Black Rose Part -02 ( Season 03)

0
1521

#Black_Rose?
#Season_03
#The_Dark_king_of_my_Kingdom♚
#Lamiya_Rahaman_Meghla
#Part_02
মেঘ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কিছু করছিলো হটাৎ কোথা থেকে আমান উড়ে এসে মেঘকে টান মেরে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে।
ঘটনা চক্রে মেঘ কিছুই বুঝতে না পেরে বেবদের মতো তাকিয়ে থাকে আমানের দিকে,
–মেঘ মেঘ মেঘ যখন থেকে এ বাড়ি এসেছো মায়ের মুখে শুধু মেঘ। আমি আর টলারেট করতে পারছি না তোমায়৷ কে তুমি।
আমি তার কথায় তার দিকে তাকিয়ে রইলাম৷ এ বাসায় এসেছি আজ ৩ দিন হলো হসপিটাল থেকে রিলিজ দিছে ৭ দিন পর, আগের কিছুই মনে করতে পারছি না আমি৷
ইনি নাকি আমার ফুপাতো ভাই৷ কিন্তু আমাকে সহ্য করতে পারেন না৷
আমি জখন প্রশ্ন করলাম আমার নাম কি তখন ফুপিমনি বললেন,
মেঘ।
ফুপুমনির কথা শুনলে মনে হয় আমি সত্যি এখানে থাকি কিন্তু এনার কথা শুনলে মনে হয় আমি কখনো এখানে ছিলামই না৷
আমাকে অনেক কষ্ট দেওয়া কথা বলে কিন্তু আমাকে সহ্য না করতে পারার কারনটা আমি সত্যি জানি না৷
আমি অবাক পানে তার দিকে তাকিয়ে আছি,
খেয়াল করছি তার চুল গুলো কুচকুচে কালো উপরের দিকে দেওয়া ব্লাক সার্ট হাতা ফোল্ড করা৷
ফর্সা মুখটা তার চোখে কালো মনি। অসাধারণ সে রুপ দেখে আমি হতের ব্যাথা ভুলে অবাক নয়নে তাকিয়ে আছি৷
আমাকে তাকিয়ে থাকতে দেখে আমান হাতটা আরো শক্ত করে ধরে বললো,
–কি হলো এন্সার মি ডেমেট।
–কি বলবো(কাঁদো শুরে)
–আই হেট উ৷
–আমার লাগছে ছাড়ুন না।
আমান মেঘের কথা শুনে মেঘের মুখের দিকে তাকিয়ে থমকে গেল।
গোলগাল মুখটা তার ফর্সা আবার কালো হলুদ ফর্সা মেঘ৷
লম্বা সোজা চুল গুলা কোমড়ের নিচ পর্যন্ত পরেছে। হালকা গোলাপি রং এর একটা থ্রিপিচ পরেছে৷
বেশ মানিয়েছে তাকে।
আমান মেঘের হাতটা ছেড়ে দেয়।
মেঘ ছাড়া পেয়ে সরে আসতে চাইলে আমন আটকে দেয়।
–সরি! মা জেন না জানতে পারে।
আমান কথাটা বলেই রুম থেকে বেরিয়ে যায়।
এদিকে মেঘ বসে বসে কাঁদতে শুরু করে।।


–আজ ১২ দিন ১২ টা দিন মেঘের কোন খোঁজে নাই৷
কোথায় গেছে কই আছে কিছু জানি না৷
কতো খুঁজলাম এ খোঁজার শেষ নাই।।
কথাগুলো বলে আকাশ চোখ বন্ধ করে নেয়।
–ভাইয়া।
–রোজা তুই এখানে। (মেঘের আপন ছোট বোন)
–বাবাই আপনাকে ডেকেছে৷
–কিন্তু কেন।
–জানি না ভাইয়া।
–আচ্ছা চল।
আকাশ আর রোজা মেঘের বাসায় চলে আসে,
–আঙ্কেল ডেকেছেন।
–আমি ডেকেছি বাবা আকশ। (মেঘের চাচু)
–জি চাচু বলুন।
–মেঘ যে দিন গায়েব হয় সে দিন ঢাকায় ফার্মেসীর সামনে বিরাট এক এক্সিডেন্টে হয়৷ সেই এক্সিডেন্ট এ একটি মেয়ে মারা যায়৷ দুঃখের বিষয় মেয়েটির লাস কেউ পায় নি। আমি খোঁজ নিয়েছিলাম তারা আমাকে ওই জায়গা থেকে উদ্ধার করেছে এমন একটা ঘড়ি দেয়৷
মেয়েটার হাত ঘড়ি৷
এই দেখ এটা মেঘের৷
আকাশ ঘড়িটা হাতে নিয়ে হাঁটু গেঁড়ে বসে পরে।
এই ঘড়িটা শুধু মেঘই পরতো কারন এটা তার জন্য স্পেশাল ডিজাইন করা ছিলো জাস্ট এক পিস।
–এট হতে পারে না রোজা আমার মেঘ মরতে পারে না৷
মেঘঘঘ______.
পরিবারের সকলের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এলো।
তার ধরেই নিয়েছে মেঘ আর নেই।


–মেঘ মা৷
–জি ফুপি৷
–তোমায় না বলছি ঠিক সময় খাবার খেয়ে ঔষধ খাবা৷
–জি ফুপি৷
–কিন্তু তুমি তো খাবার খাউ নি৷
–ভালো লাগছিলো না তাই ঘুমোই গেছিলম৷
–তা বললে হয় জলদি সুস্থ হতে হবে একটা ভালো ভার্সিটি তে এডমিশন নিতে হবে বুঝলি।
–জি৷
–তোকে আমান যে-ই ভার্সিটির প্রফেসর সেই ভার্সিটি তে দিবো সমস্যা হবে না৷
আমনের নামটা শুনে আমি ভয় পেয়ে গেলাম। এখন কি সত্যি আমানের ভার্সিটি তে দিবে। এক মিনিট আমি আগে কোথায় পড়তাম৷
–আমি আগে কোথায় পড়তাম ফুপি মনি৷
–আগে আগে তো পড়তি আমানের ওখানেই পড়তি আগেট টা বাদ এখন বর্তমান নিয়ে চিন্তা কর৷ চল আয় খাবি৷
আমি ফুপি মনির সাথে খেয়ে নিলাম৷
এ বাড়িতে আমান ভাই আর ফুপি মনি বাদে কেউ নাই৷
ফুপা নাকি নেই এমন টাই বলেন ফুপি মনি৷ আমান ভার্সিটির প্রফেসর সাথে এই বিজনেস সামলায় সাথে ফুপিও।
মা ছেলের অনেক নাম ডাক বুঝলাম এই কয় দিনে।
আমাকে খবার দিয়ে ঔষধ দিয়ে ফুপি কোথায় বেরলেন আমি রুমের দিকে আসছি এমন সময়,
–এই মেয়ে শুনো।
হটাৎ আমনের কন্ঠে ভেতর টা ধক করে উঠে।
আমি ভয়ে ভয়ে পেছনে ফিরি। —
–জ জি।
–এদিকে এসো।
–কোথায়।
–এতো প্রশ্ন পছন্দ করি না (বেশ রেগে)
–আ আসছি৷
আমানের পিছু পিছু হাঁটছি উনি আমাকে ওনার রুমে নিয়ে এসেছেন৷
আমার ভয় করছে এসেছি ধরে উনি আমাকে সহ্য করতে পারে না।
–বসো এখানে।
উনি একটা চেয়ার এগিয়ে দিয়েছেন৷
আমি চুপচাপ বসে পরি।
মাথা নিচু করে বসে আছি৷
–সুইটহার্ট।
আমানের মুখে সুইটহার্ট শুনে আমি ৭ম আকাশ থেকে এক দম রসি ছাড়া নিচে পড়লাম৷ কি বলেটা কি এই ছেলে।
উনি আমার সামনে অন্য একটা চেয়ারে বসলো।
আমার মাথায় কিছুই ধরছে না৷
কি হচ্ছে টা কি এগুলা।
হটাৎ করেই,
চলব,