#ভালোবাসার_অধিকার❤❤
লেখা- পূজা
পর্ব- ৪
।
দিয়ার কথা শুনে ঈশান শুভকে বললো,
ঈশান: দেখলি এই কারনে আমি ডেয়ার নেই নি এই ডায়নির মাথায় সব সময় উল্টো পাল্টা চিন্তা ঘুরে।
দিয়া: কিইইইই? আমি ডায়নি😡তাহলে তুমি কি? পেত্নির জামাই। লেজ কাটা হনুমান কালো বিড়াল আফ্রিকান গন্ডার।
ঈশান: তুমি নিজেই পেত্নি।
অভি: 😯তাহলে কি ঈশান দিয়ার জামাই নাকি।
দিয়া: অভিইইই।
অভি: চিৎকার করছিস কেনো। তুই বললি ঈশান পেত্নির জামাই ঈশান বললো তুই পেত্নি। তাহলে বিষয়টা তো এটাই দারায়।
ঈশান: অভি তকে একবার হাতের কাছে পাই😡
অনু: তাহলে তোমরা ঝগড়া করো। আমরা চলে যাচ্ছি। এখানে খেলতে বসছি না ঝগড়া করতে।
তিথি: ঈশান ভাইয়া তুমি তো দেখছি তোমার ফ্রেন্ড এর মতো ঝগড়া করো।
ঈশান: আমি ঝগড়া করছি না। ওই ডায়নিটাই ঝগড়া করছে।
দিয়া: আবার😡
অনু: চুপপ। আর একটা ও কথা না। শুভ তুমি তোমার ডেয়ার পূর্ণ করো।
শুভ: এখানে ফুল নেই। এমনেই বলি🙁
দিয়া: তর পিছনে দেখ। টব এ গোলাপ ফুল আছে।
শুভ: 😖আজ ফুল না ফুটলে কি হতো।
দিয়া: চুপচাপ ফুল এনে প্রপোস কর।
শুভ উঠে গিয়ে একটা ফুল আনলো। দিয়া সিমিকে বললো,
দিয়া: তুই দারা। আর একদম এক্সেপ্ট করবি না।
আর তুই এমনভাবে প্রপোস করবি যাতে সিমি এক্সেপ্ট করে।
ঈশান: তুমি তো খুব ডেন্জারেস। সিমিকে বলছো এক্সেপ্ট না করতে আর শুভকে বলছো এমনভাবে করতে যাতে একসেপ্ট করে। এটা কোন ধরনের কথা।
দিয়া: ওই তুমি একদম আমার কথার মাঝখানে কথা বলবে না। এখানে কথা হচ্ছে আমার আর শুভর মাঝে।
ঈশান: শুভ আমার ফ্রেন্ড ওর ব্যাপারে আমি কথা বলতেই পারি।
অনু: চুপপপ। তরা দুজন একদম কথা বলবি না। চুপ থাকবি। আর একটা কথা বললে মুখ শিলাই করে দেবো😡
তিথি: ভাইয়া তুমি প্রপোস করো।
শুভর হাত কাপছে সিমির ও হাত পা কাপছে মনে হচ্ছে সত্যিই প্রপোস করতে যাচ্ছে।
অভি: আরে এটা তো জাস্ট ডেয়ার এতো ভয় পাচ্ছ কেনো তোমরা। শুভ করে ফেল।
শুভ: ওকে।
শুভ ফুলটা সিমির সামনে দিয়ে চোখ বন্ধ করে বললো, “আই লাভ ইউ”।
মায়রা: সিমি ফুলটা নিয়ে নে।
সিমি কাপা কাপা হাতে ফুল নিলো।
দিয়া: তকে বলেছিলাম…
অনু দিয়ার মুখ চেপে ধরে বললো,
“তুই চাপ থাক”। গুড এবার এসে বসো।
সিমি আর শুভ এসে বসলো।
শুভ অভি ঈশান ওরা আসছে না দেখে দ্বীপ আর আবির বেরলো ওদের খুজতে।
আবির: ওরা কোথায় গেলো।
দ্বীপ: বুঝতেছিনা। ছাদে গিয়ে দেখি চল।
আবির: হুম।
আবির দ্বীপ ছাদের দিকে যাচ্ছে আর এদিকে ওরা আবার বোতল গুরালো। এবার এসে বোতল থামলো দিয়ার দিকে। এটা দেখে ঈশান লাফ দিয়ে উঠলো। আর বললো,
ঈশান: ইয়েসসস। ওরটা আমি দেখবো। এবার তুমি বলো ট্রুথ না ডেয়ার।
দিয়া: (এখন কি বলবো। ট্রুথ বললে এই রামছাগল আমায় পিছনে লাগবে ডেয়ার নিলে না জানি কি করতে বলে। ইশশশ বোতলটা ও আমার সাথে চিটিং করলো)
ঈশান: কি হলো। কি ভাবছো বলো বলো।
দিয়া: ট্রু,,থ।
ঈশান: একি আমাদের সাহসি রাজকন্যা ট্রুথ নিলো কেনো। ভয় পেলে নাকি। ডেয়ার নাও।
দিয়া: তুমি একটু বেশি করে ফেলছো না।
ঈশান: তুমি যখন অন্যার সাথে করো এটা কম তাইনা।
অনু: তোমরা তো দেখছি একজন আরেকজনকে দেখতেই পারো না। কি হয়েছে বলোতো। এতো কিসের প্রবলেম দুজনের।
ঈশান: বলবো।
দিয়া: ঈশান তোমায় কিন্তু খুন করে ফেলবো😡
শুভ: ঈশান প্লিজ ঝগড়া করিস না। তুই প্রশ্ন করে ফেল ওকে।
ঈশান: আর কারো পিছনে লাগতে গেলে ভেবে লাগবে বুঝেছো।
অভি: তুই কি ওকে কোনো প্রশ্ন করবি না আমরা করবো।
ঈশান: তোমরাই করো।
সিমি: দিয়া বলতো তুই সব থেকে বেশি কাকে ভালোবাসিস আর কাকে ঘৃনা করিস।
দিয়া: আমি ভাইয়াকে সব থেকে বেশি ভালোবাসি আর এই রাম ছাগলকে সব থেকে বেশি ঘৃনা করি।
দ্বীপ আর আবির এসে এসব শুনে। দিয়া ঈশানকে ঘৃনা করে এটা ঈশানের একদম পছন্দ হয় নি। ওর কেনো জানি খুব খারাপ লাগলো। তবে ঈশান এটা জানে ঘৃনা করে মানে শুধু রেগে আছে আর কিছু না।
আবির: তরা এখানে কি করছিস।
শুভ: ট্রুথ ওর ডেয়ার খেলছি। খেলবি।
দ্বীপ: এসব বাচ্চারা খেলে।
অনু: ওহ। তারমানে তুমি বুড়ো হয়ে গেছো।
দ্বীপ: তুমি দু লাইন বেশি বুঝো কেনো বলতো।
অনু: ঠিকটাই বুঝি।
মায়রা: অনেক হয়েছে খেলা। এবার এসব বন্ধ করো। বাসায় যেথে হবে।
হঠাৎ সিমির ফোন বেজে উঠে। হাতে নিয়ে দেখে প্রহর ফোন দিয়েছে।
দিয়া: কে ফোন দিয়েছে?
সিমি: ভাইয়া।
দিয়া: এই খবিসটার ও কোনো কাজ নাই।
সিমি: দারা আমি কথা বলে আসছি।
ঈশান: তোমার কাছে তো সবাই খবিস আর তুমি ভালো।
দিয়া: এখন আমি তোমাকে কিছু বলেছি।
ঈশান: প্রহরকে তো বলেছো। ও আমাদের ফ্রেন্ড কেনো বলবে তুমি।
দ্বীপ: তরা এক জায়গায় হলেই ঝগড়া শুরু করে দিস। ঈশান চলে আয় এখান থেকে।
ঈশান: হুহ।
অভি: ও প্রহরের বোন।
দ্বীপ: হুম।
আবির: এবার আমাদের বাসায় ফিরা উচিৎ।
শুভ: ঠিক বলেছিস। বাসা থেকে অনেক ফোন এসেছে বাট আমি ধরিনি। মনে হয় কোনো দরকারেই ফোন দিয়েছিলেন।
অভি: তাহলে বেক করে দেখ।
শুভ: থাক। বাসায় তো ফিরবোই এখন।
এর মাঝে সিমি ফোনে কথা বলা শেষ করে এসে সবাইকে বলে,
সিমি: গাইজ আমাকে এক্ষণি বাসায় ফিরতে হবে। ভাইয়া বলেছে যেথে।
অনু: ওকে যা। বাসায় গিয়ে ফোন দিস।
তিথি: তাহলে আমি ও যাই।
দিয়া: ওকে।
সবাই বাসায় চলে যায়। অভি মায়রাকে বাসায় পৌছে দেয়।
অনু দিয়া ওদের রুমে যায়। ঈশান দ্বীপ ওদের রুমে।
শুভর বাসায়,
শুভ বাসায় ফিরে ফ্রেস হয়ে নিচে আসে। শুভর মা আর শান্ত ড্রয়িংরুমে বসে ছিলেন শুভ গিয়ে ওদের পাশে বসে। শুভকে বসতে দেখে শুভর মা শুভকে বলেন,,
শুভর মা: শুভ তকে কিছু বলার ছিলো।
শুভ: হুম বলো।
শুভর মা: তর বাবার এক ফ্রেন্ড এর মেয়ের সাথে তর বিয়ে অনেক আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন। তুই দেশে ফিরলে ভেবেছিলেন বাকিটা ঠিক করবেন। এখন তর বাবা চাচ্ছেন…..
শুভ ওর মাকে থামিয়ে বললো,
শুভ: এটা কি বলছো তুমি। আমি কালই দেশে ফিরলাম আর আজই তোমরা আমার বিয়ে দিতে চাও।
শুভর মা: আরে এখনি তো বিয়ে হয়ে যাচ্ছে না। শুধু মেয়ে দেখার কথা বলেছি। বিয়ে তো তরা যখন চাইবি তখন হবে। এর মাঝে তরা নিজেদের জেনে নিতে পারবি।
শুভ: মম তবুও। এতো জলদি…
শুভর মা: তর বাবা কথা দিয়ে দিয়েছেন। কালই মেয়ে দেখতে যাচ্ছি। তুই কি চাস তর বাবার সম্মানহানি হোক।
শান্ত: ভাইয়া রাজি হয়ে যা। আমার রাস্তাটা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
শুভ: 😕তাহলে তুই বিয়েটা করে নে।
শান্ত: কি যে বলিস না। বড় ভাই থাকতে কিভাবে করবো।
শুভ: মাত্র পরিস ক্লাস টেন এ। এখনি বিয়ের চিন্তা মাথায় ডুকে গেছে😐
শান্ত: তো কি করবো। ঠিক সময় জন্ম হলে এখন আমি কতো বড় হতাম। জানিস।
শুভ: 😕তো ঠিক টাইম এ জন্ম হয় নি?
শান্ত: না। তর ১০বছর পর হয়েছে😔😔😔বাট চিন্তা করিস না। জন্মের মতো বিয়ে আমি লেইট এ করবো না। আগেই করে নেবো। বউকে এতো ওয়েট করাবো না।
শুভ: 😤মম সত্যি করে বলো। ও আমারই ভাই তো।
শুভর মা: কিইইইই তুই আমাকে সন্দেহ করছিস😡
শুভ: আরে মম আমি সেটা বলি নি।
শুভর মা: তর বাবা ও আমায় সন্দেহ করেছে এবার তুই ও😡। আমি থাকবো না এই সংসার এ।
শুভর বাবা এসে এই কথাটা শুনে নেন।
শুভর বাবা: কি হয়েছে?
শুভ: মম সরি। সত্যি বলছি আমি ওটা মিন করতে চাই নি। তুমি রাগ করছো কেনো।
শান্ত: ভাইয়া মাকে বলেছে আমি ভাইয়ার সত্যি ভাই কিনা।
শুভর বাবা: এটা নিয়ে তো আমার ও মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়। এমন বিচ্চু ছেলে এই বংশে আসার কথা তো নয়।(বিরবির করে)
শুভর মা: এই তুমি আবার বিরবির করে কি বলছো।
শুভর বাবা: বলছিলাম শুভ এসব তুই কি বলছিলি তুই তর মাকে সন্দেহ করছিস। একদম ঠিক করিসনি এটা।
শুভ: ওহ। ডেড এটা তুমি কি বলছো। মমকে কেনো সন্দেহ করতে যাবো। সত্যি তোমায় ছোয়ে বলছি। আমি জাস্ট মজা করছিলাম।
শুভর মা: সত্যি তো।
শুভ: হুম। (উপপ বেচে গেছি)
শুভর মা: ওকে। আর এই সন্ধ্যে বেলায় তুমি বাসায় কেনো।
শুভর বাবা: কাজ শেষ হয়ে গেলো তাই চলে এলাম। আর শুভ কি কাল আমার বন্ধুর বাসায় যাওয়ার জন্য রাজি।
শুভর মা: কিরে শুভ যাবি তো।
শুভ: হুম।
শুভর বাবা: ওকে। তোমরা এখানে বসো। আমি ফ্রেস হয়ে আসছি।
।
প্রহরের বাসায়,
সিমি বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে প্রহরের রুমে যায়। প্রহর বলেছে বাসায় এসে ওর রুমে যাওয়ার জন্য। সিমির অন্য নাম প্রিয়াংকা। ওর মা বাবা ওকে শর্ট করে প্রিয়া বলেই ডাকে।
সিমি প্রহরের রুমের সামনে গিয়ে নক করে,
সিমি: ভাইয়া আসবো।
প্রহর: হুম। আয়।
সিমি: বল কি বলবি।
প্রহর: তার আগে এটা বল। তুই কি কাউকে ভালোবাসিস।
সিমি: এটা কি বলছিস।
প্রহর: কলেজে আমি তর টিচার বাট বাসায় আমি তর ভাই এর পাশাপাশি ফ্রেন্ড ও। সো তর মনের কথা আমাকে বলতে পারিস। তুই জানিস তর খুশিই আমার খুশি।
সিমি: আমি কাউকে ভালোবাসি না।
প্রহর: গ্রেট। এবার আমার কথা মন দিয়ে শুন। বাবার এক বন্ধুর ছেলের সাথে তর বিয়ে অনেক আগেই ঠিক করে রাখা হয়েছিলো। ও বাইরে থেকে পড়াশুনা শেষ করে কালই দেশে ফিরেছে। তো উনারা চাচ্ছেন কাল তকে দেখতে।
সিমি: ভাইয়া এতো জলদি😔
প্রহর: বিয়ে তো এখন হবে না।
এখন তকে ওরা দেখে যাবে শুধু। তারপর ছেলের সাথে তুই আলাদা একটু টাইম স্পেন্ড করবি। ছেলেটাকে চিনবি জানবি। তারপর যদি তর মনে হয় ছেলেটাকে তর ভালো লাগে নি। আমরা এটা ক্যানচেল করে দেবো।
সিমি: ওকে। আমি রাজি।
প্রহর: দ্যাটস গুড। ওকে রুমে যা।
সিমি: হুম😞
সিমি চলে যাবে এমন সময় প্রহর আবার ডাক দেয়।
“সিমু”
সিমি: কি
প্রহর: স্মাইল😊
সিমি মুচকি হেসে চলে যায়। প্রহর রুমে গিয়ে ফোন বের করে দিয়াকে ফোন দেয়।
দিয়া: এই খবিসটা আবার আমাকে ফোন দিচ্ছে কেনো।
অনু: কে?
দিয়া: প্রহর স্যার।
অনু: ধরে দেখ হয়তো কোনো জরুরি কথা।
দিয়া: হুম।
হ্যা বলেন।
প্রহর: কি করছো।
দিয়া: ডান্স করবি। করবেন।
প্রহর: ওয়াট??
দিয়া: কি ওয়াট। কি জন্য ফোন দিয়েছেন এটা বলুন। ফালতু কথা বলছেন কেনো।
প্রহর: 😡😡তোমাকে যে হোকওয়ার্ক দিয়েছি এগুলো করেছো।
দিয়: তা আপনাকে বলবো কেনো।
প্রহর: ও তাই। কাল সব কমপ্লিট না পেলে বুঝাবো। আজ তো ছেরে দিয়েছিলাম। কাল সবার সামনে বলবো কান ধরে উঠ বস করতে।
দিয়া: আপনার মুন্ডু করেন গিয়ে যান। আর কাল ছুটির দিন।
এটা বলেই দিয়া ফোন কেটে দেয় রাগে।
দিয়া: উনি নিজেকে ভাবেনটা কি? একে একবার বাগে পাই আমি ও বুঝাবো দিয়া কি জিনিস।
অনু: 😮তুই মানুষ না। জিনিস।
দিয়া: তুই একদম ফালতু কথা বলবি না। এমনিতেই মাথা গরম আছে।
অনু: ওকে😒।
।
শুভ ওর রুমে গিয়ে অভি আবির আর দ্বীপকে গ্রুপ কল দেয়। ঈশান দ্বীপের পাশেই আছে।
শুভ: তদের একটা কথা বলার আছে।
আবির: বল।
শুভ: কাল আমাকে মেয়ে দেখতে যেথে হবে। ডেড এর বন্ধুর মেয়ে।
অভি: ওয়াট। এতো জলদি কেনো।
শুভ: জানি না। বাট মেয়েটাকে চেনার জন্য আর জানার জন্য টাইম দেবেন। এখনি বিয়ে নয়।
ঈশান: তাহলে তো ভালোই।
দ্বীপ: কাল তো অফিসের কিছু জরুরি কাজ কমপ্লিট করার কথা।
শুভ: হুম। সেইজন্যই তদের জানালাম। আমি একা সেখানে কিছুতেই যেথে পারবো না।
দ্বীপ: কোনো ব্যাপার না। আমি আর অভি চলে যাবো সেখানে তর সাথে ঈশান আর আবির যাবে।
অভি: রাইট। তাহলে তো হবে।
শুভ: ওকে।
।
এদিকে,, সিমিও তিথি মায়রা আর দিয়াকে গ্রুপ কল দেয়। ফোন ধরেই,
দিয়া: এখন তুই আবার ফোন দিয়েছিস কেনো। তর ভাই আর তুই দুটুই অসহ্য।
সিমি: 😐আমি কি করেছি।
তিথি: স্যার যেকোনো কিছুতে দিয়াকে শাস্ত্রি দেন এই জন্যই উনাকে দিয়া দেখতে পারে না।
মায়রা: 😂ঠিক। আমাদের তো ওয়ার্নিং দিয়ে ছেড়ে দেন আর দিয়াকে…..
সিমি: এটা ভাইয়া করে আমি তো করি না। এবার কাজের কথা বলি যেজন্য ফোন দিছি।
অনু: বল।
সিমি: কাল আমাকে ছেলেপক্ষ দেখতে আসবে।
দিয়া: ওয়াও। তর আগে তর ভাইয়াকে বিয়ে দে। বউ এলে যদি একটু মানুষ হয়।
সিমি: 😕আমি একটা ইমপর্টেন্ট কথা বলছি।
তিথি: হুম। বুঝেছি। তো আমরা কি করবো।
সিমি: কাল দুপুর বেলা আমার বাসায় আসবি।
দিয়া: যে বাসায় তর ভাই আছে। ওই বাসায় আমি যাবো না।
সিমি: ওই পেত্নি। দেখতে আসবে আমায় আমার জন্য আসবি ভাইয়ার জন্য না।
অনু: ওকে আমরা টাইম মতো চলে আসবো।
মায়রা: তা হঠাৎ দেখতে আসবে কেনো।
সিমি: জানি না। ভাইয়া বলেছে আমাদের চিনতে জানতে একটু টাইম দেবে।
তিথি: ওহ তো ঠিক আছে।
দিয়া: আচ্ছা।
সিমি: ওকে। নাউ বাই। কাল টাইম মতো চলে আসিস।
সবাই: ওকে। বাই।
।
দ্বীপের মা আর বাবা এক সাথে বাসায় ফিরেন। রাত তখন আটটা।
দ্বীপ আর ঈশান ড্রয়িংরুমে বসে ছিলো।
দ্বীপ: তোমাদের এতো লেইট হলো কেনো।
দ্বীপের বাবা: একটা কাজে আটকা পরে গেছিলাম।
দ্বীপের মা: তোমরা দুপুরে খেয়েছিলে তো।
ঈশান: হুম।
দ্বীপের মা: ওকে তোমরা বসো আমরা ফ্রেস হয়ে আসছি।
দ্বীপের মা বাবা চলে যান। উপর থেকে দিয়া আর অনু নিচে আসে। এসে দ্বীপ আর ঈশানের অপসাইট এ বসে।
দিয়া: ভাইয়া রিমোট দে।
দ্বীপ: কেনো🤨?
দিয়া: মুভি দেখবো।
দ্বীপ: আমি খেলা দেখবো।
দিয়া: এটা ঠিক না। তরা অনেকক্ষণ ধরে খেলা দেখেছিস।
ঈশান: আরো দেখবো।
দিয়া: তোমার সাথে এখন কথা বলছি না।
দ্বীপ: এখন রিমোট পাবি না। ভাগ এখান থেকে।
অনু: কি একটা খেলা। যার জন্য সবাই এতো পাগল। আমি তো এসবের কিছুই বুঝি না।
দ্বীপ: বাচ্চারা এসব বুঝে না।
অনু: আই নো। তুমি বুড়ো এটা বার বার বলতে হবে না।
দ্বীপ: এখনো বিয়েই করলাম না আর বুড়ো হয়ে গেলাম।
ঈশান: অনু তো বলেছিলো ও তর বউ ভুলে গেছিস😜।
অনু: ঈশাননননন😡
দ্বীপ একটা শয়তানি হাসি দিয়ে বললো,,
দ্বীপ: ফাস্ট নাইট তো কাটাই নি তাই ভুলে গেছি😉।
দিয়া হ্যাবলার মতো বসে ওদের কথা শুনছে ওর মাথার উপর দিয়ে সব কথা যাচ্ছে।
দিয়া: বউ মানে আমি কিছুই বুঝতেছি না।
অনু: ওই অসভ্য ছেলে এসব কি বলছো। আর দিয়া ওদের কথায় একদম কান দিবি না।
দ্বীপ: কেনো কান দিবে না। তুমি বললে কিছু না। আর আমরা বললেই দোষ।
দিয়া: প্লিজ আমাকে একটু বুঝিয়ে বলো। আমি বুঝতে পারতাছি না।
ঈশান: আমি বলি।
দিয়া: বলো।
ঈশান প্রথম দিনের ঘঠনা সব বললো। অনু রাগি চোখে ঈশানের দিকে তাকিয়ে আছে। ঈশান ওদিকে পাত্তাই দিতেছে না। দিয়া ঈশানের কথা শুনে হাসতে হাসতে অনু বললো,,
দিয়া: অনুউউ। রিয়েলি এগুলো তুই বলেছিস😮
অনু: আমি এসব কখন বললাম। আমার কিছু মনে পরছে না।
দ্বীপ: পরবে কি করে সব সময় আলাদা থাকি তো। কাছে থাকলে ভুলতে পারতে না। এখন থেকে এক সাথে থাকবো আর তোমাকে ভুলার চান্স ও দেবো না।😜
অনু: ছিঃ!!
বলেই অনু উঠে চলে যায়।
দ্বীপ ঈশান দিয়া হাসতে থাকে।😂😂😂
।
চলবে?🙄