Home "ধারাবাহিক গল্প ঝরা শিউলির দিনে ঝরা শিউলির দিনে পর্ব-০১

ঝরা শিউলির দিনে পর্ব-০১

0
681

#পর্ব ১
#ঝরা_শিউলির_দিনে
#তামান্না_ইসলাম_শিমলা

“এই সৈকত, এই। আপনি কীভাবে পারলেন আমাকে ঠকাতে? কী করিনি আমি আপনার জন্য, হ্যাঁ? আ আপনি কীভাবে পারলেন বলুন? আমাদের বাচ্চাটা? এই ষোলো দিনের বাচ্চাটার কথাও ভাবলেন না একটা বার?”

সি সেকশনে ষোলোদির আগেই একটা কন্যা সন্তানের জননী হয়েছে অপরূপা। ভেতরের ঘা শুকোই নি এখনো। আর তার মাঝেই নিজের প্রাণপ্রিয় স্বামীর নিকৃষ্ট রূপ সামনে এলো তার। সে যাকে এতটা ভালোবেসে এসেছে, বিশ্বাস করে এসেছে সেই লোকটা দিনের পর দিন তাকে ঠকিয়েছে। কী নিখুঁত অভিনয় করে গিয়েছে ভালোবাসার। পরিবারের পছন্দেই আজ থেকে চার বছর আগে সৈকতের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় অপরূপা। শুরু হয় পথচলা। এই চারটা বছরে সৈকতের মতো যত্নবান পুরুষ সে দ্বিতীয়টি দেখেনি। অথচ এই লোকটাই নাকি তাকে দিনের পর দিন ঠকিয়ে এসেছে। সচারাচর সৈকতের ফোন অপরূপা ধরে না। আজ নিজের ফোনটায় ব্যালেন্স না থাকায় সে সৈকতের ফোন দিয়ে নিজের বাবাকে কল করে কথা বলছিল। কল কাটতেই হোয়াটসঅ্যাপ থেকে একটি নোটিফিকেশন এলো। যেখানে মেসেজটা ছিল এমন যে,

“জান, আছো?”

মুহূর্তেই সোজা হয়ে বসে অপরূপা। ঝটপট হোয়াটসঅ্যাপ চেক করে দেখে এক সুন্দরী মেয়ের সাথে অজস্র মাখো মাখো কথা। পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যায় অপরূপার। এতটা ভালোবাসার পরেও কীভাবে পারল সৈকত তাকে ঠকাতে? সকালেও তো সে অপরূপার জন্য আর তার মেয়ের জন্য নতুন জামাকাপড় এনেছে। সে নিয়ে অপরূপা কিছুটা রাগ করায় সৈকত কত সুন্দর করেই না অপরূপার কপালে চুমু খেল। কত ভালোবেসেই না বলল,

“আমার সবকিছু জুড়েই তো তোমরা।”

অথচ এই লোকটার কোনো অংশেই তো তারা নেই। থাকলে বুঝি অন্য একটা মেয়ের সাথে পরকীয়ার মত সম্পর্কে জড়াত? এদিকে সৈকত নিশ্চুপ। তার মাঝে আর সেই সৈকতের রূপ দেখা মিলছে না। বিরক্তিকর মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে সে। আর অপরূপা? সে বসে আছে মেঝেতে। পাগলের মত আহাজারি করছে সে। সেই আহাজারি অসহ্য ঠেকল সৈকতের নিকট। বদলে যাওয়া রূপ তার। নাকি এটাই আসল রূপ? কাঠ কাঠ মুখ করে সে তাকাল কান্নারত অপরূপার দিকে। খেঁকিয়ে উঠল,

“মরা কান্না বন্ধ কর।”

চার বছরের বিবাহিত জীবনে সৈকত অপরূপার সাথে উঁচু গলায় কখনো কথা বলেনি, তুই তুকারি তো দূর। অথচ আজ কী নিদারূন দৃশ্যের মুখোমুখি হয়েছে সে। কান্নাটাও দলা পাকিয়ে আসছে তার। অসহায় চোখে তাকাল সে সৈকতের দিকে।

“এই সৈকত, আপনার একটুও অনুশোচনা হচ্ছে না? ওই মেয়ে কি আপনাকে আমার থেকেও বেশি ভালোবাসত বলুন? আমাদের মেয়েটা….”

পুরো বাক্য শেষ হওয়ার আগেই ফের ধমকে উঠল সৈকত,

“এই চুপ কর। মাথা খারাপ করে ফেলেছে একদম।”

অপরূপা ধৈর্য্য হারালম উঠে বসল সে। চেপে ধরল সৈকতের টিশার্টের কলার। হিংস্রতা ভর করল শরীরে।

“এই জানোয়ারের বাচ্চা, কেন করলি এমন? জবাব দে কেন করলি? কেন আমার জীবনটা নষ্ট করলি?”

সৈকতের যেন যা-ই আসলো না। সে অপরূপার হাত ছাড়িয়ে ধাক্কা দিল।

“বেশ করেছি। আমার জীবন, আমার যা খুশি আমি তা-ই করব। ভালোই তো রেখেছিলাম, এত গভীরে জানতে গেলি কেন?”

পরমুহূর্তেই সৈকতের গালে পড়ল চড়। একে একে কয়েকটা চড় বসাল অপরূপা। সে আর নিতে পারছে না। সৈকতের মস্তিষ্ক জ্বলে উঠল। নারী সকল কিছুর ভাগ দিতে পারলেও নিজের স্বামীর বেলায় একবিন্দু ছাড়ও সে দিতে রাজি নয়। সেখানে তার স্বামী কি-না অন্য একটি মেয়ের জন্য তাকে ঠকালো! বিষয়টা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না অপরূপা। চড় খাওয়ার পর কয়েক সেকেন্ড স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল সৈকত। যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না অপরূপা তাকে মেরেছে! তার চোখে ধীরে ধীরে জমতে লাগল ক্রোধ, অপমানের আগুন। মুহূর্তেই রক্তিম হলো চোখ জোড়া।

“তুই… তুই আমাকে মারলি?”

অপরূপার বুক ওঠানামা করছে দ্রুত। চোখ জোড়া তার লাল, চুল গুলো এলোমেলো। সে থামেনি, থামার অবস্থাতেও নেই। কলার চেপে ঝাকাল সৈকতকে। কাঁদতে কাঁদতে বলল,

“মারব না? কম মারছি! তুই এর থেকেও বেশি প্রাপ্য! চার বছর… চার বছর ধরে আমি কী ছিলাম তোর কাছে? খেলনা? নাকি সময় কাটানোর পুতুল? কেন করলি এমন?”

সৈকত হঠাৎ ঝাঁপিয়ে উঠল। তার হাত শক্ত করে চেপে ধরল অপরূপার কবজি।

“বেশি নাটক করিস না! যা হয়েছে, হয়েছে।”

“নাটক?”

অপরূপার গলা কেঁপে উঠল,

“আমার সংসার ভাঙছে, আমার স্বামী অন্য মেয়ের কাছে যাচ্ছে, এটা তোর কাছে নাটক?”

“হ্যাঁ, নাটক!”

একটু থেমে দাঁত চেপে বলল সৈকত,

“কারণ তুই নিজেই নিজের জীবন জটিল করছিস। আমি তোকে ভালোই রেখেছিলাম। বাড়ি, টাকা, যা লাগছে সবকিছু দিচ্ছি। আর কী চাই তোর?”

অপরূপা হেসে উঠল। একটা তিক্ত, ভাঙা হাসি। বিদ্রুপ নিয়ে আওড়াল,

“ভালো রেখেছিলি? ভালোবাসা ছাড়া সবকিছু দিয়ে মানুষকে ভালো রাখা যায় না, সৈকত। আমি আপনার স্ত্রী ছিলাম… কিন্তু আপনি কখনো আমাকে নিজের মানুষ ভাবেননি। আমাকে ভালোবাসেননি।”

সৈকতের ধৈর্য্য এবার ভেঙে গেল। হঠাৎ করে সে অপরূপাকে জোরে ধাক্কা দিল। অপরূপা বিছানার পাশে পড়ে গেল, কাঁধটা শক্ত মেঝেতে লেগে ব্যথায় মুখ বিকৃত হয়ে উঠল তার। সৈকত বসল তার সামনে। অপরূপার লম্বা চুল গুলো হাতের মুঠোই চেপে ধরল শক্ত করে। সতর্ক করল,

“চুপ করে থাকবি ,না-হলে ভালো হবে না বলে দিচ্ছি!”

কিন্তু অপরূপা এবার আর থামল না। ব্যথা, অপমান, রাগ সব মিলিয়ে সে যেন এক অদ্ভুত হিংস্র শক্তি পেয়ে গেছে।

“মার! আরও মার! এই তো পারিস তুই! তুই একজন প্রতারক, কাপুরুষ ছাড়া আর কিছু না!”

কথাটা শেষ হতেই সৈকতের হাত উঠল। একটা জোরালো চড়। শব্দটা পুরো ঘর জুড়ে প্রতিধ্বনি হয়ে বাজল। অপরূপার মাথা কেঁপে উঠল, ঠোঁট কেটে রক্তের স্বাদ পেল। কয়েক সেকেন্ড সবকিছু ঝাপসা হয়ে গেল তার চোখে। সৈকত থামেনি। আবার ধাক্কা দিল। হাতের বাঁধন শক্ত হলো।

“আমাকে শেখাবি তুই? তুই কে হে? আমার জীবন আমি চালাব। ঘরের বউ, বউয়ের মতোই থাকবি।”

অপরূপা ধীরে ধীরে উঠে বসল। তার চোখে মুখে কেবল শূণ্যতা। ছলছল চোখে তাকিয়ে প্রশ্ন করল,

“আপনি ওকে ছুঁয়েছেন, ঠিক যেভাবে ছুঁয়েছেন আমাকে। অথচ ভাগ্যবতী ওই নারী, কারণ সে আপনার ভালোবাসা পেয়েছে। আমি তো কেবল পেয়েছি মিথ্যা আশ্বাস আর অভিনয়।”

সৈকত উঠে দাঁড়াল। স্ব জোরে লাথি এসে পড়ল অপরূপার পেটে। সেলাই এ টান পড়তেই মেঝেতে পড়ে গেল অপরূপা। পেট চেপে চিৎকার করে উঠল,

“আল্লাহ গো!”

“খান**মা**, মুখে বুলি ফুটছে হ্যাঁ? শালি মাথায় উঠে গেছিস?”

অপরূপার কণ্ঠস্বর রোধ হলো। বাক্য ফুরোলো তার। ব্যথা ভুলে বিস্ময় নিয়ে চেয়ে রইল সে সৈকতের দিকে। এই মানুষটাকে সে চিনতে পারছে না। যাকে ভালোবেসে জীবনটা গড়ে তুলেছিল, সে আজ সম্পূর্ণ অপরিচিত। এইটা কি তার সেই সৈকত? ভাবনার মাঝেই ফের ভেসে এলো সৈকতের মুখে বিশ্রী গালিগুলো। চোখ বন্ধ করে নিল অপরূপা। না না, তার দ্বারা আর সম্ভব না। বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ছোট্ট পিহু তখন জাগ্রত হয়ে কেঁদে চলেছে। অপরূপা পেটে হাত রেখে কোনো রকম উঠে বসল। খুব শান্ত গলায় বলল,

“আমি চলে যাব।”

কথাটা বলার সময় বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল অপরূপার। কিন্তু গলায় কোনো কম্পন রাখল না সে। পিছুটান রেখে কী হবে যেখানে মানুষটাই তার নেই আর। সৈকত এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল। তারপর হেসে ফেলল। একটা তাচ্ছিল্যের হাসি।

“যেতে চাইলে এখনই যা। দরজা খোলা আছে।”

অপরূপা স্থির হয়ে গেল। সৈকত একটুও থামাল না। একবারও বলল না,

“যেও না, আমার ভুল হয়েছে।”

সব শেষ হয়ে গেছে এই সত্যিটা এবার পুরোপুরি স্পষ্ট হলো তার কাছে। ধীরে ধীরে বসা থেকে উঠে দাঁড়াল অপরূপা।

“আপনি আমাকে একটুও ভালোবাসেননি তাই না সৈকত?”

“না বাসিনি।”

সৈকতের স্পষ্ট জবাব। বুকটা জ্বলে পুড়ে খা হলো অপরূপার। শ্বাস আঁটকে এলো। তবুও প্রশ্ন করল,

“মেয়েটা কে? কত দিনের সম্পর্ক আপনাদের?”

সৈকত ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল,

“এতকিছু জেনে কী লাভ তোর?”

অপরূপা হাসলো। কী স্নিগ্ধ সেই হাসি। শুভ্র মুখটা লাল হয়ে আছে। সৈকতের একটুও মায়া হলো না। বরং নিজের টি শার্টের কলার ঠিক করতে করতে বলল,

“তোকে বিয়ে করেছি পরিবারের ব্ল্যাকমেইলে পড়ে। তোকে বিয়ে না করলে আব্বা ত্যাজ্য করত, আর অবনী আমার প্রেমিকা ছিল। সাত বছরের সম্পর্ক আমাদের। পাঁচ বছরের বিবাহিত জীবন। এখন তো আব্বাও মারা গেছে, সম্পত্তিও আমার। তোর ইচ্ছে হলে চলে যা।”

অপরূপার চোখের সামনে সব ঝাপসা হচ্ছে কেবল। একের পর এক ধাক্কা খেয়েই চলেছে সে! সে তবে সৈকতের প্রথম নয় বরং দ্বিতীয় স্ত্রী! এটাও শুনতে হলো শেষে। অপরূপা স্থবির। বুকের ভেতর হাহাকার গুলো বের হলো না। বরং ফের প্রশ্ন করল,

“আপনার প্রথম স্ত্রী জানে আমার কথা?”

“হ্যাঁ।”

সৈকতের স্পষ্ট জবাব। অপরূপার মস্তিষ্ক ক্রমশ ফাঁকা হয়ে আসছে।

“ব বাচ্চা…”

প্রশ্নটা পুরোটা আর করতে হলো না। তার আগেই জবাব এলো,

“হ্যা আছে, তিন বছরের ছেলে আছে।”

ব্যাস! বিছানায় বসে পড়ল অপরূপা। আর কিচ্ছুটি বলার নেই তার। সৈকত এ পর্যায়ে কিছুটা নরম হলো। মাথা নিচু করে গম্ভীর স্বরে বলল,

“আমি তোমাকে ঠকাতে চাইনি। বাধ্য হয়ে বিয়েটা করেছি, না-হয় আব্বা তার সম্পত্তি দিত না। ওদিকে অবনীকেও আগেই বিয়ে করেছি সেই বিষয়টা তারা জানত না। আর আমি চাইনি তোমাকে তোমার অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখতে। তাই….”

“তাই আমার সাথে ভালোবাসার অভিনয় করলেন। আমাকে মিথ্যা ভরসা জুগিয়ে সংসার করলেন। এর পরেও আপনি আমাকে ঠকাননি?”

তাচ্ছিল্যে হাসলো অপরূপা। সৈকত নিশ্চুপ। সে চোখ তুলে তাকাল।

“তুমি চলে যেতে পারো, আমি ডিভোর্স দিয়ে দিচ্ছি।”

অপরূপার অনুভূতি মরে গেছে। সে তাকাল কান্নারত ছোট্ট পিহুর দিকে। ওর দিকে চেয়েই প্রশ্ন করল,

“আমার পিহুর কী হবে?”

“তোমার ওকে নিতে অসুবিধা হলে অনাথ আশ্রমে দিয়ে আসতে পারো। আমার কোনো চাওয়া নেই ওর প্রতি।”

আর যাইহোক, সৈকত তো একজন বাবা। বাবা হয়ে সে কী করে এই কথাটি বলতে পারল? একটুও বিবেকে বাঁধল না? অপরূপা তো অবাক হতেই ভুলে গিয়েছে। সে কেবল হাসলো৷ বলল,

“কখনো ওর সামনে অধিকার নিয়ে দাঁড়াবেন না, সৈকত খান। পিহুর উপর সকল অধিকার আপনি হারিয়েছেন আজ। ও কেবলই আমার, আমার মেয়েকে আমি দেখে রাখতে পারব।”

সৈকত নিশ্চুপ। সে কোমরে হাত রেখে তাকিয়ে আছে বড় জানালার দিকে। অপরূপা মিষ্টি করে হাসলো,

“যাকে ভালোবেসে আপনি আমাকে ছাড়লেন, সে যেন আপনাকে কখনো ছেড়ে না যায়। ঠকানোর যন্ত্রণা মানুষকে মৃত্যুর যন্ত্রণা অনুভব করায়, সে যন্ত্রণা যেন আপনাকে অনুভব করতে না হয়।”

সৈকত কিচ্ছুটি বলল না। তাকালও না। সে বড় বড় পা ফেলে প্রস্থান করল। ছোট্ট পিহু কাঁদতে কাঁদতে নিজেই ঘুমিয়ে গিয়েছে। নিষ্পাপ মুখ, শান্ত শ্বাস। এই ছোট্ট মানুষটা কিছুই জানে না, তার পৃথিবীটা কীভাবে ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে। অপরূপা তাকে কোলে তুলে নিল। বুকের সাথে জড়িয়ে ধরতেই তার ভেতরের সব শক্তি ভেঙে পড়ল। চোখ থেকে একের পর এক জল গড়িয়ে পড়তে লাগল পিহুের চুলে।

“আমার বাচ্চা… তোর কী দোষ ছিল বল?”

পিহু আধো ঘুমে নড়েচড়ে উঠল, মায়ের গায়ের গন্ধে মুখ গুঁজে দিল। অপরূপা বসে পড়ল মেঝেতে, মেয়েকে আঁকড়ে ধরে কাঁদতে লাগল নিঃশব্দে।

“আজ থেকে আমিই তোর মা, আমিই তোর বাবা। ওই নোংরা মানুষটার ছায়াও আমি তোকে মারাতে দেব না সোনা।”

ছোট্ট পিহু তো জানে না কিছু, বোঝে না কিছু। সে তো মায়ের স্পর্শে পরম আবেশে ঘুমাচ্ছে। অপরূপা চুমু খেল পিহুের কপালে। নিজেকে শান্ত করে বলল,

“যেখানে ভালোবাসা মর্যাদাহীন, সেখানে থেকে যাওয়া মানে নিজ অস্তিত্বকেই ক্রমশ নীরব মৃত্যুর দিকে সমর্পণ করা।”

____________