ভাবির জমজ বোন Part-3+4

0
329

গল্প – ভাবির জমজ বোন
part – 3/4
RJ MOSTAKIM ??

আমি – কি শর্ত..?
ভাবি – নীলা উপরে যায় হক ওর মনটা খুবি ভালো। আমি খুবি ভালোবাসি আমার বোন কে আর আমি সব সময় চাই আমার বোন খুব সুখে শান্তিতে থাকুক.. প্লিজ এমন কোন কাজ করবে না যাতে ও কোন কষ্ট পাই…
আমি – ওও এই কথা তাহলে…
ভাবি – হুম তুমি তো খুব পাজি কখন কি করে ফেলবে…
আমি – যাও তুমার সাথে কথা নাই নিজের বোন খুব ভালো ধুয়া তুলসী পাতা..
ভাবি – আরে আরে আমার দেবর টা দেখি আবার রাগ ও করে। আমি কি বলছি নাকি আমার বোন ভালো তুমি খারাপ..?

আমি – মুখে বলো নাই কিন্ত আমি বুঝে গেছি…

ভাবি – আমার মাথা বুঝছো..
আমি – ওকে আমার খুব খিদে লাগছে। আর হ্যা এই কথা যেন কেউ না যানে ভাবি..
ভাবি – ওকে..

তারপর খাওয়া দাওয়া শেষ করলাম আজকে তো আবার ফিরিয়ানি নিবে তাই ঠিক করলাম আমি ও যাবো।
ওই বাসা থেকে অনেকে এসেছে নীলাও এসেছে….

এতো সুন্দর করে সেজেছে আর শাড়ী পড়েছে এতে ওসম্ভব সুন্দর লাগছে। একদম চোখ ফেরানো যাচ্ছে না।

এক দূস্টিতে তাকিয়ে আছি কে যেন পিছন থেকে ঠেলা দিলো আবার বাস্তবে ফিরে আসলাম।
আমার চোখে নীলার চোখ পড়তেই একবার চোখ মারলাম

এতে নীলা চোখ গরম করে আমার দিকে তাকালো..

খাওয়া শেষ করে এক যায়গায় বসলো আমি ও গেলাম সেখানে.
আমি – কি অবস্তা বিয়ান সাব কেমন আছেন…
নীলা – এতক্ষণ ভালো ছিলাম এখন মনে হয় আর থাকবো না…
আমি – নীলা এখন কি ঝড় তুফান সুরু হবে নাকি…?
নীলা – নাহহ এই মাএ একটা লেজ ছাড়া বান্দর আমার সামনে আসলো তো তাই…

আমি – কই আমি তো কোন বান্দর দেখতে পারছি না…
নীলা – বান্দর এ যদি বান্দর না চিনে তাহলে আর কি বলবো..

আমি – কিহহহ আমি বান্দর ???
নীলা – তাহলে নিজেরে কি মনে হয় আপনার..??
আমি – আপনি কি কানা চোখে দেখেন না একটা জলজ্যান্ত মানুষ…

নীলা – আপনার মুখে লেজ ছাড়া বান্দর এর ভাব আছে তো তাই বললাম…
আমি – আপনি আসল বান্দর তাই আমাকে চিনতে পারছেন না বান্দর এ বান্দর চিনে
নীলা – এই একদম রাগ উঠাইবেন না…
আমি – ওই আস্তে কথা বলেন এটা কিন্তু আমার বাড়ি ওকে…
নীলা – তাই ভয় পাই নাকি একদম বাসা থেকে তুলে নিয়ে যাবো..?
আমি – ও খোদা এই ছেমরি কি কই। এতো বড় সাহস আপনার আপনি আমাকে বাসা থেকে তুলে নেওয়ার হুমকি দেন..?
নীলা – এখন তো শুদু বলছি যখন নিয়ে যাবো তখন বুঝবেন…
আমি – নিয়ে কি করবেন বিয়ে করবেন বুঝি…??
নীলা – কিহহ আপনার মতো লেজ ছাড়া বান্দর সাথে আমার বিয়ে অসম্ভব…
আমি – আপনি চাইলেই সম্ভব..
নীলা – আমি চাই না আপনার মতো কেউ আমার বর হক…
আমি – কেন আমি কি করেছি…
নীলা – আপনি একটা হার কিপটে..
আমি – আমি হার কিপটে আপনি জানেন নাকি..??
নীলা – তাই ভাইকে বিয়ে করতে নিয়ে যান আর কইটা টাকার জন্য কত কথা বলেছিলেন।
আমি – ওহহ টাকা ও গাছে ধরে চাইবেন আর দিয়ে দেবো তাই না…
নীলা – যে আপনার বউ হয়ে আসবে না তার কপাল টা একবারে খারাপ…
আমি – যে আমার বউ হবে তার কপাল টা একদম ভালো একদম সুখে থাকবে..
নীলা – কত সুখে রাখিবেন তা দেখতেই পারছি আপনার ব্যবহার এ…
আমি – ঠিক আছে আপনি আমার বউ হয়ে দেখেন না সুখে রাখি নাকি…
নীলা – সখ টা কত আপনাকে বিয়ে করতে আমার বয়েই গেছে। আপনার কপালে আমার মত সুন্দরি মেয়ে নাই আছে কালো পেত্নী….
আমি – তবুও ভালো কথাই আছে না জাতের মেয়ে কালো ভালো নদীর পানি গুলা ভালো… কালো হক আপনার মত ডায়নি যেন না হয়….
আমি – হুম.
নীলা – আমি ডায়নি আমি ডায়নি বলতে বলতে আমার চুল গুলা ধরে টানা শুরু করলো

আমি – ও মাগো এটা কেমন ডায়নি আমারে বাঁচাও…
নীলা – আজকে কেউ বাঁচাতে পারবে না আমার হাত থেকে।

নীলার সাথে আরো কয়েক টা মেয়ে ছিলো তাড়া ছাড়িয়ে দিলো..
ওই নীলা ছাড় তুই পাগল হলি নাকি…

আমি – আপনার এই ডায়নি বান্ধুবিকে ঠিক করেন না হলে কিন্তু শেষ মেশ কপালে জামায় জুটবে না….
নীলা – এখনো পিছে ১০-১২ ছেলে পরে আছে বুঝলেন..
আমি – পচা কলাই মাছি একটু বেশিই থাকে..
নীলা – কিহহহ আমি পচা কলা বলেই হাতে একটা চিয়ার নিয়ে আমাকে মারতে আসলো।।
আমি সময় থাকতে পালাই
এক দৌড়ে একদম রুমে…

আমি রুমে এসে আমার কাপড় গুছিয়ে নিলাম। তারপর খাওয়াও দাওয়া শেষ করে আমরা নীলাদের বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম।

আমি ভাইয়া ভাবি ভাইয়ার কয়েকটা বন্ধু আর নীলা এক গাড়িতে আসলাম।
নীলা আমাকে দেখে বললো
নীলা – আমি এই গাড়িতে যাবো না….
ভাবি – কেন এই গাড়িতে যাবি না কেন। একটু আগেই তো বললি আমার সাথে যাবি
নীলা – তাহলে আগে এই শয়তান ছেলে কে ওই গাড়িতে যেতে বল…
আমি – এই বিয়ান মুখ সামলে কথা বলবেন আমি শয়তান না ওকে
নীলা – দেখছস আপু তোর এই শয়তান দেবর এই কথা মেয়েদের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় তাই জানে না..
আমি – তাহলে কি আপনার কাছে শিখতে হবে নাকি
ভাবি – উফফফ তুমরা চুপ থাকো তো..।আর নীলা কি সমস্যা কি তোর হ্যা…
নীলা – আমি ওর সাথে একসাথে যাবো না ব্যাস…
ভাবি – কেন যাবি না ও কি করছে তোর….
আমি – হ্যা আপনিই বলেন আমি কি করেছি এমন ভাব কিরতেছে মনে হচ্ছে তার সাথে প্রেম করতে চাচ্ছি…
নীলা – আমার সাথে প্রেম করতে আসলে তোর মতো শয়তান ছেলে কে কিভাবে টাইট করতে হয় আমার জানা আছে…

ভাবি – সবাই চুপ সবাই এই গাড়িতেই থাকবে আর সব ঝগড়া এখানেই শেষ যা হয়েছে সব কিছু ভুলে যাও ২ জনে..
আমি – হ্যা ভাবি আমি সব কিছু ভুলে গেছে এখন থেকে এটা আমার কিউট বিয়ান..
নীলা – খবরদার আমাকে বিয়ান বলবেন না..
আমি – তাহলে কি বলবো কাকী নাকি খালা
নীলা – আপু তোর দেবর কে চুপ করতে বল নাহলে কিন্তু মেরে একদম তক্তা করে দেবো
ভাবি – নীলা খুব বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু…
আমি – কিহহহ এতো বড় কথা আমাকে মেরে তক্তা বানাবে আর আমি।কি বসে বসে ললিপপ খাবো নাকি…
ভাবি – চুপ আচ্ছা নীলা তামজিদ তোকে নিয়ে কোন কথা না বললেই তো কোন সমস্যা নাই..
নীলা – হ্যা আছে এই বাঁদর এর মতো চেহারা টা দেখলেই আমার রাগ হবে। আর মারতে মন চাইবে…
আমি – কিহহহ আমি বাঁদর এর মতো দেখতে ঠিক আছে আমি যাবো না ভাবি আপনাদের বাসায়
ভাবি – প্লিজ ভাই তুমি রাগ করো না ওর মাথায় একটু ইয়ে আছে…
আমি – ওও এই কথা আগে বললেই তো হতো তাহলে তো আমি কিছুই করতাম না হি হি হি
নীলা – ওই আমার মাথায় ইয়ে আছে মানে কি…
আপু – ইয়ে মানে ইয়ে তুই বুঝবি না এখন চুপ করে এই সাইটে বস আর তামজিদ ওই সাইটে যাও।
তারপর চলে আসলাম নীলাদের বাসায় মানে ভাইয়ার শশুর বাড়ি। ভাইয়া আর ভাবি কে একটা রুম দিলো আর আমাদের সবাই কে একটা রুম দিলো। ফ্রেশ হয়ে একটু বাহিরে আসলাম নীলা সামনে এসে দাঁড়ালো..
আমি – কি বেপার সামনে এসে দাঁড়ালেন কেন…
নীলা – সরি বলার জন্য..
আসলে আপনার সাথে এমন ব্যবহার এর জন্য আমি খুবি দুঃখীতো..
আমি – আরে না আমি কিছু মনে করি নাই আর আপনি আমার বিয়ান কিছু বলতেই পারেন আমি কিছু মনে করি নাই…
নীলা – ওহহ ধন্যবাদ আপনাকে..আচ্ছা আপনি কি সত্যি কিছু মনে করেন নাই নাকি মিথ্যা কথা বলছেন..
আমি – আরে না সত্যি বলছি..
নীলা – তাহলে এই শরবত টা খান যদি খান তাহলে বুঝবো কিছু মনে করেন নাই…
আমি – কি যে বলেন আপনি আমারে শরবত খাওবেন আর আমি খাবো না এটা কোন কথা হলো নাকি..

বলেই শরবত এর গ্লাস টা হাতে নিয়ে খেতে লাগলাম কিন্তু একটু গিলতেই মনে হলো আমার গলা পেট সব কিছু পুরে যাচ্ছে এতো জ্বাল ধরছে…

আমি – পানি খাবো পানি.. বলে দৌড়াতে লাগলাম তারপর কিছুর সাথে ধাক্কা খেলাম তারপর পর আর কিছু মনে নাই সকালে উঠে দেখি আমি বিছানায় সুয়ে আছি….
তারপর আমি উঠতে যাবো এমন সময় মাথায় প্রচুর ব্যাথা অনুভব করলাম হাত দিয়ে দেখি মাথায় ব্যান্ডেজ করা।

আমি উঠার চেষ্টা করছি এটা দেখে ভাবি বললো আরে আরে কি করছো তুমি উঠছো কেন…

আমি – আমার কি হয়েছে আমার মাথায় ব্যান্ডেজ করা কেন…??
ভাবি – কি বলছো কাল রাতে তুমার মাথা ফেটে ফেছে তুমার মনে নাই..?.
আমি – কালকে রাতের কথা বলতে যাবো এমন সময় চোখ গেল দরজার দিকে দেখি নীলা আমার দিকে করুণ দৃস্টিতে তাকিয়ে আছে
আমি বুঝতে পারলাম হয়তো সে তার ভুলটা বুঝতে পারছে।
তাই আর আমি কিছু বললাম না। চুপ হয়ে গেলাম
ভাবি – কি হলো কিছু বলছো না কেন কি হয়েছিলো কাল রাতে…
আমি – আমার কিছু মনে নাই আর এই কথা বাদ দেন তো ভাবি
এমন সময় ভাবি নীলাকে দেখে ফেললো ভাবি..

ভাবি – আচ্ছা তামজিদ সত্যি একটা কথা বলো তো..?
আমি – জি ভাবি বলো..?
ভাবি – নীলা তো কিছু করে নাই…??
আমি -…… আরে না নীলা কি করবে আমি এমনি ঘুমের ঘোরে দেয়াল এর সাথে বাড়ি খেয়ে ফেটে গেছে…
ভাবি – সত্যি করে বলো কি হয়েছিলো..
আমি – আরে ভাবি আমি তো সত্যি কথাই বললাম

to be continue,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,