ভালোবাসার অধিকার পর্ব-৩৪ এবং শেষ পর্ব

0
2232

#ভালোবাসার_অধিকার❤❤
লেখা- পূজা
পর্ব- ৩৪&শেষ


(দিয়া প্রহরের কাছে কিভাবে আসলো? ঈশান কোথায়? দিপ্র কার ছেলে?

৫বছর আগে অভি আর মায়রার বিয়ের ৪দিন পর দিয়া আর ঈশান ইউএস যাওয়ার জন্য টিকিট বুক করে।
দিয়ার আর ঈশান এক গাড়িতে করে যাচ্ছিলো। পিছনে অনু আর দ্বীপের গাড়ি। সাথে অভি মায়রা শুভ আবির তিথি ও ছিলো। সিমি আসে নি দিয়ার উপর রেগে ছিলো। দিয়া অনেক কথা বলার চেষ্টা করেছে সিমির সাথে। বাট পারে নি। সিমি দিয়ার সাথে সব রিলেশন শেষ করে দিয়েছে। অনেক কেদেছে দিয়া সেদিন। আর প্রহর দিয়ার যাওয়া দেখতে পারবে না। তাই ও আসে নি।
ঈশান গাড়ি ড্রাইভ করছিলো আর দিয়া পাশে বসে ছিলো। গল্প করে করেই যাচ্ছিলো। দিয়ার মন খারাপ। মন ভালো করার জন্য ঈশান দিয়াকে নানারকম কথা বলছিলো। ঈশান লক্ষ্য করেনি সামনে অনেক বড় একটা ট্রাক ওদের দিকে ধেয়ে আসছে।
দিয়া সামনে তাকিয়ে”ঈশান” বলে একটা চিৎকার দেয়। ঈশান সামনে তাকিয়ে সেও আতরে উঠে। কি করবে কিছু বুঝতে পারছিলো না। গাড়ি ঘুরানোর ও কোনো জায়গা নেই। ব্রেক ও কাজ করছিলো না। ঈশানের মাথায় শুধু দিয়াকে বাচানোর চিন্তা ছিলো। ঈশান একবার মায়া ভরা চোখে দিয়ার দিকে তাকায়।
ঈশান:দিয়া প্রহর তোমাকে অনেক ভালোবাসে। ওর সাথেই সুখে থেকো প্লিজ। এটাই আমার শেষ ইচ্ছে। আমি জানি তোমার এই বিপদের সময় প্রহর তোমার পাশে এসে দারাবে। ফিরিয়ে দিও না ওকে। আর আই লাভ ইউ দিয়া আই লাভ ইউ ভেরি মাচ।
বলেই ঈশান গাড়ির ডোর খুলে দিয়াকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে ফেলে দেয় দিয়া কিছু বুঝে উঠার আগেই। ঈশান আর গাড়ি থেকে বেরতে পারে নি। দিয়া একটা গাছের সাথে বারি খেয়ে জ্ঞান হারায়। ট্রাকটা ঈশানের গাড়ির উপর উঠে গাড়ি ভেঙ্গে পুরো গুরো গুরো করে দেয়। এর মধ্যে দ্বীপ অনু আবির অভি শুভ ওরা ও চলে আসে। ওরা এসব দেখে এখানেই স্তব্দ হয়ে যায়। সবার মাথা হ্যাঙ হয়ে যায়। কি করবে কি বলবে কেউ বুঝতে পারে না। তখনি অনু দিয়াকে দেখে “দিয়া” বলে একটা চিৎকার দেয়। সবার হুশ আসে। আবির এম্ভুলেন্সকে ফোন দিয়ে আনায়। দিয়াকে নিয়ে যায়। সবার কাদতে কাদতে অবস্থা খারাপ ঈশানের জন্য। ডক্টর জানায় ঈশানের স্পটডেড হয়েছে। ঈশানের মা বাবা ছোট ভাই নিশান এই খবর পেয়ে বাংলাদেশ ছুটে আসে। ঈশানের মা সেন্স হারিয়ে ফেলেন। এত খারাপ খবরের মধ্যে ডক্টর আরো একটা ভালো খবর জানান। দিয়া প্রেগনেন্ট। দিয়া ঈশানের জন্য পুরো পাগল হয়ে গিয়েছিলো। ঈশানকে একবার দেখার জন্য। কিন্তু যখন শুনতে পায়। ওর গর্ভে ঈশানের সন্তান তখন থেকেই ও ওর পেটে হাত দিয়ে ঈশানের সাথে কথা বলা শুরু করে। দিয়ার মেন্টাল কন্ডিশন একদম ভালো ছিলো না। ডক্টর বলেছিলেন এরকম চলতে থাকলে বাচ্ছার উপর এর এফেক্ট পরতে পারে। তখনি প্রহর এসে দারায় দিয়ার পাশে। দিয়ার সব দায়িত্ব নেয়। প্রহরের জন্য দিয়া ২মাসেই স্বাভাবিক হয়ে যায়। কিন্তু ঈশানের জন্য অনেক কাদে। এইভাবে মাঝ রাস্তায় ওকে রেখে চলে গেলো। এখনো তো সংসার শুরুই করে নি। মাঝখানে সব শেষ করে দিয়ে চলে গেলো না ফেরার দেশে।
প্রহর জানায় ও দিয়াকে বিয়ে করে ওর সব রেসপন্সিবিলিটি নিতে চায়। দিয়া রাজি হয় না। যদি প্রেগনেন্ট না হতো তাহলেও ভেবে দেখা যেত। কিন্তু ও ঈশানের বাচ্ছার মা হতে চলেছে। এই বাচ্ছাকে অন্য কারো বোজা বানাতে চায় না দিয়া। ও নিজে ঈশানের স্মৃতি নিয়ে বাকি জীবন কাটাতে চায়। ঈশান এর এই সন্তান নিয়েই ও সারাজীবন থাকতে পারবে।
সব শুনে প্রহর দিয়ার সাথে কথা বলতে ওর রুমে যায়।
প্রহর: শুধু কি একটাই কারন না অন্য কোনো কারন আছে?
দিয়া:না নেই।
প্রহর:তোমার কি মনে হয় এই বাচ্ছাকে আমি অবহেলা করবো?
দিয়া:??
প্রহর:মনে আছে দিয়া তোমার? ঈশানের জন্যই একদিন আমি তোমাকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। ওর জন্য এত বছরের ভালোবাসো সেক্রিফাইজ করেছিলাম। আর তুমি আজ ভাবছো সেই ঈশানের বাচ্ছাকে আমি অবহেলায় মানুষ করবো।একবার কি বিশ্বাস করা যায় না।
দিয়া:আপনি কেনো এখন আমাকে বিয়ে করতে চাইছেন?
প্রহর:ভালোবাসি বলে তাই। আগে বিয়ে করিনি। ঈশান ছিলো। ঈশানকে ভালো না বাসলে জোর করে হলেও বিয়ে করতাম।
দিয়া:আমি তো ঈশানকে এখনো ভালোবাসি। আর সারাজীবন বাসবো।
প্রহর:আই নো। আর আমি এখন শুধু তোমাকে পাওয়ার জন্যই বিয়ে করছি না। এই (দিয়ার পেটের দিকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে) বাচ্ছার বাবা হতে চাই আমি। প্লিজ ওর বাবা হতে দাও।
প্রহর অনেক রিকুয়েস্ট করে। ঈশানের মা ও দিয়াকে বুঝান। ঈশান তো চলে গেছে। তাহলে ও কেনো পিছনে পরে থাকবে। ওর তো বাকিজীবনটাই পরে রয়েছে। প্রহরের রিকুয়েস্ট আর ঈশানের শেষ কথা রাখতে দিয়া ও রাজি হয়ে যায়। ঘরোয়াভাবিই ওদের বিয়েটা দিয়ে দেওয়া হয়। প্রহর ঈশানের বাচ্ছাকে নিজের বাচ্ছার মতোই দেখে। সবাইকে বলে দিয়েছে কখনো যেনো কেউ দিপ্রর সামনে এটা না বলে ও প্রহরের সন্তান নয়। দিপ্র তো প্রহরের জান। এই নামটা অনু রাখে দিয়ার আর প্রহরের নামের প্রথম ওয়ার্ড দিয়ে। আস্তে আস্তে দিয়াও ভালোবেসে ফেলে প্রহরকে। ঈশানের জন্য ভালোবাসাটা দিয়ার হৃদয়ের এক কুনে রয়েই যাবে সারাজীবন)


শুভ আবির অভি শুভ মৃনাল রোদ আর দ্বীপ একসাথেই দ্বীপের বাসায় ডুকে।
দ্বীপ বাসায় ডুকতেই দিঘি এসে দ্বীপকে জরিয়ে ধরে বলে,”পাপা পাপা জানো আদি ভাইয়া না বলেছে তিতিরকে আমার বউমনি বানাবে।”
দ্বীপ:😮তাই নাকি। তা কোথায় আদি তিতির।
আবির তিতিরকে কোলে নিয়ে এসে বললো”আসেন বিয়াই মশাই কোলাকোলি করি। তর ছেলে তো এখনি আমার মেয়েকে বউ বানিয়ে ফেলেছে।”
পরি অভির কাছে এসে কাদো কাদো ফেইস করে বললো,”পাপা শুভ্রভাইয়া আমাকে পাপ্পি দিয়েছে।”
শুভ্র:আমি আরো পাপ্পি দিবো। আর শুধু আমিই দেবো। আমাকে খবরদার ভাইয়া বলবে না।
অভি হাটু গেড়ে শুভ্রর পাশে বসে শুভকে বলে,”তর ছেলে তো দেখছি আমার মেয়ের উপর এখনি অধিকার কাটিয়ে ফেলছে।”
শুভ:😂যেই সেই অধিকার নয়। ভালোবাসার অধিকার।
অভি:ছেলে গুলো কি এডবান্স। এই টুকু বয়সে এতকিছু বুঝে কি করে।
দ্বীপ:😂
মৃধা:আমাকে কেউ ভালোবাসে না😭।
দিপ্র:আমি ভালো বাসবো।
সবাই দিপ্রর করা শুনে দরজার দিকে তাকালো। দিয়া প্রহর দিপ্র এসেছে।
মৃধা:সত্যি।
মৃনাল:😮
দিপ্র প্রহরের কোল থেকে নেমে মৃধার কাছে এসে বললো,”হুম। তোমাকে তো বড় হয়ে আমি বিয়ে করবো।”
দ্বীপ:😂বাহ! দিয়া তর ছেলে তো দেখছি তর থেকেও অনেক এডবান্স।
দিয়া:😐উনি বানিয়েছেন এরকম।
প্রহর:😐এখন সব দোষ আমার হয়ে গেছো।
দিঘি:তাহলে আমাকে কে বিয়ে করবে😭
কাব্য:আরে কাদছো কেনো? আমি আছি না। তুমি আমাকে বিয়ে করবে।
কাব্যর কথা শুনে রোদ দ্বীপ সহ সবাই হেসে দেয়।
রোদ:দ্বীপ শেষে কিনা তুমি হলে আমার বেয়াই।
শুভ:সবার সিট তো দেখছি বুকিং হয়ে গেছে।
অভি:এটা তো মেয়েরা জানেই না। ওরা কোথায়।
দ্বীপ:কিচেনে হয়ত।
দিয়া:আচ্ছা আমি দেখছি ওরা কোথায়। তোমরা এখানে থাকো।
দিয়া চলে যায় কিচেনে। গিয়ে দেখে ওরা কেক সাজাচ্ছে।
দিয়া:অনু সিমি তিথি………..
দিয়ার ডাকে সবাই দরজার দিকে তাকায়। সবাই এগিয়ে যায় দিয়ার দিকে। গিয়ে দিয়াকে জরিয়ে ধরে। সিমি ও দিয়াকে জরিয়ে ধরে।
সিমি দিয়াকে মাপ করে দিয়েছে। দিয়া প্রহরকে এক্সেপ্ট করায়। সিমির তো ঈশানের বাচ্চাকে নিয়ে কোনো প্রবলেমই নেই। আর না প্রহরের মা বাবার ছিলো।
মায়রা:এত লেইট হলো কেনো তর।
দিয়া:একটা বজ্জাত ছেলের জন্ম দিয়েছি। আমার একটা কথাও শুনে না শুধু শয়তানি। ওর জন্যই আসতে পারি নি।
তিথি:ঈশান ও এরকম দুষ্টুমি করতো। তাইনা।
তিথির কথায় দিয়া মাথা নিচু করে ফেলে। সত্যিই একদম ঈশানের কার্বনকপি হয়েছে। ঈশান কতো দুষ্টুমি করতো।
অনু:তিথি আর বলিসনা এসব। দিপ্র শুধু প্রহর স্যারের ছেলে। যে নেই তাকে নিয়ে আর নাই বা কথা বললাম। ও তো আমাদের মনে সবসময় রয়ে যাবে।
সিমি:দিয়া তুই ভাইয়াকে নিয়ে হ্যাপি থাক। অতিত নিয়ে ভাবিস না। যা গেছে তো গেছেই।
কায়া:আসলেই অতিতের কথা ভেবে বর্তমান নষ্ট করার কোনো মানেই হয় না।
দিয়া:হুম এসব নিয়ে আমি আর ভাবি না। ঈশান তো আমার মনের এক কুনে সবসময়ই থাকবে। প্রহরকে নিয়েই এখন হ্যাপি আছি।
অনু:হুম।
দিয়া:জানিস ওখানে কি হয়েছে?
নদী:কি?
দিয়া:সব ছেলেরা তাদের বউ ঠিক করে ফেলেছে।
নদী:মানে?
দিয়া:আমার ছেলেটা তো তর মেয়ে মৃধাকে বিয়ে করার প্লেন করছে।
নদী:সিরিয়াসলি।
দিয়া:হু। আর আদি তো আরো ফাস্ট। তিতিরকে বউ বলে ফেলেছে।
তিথি:ও মা তাই। অনু তুই আমার মেয়ের শাশুরি হবি।
দিয়া:শুভ্র বলেছে পরিকে বিয়ে করবে।
মায়রা:এই দুষ্টু মেয়েকে তাহলে কেউ বিয়ে করার কথা ভাবছে।
সিমি:এই ভাবে বললি কেনো? পরি শুধু নামেই পরি না। দেখতে ও পরির মতো।
মায়রা:কিন্তু স্বভাব একদম পরির মতো না। ভীষন দুষ্টু।
সিমি:যাই হোক। পরিকে আমার ছেলের বউই বানাবো।
মায়রা:তাহলে আয় এই খুশিতে হাগ করি।
দিয়া:😂আর একটা তো রয়েই গেলো।
অনু:কি?
দিয়া:কাব্য আর দিঘি। ও বলেছে দিঘিকে বিয়ে করবে।
কায়া:ওয়াও। তাই।
অনু:আমার ছেলে মেয়ে তাদের বর কনে খুজে নিলো। আর আমিই জানি না😞
দিয়া:এই ছেলে মেয়ে গুলো যা ফাস্ট। তুই জেনেই কি করতি।
অনু:😐
দিয়া:অনেক হয়েছে এবার এসব নিয়ে চল ওখানে যাই। আর আমাকে এক গ্লাস জুস দে। প্রহরকে দেবো।
অনু:বাহ কি ভালোবাসা।
দিয়া:😒
দিয়া এক গ্লাস জুস নিয়ে প্রহরের কাছে আসে প্রহর ফোনে কথা বলছিলো।
দিয়া:এই নিন।
প্রহর ফোন রেখে পিছন ঘুরের দিয়ার দিকে তাকায়।
দিয়া:আপনি তো এই টাইমে অরেন্জ জুস খান। আপনার জন্য নিয়ে এসেছি।
প্রহর গ্লাস টা নিয়ে এক টানে খেয়ে ফেললো তারপর দিয়ার হাতে গ্লিসটা দিয়ে দিয়াকে একটানে নিজের কাছে নিয়ে আসলো।
দিয়া:কি করছেন কেউ দেখলে কি ভাববে।
প্রহর:কিছুই ভাববে না। ভাববে নিজের বউকে আদর করছি।
দিয়া:ইশ আপনি ও না।
প্রহর:তোমার এই ভালোবাসাটাই চেয়েছিলাম দিয়া। যা আমি পেয়ে গেছি। সেদিন বিয়ে না করে সত্যিই ভালো করেছিলাম। সেদিন আমাদের বিয়ে হলে এত ভালো তুমি আমাকে বাসতে পারতে না। ঈশানকে নিয়েই সবসময় ভাবতে।
দিয়া প্রহরের মুখে হাত দেয়।
দিয়া:প্লিজ ঈশানের কথা বলবেন না। দিপ্র শুনলে কি ভাববে। ঈশান ওর জায়গায় রয়ে গেছে। আপনার জন্য তো নতুন জায়গা তৈরি হয়েছে।

দ্বীপ অফিস থেকে এসে আর ফ্রেস হতে পারে নি আড্ডা শুরু করে দিয়েছিলো। এখন রুমে গেছে ফ্রেস হতে অনু সব কাজ শেষ করে সব রেডি করে উপরে যায়। দ্বীপ তখনি ফ্রেস হয়ে বাইরে বের হয়।
অনু:সব রেডি।
দ্বীপ:মম কি করছে। আর ড্যাড এখনো অফিস থেকে আসে নি।
অনু:না মা আছে রুমে। বাবাকে ফোন দিয়েছিলাম উনি আসছে।
দ্বীপ অনুকে নিয়ে বেলকনিতে চলে যায়। দ্বীপ চেয়ারে বসে অনুকে কোলে বসায়। অনু ও দ্বীপের শরিরে হেলান দিয়ে বসে আকাশের দিকে তাকায়। চাদ উঠেছে।
অনু:আজ চাদটা কত সুন্দর লাগছে না। একদম আমাদের এই সুন্দর ফ্যামিলির মতো।
দ্বীপ:হুম। রাইট।
অনু:সবসময় এইরকম ভালোবাসবে তো আমাকে।
দ্বীপ:তোমার কোনো ডাউট আছে?
অনু:না।
দ্বীপ:তাহলে এই প্রশ্নটা বার বার করো কেনো?
অনু:ভালো লাগে।
দ্বীপ:আমাদের ভালোবাসো আস্তে আস্তে বারবে অনু কমবে না।
অনু:তাই যেনো হয় নয়তো খুন করে ফেলবো।
দ্বীপ:কি?
অনু:আপনার মাথা। হয়েছে চলো এবার নিচে সবাই ওয়েট করছে।
দ্বীপ:চলো।
অনু আর দ্বীপ নিচে গেলো। দ্বীপের বাবা ও চলে এসেছেন। আদি দ্বীপের কোলে আর দিঘি অনুর কোলে। ওদের দিয়ে কেক কাটানো হলো। সবাই বললো হ্যাপি বার্থডে টু ইউ আদি এন্ড দিঘি।
❤অফুরন্ত ভালোবাসো রাগ অভিমান সব মিলিয়েই রয়েছে একটা সুইট কিউট রিলেশন। এভাবেই ভালোবাসায় ভরা থাক তাদের সংসার❤
——-¤সমাপ্ত¤——-