Home "ধারাবাহিক গল্প প্রণয়ের অন্তরমহল প্রণয়ের অন্তরমহল পর্ব-০৮

প্রণয়ের অন্তরমহল পর্ব-০৮

0
831

#প্রণয়ের_অন্তরমহল
#তাহরিশমিতা_মুনতাহা
#পর্বঃ৮

⚠️ অনুমতি ব্যতীত কপি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ🚫

আশরাফুল খাঁনের সামনে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে আছে দিয়া তার পাশেই দুই হাত বুকে বেঁধে সটান হয়ে দাঁড়িয়ে আছে নির্ণয়। আশরাফুল খাঁনের সাইডের সোফায় বসে আছে ওয়াহিদ। ওয়াহিদের বড়ই অস্তিত্ব হচ্ছে। বারবার মনে হচ্ছে সে খুব বড় একটা অপরাধ করে ফেলেছে। কারণ ওই দিয়া কে নিয়ে আসার সময় নির্ণয় কে মেসেজ দিয়ে জানিয়েছিল।

আশরাফুল খাঁন দিয়ার শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে নরম গলায় শুধালেন-

—“তুমি খাঁন বাড়ির বড় বউ- খাঁন বাড়ির আত্মসম্মান তোমার হাতে! তুমি তো ভালো করেই জানো- খাঁন বাড়ির বউ পালিয়েছে এ কথা বাহিরে রটে গেলে কেলেঙ্কারি ঘটে যাবে? তাহলে তুমি যেনে শুনে এ কাজটা কেনো করলে বউ মা?

দিয়া কোনো জবাব দিলো না, চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে যেন পাথরের মূর্তি। নির্ণয় দিয়া কে চুপ থাকতে দেখে চোখ পাকিয়ে তাকালো, তবে দিয়া কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না। আশরাফুল খাঁন দীর্ঘশ্বাস ফেললেন! বোন স্বর্ণালীর উদ্দেশ্যে বললেন-

—“স্বর্ণা বউ মা কে ঘরে নিয়ে যা, অনেক ক্লান্ত মনে হচ্ছে মেয়েটা সারাদিন বোধহয় কিচ্ছু খায়নি মুখটা কেমন শুকিয়ে গেছে।

স্বর্ণা উঠে দিয়া কে নিয়ে চলে গেল উপরের ঘরে। নির্ণয় সেদিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করলো-

—“চোত-মারানির ভাব কতো”

ওয়াহিদ বোধহয় খেয়াল করলো নির্ণয়ের ভাবমূর্তি। জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নিম্ন স্বরে বললো-

—“আঙ্কেল আজ তাহলে আমি উঠি।

নির্ণয় তড়াৎ করে বলে উঠলো-

—“এএ কোথায় যাবি? শোন কোথাও যাওয়া হচ্ছে না তোর, আজ তুই এ বাড়িতেই থাকবি।

ওয়াহিদ মেকি হাঁসলো-

—“আমার কিছু জরুরী কাজ আছে নয়তো আজ আমি এখানেই থাকতাম পাক্কা।

আশরাফুল খাঁন বিনয়ী কন্ঠে বললেন-

—“আজকের দিনটা থেকে যাও, বিকেলে না হয় চলে যেয়ো।

ওয়াহিদের মন মানছে না কিছুতেই। বোনটাকে এভাবে এখানে না নিয়ে আসলেও চলতো। বুকের ভেতর টা কেমন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। মন শুধু চাইছে সময়টা ঘুরে পেছনে চলে যাক, তবে এটা তো আর হবার নয়-

—“নাহ আঙ্কেল অন্য একদিন আসবো! আজ সত্যি আমার কাজ আছে।

আশরাফুল খাঁন আর বাঁধা দিলেন নাহ, ওয়াহিদ বেরিয়ে আসলো বাড়ি থেকে ওর পেছনে ছুটে আসলো নির্ণয়-

—“আর ইউ ওকে?

নির্ণয়ের প্রশ্নে হালকা হাসলো ওয়াহিদ-

—“আ’ম ওকে”

—“তুই সত্যি ঠিক আছিস? তোকে দেখে তো সেটা মনে হচ্ছে না! তুই কি আমার থেকে কিছু লুকাচ্ছিস?

ওয়াহিদ দুই কদম এগিয়ে এসে নির্ণয়ের কাঁধে হাত রাখলো। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো-

—“আমার কোনো বোন নেই সেটা তুই জানিস? তাই না?

নির্ণয়ের ছোট্ট জবাব-

—“হ্যাঁ” এখন সেটা কি হয়েছে?

ওয়াহিদ হাঁসলো-

—“দিয়া কে কষ্ট দিস না, ও মামার খুব আদরের মেয়ে সহ্য করতে পারবেন না।

নির্ণয় অবাক চোখে তাকালো ওয়াহিদের দিকে-

—“তোর কি মনে হয়? আমি দিয়া কে কষ্ট দেই?

ওয়াহিদ এবারও হাঁসলো-

—“যদি কখনো আমার বোন কে ভালো না লাগে, ওর উপর থেকে মন উঠে যায়, দয়া করে ওরে কিছু করিস না, আমাদের মেয়ে আমাদের বাড়ি ফিরিয়ে দিয়ে আসিস! তোর কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকবো সারাজীবন”

বাক্য শেষ করে আর দাঁড়ালো না ওয়াহিদ বাইক স্টার্ট করে সো করে চলে গেল গেট পেরিয়ে। নির্ণয় বোবা বনে গেছে, কন্ঠ নালী দিয়ে একটা শব্দ ও বের হলোনা, শুধু অবাক চোখে তাকিয়ে দেখলো ওয়াহিদের চলে যাওয়া।

_____________

—“কোথায় যাচ্ছো?

আশরাফুল খাঁনের গম্ভীর কন্ঠ শুনে থেমে গেলো নির্ণয়ের পা যুগল। এগিয়ে এসে দাঁড়ালো আশরাফুল খাঁনের সামনে। নিচু স্বরে বললো-

—“উপরে দিয়ার ঘরে”

—“কেনো?

আশরাফুল খাঁনের প্রশ্ন শুনে চোখ তুলে তাকালো নির্ণয়, কপাল চুলকে বললো-

—“বউ এর কাছে যাচ্ছি, এখন কেনো যাচ্ছি, সেটাও কী আপনাকে বলে যেতে হবে?

—“হ্যাঁ বলে যেতে হবে”

নির্ণয় কিছু বলার জন্য হাঁ করতেই ওকে হাত দিয়ে থামিয়ে দিলেন আশরাফুল খাঁন, কঠোর স্বরে বললেন-

—“তুমি কী ভেবেছো? তুমি যা ইচ্ছে করে বেড়াবে আর আমার কাছে কোনো খবর আসবে না? শোনো নির্ণয় তুমি যে স্কুলের শিক্ষক আমি সেই স্কুলের হেড মাস্টার। তাই যা করবে ভেবে চিন্তে করবে”

—“কিন্তু বাবা…”

—“কোনো কিন্তু নেই, যাও এখন আমার চোখের সামনে থেকে।

নির্ণয় আর কিছু বললো না, বললো না বললে ভুল হবে আসলে ওরে বলতে দিলো না। বিরক্ত হলো নির্ণয়’ গম্ভীর মুখে সেই যায়গা ত্যাগ করলো ততক্ষণাৎ‌।

(পরবর্তী পর্ব পেতে পেইজটি ফলো করুন 👇🏻)
https://www.facebook.com/profile.php?id=61582690763418

______________

নেওয়াজ মোল্লার সামনে হত্যার আসামির ন্যায় দাঁড়িয়ে আছে দিয়া। প্রায় অনেকক্ষণ তবে নেওয়াজ মোল্লা একটি শব্দ ও বলেনি। শুধু চুপচাপ তাকিয়ে আছে মেয়ের মুখের দিকে। রুহানি বেগম এসেই দুই চারটা চড় লাগিয়ে দিয়েছেন দিয়ার গালে‌। তবে এখন উনিও চুপ।

দিয়ার অসস্থি হচ্ছে খুব এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে। তবে এ ছাড়া আর উপায় ও নেই। তাই চুপচাপ মূর্তি ন্যায় দাঁড়িয়ে আছে। নেওয়াজ মোল্লা এবার মুখ খুললেন! নিচু স্বরে প্রশ্ন করলেন-

—“তুমি কি নির্ণয়ের সাথে সুখি নও? ও কি তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে? আমাকে তুমি নির্দ্বিধায় সবটা বলতে পারো, আমি তো তোমার বাবা, তুমি যেখানে সুখি নও সেখানে আমি কখনোই তোমাকে রাখবো না।

দিয়া তাচ্ছিল্যে হাঁসলো-

—“এখন এসব বলে কী লাভ আব্বু? এখন সুখে থাকলেও আমাকে এখানেই থাকতে হবে, দুঃখে থাকলেও এখানেই থাকতে হবে, মেয়ে মানুষ যে কলঙ্ক লেগে যাবে।

নেওয়াজ মোল্লা কিছু বলতে পারলেন না। মেয়ে তো ঠিকই বলেছে। সমাজের মানুষ একটু হলে আরেকটু বানিয়ে রটিয়ে দিয়ে কলঙ্কিত করবে মেয়েকে। তিনি উঠে দাঁড়ালেন মেয়ের মাথায় পরম আহ্লাদে হাত বুলিয়ে শান্তনা দিয়ে বললেন-

—“বাবা কে মাফ করে দিস মা! তোর বাপ টা বড়ই স্বার্থপর হয়ে গিয়েছিল নিজের সম্মান রক্ষার্থে।

দিয়া এবার ঠুকরে কেঁদে উঠলো! বাবার শার্ট খামচে ধরে বুকে মাথা ঠেকালো। যেন পৃথিবীর সকল কিছু ছেঁড়ে বাবার বুকে ঢুকে যেতে চাইছে। নেওয়াজ মোল্লাও মেয়েকে আটকালেন না, কাঁদতে দিলেন মন খুলে।

অনেক্ষণ পর নিজেই ছেড়ে দিলো দিয়া। এখনো ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে মেয়েটা। চোখ দুটো লাল হয়ে ফুলে গেছে অতিরিক্ত কান্নার ফলে। নেওয়াজ মোল্লা হাত বুলালেন মেয়ের মাথায়-

—“সব ঠিক হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। একটু ধৈর্য ধরো শোনা মা আমার।”

দিয়াও মাথা নেড়ে সম্মতি দিলো। নেওয়াজ মোল্লা ও রুহানি বেগম বেরিয়ে পড়লেন নিজেদের বাড়ির উদ্দেশ্যে। মেয়ের খবর শুনে তাকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে এসেছিলেন দু’জন। মেয়ে যে তাদের সুখে নেই সেটা মেয়ে মুখে না বললেও বুঝে গেছেন উনারা। তবে তাদের কিইবা করার আছে? এত ক্ষমতাবান বেক্তিকে তারা চাইলেও কিছুই করতে পারবেন না। তাই তো মেয়েকে এই নরকে রেখেই চলে যেতে হচ্ছে।

________________

বিছানায় পায়ের উপর পা তুলে বসে আছে নিলা মিলা প্রিয়া। দিয়া মাত্র শাওয়ার নিয়ে বেরিয়েছে ওয়াশরুম থেকে। ওদের দেখে ঠোঁট এলিয়ে হাঁসলো। বললো-

—“কখন এলে?

প্রিয়া চট করে উঠে এসে ঝাপটে জরিয়ে ধরলো দিয়া কে! মেয়েটা বড্ডো বেশিই পছন্দ করে দিয়া কে। কাঁদো কাঁদো গলায় শুধালো-

—“তুমি কোথায় চলে গিয়েছিলে ভাবী? আমি তোমাকে অনেক মিস্ করেছি”

নিলা উঠে এসে দিয়ার বাহু থেকে প্রিয়া কে টেনে দূরে ঠেলে দিতে দিতে বললো-

—“এই নেকি দূরে যা! এতো চিপকা চিপকি করস ক্যান সারাক্ষণ?

প্রিয়া কে দূরে ঠেলে নিলা যেই না জরিয়ে ধরলো দিয়া কে, ওমনি মিলা এসে দাড়ালো নিলার পেছনে-

—“আমি মনে হয় ভাইসা আয়ছি তাই না দিয়াপু? হ্যাঁ ভাইসাই আয়ছি নয়তো আমাকে তোমার চোখে পড়ে না কেনো?”

এদের কান্ড দেখে দিয়া এবার শব্দ করে হেঁসে উঠলো! দুই হাতে তিন জন কে জরিয়ে নিলো বাহুতে-

—“হয়েছে হয়েছে তোমরা কেউই ভেসে আসোনি, আমিই ভেসে এসেছি।”

নিলা দিয়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে গিয়ে বসালো বিছানায়। নিজে হাঁটু গেড়ে বসলো দিয়ার সম্মুখে। বললো-

—“দিয়াপু তুমি কি আমাদের থেকে কিছু লুকাচ্ছো? মামু কে তুমি কিছু নাই বলতে পারো, আমাদের বলতে ক্ষতি কী?

মিলাও বসলো নিলার পাশে, দিয়ার উরুর উপর মাথা রেখে নিচু স্বরে বললো-

—“প্লিজ দিয়াপু আমাদের থেকে কিছু লুকাইয়ো না।”

প্রিয়া বিছানার উপর দিয়ার পাশেই বসে আছে চুপচাপ কিছু বলছে না। দিয়া মৃদু হেঁসে জবাব দিলো-

—“আমি তোমাদের থেকে কিচ্ছুটি লুকায়নি। কী লুকাবো বলো? লুকানোর মতো কিছু তো নেই।”

প্রিয়া মিছে রাগ দেখিয়ে বললো-

—“অবশ্যই লুকাচ্ছো তুমি! ভাবী প্লীজ বলো, ভাইয়া কি তোমার গায়ে হাত তোলে?”

দিয়ার অসস্থি বোধ হচ্ছে ওদের বলতে তবুও নিজেকে খানিকটা ধাতস্থ করে বললো-

—“হ্যাঁ..”

—“হোয়াট?”

এক সাথে চেঁচিয়ে উঠলো তিনজনই, দিয়া অপ্রস্তুত হলো। নিচু গলায় বললো-

—“আসতে। আমি জানি তোমাদের বিশ্বাস হবে না! তাই এতদিন বলিনি।”

মিলা বোধহয় সব থেকে বেশী অবাক হয়েছে! তাই তো মেয়েটা বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে গেছে-

—“ভাইয়া তোমার গায়ে হাত তোলে? অসম্ভব” আমি বিশ্বাস করি না! এটা হতেই পারে না।”

দিয়া এবারও ঠোঁট এলিয়ে হালকা হাঁসলো। বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে পরনে থাকা জামা টা খানিকটা উঁচু করে ধরলো-

—“এই দাগ গুলো দেখে কী মনে হয়?”

দিয়ার পিঠে মারের কালসিটে দাগ পড়ে গেছে। ফর্সা শরীরে কী বিচ্ছিরি সেই দাগ। আতঙ্কে উঠলো মিলা। প্রিয়া মেয়েটা ইতিমধ্যে কেঁদেই দিয়েছে। নিলা আলতো করে হাত বুলালো দাগ গুলোই। মেয়েটার চোখ থেকে টুপ টুপ করে গড়িয়ে পড়ছে অশ্রু-

—“তুমি ডিভোর্স দিয়ে দেও ভাইয়া কে! ও মানুষ নয় জানোয়ার।

নিলার সাথে তাল মিলালো প্রিয়াও, বললো-

—“ও কীভাবে তোমার গায়ে হাত তুলতে পারে? এটা তো অন্যায়! তুমি কালই আমাদের সাথে থানায় যাবে ওর নামে নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করবো।”

দিয়া ওদের পাগলামি দেখে হাঁসলো। কত ভালোবাসে মেয়ে গুলো ওকে। দিয়া টেনে প্রিয়া কে বুকে জড়িয়ে নিলো-

—“এভাবে বলে না বনু! আল্লাহ পাপ দিবেন।”

রাগে দুঃখে চেঁচিয়ে উঠলো প্রিয়া-

—“পাপ দিলে দিক, ও কী মানুষ? নাকী কোনো পশু? ও কীভাবে তোমার গায়ে হাত তোলে? এত বড় সাহস ওরে কে দিয়েছে? আমি এক্ষুনি মামু কে গিয়ে বলছি দাঁড়াও।”

বাক্য শেষ করেই মেয়েটা ছুটলো আশরাফুল খাঁনের ঘরের উদ্দেশ্যে। তবে দিয়া ওকে মাঝে রাস্তা থেকে ধরে এনে শান্ত করার বৃথা চেষ্টা করছে-

—“শোনো তুমি আমার কথাটা এতো হাইপার হচ্ছো কেনো? শান্ত হোও আমার কথাটা শোনো।”

প্রিয়া মেয়েটা হাপাচ্ছে-

—“হ্যাঁ বলো”

—“আমার দিকে তাকাও। যা হয়েছে হয়েগিয়েছে, ওটা তো আর বদলানো যাবে না তাই না? আর কয়েকটা দিন দেখি, তোমার ভাইয়া এমন করলে আমি নিজেই বাবা কে গিয়ে ডিভোর্সের কথা বলবো।”

—“সিউর?”

মিলার কথায় ওর দিকে চোখ তুলে তাকালো দিয়া, মিলার চোখ দুটো লাল বোধহয় কান্না আটকে রাখার ফল। দিয়া ফের হাঁসলো-

—“হ্যাঁ সিউর!”

****

—“কি হচ্ছে এখানে?”

হঠাৎ নির্ণয়ের কন্ঠ শুনে ভয়ে গুটিয়ে গেল চারজনই। নির্ণয় সরু চোখে তাকালো চার জনের দিকে! ফের বললো-

—“এখানে কী তোদের? যাহ নিজেদের ঘরে।”

ওরা আর কথা বাড়ালো না চুপচাপ বেরিয়ে গেলো ঘর থেকে। নির্ণয় শব্দ করে দরজা আটকে দিয়ে ঝরের গতিতে ছুটে এসে চেপে ধরলো দিয়ার গলা, হিসহিসিয়ে বললো-

—“চোত-মারানি আমার খাছ আমার পরস! আবার আমার লায়গাই কবর খুঁরস।

#চলবে