#গোধূলীতে_তুমি_প্রিয়
#পর্ব_১৯
#লেখিকা_রুবাইতা_রিয়া
ফারিহার কথার আগা-মাথা কিছুই বুজলোনা ইহান।একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে মাথা নিচু করে বলে উঠলো সে,,
ইহান—-আমি কি এখন নিজেকে কম দোষী মনে করছি নাকি?নিজের করা অপরাধগুলো এখনো আমাকে যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে।নিজের ভাইকে কষ্ট দিতে চেয়েছিলাম আমি যার জন্য ফুলের মতন বোনটাকে মারতে চেয়েছিলাম।এর থেকে জঘন্য অপরাধ আর কি হতে পারে?আর তুমি কোন সত্যির কথা বলছো ফারিহা?
ইহানের কথা শুনে ফারিহা কোনো উত্তর দিলো না।চুপ করে বসে রইলো সে গাড়ির ফ্রন্ট সিটে আর ইহান গাড়ি ড্রাইভ করতে লাগলো।
ঘড়ির কাটায় এখন ঠিক বিকাল সাড়ে ছয়টা।চারিদিকে শো শো করে শীতল বাতাস বইছে।সূর্য প্রায় পশ্চিমে ঢুলে পরেছে।আকাশ সুর্যের লাল আভায় রক্তিম বর্ণ ধারন করেছে।যাকে বলে গোধূলী লগ্ন।
লাবিবা বেডের পাশে থাকা জানালা দিয়ে বাহিরের দিকে তাকিয়ে পরিবেশটা উপোভোগ করছিলো ঠিক তখনই ওর কেবিনে হন্তদন্ত হয়ে ইথান প্রবেশ করলো।পড়নে তার সেই সকালের জামা-কাপড়।চোখ মুখ কেমন জানো হয়ে আছে।চুলগুলো অগোছালো।কেমন জানো পাগল পাগল লাগছে ইথানকে।দেখেই বুঝা যাচ্ছে যে সে হস্পিটাল থেকে বাড়ি যায়নি দুপুরে।অবশ্য কেউই যায়নি।সবাই লাবিবার সাথে দেখা করার জন্য অপেক্ষা করছিলো।লাবিবার জ্ঞান ফেরার পর তার সাথে কাউকে দেখা করতে দেয়নি ডক্টর কারন ওর রেস্টের প্রয়োজন ছিলো।কেবল মাত্র ইথান জোড় করে ঢুকছে লাবিবার কেবিনে।
ইথান কেবিনে ঢুকেই লাবিবাকে দৌড়ে গিয়ে বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে ডুকরে কেঁদে উঠলো।হঠাৎ ইথানের এমন কাজে লাবিবা জানো স্তব্দ হয়ে গেলো।ইথান যে এভাবে তাকে জড়িয়ে ধরবে তা সে স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।লাবিনা জানো পাথর হয়ে গেছে।ঠিক তখনই ইথান কান্নাভেজা কণ্ঠে বলে উঠলো,,
ইথান—-তুমি জানো আমি কতোটা ভয় পেয়ে গেছিলাম যখন তোমার জ্ঞান ফিরছিলো না।মনে হচ্ছিলো আমার কাছে জানো পুরো পৃথিবীটাই থমকে গেছে।তুমি এতো খারাপ কেনো লাবুপাখি?আমি কি এতোটাই পর হয়ে গেছিলাম নাকি যে আমাকে তোমার অসুস্থতার ব্যাপারে একটা বারও বলতে পারলেনা?তোমার যে নাক দিয়ে রক্ত পরতো সেটাও বললে না?কেনো লুকালে বলো আমায়?নিজেকে দেখেই এখন আমার তাচ্ছিল্যের হাসি দিতে ইচ্ছা করছে যে আমার প্রিয় মানুষটাই কিনা আমার থেকে তার অসুস্থতার কথা লুকালো।
ইথানের কথাগুলো এতোক্ষণ মন দিয়ে শুনছিলো লাবিবা।কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর সে শান্ত কণ্ঠে উত্তর দিলো,,
লাবিবা—-তাহলে তো আমারও নিজেকে দেখে তাচ্ছিল্যের হাসি দেয়া উচিত কারন আমার প্রিয় ও যে আমার থেকে তার অসুখের কথা লুকিয়েছিলো।জানি অসুখটা কারোর করা ষড়যন্ত্র ছিলো কিন্তু সে তো আমাকে একরাবার বলতে পারতো।কিন্তু সে আমাকে কিছু না বলে একা একা এতো বড় একটা নাটক করলো।
লাবিবার কথা শুনে ইথান চুপ হয়ে গেলো।আসলেই তো সে লাবিবার কাছ থেকে তার রিপোর্টের বিষয়টা লুকিয়েছিলো।তাহলে কি লাবিবা ইচ্ছা করেই তাকে অসুস্থতার বিষয়ে কিছু বলেনি?ইথানের চিন্তার মাঝেই লাবিবা এবার তেজী কণ্ঠে বলতে শুরু করলো,,
লাবিবা—-আপনি আপনার রিপোর্টের কথা লুকানোর জন্য ফারিহার সাথে মিথ্যে বিয়ের নাটক করলেন।একটাবারও ভেবে দেখেন নি যে এতে আমি ঠিক কতটা কষ্ট পেয়েছিলাম।কখনো নিজের প্রিয় মানুষটাকে অন্য কারোর সাথে দেখলে বুঝতেন যে আমি ঠিক কতটা কষ্ট পেয়েছিলাম।মনে হতো আমার হৃদয়টাকে কেউ কাঁচের টুকরোর মতন ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে।শত আঘাতেও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারতাম না।অতঃপর যখন জানতে পারলাম যে আসলে এটা একটা নাটক ছিলো আপনার তখন জানো সবথেকে বড় ধাক্কাটা খেয়েছিলাম আমি।আমার ভবিষ্যত ভালো করার জন্য,আমার থেকে রিপোর্ট লুকানোর জন্য আপনি ফারিহার সাথে মিথ্যে বিয়ের নাটক করেন।আমিও ঠিক তেমনই আপনার ভবিষ্যত ভালো করার জন্য আমার অসুস্থতার কথা ইচ্ছা করে বলিনি।পেয়েছেন আমার উত্তর?
লাবিবার কথা শুনে ইথানের প্রচন্ড রাগ লাগছে।লাবিবার দুই হাত শক্ত করে চেপে ধরে দাতে দাত চেপে বলে উঠলো ইথান,,
ইথান—-তোমার কি মনে হয় যে এটা একটা কমপিটিশন?যে আমি লুকিয়েছি বলে তুমিও লুকাবে অসুস্থতার বিষয়টা?আজকে তুমি অসুস্থ বলে নাহলে এতোক্ষণে তোমার গালে ঠাস করে এজটা চড় বসিলে লাল করে দিতাম।
লাবিবার এবার ব্যাথা করছে হাতে।চোখ দিয়ে পানি দু ফোটা পানি বেরিয়ে এলো তার যা দেখে ইথান ওর হাত ছেরে দিলো।লাবিবা ইথানের দিকে ছলছল চোখে তাকিয়ে বলে উঠলো,,
লাবিবা—-এটা মোটেও কমপিটিশন না।আমি চেয়েছিলাম আপনাকে আমার কষ্টটা বুঝাতে।আপনি যখন আমার থেকে সত্যটা লুকিয়েছিলেন তখন আমি এর থেকেও হাজার গুন বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম ইথান ভাইয়া।এখন বুজলেন তো প্রিয় মানুষের থেকে কিছু লুকিয়ে রাখলে তার ঠিক কতটা কষ্ট হয়?
লাবিবার কথায় ইথান কি বলবে ঠিক বুজতে পারছে না।আসলেই তো সেও অন্যায় করেছে লাবিবার থেকে সবটা লুকিয়ে।ওকে চাইলেই ও সবটা বলে দিতে পারতো।হয়তো তার শাস্তি এখনও ভোগ করছে।ইথান এসব চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ছেড়ে বেডের পাশে রাখা চেয়ারটার উপর বসে ওর হাত ধরে বলে উঠলো,,
ইথান—-এখন এসব কথা বলতে ভালো লাগছে না আমার।রাতে তোমার অপারেশন।আমি চায়না এই অসুখের জন্য আর তুমি কষ্ট পাও।তাই ওটি রাতেই হবে।
অপারেশনের কথা শুনে লাবিবা বেশ অবাক হয়ে বলে উঠলো,,
লাবিবা—-কিসের অপারেশনের কথা বলছেন আপনিই?
ইথান—-তোমার বোনমেরু ট্রান্সফার করানো হবে।তারপর আর কোনো সনস্যা থাকবে না।তুমি একদম সুস্থ হয়ে যাবে।লোবা তোমাকে বোনমেরু দিবে।
সবে মাত্র মেয়ের সাথে কথা বলার জন্য কেবিনে প্রবেশ করছিলেন লাবিবার মা ঠিক তখনই ইথানের এমন কথা শুনে সে ঘামতে শুরু করলো।তার মাতায় আছে হাজারো চিন্তা।একদিকে মেয়ের চিন্তা আরেকদিকে ধরা পরার ভয়ের চিন্তা।
ইথানের কথা শুনে লাবিবা কিছু বলতে যাবে তার আগেই দরজার সামনে মাকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে লাবিবা বলে উঠলো,,
লাবিবা—-আম্মু তুমি ওখানে কেনো দাড়িয়ে আছো?ভেতরে এসো না।
মেয়ের কথা শুনে হকচকিয়ে উঠলেন তিনি।নিজেকে সাভাবিক করে লাবিবার কাছে গিয়ে ওর মাতায় হাত বুলিয়ে দিলেন তিনি।লাবিবা মায়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলে উঠলো,,
লাবিবা—-মা বাকিরা সবাই কোথায়?ওদেরকে আসতে বলো না।আমার এখানে একা বসে থাকতে ভালো লাগছে না।লাবিবার কথা শুনে ওর মা জোরপূর্বক একটা হাসি দিয়ে সবাইকে ডাক দিলেন।সবাই বলতে ইথানের মা-বাবা ওর দিদুন আর ইহানের মা-বাবা।লোবাকেও ডাক দিলেন তিনি।লোবা ভেতরে আসতেই লাবিবা ওর সাথে নানা গল্প জুড়ে দিলো।সবাই লাবিবাকে নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরলো।কিন্তু ওর মায়ের মনে চলছে এক অজানা ভয়ের আশঙ্কা।ইহানের মা লাবিবার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলে উঠলো,,
ইহানের মা—-আমি জানি মা আমার ছেলে তোর সাথে অনেক বড় অন্যায় করেছে।পারলে ওকে ক্ষমা করে দিস।
ইহানের মায়ের কোনো কথায় লাবিবার মাথায় ঢুকলো না কারন সে তো জানেই না যে তার এই অবস্হার জন্য ইহান দায়ী।সব কথা শোনার আগেই সে জ্ঞান হারিয়েছিলো।হঠাৎ লাবিবার খেয়াল হলো যে ফারিহা এখানে নেই।সে এদিক ওদিক তাকিয়ে মায়ের উদ্দেশ্যে বলে উঠলো,,
লাবিবা—-মা ফারিহা কোথায়?ওকে দেখতে পারছি না যে।ওর মনের উপর দিয়ে যে বড় ধকল যাচ্ছে।
লাবিবার কথা শুনে সবার এতোক্ষণে হুস ফিরলো যে ফারিহা এখানে নেই।ইথানের মা লাবিবাকে কিছু বলতে যাবে তার আগেই কেবিনে ফারিহা এসে উপস্হিত হলো।ফারিহার চোখ মুখের অবস্থা বেহাল।বুঝাই যাচ্ছে যে সে কতটা ক্লান্ত।হঠাৎ দরজার ধারে ইহানকে দাড়িয়ে থাকতে দেখে সবাই চমকে উঠলো।ইথানের প্রচণ্ড রাগ লাগলো।তেজী কণ্ঠে সে বলে উঠলো,,
ইথান—-তুই এখানে কি করছে?তোর তো জেলে থাকার কথা?পালিয়ে এসেছিস নাকি আবার?
ইথানের কথা শুনে ইহান বুজতে পারলো যে তার উপর ইথান ঠিক কতটা রেগে আছে।মাথা নিচু করে দাড়িয়ে রইলো সে।ইহানের মা তার ছেলেকে দেখতে পেয়ে তাকে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো।তবে সবাই যে ইজানের উপর বেশ বিরক্ত তা তাদের মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে।ঠিক তখনই ফারিহা ইথানের উদ্দেশ্যে বলে উঠলো,,
ফারিহা—-ওনি পালিয়ে আসে নি ভাইয়া।আমি ওনাকে এখানে নিয়ে এসেছি লাবিবাকে বোনমেরু ডোনেট করার জন্য।
ফারিহার কথা শুনে উপস্থিত সবাই জানো আকাশ থেকে পরলো।বিষ্ময়ে সবার মুখ হা হয়ে গেলো।ঠিক তখনই লোবা ইথান রাগী কণ্ঠে বলে উঠলো,,
ইথান—-লাবিবাকে ইহান কেনো বোনমেরু দিবে?তুমি হয়তো ভুলে যাচ্ছো ফারিহা যে এটা শুধু নিজের ভাই বোনই ডোনেট করতে পারে।আর ইহান না,লোবা লাবিবার আপন বোন এইজন্য এটা শুধু লোবা ডোনেট করতে পারবো।এই সয়তান ছেলেটা নয়।
ইথানের কথা শুনে ফারিহা ওর দিকে শান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে উঠলো,,
ফারিহা—-আমি জানি ভাইয়া যে এটা একমাত্র নিজের ভাই বোনই ডোনেট করতে পারে।আর এটাও জানি যে লাবিবাকে যদি এখন কেউ বাচাতে পারে তাহলে সেটা শুধুই ইহান।কারন বোনমেরু শুধুমাত্র ওই দিতে পারবে।
ফারিহার কথা শুনে লোবা তেরে এসে উত্তর দিলো,,
লোবা—-তুমি কি বলতে চাইছো বলোতো?যদি আমি এটা লাবিবা আপুকে না দিতে পারি তাহলে তো এটাই দাড়ায় যে আমি লাবিবা আপুর আপন বোন নই।আর যদি ইহান ভাইয়া এটা দিতে পারে তাহলে এটাি প্রমাণ হয় যে ইহান ভাই লাবিবা আপুর আপন ভাই।কিন্তু এটা তো অসম্ভব।তুমি কি বলছো তুমি কি তা জানো?শোনো আমি জানি যে তোমার মাথা এমুহূর্তে ঠিক নেই কিন্তু তাই বলে এমন উল্টোপাল্টা কথা বলা বন্ধ করো।নয়তো এই হস্পিটাল থেকে বের করে দিবো।
প্রচণ্ড রেগে থাকায় লোবা যা নয় তাই বলে দিলো ফারিহাকে।ঠিক তখনই ফারিহা লোবার দিকে তাকিয়ে দাতে দাত চেপে বলে উঠলো,,
ফারিহা—-মুখ সামলে কথা বলো লোবা।ভুলে যেওনা যে এই মেডিকেল কলেজ টা ইথান ভাইয়ার বাবার হলেও এই কলেজের স্টুডেন্ট আমি।আর তোমার কোনো অধিকার নেই এভাবে একজন মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্টের সাথে কথা বলার।আর আমার মাথা সম্পূর্ণ ঠিক আছে।কিন্তু তোমার মাথা এখন আর ঠিক থাকবে না যখন তুমি এটা জানতে পারবে যে লাবিবা তোমার না বরং ইহানের নিজের বোন যাকে কিনা তোমারই মা ২০ বছর আগে সার্থপরের মতন কেড়ে নিয়েছিলো।তাই গলা নিচু করে কথা বলো।
ফারিহার কথা শুনে উপস্থিত সবার মাথায় জানো আকাশ ভেঙে পরলো।সবাই জানো স্তব্দ হয়ে গেছে।ইহানের মা ফারিহার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে।সে ভাবছে ২০ বছর আগে ডেলিভারির সময় তার মেয়েতো মারা গিয়েছিলো তাহলে লাবিবা কি করে তার মেয়ে হতে পারে?সেই সময়ের কথা মনে পরতে তার চোখদুটো ঝাপসা হয়ে এলো।ইহান জানো ঘোরের মধ্যে আছে।কি হচ্ছে সব ওর মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে।যে ছোট বোনের জন্য ও এতো কষ্ট পেয়েছিলো সেই ছোট বোনই কিনা বেচে আছে??এইদিকে ফারিহার কথা শুনে জানো লোবার পায়ের নিচের মাটি সরে গেলো।যাকে ছোট বেলা থেকে নিজের বোন হিসেবে জেনে এসেছে সে কিনা তার নিজের বোন না এটা সে কিছুতেই মানতে পারছে না।সবার চিন্তার মাঝেই ফারিহা লাবিবার মায়ের উদ্দেশ্যে ভিলেনি হাসি দিয়ে বলে উঠলো,,
ফারিহা—-আন্টি সত্যিটা কি আপনি এখনো লুকাবেন নাকি?অবশ্য লুকিয়ে লাভ নেই কারন একটু পর যখন লাবিবার সাথে লোবার বোনমেরু ম্যাচ না করে সেটা গিয়ে ইহানের সাথে ম্যাচ করবে তখন তো সত্যিটা এমনি বেরিয়ে আসবে।তখন কি করবেন আপনি?ইহান আর আমার শাশুড়ী আম্মুকে কি বলবেন ভেবে দেখেছেন কি?
ফারিহার কথা শুনে লাবিবার মা মিস লিয়া রহমান ঘামতে শুরু করলেন।তাকে দেখে মনে হচ্ছে জানো সে কোনো অপরাধী আর তার অপরাধ লুকানোর জন্য মিছক চেষ্টা করছে সে।ওনার এমন ফেস দেখে কেনো জানি ইথানের মনে সন্দেহের আশঙ্কা দেখা দিলো।ওনি ফারিহার দিকে তাকিয়ে বেশ ভয়ে ভয়ে বলে উঠলেন,,
লাবিবার মা—-তুমি কি করে এসব জানলে?আজ পর্যন্ত কেউ এই বিষয়ে সন্দেহ করেনি সেখানে তুমি কি করে সত্যিটা জানলে উত্তর দেও?এক ফোটা মেয়ে হয়ে তোমাকে এতো পাকামি কে করতে বলেছে?শেষের কথাটা বেশ জোরেই বললেন মিস লিয়া রহমান।
তার কথা শুনে ফারিহা এবার একটা সয়তানি হাসি দিলো,,
#চলবে??