মিশে আছি তোমাতে পর্ব-১০

0
4392

#মিশে_আছি_তোমাতে ❤
#Writer_Nusrat_Jahan_Bristy
#Part_10
.
.
.
.

আবির সাদা শার্ট কালো প্যান্ট হাতে ঘড়ি পড়ে দাড়িয়ে যায় বলতে গেলে ওল পার্রফেক্ট….

তিশা : এসব আপনি কখন পড়লেন??? ( আবাক হয়ে)

আবির : কেন?? কিছু দেখতে পারো নি দেখে তার জন্য খুব আপসোস হচ্ছে তোমার …

তিশা : কি যাথা বলছেন?? আপনাকে দেখতে আমার বয়ে গেছে সরুন আমার সামনে থেকে…

আবির : যা বাবা এত রাগের কি আছে…. তুমি আমাকে দেখতেই পারে তাতে আমি রাগ করবো না বুঝলে…….

তিশা আলমারি থেকে ব্যাগ নিয়ে নেয়….

আবির : কোথায় যাচ্ছো তুমি??

তিশা : কলেজে যাচ্ছি আমি…. অনেক দিন হয়ে গেছে তো কলেজে যাই তার জন্য আজকে কলেজে যেতে হবে আমাকে….

আবির : তাহলে চলো আমি তোমাকে কলেজে দিয়ে আসি

তিশা : না আমি একাই যেতে পারবো…

আবির : জেদ করো না তিশা…. তোমার কিছু হয়ে গেলে

তিশা : আমার কিছু হবে না বুঝতে পেরেছেন আপনি…. আর আপনি চিন্তা করবেন না আমি পালিয়ে যাবো না যেহেতু আপনাকে আমি কথা দিয়েছি তাই আমি এই বাড়ি থেকে যাবো না….

আবির : আরে আমি জানি তুমি যাবে না কিন্তু আমি তোমাকে কলেজে দিয়ে আসি…. আর তুমি ব্রেকফাস্ট করেছো

তিশা : হে করেছি….. আর আমি কলেজে একাই যাবো আজকে …

আবির : ওকে ওকে তুমি কলেজে একাই যেও তবে গাড়ি নিয়ে যেও প্লিজ….

তিশা ঘর থেকে বের হয়ে যায় আবির ড্রাইভারকে ফোন করে….

আবির : তিশা কলেজে যাবে ওকে কলেজে পৌছে দিয়ে আসবে ‌….

আবির ফোন কেটে অফিসে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে নিচে গিয়ে ব্রেকফাস্ট করে সাথে নিরবও ব্রেকফাস্ট করছে ….

আবির : নিরব তুই কালকে থেকে অফিসে জয়েন করবি…

নিরব : না ভাইয়া আমি এখন অফিসে জয়েন করতে পারবো না….

আবির : কেন পারবি না???

নিরব : আসলে ভাইয়া সবে মাএ দেশে এলাম……

আবির : তো কি হয়েছে কালকে থেকে তুই অফিসে জয়েন করবি বেশ শেষ কথা….

নিরব : ঠিক আছে ভাইয়া….

আবির : তর নামে যেই কোম্পানিটা আছে ওইটাতে তকে আমি কালকে এমডি হিসেবে জয়েন করাবো তাই কালকে রেডি হয়ে থাকবি….. আমি আর কত দিন দুটা কোম্পানিটা একসাথে সামলাবো বলতো এবার তো তকে সবকিছু বুঝে নিতে হবে নাকি…

নিরব : আচ্ছা ভাইয়া আমি কালকে রেডি হয়ে থাকবো…

আবির : ঠিক আছে আমি এখন আসি…

আবির বাড়ি থেকে বের হয়ে গাড়িতে গিয়ে উঠে….

আবির : সোহেল তিশাকে কলেজে পৌছে দিয়েছো তো…..

সোহেল : না স্যার ম্যাডাম তো একাই চলে গেছে….

আবির : কি?? একা চলে গেছে মানে তুমি বলো নি গাড়িতে উঠার জন্য…

সোহেল : স্যার বলেছি আমি কিন্তু ম্যাডাম বলেছে ওনি নাকি আগে যেভাবে চলাফেরা করতো সেভাবে এখনও চলবে….

আবির : এই মেয়েটাকে নিয়ে আর পারা গেলো না আগের ও আর এখনের ওর মাঝে আকাশ পাতাল তফাৎ আছে…. কেন বুঝতে চাইছে ও এখন আবির রহমানের স্ত্রী….

সোহেল : স্যার এখন কি করবো?? কলেজে যাবো নাকি অফিসে যাবে

আবির : কলেজে চলো….

সোহেল : আচ্ছা স্যার….

আবির তিশাকে ফোন করে….. তিশা একা একা রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে এমন তিশার ফোনটা বেজে ওঠে তিশা ফোনে তাকিয়ে দেখে আউট নাম্বার তিশা ফোনটা রিসিভ করে….

তিশা : হ্যালো কে বলছেন???

আবির : তুমি গাড়ি নিয়ে যাও নি কেন?? আর আমার নাম্বারটা তুমি এখনও সেভ করো নি কেন?? ….

তিশা : আমার ইচ্ছে তাই গাড়ি নিয়ে যাই নি….. আর আপনার নাম্বারও সেভ করে নি কোনো সমস্যা….

আবির : আগে বলো তুমি গাড়ি নিয়ে যাও নি কেন???

তিশা : বললাম তো আমার ইচ্ছে তাই গাড়ি নিয়ে যাই নি….

আবির : তিশা তুমি কেন বুঝতে চাইছো না তোমার যদি কিছু হয়ে যায় তো….

তিশার সামনে হঠাৎ করেই একটা গাড়ি এসে থামে গাড়ি থেকে একজন নেমে এসে তিশার কাছে আসে….

তিশা : আপনি এখানে….

আবির : তিশা কি হলো কে তোমার কাছে এসেছে তিশা হ্যালো তিশা…..

তিশা ফোনটা না কেটেই কান থেকে এনে হাতে রেখে দেয়….

তিশা : কি হলো এভাবে রাস্তার সামনে গাড়ি থামালেন কেন???

__আমার ইচ্ছে হলো তাই…..

তিশা : আপনার ইচ্ছে মানে…..

__তোমার হাজবেন্ড তোমাকে একা ছেড়ে দিলো যে…..

তিশা : তো আপনার সমস্যাটা কি???

এদিকে আবির খুব চিন্তায় পড়ে যায় তিশার সাথে যে লোকটা কথা বলছে তার কন্ঠ শুনে….

আবির : সোহেল তাড়াতাড়ি গাড়ি চালাও……

সোহেল : ওকে স্যার….

তিশা : আপনার প্রবলেম কি বলুন তো??

__আমার কোনো প্রবলেম নেই তবে একটা আপসোস আছে তোমার মতো একটা সেক্সি মেয়েকে আমি বিয়ে করতে গিয়েও বিয়ে করতে পারি নি তবে নো প্রবলেম আমি জানি তুমি আবির রহমানেকে একদম পছন্দ করো না তাই তুমি চাইলে এই রবিন আহমেদের কাছে চলে আসতে পারো তোমার জন্য আমার বাড়ির দরজা সবসময় খোলো বেবি…..

তিশা : আপনার সাহস কি করে হলো একজন বিবাহিত মেয়েকে এসব কথা বলার….. আর আমি জানতাম যে আপনি একজন বাজে লোক মেয়েদেরকে নিয়ে আপনি ছিঃ বলতেও আমার ঘৃনা হচ্ছে তারপরও আমি আমার বাবার কথা রাখার জন্য আপনাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছি বাবা তো আর জানতো না আপনি কেম লোক…. আমি ভেবেছিলাম বিয়ের পর হয়তো আপনি ভালো হয়ে যেতে পারেন কিন্তু মানুষের চরিএ কোনো দিন বদলায় না যে তাই আপনার থেকেও আবির রহমান শতগুনেও ভালো…

আবির ফোনে সব গুলো কথা শুনছে….

রবিন : বাবা দুই দিনেই আবির রহমান এত ভালো হয়ে গেলো…. আমি তো জানতাম তুমি আবির রহমানকে অপছন্দ করো তাহলে দুইদিনে এমন কি করলো আবির রহমান যে একেবারে ভালোবেসে ফেললে তুমি ….

তিশা : আপনার প্রবলেম কি বলুন তো আমাকে রাস্তা দিন… না হলে কিন্তু আমি এখানে সব মানুষ ছড়ো করবো চিৎকার করে….

রবিন : আরে এত হাইপার হয়েও না আমি এখন চলে যাচ্ছি বেবি তবে এটা মনে রাখো যদি আবির রহমান তোমাকে কিছু না করতে পারে তাহলে আমার কাছে চলে আসবে…. কারন আমি সব কিছুই করতে পারি কারন আবির রহমানের মতো না যে অনুমতির জন্য অপেক্ষা কবো…..

তিশা খুব রাগ উঠছে রবিনের এমন কু কথা শুনে তিশা না পারছে সইতে না পারছে কিছু বলতে…

রবিন : আজকে আসি তাহলে ডার্নিং…. ( চোখ টিপ দিয়ে)

রবিন চলে যায়…. তিশা রবিনের এসব কথা শুনে কান্না শুরু করে রাস্তার মাঝে বসেই তিশা কান্না শুরু করে দেয় তিশার কান্না করা দেখে অনেক মানুষ ছড়ো হয়ে যায়……আবির তিশার কান্না শুনতে পায়…… সোহেল গাড়ি মানুষের ভিড় দেখে গাড়ি থামায়….

সোহেল : স্যার এখানে এত মানুষ কেন??? হয়তো ম্যাডাম ওই খানেই আছেন…….

আবির গাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি নেমে ভিড়ের ভেতর ডুকে দেখে তিশা রাস্তায় বসে কান্না করছে আবির তাড়াতাড়ি করে তিশার কাছে যায়…. সোহেলও আবিরের পিছন পিছন যায়…..

আবির : তিশা কি হলো এভাবে কান্না করছো কেন???

তিশা : ওও আমাকে…..

তিশা কান্না করার জন্য কথা বলতে পারছে না…. আবির তিশাকে জড়িয়ে ধরে আবির তিশাকে জড়িয়ে ধরার সাথে সাথে তিশাও আবিরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ….

আবির : তিশা প্লিজ শান্ত হও… কিছু হয় নি চলো আমার সাথে….

আবির তিশাকে কোলে তুলে‌ নিয়ে গাড়িতে বসায়…..

আবির : সোহেল বাড়িতে চলো…..

সোহেল : জি স্যার….

এমন সময় আবিরের ফোনে কল আসে আবির ফোনটা রিসিভ করে…

আবির : মিটিং কেন্সেল করে দাও….. আজকে কোনো মিটিং হবে না…..
( অনেক জোরে)

আবির তিশাকে গাড়ি থেকে বের করে কোলে তুলে‌ ঘরে নিয়ে খাটে বসিয়ে দেয়….

আবির : প্লিজ জান এবার তো কান্নাটা থামাও….

আবির তিশার চোখের পানি মুজিয়ে দেয়….

আবির : তোমাকে যে কাদিয়েছে তাকে আমি শেষ করে দিবো….

তিশা আবিরের দিকে তাকিয়ে দেখে রাগে চোখ দুটো লাল হয়ে গেছে কপালের রগটা রাগে ফুলে ওঠেছে…

আবির : তুমি বসো আমি আসছি…

তিশা : কোথায় যাচ্ছেন আপনি??

আবির : বললাম তো আমি আসছি….

আবির ঘর থেকে বের হয়ে চলে যায়…

তিশা চিন্তায় পড়ে যায় আবিরের হঠাৎ করে এমন রাগ দেখে….

তিশা : ওনি হঠাৎ এতটা রেগে গেলেন কেন?? তাহলে কি ওনি রবিনের সব কথা শুনেছে আমি তো তখন ফোনটা কাটতে ভুলে গেছিলাম তাহলে কি ওনি রবিনের কাছে গেছে…. কি হবে এখন ওনি যে খুব রেগে গেছেন….

আবির অনেক জোরে গাড়ি ড্রাইভ করছে রাগে আবিরের শরীর যেন ফেটে যাচ্ছে…. আবির রবিনের অফিসে ডুকে সোজা রবিনের কাছে গিয়ে রবিনের বুকে একটা লাথি মারে…..

আবির রবিনের কলার ধরে বলে….

আবির : তর সাহস কি করে হলো আমার স্ত্রীকে এসব বাজে কথা বলার??

রবিন আবিরের মুখে একটা ঘুসি মারে তাতে আবিরের ঠোটটা কেটে যায়…. আর আবির দুরে চিটকে পড়ে

রবিন : তর স্ত্রী ও আমার স্ত্রী হওয়ার কথা ছিলো কিন্তু তুই ওকে আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছিস বুঝলি…. আর আমি একশো বার এসব কথা বলবো যখনেই ওকে আমি রাস্তায় পাবো বুঝলি…

আবির : শু*রের বাচ্চা তকে আজকে আমি মাটিতে পুতেই ফেলবো যাতে তর ওই মুখ দিয়ে কিছু না বলতে পারিস….

আবির রবিনকে ধরতে যাবে সাথে সাথে কিছু লোক আবিরকে ধরে ফেলে….

রবিন : কি রে?? তুই আমাকে মারতে এসেছিস তাই না এবার তকে মেরে দেই আমি….

আবির : আমাকে ছেড়ে তো দেখ তর কি অবস্থা করি….

রবিন : আরে আমি জানি তুই কি করতে পারিস তাই তো তকে ছাড়বো না বুঝলি…. আর রইল তর বউয়ের কথা ওকে তো আমি আমার কাছে আনবোই…. আর তুই ওকে যে সুখটা দিতে পারিস ওইটা আমি ওকে দিবো….

আবির : কু*র বাচ্চা তকে আমি আজকে….

আবির রাগে সবাইকে ছুড়ে ফেলে দেয়… আবির রবিনকে গিয়ে মারতে শুরু করে রবিনও আবিরকে মারে….. আবিরকে কেউ কিছুতেই ধামাতে পারছে না….. এমন সময় নিরব আর তিশা আসে….

তিশা : আবির আপনি এসব কি করছেন?? প্লিজ থামুন…. ( চিৎকার করে)

আবির তিশার কোনো কথাই কানে নিছে না ও তো রবিনকে মারতে ব্যস্ত… তাই তিশা আবিরকে গিয়ে থামাতে চেষ্টা করে আবির তিশাকে রাগে ধাক্কা মারাতে আবির বুঝতে পারে ও তিশাকে ধাক্কা মেরেছে তাই আবির তাড়াতাড়ি করে তিশার হাত ধরে নিজের বুকে এনে ফেলে…. তিশা ভয়ে জোরে জোরে শ্বাস ফেলে….. আর তিশা খুব আবাক হয় আবির ওকে এভাবে বাচানোর জন্য…

তিশা : প্লিজ আবির এবার থামুন প্লিজ না হলে ও আজকে মারা যাবে….

আবির : আজকে তুই আমার হাত থেকে বেচে গেলি শুধু মাএ তিশার জন্য কিন্তু পরের বার তুই আর বাচবি না…. এখন আধমরা করেছি পরের বার একেবারে শেষ করে দিবো…….

আবির তিশার হাত ধরে রবিনের অফিস থেকে বের হয়ে যায় আবির গাড়িতে উঠে গাড়ি ড্রাইভ করছে আর তিশা আবিরের পাশেই বসে আছে আবিরের কপাল আর ঠোট থেকে রক্ত ছড়ছে…. আবিরের পিছনের গাড়িতে নিরব আর গার্ডরা আছে….. তিশা ভয়ে ভয়ে বলে

তিশা : আবির প্লিজ আপনি শান্ত হোন আমি জানি আজকে যদি আমি গাড়ি নিয়ে যেতাম তাহলে হয়তো এমন হতো না আইএম সরি আর এমন ভুল কখন হবে না….

আবির কোনো কথা বলছে না শুধু গাড়ি ড্রাইভ করেই যাচ্ছে আবির গাড়ি পার্ক করে তিশার সাথে কোনো কথা না বলে ঘরে চলে যায়….

নিরব : ভাবি তুমি প্লিজ ভাইয়াকে গিয়ে সামলাও আজকে ভাইয়া ভীষন রেগে আছে….

তিশা : হুম….

তিশা তাড়াতাড়ি করে ঘরে যায় তিশা ঘরে গিয়ে থেকে আবির সোফাতে বসে মাথা নিচু করে…… তিশা ফাস্ট এড বক্স এনে আবিরের কাছে এসে বসে তুলাতে সেবলন লাগিয়ে আবিরের ক্ষত স্থানে লাগতে যাবে সাথে সাথে আবির তিশার হাত ধরে ফেলে….

আবির : দরকার নেই এসব আমার….

তিশা : কি বলছেন আপনি এসব?? না হলে রক্ত পড়া বন্ধ হবে না….

আবির : আমার রক্ত পড়লে তাতে তোমার কি??

তিশা : আমারেই সব বুঝতে পেরেছেন আপনি বেশি জেদ করবেন না আমাকে সেবলন লাগতে দেন………

তিশা ধমক দিয়ে কথাটা বলে আবিরকে…. আবির তো তিশার এমন রুপ থেকে আবাক….. তিশা আবিরের ক্ষত সাথে সেবলন লাগতে আবির ব্যাথায় কুকড়ে ওঠে….

তিশা : সরি সরি…. খুব জ্বালা করছে তাই না ঠিক আছে আমি ফু দিছি….

তিশা আবিরের কপালের ক্ষত স্থানে সেবলন লাগাছে আর ফু দিছে….. আবির তিশার দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে আবিরের প্রতি ওর এমন কেয়ার করার জন্য…. তিশা আবিরের মাথায় ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দেয়….. তিশা আবিরের ঠোটের কোনাতে ঔষধ লাগাছে আর ফু দিছে তিশা আবিরের এত কাছে চলে এসেছে যে বুঝতেই পারি না…. আবিরের চাওনি দেখে তিশা বুঝতে পারে ও আবিরের অনেক কাছে চলে এসেছে…. তিশা চলে যাবে এমন সময় আবির তিশার হাত ধরে নিজের কোলে এনে বাসায়….

তিশা : কি করছেন ছাড়ুন আমাকে???

আবির : একটু আগে তুমি কি বলেছিলি??

তিশা : কি বলেছি???

আবির : এটাই যে আমার শরীরের থেকে রক্ত ছড়লে তোমার যায় আসে….. কেন তোমার যায় আসে আমার শরীর থেকে রক্ত পড়লে?? তুমি তো আমাকেই পছন্দই করো না তাহলে আমার শরীর থেকে রক্ত পড়লে বা আমি মরলে…..

আবিরের মুখে মরার কথা শুনে তিশা আবিরের মুখ চেপে ধরে…

তিশা : প্লিজ এমন কথা বলবেন‌ না…..

আবির তিশার হাতটা মুখ থেকে সরিয়ে বলে….

আবির : কেন বলবো না?? আমি মরলে তুমি তো খুশিই হবে তাই না কারন আমি মরলে তো তুমি আমার কাছ থেকে মুক্তি পেয়ে যাবে…..

তিশা : প্লিজ আমাকে ছাড়ুন…..

আবির : না আগে বলো আমার কিছু হলে তোমার কি যায় আসে….

তিশা আবিরের কোল থেকে জোর করে ওঠে বলে….

তিশা : তবে শুনুন আমার কি যায় আসে……( চিৎকার করে)

#চলবে