ভালোবাসার অধিকার পর্ব-০৩

0
1465

#ভালোবাসার_অধিকার❤❤
লেখা- পূজা
পর্ব- ৩


দ্বীপ ঈশান আবির অভি শুভ একজন ইনভেসটারের সাথে দেখা করতে গেছে। উনি ওদের হেল্প করবেন। ওদের প্লেন নিজেদের পরিশ্রমে একটা বিজন্যাস দার করাবে আর ওটাকেই টপ এ তুলবে।

এদিকে দিয়া অনু সিমি তিথি ক্লাস রুমের সামনে আসলো। প্রহর ক্লাস নিচ্ছে সবার।
প্রহর: আজো লেইট😡।
অনু: সরি স্যার ঘুম থেকে উঠতে লেইট হয়ে গেছিলো।
প্রহর: প্রতিদিন তো এই এক্সকিউজই দাও। তুমাকে তো।।।
দিয়া: সরি😔।
প্রহর: আর তোমরা।
তিথি: ওদের জন্য ওয়েট করছিলাম।
প্রহর: নেক্সট দিন ওয়েট করে দেরি করলে আর ক্লাসেই ডুকতে দেবো না😡
সিমি: ওকে স্যার।
প্রহর: যাও😡
দিয়া: খবিস(বিরবির করে)
প্রহর: কিছু বললে।
দিয়া: না না। কিছু না।
প্রহর: মন দিয়ে ক্লাস করো। আজকে ছেড়ে দিলাম নেক্সট ডে ছারবো না।
সবাই: ওকে।
ক্লাস শেষে,
দিয়া: আজ তদের আমার বাসায় যাওয়ার কথা না।
সিমি: এখন?
অনু: চলে আয়। এমনিতেও ওই বাসায় ভালো লাগবেনা আমার তরা আসলে একটু আড্ডা দিতে পারবো।
দিয়া: তদের তো একটা কথা বলাই হয়নি।
তিথি: কি?
দিয়া: কাল ভাইয়া অনুর সাথে(___)
অনুর এটা শুনে আবার রাগ উঠে গেলো।
অনু: 😡ওই আলমরে তো আমি ছারবো না।
তিথি: 😵কি করবি?
সিমি: দ্বীপ দেখতে ফিল্ম এর কোনো হিরো থেকে কম না তুই দ্বীপকে এটা কোন আক্কেলে বলিস।
অনু: সেটা পরেই দেখে নিবি। আমাকে দিয়ে কাজ করানোর শাস্ত্রি তো পেতেই হবে। আর তুই (সিমিকে) কি বললি ফিল্ম এর হিরো। ওর হিরোগিরি আমি বার করবো।
সিমি: অনু দ্বীপের রাগ কিন্তু অনেক তকে ও ছারবে না।
অনু: আগে ধরে তো দেখাক তারপর না ছাড়ার প্রশ্ন।
দিয়া: তুই কি চাস ভাইয়া তকে ধরোক😁
অনু: 😡
তিথি: ওকে এখন চল। কি রাগরে বাবা দুজনের।

দ্বীপ ইনভেসটারের সাথে কথা বলে সব ফাইনাল করে অভি আবির শুভকে নিয়ে ২টায় বাসায় ফেরে।
অনু দিয়া তিথি সিমি আরো আগেই চলে এসেছে।
তিথি: মায়রাকে ফোন দিয়ে আসতে বল। কাল ও আসলো না আজ ও কলেজে আসে নি।
দিয়া: আমাকে বলেছিলো ওর বয়ফ্রেন্ড অনেকদিন পর দেশে ফিরেছে তাই আসতে পারবে না।
সিমি: এখন বল এখানে আসতে একটু আড্ডা দেওয়া যাবে।
অনু: আমি ফোন দিচ্ছি।
হ্যালো মায়রা। তুই কি এখন ফ্রি না কাজ আছে।
মায়রা: কেনো? ফ্রি আছি।
অনু: তাহলে চলে আয় বাসায়।
মায়রা: কেনো?
অনু: ওই একটু আড্ডা দেবো সবাই মিলে।
মায়রা: ওকে বাট বেশি সময় থাকতে পারবো না।
অনু: আয় আগে।
মায়রা: ওকে আসছি।
অনু: আসছে।
তিথি সিমি অনু দিয়া সবাই ড্রয়িংরুমে বসে আড্ডা দিচ্ছিলো। হঠাৎ কেউ কলিংবেল বাজায়।
অনু: দুর এখন আবার কে এলো।
দিয়া: আই থিংক ভাইয়া। আমি দরজা খুলে দিচ্ছি।
অনু: 😏
দিয়া দরজা খুলে দেখে আবির অভি শুভ ও এসেছে।
দিয়া: আরে তোমরা ও এসেছো।
আবির: দেখতে পারছিস না।
দিয়া: 😕না আমার তো চোখ নেই।
শুভ: বাইরে দারিয়ে কি কথা বলবি।
দিয়া: না ভেতরে এসো।
সবাই আসলো ভেতরে ওদের দেখে অনু তিথি সিমি দারিয়ে গেলো।
দ্বীপ: দারাতে হবে না বসো।
অনু: আমরা তোমার জন্য দারাই নি। দিয়া ওরা কে?
দ্বীপ: 😡
দিয়া: ও আবির ও অভি আর।
শুভ: আমি শুভ। তুমি তো সেই না যাকে কাল দ্বীপের কোলে দেখেছিলাম।
দ্বীপ: ঈশানন😡
ঈশান: আমি বলি নি ওরা নিজের চোখে দেখেছে।
অনু: ওই আলমের কোলে ছিলাম আমি😡
দ্বীপ: কালকের শাস্ত্রির কথা তুমি ভুলে গেছো🤬
অনু: একদম না। তোমাকে এটা ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত ভুলবো ও না।
অভি: কি ডেন্জারেস।
তিথি: অনু প্লিজ চুপ কর।
দ্বীপ: ও তাই। তা কি করবে তুমি।
অনু: কি করবো দেখতে চাও। দারাও।
অভি আবির আর শুভ ঈশান এর কাছে গেলো আর বললো,,
“ও কি করতে চাইছে”
ঈশান: আমি বুঝতে পারছি না।
সিমি: দিয়া দেখ অনু কোথায় গেলো।
অনু এক জগ পানি এনে দ্বীপের মাথায় ডেলে দিলো।
সবাই: 😲😱
দ্বীপ: 😡এটা কি করলেএএ?
অনু: আমাকে কাল ওয়াশরুমে আটকে রাখার শাস্ত্রি।
দ্বীপ: তোমাকে তো…
অনু: কাচকলা করবে।
দ্বীপ: তুমি একটু বেশি করে ফেলছো না।
অনু: তুমি ও কাল একটু বেশি করেছিলে না।
দ্বীপ অনুর হাত শক্ত করে ধরলো আর ঠানতে ঠানতে উপরে নিয়ে গেলো।
ঈশান: ও নো। এখন আবার অনুর সাথে কি করবে।
দিয়া: এখানে দারিয়ে থেকে বকবক না করে দেখলেই তো পারো।
ঈশান: 😕
আবির: ঈশান চল গিয়ে দেখি।
আবির আর ঈশান ও গেলো ওদের পিছনে।
দ্বীপ অনুকে নিয়ে গিয়ে বাতটবে ফেলে দিলো।
অনু: আআআআ
দ্বীপ: ভাঙ্গা রেকর্ডার😐
আবির: 🤭এটা কি করলি।
ঈশান: অনু তোমার কোথাও লাগে নি তো।
অনু: 😭ও মাগোওওও।
দ্বীপ: এইভাবে মরা কান্না কাদছো কেনো।
অনু: ওই খচ্চর পোলা আমি ব্যাথা পেয়েছি তো কাদবো না।
ঈশান হাত এগিয়ে দিলো।
ঈশান: উঠো।
অনু ঈশানের হাত ধরে উঠলো।
আবির: তুমি গিয়ে ড্রেস চেন্জ করে এসো। আর দ্বীপ তুই ও চেন্জ করে নে আমরা নিচে যাই চল ঈশান।
ঈশান: হুম।
অনু দ্বীপের দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে চলে গেলো।

মায়রা বাসায় ডুকে অভিকে দেখে চমকে গেলো।
মায়রা: তুমি এখানে?
অভি: তুমি এখানে কি করছো।
দিয়া: তরা দুজন দুজনকে চিনিস।
মায়রা: ওই তো আমার বয়ফ্রেন্ড।
তিথি+সিমি+দিয়া: 😱
শুভ: ওহ তো ও মায়রা।
অভি: হুম।
দিয়া: বাহ দারুন। দুজনকে খুব ভালো মানিয়েছে।
সিমি: তর বয়ফ্রেন্ড এর পিক দেখিনি তাই ভাইয়াকে চিনতেই পারি নি।
ঈশান আর আবিরকে নিচে নামতে দেখে দিয়া ওদের কাছে যায়।
দিয়া: কি হয়েছে?
ঈশান: অনুকে নিয়ে বাতটবে ফেলে দিছিলো।
দিয়া: কি?
আবির: ওরা চেন্জ করে আসছে।
শুভ: ওরা দুজন এতো ঝগড়া করে এক বাসায় থাকবে কি করে।
দিয়া: চলে যাবে আর কিছুদিনের মধ্যে।
অভি: ওদের নাম তো জানা হলো না।(তিথি আর সিমিকে দেখিয়ে)
মায়রা: ও তিথি আর ও সিমি।
আবির: নাইচ নেইম।
তিথি: থ্যাংকস।
আবির: তোমাকে না ওকে বলেছি😜
তিথি: 😡(অপমান)
দিয়া: এবার তরা ও ঝগড়া লেগে যা।
তিথি: আমি যার তার সাথে ঝগড়া করি না(ভাব নিয়ে)
আবির: কিইই?
তিথি: কানে শুনতে পান না😳?
আবির: তোমাকে তো….
দিয়া: কেউ কম না। ঝগড়া করতে গেলে সবাই ফাস্ট। আমিই হয়তো শুধু এসব পারি না🤐।
ঈশান: 🤯ও তাই। তুমি পারো না।
দিয়া: তোমার সাথে কে কথা বলছে😡
ঈশান: তুমি যে কতো বড় ঝগড়াটিয়া সেটাই বলছিলাম। নয়তো তোমার সাথে কথা বলার কোনো শক নেই আমার।
দিয়া: কিই আমি ঝগড়াটিয়া। তুমি নিজে কি। শয়তানের নানা।
ঈশান: আর তুমি নানি।
সবাই: 😂
আবির: তাহলে বিষয়টা দারায় তরা হাজবেন্ড ওয়াইফ।
দিয়া+ঈশান: whattttt
শুভ: ঠিকই তো বলেছে। তরা নিজেরাই বললি। তরা শয়তানের নানা নানি।
দিয়া: শুভর বাচ্চা আর একটা আজে বাজে কথা বললে মুখ ফাটিয়ে দেবো।
শুভ: আমি বিয়ে করিনি বাচ্চা আসবে কোথা থেকে।
ঈশান: গুন্ডি।
দিয়া: ওই তুমি গুন্ডি কাকে বললে😡
ঈশান: শুভকে😒
শুভ: আমি কি করেছি।
অভি: তুই কিছু করিস নি। এবার এসব বন্ধ করো প্লিজ।
আবির: কেউ কারো থেকে কম না। সব মেয়েরাই ঝগড়া করতে এক্সপার্ট।
তিথি: মুখ সামলে কথা বলুন। সব মেয়ে তুলছেন কেনো। আপনারা যা ধুয়া তুলসিপাতা।
আবির: আমি কি তোমার নাম ধরে কিছু বলেছি। কথায় আছে না পরলো কথা সবার মাঝে যার কথা তার গায়ে লাগে।
অভি: 🤥তুই এটা কোথা থেকে শুনলি।
আবির: আপুর মুখ থেকে।
তিথি: ওয়াট। আপনি বলতে চাইছেন আমি ঝগড়া করি😡
আবির: এটা আমি বলি নি। তুমি নিজেই বুঝিয়ে দিয়েছো।
তিথি: কিইই আপনি নিজে কি? ইচ্ছে করছে আপনাকে পচা পানিতে চুবিয়ে মারতে। কালো বান্দর।
আবির: সাহস থাকলে চুবাও। আসো। আর কালো বান্দর কাকে বললে😡
তিথি: আপনাকেই বলেছি। আর আমার সাহস নিয়ে কথা বলবেন না একদম।
এবার আবির আর তিথি ঝগড়া লেগে যায়। সবাই সোফায় মাথায় হাত দিয়ে ওদের ঝগড়া দেখছে। অনু আর দ্বীপ নিচে এসে দেখে তিথি আবির দারিয়ে ঝগড়া করছে আর বাকিরা বসে দেখছে।
দ্বীপ: স্টপপপপ।
তিথি আবির চুপ হয়ে গেলো আর বাকিরা দারিয়ে গেলো।
অনু: তোমরা এভাবে ঝগড়া করছো কেনো কি হয়েছে?
দিয়া: অনু তুই ঠিক আছিস।
অনু এবার দ্বীপের দিকে রাগি লুকে তাকিয়ে বললো।
অনু: হুম।
শুভ: এখানে থাকলে খুনোখুনি হয়ে যেথে পারে। আমি বাসায় যেতে চাই।
দ্বীপ: তরা আমার রুমে চল। ওরা এখানে থাক।
অভি: হুম। চল আবির।
অভি আবিরকে টেনে দ্বীপের রুমে নিয়ে গেলো। যাওয়ার আগে তিথি আবির দুজন দুজনের দিকে এমনভাবে তাকিয়েছে মনে হয়েছে একনি খেয়ে ফেলবে।
সিমি: তুই ঝগড়া কবে শিখলি😒
তিথি: তুইওওও।
মায়রা: চুপ কর মেরি মা। আর কতো চিল্লাবি। গলায় ব্যাথা করে না।
তিথি: আমি তর মা।😡
দিয়া: ও কথার কথা বলেছে। এটা দরছিস কেনো।
অনু: তরা এভাবে ঝগড়া করছিলি কেনো। কি হয়েছিলো।
মায়রা: ধুর ওদের কথা বলিস না। আজাইরাই বকবক করছিলো। কোনো রিজন নেই।
তিথি: 😡আমি ওই কালো বান্দরকে ছারবো না।
সিমি: ধরেছিস কখন😯
মায়রা: আবিরকে কোন দিক দিয়া তর কালো মনে হয়।
অনু: 👏অনেক হয়েছে। এবার সবাই চুপ।
দিয়া: পরেরটা পরে দেখা যাবে। এবার চল ছাদে। ওখানে ওরা আসবে না।
মায়রা: তদের ঝগড়ার জন্য অভির সাথে ভালো করে কথা ও বলতে পারলাম না। আমার বাবুটাকে কতোদিন পর কাছে পেয়েছি।
অনু: 😒অভিকে তর কোন দিক দিয়ে বাবু মনে হয়। দুদিন পর বাবুর বাবা হবে।
মায়রা: 👿
দিয়া: প্লিজ চল উপরে।
সিমি: ওকে চল।
তারা সবাই ছাদে চলে গেলো। এদিকে সবাই দ্বীপের রুমে গিয়ে ঈশান চলে গেলো ফ্রেস হতে। আবির এখনো রেগে আছে। আজ পর্যন্ত কেউ ওর সাথে এভাবে কথা বলেনি। দ্বীপ কাজের মেয়েটাকে হালকা নাস্তা দেওয়ার জন্য বললো। দ্বীপের মা বাসায় নেই।
শুভ: আবির এভাবে ফুলছিস কেনো। মাথা ঠান্ডা কর।
আবির: ওই মেয়েটিকে আমি ছারবো না। কিভাবে ঝগড়া করছিলো দেখেছিস।
শুভ: তুই ও কম না।
আবির: কি বললি😡
শুভ: বলেছি। ঠিক বলেছিস সব কি ডেন্জারেস মেয়ে। কেউ কারো থেকে কম না।
দ্বীপ: তরা ওদের কথায় কান দিয়েছিলি কেনো? তরা জানিস না মেয়ে মানেই ঝামেলা।
ঈশান ফ্রেস হয়ে বেরলো দ্বীপের কথা শুনে দ্বীপকে বললো,,
ঈশান: অনু তিথি যথেষ্ট ভালো মেয়ে। তর বোনই শুধু ঝগড়া করে।
দ্বীপ: তুই অনুর হয়ে কথা বলছিস কেনো। ওর প্রেমে টেমে পরে গেলি নাকি।
ঈশান: তরা ভাই বোন দুটুই একটু বেশি বুঝিস। অনু আমার ফ্রেন্ড। ওকে।
তরা নিজেরা যা ঠিক মনে করিস সেটাই ঠিক সামনের জনের কথা তো শুনতেই চাস না।
দ্বীপ: বুঝলাম দিয়ার রাগ আমাকে দেখাচ্ছিস।
অভি: 😒শেষ হয়েছে তদের। এবার কাজের কথায় আসি।
শুভ: হুম। আবির ব্লুপ্রিন্ট বের কর। সব প্লেন করে নেই।
আবির: হুম।

এদিকে ওরা সবাই ছাদে গিয়ে আড্ডা দিচ্ছে আর গোল হয়ে বসে ট্রুথ ওর ডেয়ার খেলছে। দিয়া নিচ থেকে সবার জন্য চিকেপ পাকুরা এনেছে।

প্রহর ভার্সিটি থেকে এসে ফ্রেস হয়ে বিছানায় শুয়ে লেপটপে কিছু কাজ করছিলো। তখন প্রহরের মা প্রহরের রুমে ডুকে বলেন,
প্রহরের মা: প্রহর তর সাথে কিছু কথা ছিলো।
প্রহর: বলো।
প্রহরের মা: তুই তো জানতিস তর বাবার বন্ধুর ছেলের সাথে প্রিয়ার বিয়ে ঠিক করে রেখেছিলেন অনেক আগেই।
প্রহর: হুম। শুধু জানি। বন্ধু কে ছেলে কে তার কিছুই জানি না।
প্রহরের: জানতে পারবি। ছেলেটা নাকি কালই দেশে ফিরেছে পড়াশুনা শেষ করে। তাই ওরা চাচ্ছে….
ওর মায়ের কথা শেষ হওয়ার আগেই।
প্রহর: এটা কি বলছো। এতো জলদি বিয়ে। ওর কিছুদিন পর ফাইনাল এক্সাম।
প্রহরের মা: আরে বিয়ে বললেই তো বিয়ে হয়ে যাচ্ছে না। ওরা শুধু দেখতে চাইছে। তারপর ওরা নিজেদের জানতে ওতো হবে বিয়ের আগে। তারজন্য টাইম এর প্রয়োজন না।
প্রহর: হুম। বুঝতে পেরেছি। কবে আসবে দেখতে।
প্রহরের মা: আজ ফোন দিয়ে বলেছে কাল আসবে। কাল তো ছুটির দিন তাই।
প্রহর: ওকে।
প্রহরের মা: তুই প্রিয়াকে বলিস বাসায় ফিরলে। আমি বললে উল্টো আমাকে কথা শুনাবে।
প্রহর: ও ওই বাসায়।
প্রহরের মা: হুম।
প্রহর: ওকে।
প্রহরের মা চলে গেলেন। প্রহর ফোন বার করলো আর গ্যালারিতে দিয়ার পিকচার দেখতে লাগলো।

আবির: অল কমপ্লিট।
দ্বীপ: হুম। তুই মৃনালকে ফোন করে জানিয়ে দিস।
অভি: ওকে এবার আমি গিয়ে দেখি মায়রা আছে না গেছে।
শুভ: চল আমি ও যাবো তর সাথে।
ঈশান: আমি ও।
আবির: তরা যা আমি দ্বীপের সাথে আছি।
শুভ: ওকে।
ঈশান অভি শুভ নিচে গিয়ে দেখলো ওরা কেউ নেই দিয়ার রুম ও দেখলো কাউকেই পেলো না।
ঈশান: আই থিংক ওরা ছাদে।
শুভ: চল গিয়ে দেখি।
তিনজন ছাদে গেলো গিয়ে দেখে সবাই গোল হয়ে বসে কি যেনো করছে। ওরা এগিয়ে গেলো।
অভি: তোমরা কি করছো।
মায়রা: ট্রুথ ওর ডেয়ার খেলছি। তোমরা খেলবা।
ঈশান: না তোমরাই খেলো।
দিয়া: ভিতুরা এসব খেলে না। বাদ দে।
ঈশান: তুমি আমায় ভিতু বলেছো।
দিয়া: না অভি আর শুভকে বলেছি।😒
শুভ: আমি কি করছি।😕
অনু: এতো কথা বলছো কেনো। ঈশান বসো তো।
দিয়া: ওই তুমি একদম আমার পাশে বসবে না।
অনু: ঈশান আমার পাশে এসো।
ঈশান গিয়ে অনুর পাশে বসলো অনুর পরেরই দিয়া বসেছে। শুভ সিমি আর ঈশানের মাঝখানে।
অভি গিয়ে বসলো দিয়া আর মায়রা মাঝখানে।
তিথি: এবার বোতল ঘুরা।
মায়রা: আমি আর ডেয়ার নেবো না😥
অভি: কেনো?
মায়রা: ফেইচবুকে ডুকে দেখো অনুর বাচ্চায় কি করতে বলেছে।
অভি ফোন বের করে ফেইচবুকে ডুকলো। ডুকেই চোখ কপালে😵
অভি: এটা কি?
অনু: এতে আমার কোনো দোষ নেই ওই বলেছে তুমি ওর বাবু আর ও ই ডেয়ার নিয়েছে নিজ থেকে কেউ জুর করিনি।
সিমি: 😂যা হওয়ার হয়ে গেছে। এবার বোতল ঘুরা।
দিয়া বোতল ঘুরালো ঈশান এর সামনে এসে থেমে গেলো।
দিয়া: ট্রুথ না ডেয়ার।
ঈশান: (ডেয়ার নেয়া যাবে না এই ডায়নি আমায় ছারবে না) ট্রুথ।
দিয়া: আমি জানতাম তুমি এটাই নিবে ভিতু তো।
ঈশান: তোমার প্রবলেমটা কি। আমার যা ইচ্ছা তাই নেবো তাতে তোমার কি।
অনু: 😖প্লিজ খেলার ১২টা বাজিয়োনা তোমরা। দিয়া তুই কিছু বলবি, না আমি বলবো ঈশানকে।
দিয়া: আমি। তোমার জিএফ এর নাম বলো।
ঈশান: আমি তোমায় কখন বললাম আমার জিএফ আছে। আমাদের মাঝে অভি ছাড়া কারো গার্লফ্রেন্ড নেই।
দিয়া: ওকে। তুমি কি কাউকে ভালোবাসো।
ঈশান: হুম। আমার সব ফ্রেন্ড আমার মা বাবা সবাইকেই ভালোবাসি।
দিয়া: আমি বলেছি……..
অনু: দিয়া হয়েছে। তুই যা বলতে চাইছিস ওরকম কিছু ওর নেই। আবার ঘুরা।
দিয়া আবার বোতলটা ঘুরালো এবার এসে থামলো শুভর কাছে।
দিয়া: ট্রুথ না ডেয়ার।
শুভ: ট্রুথ।
দিয়া: তরা এতো ভিতুর ডিম কেনো বলতো। ডেয়ার নিতে পারিস না।
শুভ: 🤬ডেয়ার।
দিয়া: ইয়াহুউউউ। তুই সিমিকে ফুল দিয়ে প্রপোস কর।
সিমি: 😲তুই আমাকে এসবের মাঝে ডুকাচ্ছিস কেনো।
দিয়া: তকে তো কিছু বলিনি। শুভকে বলেছি।
শুভ: 😕এই কারনেই ডেয়ার নিতে চাই নি।

চলবে?🙄