে,,,,