ভাবির জমজ বোন Part-09

0
324

??গল্প – ভাবির জমজ বোন??
part – 9
RJ MOSTAKIM

আমি – ভালো তো পাগল হয়ছেন এখন পাবনা যান আমার কাছে এসে এমন ভাবে বিরক্ত করার মানে কি…?
নীলা – এই পাগলী টাকে তুমি ছাড়া আর কোন ডাক্তার ভালো করতে পারবে না…
আমি – আমি তো আর ডাক্তার না যে পাগল কে ভালো করবো তার থেকে ভালো তাড়াতাড়ি পাবনা চলে যান…
নীলা – পাবনা গিয়ে ভালো হলে তো আর তুমার কাছে আসতাম না…
আমি – দেখেন এমনিতে মন ভালো না প্লিজ আমাকে একটু একা থাকতে দেন। এখান থেকে জান আর আপনি না গেলে বলেন আমি চলে যাচ্ছি…
নীলা – মন খারাপ চল বাহির যায় ঘুরতে মন ভালো হয়ে যাবে…
আমি – দেখেন আমি কিন্তু ভালো ভাবে বলতেছি আমি আপনার সাথে কোন কথা বলতে চাচ্ছি না আর আমার পক্ষে কখনো সম্ভব না আপনার মতো নিচু মনের মানুষ কে ভালোবাসা…
নীলা – দেখ আমি যা করেছি সবটা তোমাকে ভালোবেসেই করেছি আর সব কিছু ছিলো সুধু মাএ একটু মজা করার জন্য….
আমি – হুম মজা করেন আমি না করেছি নাকি আমাকে নিয়ে কেন মজা করছেন আর কেউ নাই মজা করার মতো.??
নীলা – না নাই দেখেই তোমাকে নিয়ে মজা করি ঠিক আছে এতে যদি তোমার মন খারাপ হয় ঠিক আছে আর কখনো এমন করবো না। আর যা করেছি তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি… প্লিজ…
আমি – আপনি যা করেছেন তা ক্ষমা করার যগ্য না কিন্তু অপরাধী তার অপরাধ শিকার করলে তাকে ক্ষমা করতে হয় তাই ক্ষমা করে দিলাম। কিন্তু এর পর থেকে যদি আপনি আমার পেছনে লেগে না থাকেন তাহলে খুব খুশী হবো…
নীলা – তা কখনো হবে না হয় সময় তোমার পেছনে আঠার মতো লেগে থাকবো এটাই ফাইনাল…

আমি – থাকেন আমার কোন সমস্যা নাই কিন্তু একটা কথা শুনে রাখেন আপনাকে কখনো আমি ভালোবাসবো না…
নীলা – ভালোতো তোমাকে বাসতেই হবে আর না বাসলে জোর করেই ভালোবাসা আদায় করে নিবো…
আমি – হুম দেখা যাবে…
নীলা – হুম আরেক টা কথা তোমাকে যদি কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে দেখি না তো খবর আছে বলে দিলাম…
আমি – ১০০ বার বলবো আপনি কে না করার…
নীলা – ভালো ভাবে না করলাম না শুনবে কি শুনবে না সেটা তোমার বেপার। আমি কি করতে পারি তোমার ভালো করেই জানা হয়ে গেছে আশা করি বুঝতে পারছো.

আমি – কথা বলবো আপনি পারলে কিছু করে দেখাইন..
বলেই চলে আসলাম।

সন্ধ্যা হয়ে গেছে কখন বুঝতেই পারি নাই রুমে এসে একটু সুয়ে থেকে একটূ পড়তে বসলাম।

তারপর ভাবি খেতে ডাকলো.

আমি – আমি খাবো না ভাবি তোমরা খেয়ে নাও…

ভাবি – রাতের বেলা না খেয়ে থাকতে হয় না চল খাবে..
আমি – না ভাবি আমার খিদে নাই আমি খাবো না..
ভাবি – না খেলেও যায়তে হবে তোমার ভাইয়া কি যেন বলবে..
আমি – ওকে চল..
এসে দেখি সবাই এসে গেছে..
আমি – ভাইয়া কি বলবে বল…?? ( মাথাটা নিচু করে বললাম। মাথা উচু করে কথা বলার সাহস টা শেষ হয়ে গেছে..)
ভাইয়া – কাল থেকে নীলাকে সাথে নিয়ে ভার্সিটি যাবি। আর আজকে যা শুনছি আর কখনো যেন না তাহলে খুব খুশি হব। যা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পর.
আমি – ঠিক আছে। আর আমি খাবার খাবো না এখন…
ভাইয়া – আমি বলছি না খেতে…
আমি – আমার তো খিদে নাই..
ভাইয়া – খিদে আছে কি নাই তা আমি জানতে চাইনি আমি বলছি খাবার খেতে…
আমি আর কিছু না বলে খাবার টেবিলে বসে পড়লাম।
খাবার খাইতেছি কিছুক্ষন পর অনুভব করলাম কেউ একজন আমার পা এর মধ্যে সুড়সুড়ি দিতেছে আমার অপর পাশে নীলা বসেছে আমার বুঝার বাকি রইলো না এটা কার কাজ।

আমি নীলার দিকে চোখ গরম করে তাকালাম এতে নীলা আমকে চোখ মেরে মিস্টি একটি হাসি দিলো। এতে আমার ওর প্রতি রাগটা আরো বাড়লো মন চাইলো যে চোখ দিয়ে আমাকে চোখ মেরেছে ওই চোখ টা তুলে ফেলি..

আবারো এক কাজ করলো..
এবার আর ওর দিকে তাকালাম না জানি যতবার তাকাবো ততবার দিবে।
আমি আমার মত চুপচাপ খাওয়া শেষ কিরে রুমে চলে আসলাম..

এসে পড়তে বসলাম আবার…
একটুপর ওই আপদ টা আমার রুমে এসে হাজির আর সাথে ভাবি..

ভাবি – তামজিদ নীলাকে এই অধ্যায় টা একটু ভালো করে বুঝিয়ে দাও তো.। নীলা নাকি বুঝতে পারছে না..
আমি – কেন তুমি দাও তুমি তো পারো..
ভাবি – না আসলে আমার
মনে পড়ছে না তো তাই..
আমি – আর যে অধ্যায় এর কথা বলছেন আমি এই অধ্যাই পারি না,।।।
নীলা – মিথ্যা কথা বলতেছে আপু আজকেই এই অধ্যায় পড়িয়েছে..
আমি,- আজকে যদি পড়িয়ে থাকে তাহলে তুমি পারো না কেন…
নীলা – ক্লাসে মনযোগী ছিলাম না তাই..
আমি – আমি ও বুঝতে পারি নাই…
ভাবি – প্লিজ তামজিদ একটু বুঝিয়ে দাও আর আমি যাই আমার একটু কাজ আছে…

আমি – আমি পারবো না..
ভাবি – দাও ভাই প্লিজ..
বলেই চলে গেলো

আমি, – আমার রুমে এমন বাহানা করে আসার মানে কি.???
নীলা – জানি না তবে তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছিলো তাই আসছি..
আমি – ভালো দেখছেন এখন এখান থেকে যান
নীলা – না যাবো না আজকে সারা রাত থাকবো..
আমি – আপনার যা ইচ্ছে করেন আমি ঘুমাবো ডিস্টার্ব করবেন না..
নীলা – আমার গালে একটা পাপ্পি দিলে চলে যাবো
আমি – কে পাপ্পি দিবে আপনাকে .?
নীলা – তুমি দিবা…
আমি – কখনো না…
নীলা – ওই ভালো ভাবে বলছি কাজ হচ্ছে না তাই এখন কিন্তু সবাই কে ডেকে বলবো তুমি আমাকে জোর করে কিস করছো
আমি – মানে কি আমি কখন আপনাকে জোর করে কিস করলাম…?
নীলা – করো নাই তো আমি সবাই কে মিথ্যা বলে তোমাকে বকা খাওয়াবো….
আমি – মানে আপনার কি একটু ও লজ্জা সরম নাই নাকি..
নীলা – না নাই তোমার তো খুব লজ্জা শরম আছে তাহলে ভালো ভাবে একটা পাপ্পি দাও চলে যাবো
আমি – না আমি কাউকে পাপ্পি দিতে পারবো না..
নীলা – না দিলে এখন কিন্তু সবাই কে ডেকে মিথ্যা কথা বলবো। তারপর বলবো এখন আমাকে কেউ বিয়ে করবে না আমি তোমাকেই বিয়ে করতে চাই.. তখন বুঝবে মজা…
আমি – দেখেন প্লিজ এমন করবেন না তাহলে আমার মানসস্মান কিছু থাকবে না।।
নীলা – এতোই যখন মান সস্মান এর ভয় তাহলে একটা পাপ্পি দাও চলে যাবো আর যতো দেরি করবে ডিমান্ড বাড়বে। আরেকটু দেরি করলে কিসটা ঠোটে করতে হবে
আমি – সরি আমার বউ কে ছাড়া আর কাউকে কিস করবো না…
নীলা – অনেক ভালোভাবে বলেছি বুঝছি ভালো কথাই কাজ হবে না বলেই আপু বলে জোরে ডাক দিলো..

আমি আর কিছু না ভেবে নীলার ঠোট বন্ধ করে দিলাম আমার ঠোট দিয়ে। সাথে সাথেই ছেড়ে দিয়ে আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলাম..

to be continue,,,,,,,,,,,,,,