মনের গহিনে পর্ব-০৮

0
477

#মনের_গহিনে (৮)
Sarika Islam(mim)

সন্ধ্যায় সবার জন্য নুডুলস বানালাম টুকটাক এইসব পারি।আমি ইয়াদ সোনিয়া আর ইফতি ভাইয়া আমরা ছাদে বসে আড্ডা দিচ্ছি আর নুডুলস খাচ্ছি।আড্ডার মাঝে ইফতি ভাইয়া বলে উঠলো,
-বাহ ভাবী তোমার হাতে তো জাদু আছে।বেশ মজা হয়েছে।

আমি হাল্কা হাসলাম।সোনিয়াও প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে গেল।
-আসলেই খুব দারুন হয়েছে ভাবী।

ইয়াদ নুডুলসের দিকে তাকিয়ে শুধু গিলে যাচ্ছে।কারো কথায় কোন ধরনের রিয়েক্ট করছে না।হঠাৎ কারো ফোন আসায় সে মজলিশ থেকে উঠে কিছুটা দূরে গেল।ছাদের এক কোনে রেলিং ঘেষে দাঁড়িয়ে কল রিসিভ করলো।
-কিরে ইয়াদ আসলি না যে?

অপর পাশ থেকে কিছুটা রেগে রাহাত বলল।ইয়াদ সম্পুর্ন ভুলেই গিয়েছিল রাহাতের কথা ইফতির আগমনে।মাথা চুলকে খানিকটা হেসে বলল,
-আসলে ভুলে গিয়েছিলাম ইফতি এসেছে তো।

রাহাত অভিমানী কন্ঠে বলল,
-থাক তুই ইফতির সাথেই কাল কথা হবে আমি আসবো অফিস।
-আচ্ছা।

বলেই ফোন রাখলো।রাহাত আর ইয়াদ কলেজ টাইমের ফ্রেন্ড একসাথেই দুইজন এস্টাবলিশ হয়েছে সুখ দুঃখে একসাথেই ছিল।

———–

নীলা শুয়ে শুয়ে ফোন গুতাচ্ছিল হঠাৎ ইয়াদ এর কাম্পানির পেজে মডেলের এড দেখলো।একটা মডেল তারা খুজচ্ছে।চট করেই নীলার নিজের কথা মনে পড়লো সেও তো মডেল হওয়ার জন্য চাতক পাখির মতো খুজছে এখন তার স্বপ্ন নিজের ইচ্ছেয় তার কাছে ধরা দিয়েছে তাও ইয়াদের সামনে নীলার মন খুশি হয়ে গেল।ইয়াদের সাথে বিয়ে করতে পারেনি বিধায় নিজেকে অনেক দোষারোপ করেছে এখন আর নয়।নীলা দ্রুত ইয়াদকে ফোন লাগালো।

ইয়াদ পুনরায় সবার সাথে গল্পে জমেছিল ফোন সাইডে রেখে তখন তার গল্পে ব্যঘাত ঘটিয়ে ফোন আবারও বেজে উঠলো।ফারাহ বিরক্তি হয়ে সাইডে রাখা ইয়াদের ফোনের দিকে তাকালো।এত রাত বেলা কে তাকে এত্ত কল করে জ্বালায় মূলত তা দেখার জন্য।ফারাহ কখনো ভাবেওনি ফোনের স্ক্রিনে নীলার নামটা এত বড়বড় করে স্পষ্ট লিখা দেখবে।দ্রুত চোখ ফিরিয়ে নিল।
ইয়াদ ফোন হাতে নিয়ে নীলার নাম দেখলো ফারাহর দিকে তাকিয়ে দেখলো ফারাহ আড্ডায় মশগুল হয়তো দেখেনি এই ভেবে ফোন সাইলেন্ট করে উঠে সাইডে গেল।ফারাহ আড়চোখে ইয়াদের দিকে তাকাচ্ছে আর কথায় ব্যাস্ত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

ফোন রিসিভ করতেই অপর পাশ থেকে নীলা বলল,
-আমি তো ভেবেছিলাম ফোন রিসিভ করবে না।

ইয়াদ বেশ বিরক্ত হলো নীলার কন্ঠে বিরক্তি মাখা গলায় বলল,
-কেন ফোন করেছ দ্রুত বলে শেষ করো।
-আরে আরে বিরক্ত হচ্ছো কেন?
-তোমার সাথে আমার কোন কথা নেই তাই।
-তোমাদের কাম্পানিতে মডেল লাগবে?মডেলের সন্ধানে আছো?

ইয়াদ ভ্রু কুচকে অবাক কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো।
-তুমি কিভাবে জানলে?
-তোমাদের এডে দেখলাম।আমি আসবো কাল ইন্টারভিউ দিতে?
-কেন?
-মডেলিং এ?

ইয়াদ ভাবনায় পরে গেল একেতে কাম্পানিতে ইমার্জেন্সি মডেল লাগবে তারউপরে নীলা নিজ থেকেই আসতে চাইছে এই চান্স হাত ছাড়া করা যাবে না।একবার প্রেজেন্টেশন শেষ হোক তারপর নীলার কথা ভেবে দেখবে।কিছুক্ষন ভেবে ইয়াদ জবাব করলো।
-আচ্ছা।

বলেই ফোন কাট করে দিল।অপর পাশ থেকে নীলা যেন না চাইতেই চাঁদ পেল হাতে।আরো একটা সুযুগ দিয়েছে ভাগ্য তাকে ইয়াদের কাছাকাছি থাকতে আর মডেলিং হতে।সেই রাতের মতো নীলা খুশি মনে শুয়ে পরলো।

———–

বিছানা ঝারতে ঝারতে আড়চোখে ইয়াদকে দেখে যাচ্ছি সোফায় বসে একখেয়ালি হয়ে লেপটপে কাজ করেই যাচ্ছে একটুও টায়ার্ড হয়না নাকি?আমি কাথা ঠিক করতে করতে ইয়াদের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-আমার তো কলেজ ও আছে কাল থেকে কলেজ যেতে পারবো?

ইয়াদ ফারাহর কথায় লেপটপ থেকে চোখ সরিয়ে তার দিকে তাকালো।কাচুমাচু হয়ে আছে ইয়াদের উত্তরের জন্য।ইয়াদ ফারাহর দিকে তাকিয়ে বলল,
-ঠিক আছে যেও।
-আন্টি?

ভয়ার্থ গলায় বললাম।আন্টিকে আমার প্রচন্ড ভয় লাগে।যদি না এলাও করে আমার কলেজ যাওয়াটা তাহলে?ইয়াদ টোল পরা গালে হেসে বলল,
-আম্মা কিছু বলবে না আমি কথা বলবো নে।

আমার ঠোঁট দুটো প্রসারিত হয়ে এক চিলতে হাসি বের হলো।আন্টিকে ইয়াদ বললে অবশ্যই মানবে।ইয়াদের টোল পরা গালের হাসি দেখলে আমার মুড এইভাবেই ঠিক হয়ে যায়।খুশি মনে বিছানায় শুয়ে পরলাম।
হঠাৎ নীলাপুর কথা মনে পরলো ইয়াদকে কল করায় বিষয়ে।নীলাপু কেন কল করলো?সে কি আবার ইয়াদের সাথে কোন ধরনের সম্পর্ক করতে চায়?ইয়াদকে আবার নিজের করে পেতে চায়?আমি হতে দিব না এখন ইয়াদ আমার স্বামী!!নানান কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পরলাম।

দিনটা ছুটির আজ সবাই বাড়িতেই আংকেল ইয়াদ আর কাল ইফতি ভাইয়া আর খালা তো আছেনি।সকালে সবার জন্য নাস্তা রেডি করে টেবিলে রাখলাম সবাই একসাথে নাস্তা করলাম।সোনিয়া বায়না ধরেছে আজ যেহেতু ছুটির দিন শাড়ি পরবে আর কোথাও ঘুরতে যাবে।নিজে একা নয় আমাকে নিয়েই শাড়ি পরবে।আমিও সায় জানালাম।
দুপুরে গোসলের পরে সোনিয়া লাল টুকটুকে একটা শাড়ি এনে আমার বিছানায় রাখলো।আর নিজের জন্য একটা আকাশি রঙের শাড়ি নিল।
-ভাবী তুমি এই লালটা পরো বেশ লাগবে।

আমি হাল্কা হাসলাম।শাড়িই তো পরতে পারি না কিভাবে পরবো?সোনিয়া নিজে পরে আমাকে হেল্প করলো মেয়েটা একা একা কি সুন্দর ভাবেই না শাড়ি পরতে পারে আর পরিয়েও দিতে পারে।আর আমি এক মহক্কল কিচ্ছুই পারিনা শুধু ইয়াদের উপরে ফিদা হওয়া ছাড়া।নিজে নিজেই হাসলাম।সোনিয়া আমার দিকে তাকিয়ে বলল,
-এইভাবে একা একা হাসছো কেন?

আমি মুখ মিলিয়ে বললাম,
-কই নাতো।

দুজনেই নিচে নামলাম।সবাই সোফায় বসে ছিল একসাথে খাবে তাই।আমাদের দেখে সবাই আমাদের দিকে চোখ ফিরে তাকালো।বড় খালা যেন নিজেকে আর কান্ট্রল করতে পারলো না।
-ফারাহকে তো লাল রঙে পুরো লাল পরি লাগছে।আর আমাদের সোনিয়া তো মাশাল্লাহ।

দুজনিই মিষ্টি হাসলো।ইয়াদ ফারাহর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।ফারাহকে লাল রঙে দেখে মনের গহিনে এক ভালোলাগা কাজ করছে।লাভ এট ফাস্ট সাইড ভেবেই ইয়াদ মেকি হাসলো।

বিকেলে,
সোনিয়ার রুমে ফারাহ তার সাথে গল্প জুড়ে বসেছে।সোনিয়ার সাথে কি হয়েছে না হয়েছে সব কিছু বলেই যাচ্ছে বলেই যাচ্ছে।
-জানো একটা ছেলে আছে ভার্সিটিতে বেশ হ্যান্ডসাম।আমি তো পুরোই ক্রাশ।

সোনিয়ার কথায় হেসে উঠলাম।আমারো ক্রাশ ছিল কেউ আমার কলেজে তার সাথে প্রেমের স্বপ্ন বুনেছিলাম কিন্তু নিয়তি এমন খেল খেলবে তা কেই বা জানতো??কাল কলেজ গিয়ে সবার প্রথমে তার সাথেই দেখা করবো ভেবে রাখলাম।
ইফতি ভাইয়া নক করে রুমে ঢুকলো সোনিয়া আর আমার উদ্দেশ্যে বলল,
-ঘুরতে যাবা?

আমি আর সোনিয়া তো সাথে সাথেই হুম বললাম।তারপর সে কিছুটা রেডি হতে বলল আমিও নিজের রুমের দিকে গেলাম একটু রেডি তো হতেই হয়।ইয়াদ বিছানায় গা এলিয়ে ফোন টিপছিল সাদা একটা টি-শার্ট পরে।
আমি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে খোপা করা চুলগুলো ছেড়ে দিলাম কোমড়ে পুরো লেপ্টে গেছে।লাল রঙের লিপস্টিক দিলাম ঠোটে চোখে গাঢ করে কাজল লাগালাম বেশ আমি ঠিক।কোমড়ের দিক দিয়ে শাড়ি ঠিক করতে লাগলাম নিচের দিকে তাকিয়ে।সব শেষে পিছ ফিরতেই কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে পরে যেতে নিলাম।

ফারাহ পরে যেতে নিলে ইয়াদ কোমর পেচিয়ে ধরে।অপলক দৃষ্টিতে ফারাহর লাল টুকটুকে ঠোটের দিকে তাকিয়ে রইলো।ইয়াদকে যেন প্রচুরভাবে আকৃষ্ট করছে এই ঠোঁট জোড়া।
ইয়াদের উষ্ণ হাত আমার কোমরে পরতেই পুরো শরির শিহরন বয়ে গেল।লজ্জায় শরমের ইয়াদের দিকে ঠিকভাবে তাকাতেও পারছিনা।কিন্তু সে দিব্যি তাকিয়েই আছে এতে করে আরো লজ্জা পেয়ে গেলাম।নিজেকে ছাড়ানোর জন্য হাল্কা কেশে উঠলাম।ইয়াদ সাথে সাথেই ঠিকভাবে দার করিয়ে দিল।
ইয়াদ ছেড়ে দিয়ে ঠিকভাবে ফারাহর চোখে চোখ মিলাতে পারছে না।এতক্ষন কি বেশরমের মতো তাকিয়ে ছিল এখন কিভাবে ফেস করবে।প্রচুর লজ্জা কাজ করছে ইয়াদের।ফারাহ ইতস্তত ছাড়িয়ে বলল,
-রেডি হয়ে নিন বেরুবো।

ইয়াদ ওয়াশ্রুমে চলে গেল।এখন এই সিচুয়েশনে এইখান থেকে চলে গেলেই যেন সে শান্তি পায়।ফারাহও শ্বাস ছাড়ল।হাল্কা হেসে নিচে নামলো।সবাই একসাথে বের হতে হতে মাগরিবের সময় প্রায় হয়ে এসেছে।গাড়িতে যাবে না বলে দিয়েছে রিকশায় খোলা আকাশের নিচে যাবে।আমরাও তাই করলাম দুটো রিকশা নিল ইয়াদ। একটায় আমি আর ইয়াদ আরেকটাতে ইফতি ভাইয়া আর সোনিয়া।
সোনিয়া একেক কথা ইফতিকে পুরো পাগল বানিয়ে দিচ্ছে।সে এইটা করেছে সেটা করেছে আর ইফতি বেচারা সোনিয়া বকবকানি হজম করছে আর মাথা নাড়াচ্ছে।

আমি ইয়াদের থেকে কিছুটা ডিস্টেন্সে বসার চেষ্টা করলাম কিন্তু রিকশা কিছুটা ছোট হওয়ায় ধা*ক্কা লেগে আবারো একসাথেই হয়ে যাই।খামখেয়ালি ভাবে বসায় রিকশা ঢালের মধ্যে দিয়ে যেতেই পরে যেতে নিলাম ইয়াদ শক্ত করে আমার হাত নিজের মুঠোয় আবদ্ধ করলো।হঠাৎ এমন কিছু হওয়ায় তার দিকে মুখ তুলে তাকালাম।
-ধরে না বসলে আজিই তোমার শেষ রিকশা হবে।

মানি কি?আর রিকশায় চড়াবেনা?আমার তো রিকশাতেই বেশি ভালোলাগে?ইয়াদের কথা অনুযায়ী তাকে ধরেই বসলাম।তার হাতের উষ্ণতায় আমার হাতের তালু পুরো গরম হয়ে গেছে।কিন্তু মনের কোনে এক ভালোলাগাও কাজ করছে ইয়াদ আমাকে ধরে রেখেছে।এক গাল হাসলাম।
-এত ছোট কেন তোমার হাত বাচ্চাদের মতো?

বলেই হেসে উঠলো।আমার এতক্ষনের ফিলিং সব ছাইছাই হয়ে গেল ইয়াদের কথায়।আজ হাইটে তার ছোট বলে এইভাবে খেপানো হচ্ছে আমাকে।নাক টেনে বললাম,
-তাহলে কি আপনার মতো ইয়া লম্বা লম্বা থাকবে নাকি?

ইয়াদ আমার হাতটা তার হাতের মধ্যে মাপ দিল।তার হাতের মাঝে আমার হাত এক নিরীহ প্রানীর মতো পরে আছে।দেখেই নিজেরই কেমন একটা শরম কাজ করলো।ইয়াদ তো হেসেই ফেলল,
-দেখলে তো কত্ত পিচ্চি।

আমি ভেংচি কাটলাম।
একটা ছোট খাটো পার্কের সামনে নামলাম এইখানে মোটামুটি ভাবে সব কিছুই আছে নাগোরদোলা,নৌকা বলে যেটাকে সেটা আরো নানান ধরনের জিনিস আমার মন প্রফুল্ল হয়ে গেল এইসব দেখে।সবাই একত্রে ভিতরে ঢুকলাম প্রথমে ঘুরেঘুরে পুরো পার্কটা দেখলাম সাইডে পৃথিবী টাইপ একটা নাগরদোলা আছে গোলগোল শুধু ঘুরেই যায় আর এত্ত আস্তে আস্তে ঘুরে তাকিয়ে থাকলে নিজের মাথাই ঘুরে যাবে।সোনিয়া আমাকে সেইটা দেখিয়ে ইয়ার্কি মেরে বলল,
-ভাই আর ভাবীকে সেইখানে বসিয়ে দিব তারপর আস্তে ধীরে তারা ঘুরবে আর আস্তে ধীরে কথা চলবে।

বলেই ইফতি ভাই আর সোনিয়া হেসে উঠলো।আমি অবলার মতো তাকিয়ে রইলাম এতে যেন আমি কোন আগা মাথা কিছুই বুঝলাম না কথার তাই কোন রিয়েকশনও হলো না।ইয়াদ টিকেট কাউন্টার থেকে টিকেট কিনলো কে কোনটায় উঠবে।আমার তো নৌকায় উঠতে হেব্বি লাগে আমি সেইখানেই উঠবো।ইফতি ভাইয়ার নাকি অনেক ভয় লাগে কিন্তু আমাদের জোরাজুরিতে সেও উঠতে রাজি হলো।
আমরা চারজন বসলাম এক্কেরে উপরে আমি ইয়াদকে নিয়ে বসলাম আমাদের আগেরটাতে ইফতি আর সোনিয়া।সোনিয়া অনেক এক্সাইটেড আর ইফতি ভাইয়ার চেহারা পুরো ভয়ার্থের ছাপ স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে।আমার ইফতি ভাইয়ার মুখশ্রী দেখে বেশি হাসি পাচ্ছে।সামনে টাইট করে আটকে দিল আমাদের যেন না পরে যাই।ইফতি ভাই আরো দুইতিন বার চেক করলো যেন খুলে না যায়।আমি আর সোনিয়া তার জিনিস গুল বেশ ইঞ্জয় করলাম।আমার সাথে থাকা ইয়াদের মুখের দিকে তাকালাম।আমাকে দেখে মলিন মুখে শুকনো একটা হাসি দিল।আমি ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করলাম,
-আপনিও ভয় পান?

ইয়াদ জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট দুটো ভিজিয়ে মলিন মুখে হেসে বলল,
-আমি মোটেও ভয় পাই না।তুমি পাও কিনা সেটা বলো?

যেইনা শুরু হতে যাবে ইয়াদ এক হাত দিয়ে আমার হাত শক্ত করে চেপে ধরলো।

চলবে,,
(ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমার চোখে দেখবেন।)